Engr Mohammad Enamul Huq

Engr Mohammad Enamul Huq -BSC Engg./BUET/1966. Retd. Member BTTB in 2000. Writer of CHANDROMASH. Now a public Figure in Bd

আমার ভুলের বোঝা কেউ বইবে না; আল্লাহর আজাবও কাউকে ছাড়বে না- বিষয়টা বুঝিয়ে বলবেন কি?সাধারণ মানুষ মনে করে যে, তাদের সওম/ঈদ ...
09/05/2026

আমার ভুলের বোঝা কেউ বইবে না; আল্লাহর আজাবও কাউকে ছাড়বে না- বিষয়টা বুঝিয়ে বলবেন কি?

সাধারণ মানুষ মনে করে যে, তাদের সওম/ঈদ পালনের ক্ষেত্রে যদি কোনও ভুল হয় তবে, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং সরকার এর জন্য দায়ী থাকবে। এটা একটা ভুল ও মহা মিথ্যা অজুহাত। কারণ, আল্লাহ সুরা আল মুদাসসিরের ৭৪:৩৮ আয়াতে বলে রেখেছেন- 'প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজের কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে'। সূরা বনী ইসরাঈলের ১৭:১৫ আয়াতে বলা হয়েছে- 'কেউ কারও বোঝা বহন করবে না'। সুরা বাকারার ২:৪৮ আয়াতে আরও পরিষ্কার করে বলা হয়েছে যে- 'আর সেই

দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না: কারও কাছ থেকে কোন ক্ষতিপূরণও নেওয়া হবে না এবং কোন রকম সাহায্যও পাবে না'।

অতএব শেষ বিচারের দিনে কেউ কাউকে সাহায্য করতে আসবে না। তাই বলতে হচ্ছে যে, যারা এই ভুল পরামর্শ দিচ্ছেন অথবা অনুসরণ করছেন তাদের কেউই আল্লাহর বলা দোজখের আজাব থেকে রেহাই পাবেন না। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ করছি দয়া করে "চাঁদ দেখে রোজা রাখ, চাঁদ দেখে ঈদ কর"- এই মিথ্যা হাদীস দিয়ে এই দেশের জনগনকে আর ধোকা দেবেন না।

চান্দ্রমাসে পূর্ণিমা কখন হয়?পূর্ণিমা চান্দ্রমাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাই পূর্ণিমা ১৪/১৫ তারিখে হলে মাস হয় ২৯/৩০ ...
09/03/2026

চান্দ্রমাসে পূর্ণিমা কখন হয়?

পূর্ণিমা চান্দ্রমাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাই পূর্ণিমা ১৪/১৫ তারিখে হলে মাস হয় ২৯/৩০ দিনে। এটা কোরআন, সহীহ হাদীস এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের কথা। সারা বিশ্বের মানুষ খালি চোখে পূর্ণিমা দেখতে পায়। তাছাড়া হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টানরা সঠিকভাবে চান্দ্রমাস গণনার মাধ্যমে পূর্ণিমার দিন তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করে থাকে। অথচ বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মাস শুরুর ১/২ দিন পরে মাস গননা শুরু করে। ফলে দেরীতে শুরু করায় তাদের হিসাবে মাসের ১২/১৩ তারিখে পূর্ণিমা হয়ে যায়। এইভাবে ২৫/২৬ দিনে মাস শেষ হবার কথা। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিজেদের তহবিল থেকে ৪ দিন যোগ করে ২৯/৩০ দিনে মাস পুরা করে। এমন অদ্ভুত হিসাব বলে দেয় যে, বাংলাদেশ চান্দ্রমাস গণনায় ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করছে।

এই ভুলের আরেকটা সম্ভাব্য কারন হচ্ছে যে, বাংলাদেশের আলেম সমাজ মনে করে ইসলামী চান্দ্রমাস অন্যদের চাইতে আলাদা। তাই পার্থক্য থাকতেই পারে। আমি সবিনয়ে বলব যে, চাঁদ কোন ধর্ম চিনে চলাচল করে না। সে আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে। আপনারা যদি হিসাবে ভুল করেন সেটাতো আপনাদের দোষ, চাঁদের দোষ নয়। এমন কি যেই আল্লাহ চাঁদকে চালান সেই আল্লাহরও দোষ নয়। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। তাই আবারো অনুরোধ করছি আল্লাহকে অপরাধী বানাবেন না। নিজেদের ভুল সংশোধন করুন। মানুষ এমন পাগলামি বুঝেও কিছু বলছে না। এমন শুভঙ্করের ফাঁকি ধরার মতো কেউ কি এই দেশে জন্ম নেয় নি? তারপরও নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, উম্ম আল-কুরা হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলে এমন ভুল কখনো হবে না।

দিন ও রাত কি ভাবে হয় তা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলা যায় কিনা?উত্তরঃ এই সহজ কথাটা অধিকাংশ মানুষ সহজে বুঝে না। ফলে বেশীর ভাগ মানু...
09/02/2026

দিন ও রাত কি ভাবে হয় তা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলা যায় কিনা?

উত্তরঃ এই সহজ কথাটা অধিকাংশ মানুষ সহজে বুঝে না। ফলে বেশীর ভাগ মানুষ একই দিনে (তারিখে ও বারে) ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিশ্বব্যাপী সওম/ঈদ পালনকে অসম্ভব মনে করেন।

১) প্রথমতঃ তাঁরা জানেন ১২ ঘন্টায় দিন আর ১২ ঘন্টায় রাত হয়। অতএব ১২ ঘন্টা সময়ে সারা বিশ্বে সওম/ঈদ সম্ভব হতে পারে না।

২) দ্বিতীয়তঃ তাঁরা জানেন বাংলাদেশে যখন দিন আমেরিকায় তখন রাত। তাই ১২ ঘন্টার মধ্যে সারা
বিশ্বে সওম/ঈদ কখনো সম্ভব নয়।

৩) তাঁরা জেনেও বুঝতে চান না যে, দিন ও রাত মিলে ২৪ ঘন্টা দিয়ে একটা দিন (তারিখ ও বার) হয়। কিন্তু ১২ ঘন্টা দিয়ে একটা তারিখ ও বার হয় না বা হতে পারে না।

৪) পৃথিবী যেহেতু গোল সেহেতু ১২ ঘন্টার দিন আর ১২ ঘন্টার রাত একটার পর আরেকটা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে। এটাকে বলা হয় পৃথিবীর আহ্নিক গতি।

৫) ফলে পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে IDL থেকে সূর্য উদিত হওয়ার পর থেকে সেই উদয় সারা পৃথিবী ঘুরতে থাকে। এই ভাবে সেই সূর্যোদয় সকল দেশ ঘুরে ২৪ ঘন্টা পরে পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তের পরে IDL এ এসে শেষ হয়। এই ভাবে সকল দেশ সূর্যোদয় পায়। একই ভাবে সকল দেশ সূর্যাস্তও পায়। অর্থাৎ সকল দেশ ১২ ঘন্টার দিন এবং ১২ ঘন্টার রাত মিলে ২৪ ঘন্টার পুরা একটা তারিখ ও বার পায়। তাই দিন কথাটা শুনলে মানুষ দ্বিধা দন্দে পড়ে যায়, মনে খটকা লাগে। কিন্তু তারিখ বললে সমস্যা হয় না।

৬) এই ভাবে সকল দেশ একই তারিখে ও বারে বিশ্বব্যাপী সওম/ঈদ পালন করতে পারে। উপরে যা বলা হল তা দিন ও রাত কি ভাবে হয় তার ভাষাগত ব্যখ্যা। এবার ২৪ ঘন্টায় রাত ও দিন কিভাবে হয় ছবি দিয়ে তা হাতে কলমে শেখানোর চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ। সাথে পৃথিবী যে ৩৬৫ দিনে সূর্যের চারিদিক ঘুরে এসে এক সৌরবৎসর বানায় তাও বুঝে ফেলা যাবে খুব সহজে। প্রথমটার নাম হচ্ছে পৃথিবীর আহ্নিক গতি আর দ্বিতীয়টার নাম হচ্ছে পৃথিবীর বার্ষিক গতি। বিষয়টা খুবই সহজ ও খুবই মজার। আগে যদি না জেনে থাকেন তবে বিষয়টা হবে চিরদিন মনে রাখার মত একটা ব্যাপার।( এবার নীচের ছবিটা দেখুন।কমেন্ট বক্সে👎) রাতের বেলা একটা অন্ধকার কামরার মাঝখানে তিন ফুট উচা একটা গোল টেবিলের উপর একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। আপাততঃ এটাই হচ্ছে আপনার জন্য সূর্য। আপনি নিজেকে মনে করবেন পৃথিবী। এখন আপনি টেবিলের চারিদিকে এক চক্কর ঘুরে আসুন। আপনার সময় লেগেছে সম্ভবত এক মিনিট। কিন্তু সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর এই এক চক্কর ঘুরে আসতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন। এই পুরো চক্করটার নামই হচ্ছে পৃথিবীর বার্ষিক গতি। কি খুব সহজ মনে হয় না?

এবার পৃথিবীর আহ্নিক গতির কথা বলব। আপনি রুমের কোন এক যায়গায় সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপর দাড়ানো অবস্থায় লাটিম যেভাবে ঘোরে আপনিও আস্তে আস্তে সেভাবে ঘুরতে থাকেন। হাটবেন

না কিন্তু। এই এক চক্কর ঘুরার সময় আপনি একবার আস্তে আস্তে বাতির আলো দেখতে পাবেন। বাতির দিকে পুরোপুরি মুখ করার পর সেই বাতির আলো আস্তে আস্ত চলে যেতে থাকবে। তারপর আলো চলে যাবে এবং অন্ধকার এসে যাবে। কিছুক্ষন পর অন্ধকার চলে গিয়ে আলোর আভা দেখতে পাবেন। এই আলোর আভা হচ্ছে সূর্যোদয় তারপর দিনের দুপুর পেরিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসবে সূর্যাস্ত। আলোকময় সময়টা হচ্ছে দিন আর অন্ধকার সময়টা হচ্ছে রাত। এই ভাবে ১২ ঘন্টায় দিবা ও ১২ ঘন্টায় রাত্রি বানিয়ে পৃথিবীটা প্রতিদিন ২৪ ঘন্টায় নিজ অক্ষের (মেরু দন্ডের) উপর চক্কর খেতে থাকে। এটার নামই হচ্ছে পৃথিবীর আহ্নিক গতি। আশাকরি বিষয়টা খুব সহজেই বুঝে ফেলেছেন।

বর্তমানে যারা স্থানীয় ভাবে সওম/ঈদ পালন করেন, তারা কি ভুল করেন?উত্তর: অতীতে যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে তেমন কিছুই ছিল না ত...
09/01/2026

বর্তমানে যারা স্থানীয় ভাবে সওম/ঈদ পালন করেন, তারা কি ভুল করেন?

উত্তর: অতীতে যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে তেমন কিছুই ছিল না তখন প্রকৃত নতুন চাঁদের সংবাদ পাওয়া সম্ভব ছিল না। তাই ওজরের কারনে দেশে দেশে বা আন্চলিক ভাবে প্রথম দেখাকে নতুন চাঁদ মনে করে সওম/ঈদ পালন করতে হয়েছে। সেই সময়ের মেয়াদ ৬১০ সাল থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ধরা যায়। তারপর সেই অবস্থা বিরাজ করছে না। কারন মুহূর্তের মধ্যে সেটেল্লাইটের মাধ্যমে নতুন চাঁদ দেখার খবর সারাবিশ্বে প্রচার হয়ে যায়। তাই অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগে স্থানীয় ভাবে দ্বিতীয়া বা তৃতীয়ার চাঁদ দেখে সওম/ঈদ পালন করার প্রশ্নই আসে না। যারা এটা করবেন তাদের সওম/ঈদ পালন অতি অবশ্যই ভুল হবে। তাই কোরআন এবং হাদীসকে উপেক্ষা করে এবং শরীয়তের বিধিবিধানকে লঙ্ঘন করে এমন তাগুতি কাজ করা মহাপাপ হিসেবে গন্য হবে এতে কোনই সন্দেহ নেই।

কোন বিষয়ে কোরআন ও হাদীস যখন বিপরীতমুখী অবস্থানে চলে যায়, তখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান কি?উত্তরঃ সংক্ষেপে এর উত্তর হচ্ছে যে...
08/31/2026

কোন বিষয়ে কোরআন ও হাদীস যখন বিপরীতমুখী অবস্থানে চলে যায়, তখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান কি?

উত্তরঃ সংক্ষেপে এর উত্তর হচ্ছে যে, এমতাবস্থায় কোরআনের হুকুমকে অনুসরন করতে হবে, হাদীসকে নয়। তবে হাদীস সহীহ হলে তাকে বাতিল বলে গন্য করা যাবে না। এটাই হচ্ছে ইসলামী শরীয়তের হুকুম বা বিধান। উদাহরন হচ্ছে- কোরআন বার বার বলছে রাসুল (সাঃ) মাটির তৈরী; কিন্তু কিছু হাসান ও জয়ীফ হাদীস বলছে রাসুল (সাঃ) নূরের তৈরী। এখানে কোরআনের কথাকে গ্রহন করতে হবে, হাদীসকে নয়। এমন কি কোরআনের বিপক্ষে সহীহ হাদীস থাকলেও সেটা আমল করা যাবে না।

কোরআন বলছে সওম/ঈদ পালনে নতুন চাঁদের হিসাব কর; কিন্তু রাসুল (সাঃ) বলেছেন নতুন চাঁদ দেখে সওম/ঈদ পালন কর। এই দুই বক্তব্য পরস্পর বিরোধী মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে তা নয়। হিসাবের কথা আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেছেন ঠিকই, কিন্তু সেটা করতে হলে হিসাব জানতে হবে। যতদিন হিসাব জানা সম্ভব না হবে, ততদিন সর্বোত্তম ব্যবস্থা হিসেবে রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশ মোতাবেক নতুন চাঁদ দেখতে হবে। এমন কি যোগাযোগের অভাবে নতুন চাঁদের খবর না পাওয়া গেলে প্রথম দেখাকে নতুন চাঁদ মনে করে সওম/ঈদ পালন করা অতীতে শরীয়তের দৃষ্টিতে যায়েজ ছিল। কারন ফরজ রোজা ছাড়া যাবে না।

বর্তমানে সেই ওজর নেই। কারন কোরআনের কথা মত হিসাবের সাহায্যে নবচন্দ্র দর্শনকে নিশ্চিত করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীগন হিজরী ক্যালেন্ডার তৈরী করে দিয়েছেন। এর সাহায্যে বিশ্বমুসলিম উম্মাহ একই তারিখে ও বারে সওম/ঈদ পালন করছে। আমরা সেটা অনুসরন না করে যদি স্থানীয় ভাবে দ্বিতীয়ার চাঁদ দিয়ে সওম/ঈদ পালন করি তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। আশাকরি বিষয়টা বোধগম্য হয়েছে।

ইসলামে দিন ও তারিখের আরম্ভ কিভাবে হিসাব করা হয়?উত্তর: সাধারন ভাবে সবাই আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (IDL) থেকে দিন বা তারিখ অথ...
08/30/2026

ইসলামে দিন ও তারিখের আরম্ভ কিভাবে হিসাব করা হয়?

উত্তর: সাধারন ভাবে সবাই আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (IDL) থেকে দিন বা তারিখ অথবা মাস গননা শুরু করে। মুসলমানগনও তাই মেনে চলে। যেমন শুক্রবারের জুমার নামাজ সকল দেশের মুসলমান এক IDL থেকে শুরু করে আরেক IDL পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে একই শুক্রবারে ও একই তারিখে আদায় করে থাকে। তবে সময়ের হিসাব সূর্যের সাথে করতে হয়। এমন কি সওমের হিসাবও সূর্যের সাথেই করা হয়ে থাকে। নতুন চাঁদের কাজ শুধুই চান্দ্রমাস শুরু করে দেওয়া, আর কিছু নয়। বাকী সব নির্ভর করে সূর্যের উপর।

বিভিন্ন ধর্মে স্থানীয় ভাবে সূর্য দিয়ে দিন/তারিখ গননা করা হলেও শুরুর বিষয়টা কিন্তু আলাদা। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত সেকেন্ডে সেকেন্ডে স্থান পরিবর্তন করে। তাই যেকোন স্থানে ২৪ ঘন্টার দিন/তারিখের শুরু ও শেষ একেক ধর্মে একেক রকম। যেমন হিন্দু ধর্মে এক সূর্যোদয় হতে আরেক সূর্যোদয় পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার দিন/তারিখ ধরা হয়। ইসলাম ধর্মে এক সূর্যাস্ত থেকে আরেক সূর্যাস্ত পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার দিন/তারিখ ধরা হয়। খ্রীস্টান ধর্মে রাত ১২টা হতে পরবর্তী রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার দিন/তারিখ ধরা হয়। মোট কথা হলো ইসলাম ধর্মে রাত আগে আসে আর দিন পরে আসে। অতএব যখন বলা হয় যে, আগামী ১১-৩-২৪ তারিখ সোমবারে সওম শুরু হবে; তখন বুঝতে হবে যে, রবিবার দিবাগত রাতে সাহরী খেয়ে সওম রাখতে হবে। পর্ব-৪৮ এ দেওয়া হিজরী ক্যালেন্ডার দ্রষ্টব্য। আশাকরি বিষয়টা সকলের কাছে বোধগম্য হয়েছে।

আপনি কোরআনের আলোকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ব্যখ্যা তুলে ধরেছেন। যারা বিজ্ঞান জানেন না তাদেরকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বুঝাবেন কি ভাবে?...
08/29/2026

আপনি কোরআনের আলোকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ব্যখ্যা তুলে ধরেছেন। যারা বিজ্ঞান জানেন না তাদেরকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বুঝাবেন কি ভাবে?

উত্তরঃ না কথাটা মোটেও ঠিক নয়। কারন তাঁরা কোরআন জানেন এবং তার অর্থও জানেন। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বুঝতে না পারলেও আমাদের কথা শুনে বুঝতে মোটেও কষ্ট হবে না। যখন তাঁরা জানতে পারবেন, আমার কথাগুলো আসলে আমার না, কোরআনের কথা; তখন নিজেরাই আগ্রহ করে বুঝার চেষ্টা করবেন। কয়টা দিন অপেক্ষা করুন তখন এই পরিবর্তনটা নিজের চোখে দেখতে পাবেন। আমি হয়তো তখন এই পৃথিবীতে থাকব না। তাতে কি হয়েছে দ্বীনের খেদমতের পুরস্কার আল্লাহ নিজহাতে আমাকে দেবেন। আমি দুনিয়াতে কিছু পাওয়ার আশায় জান ও মাল খরচ করছি না। আমি যা করছি এতটুকু করার সৌভাগ্য কয়জনের হয়। আল্লাহুম্মা আমিন।

বাংলাদেশের আলেমগন বিজ্ঞান জানেন না, তাই বিজ্ঞানে বিশ্বাসও করেন না। তারা আপনার কথা না শুনলে কি করবেন?উত্তরঃ দিন রাত শুধু ...
08/27/2026

বাংলাদেশের আলেমগন বিজ্ঞান জানেন না, তাই বিজ্ঞানে বিশ্বাসও করেন না। তারা আপনার কথা না শুনলে কি করবেন?

উত্তরঃ দিন রাত শুধু হাহুতাশ করতে থাকব এমন কথা বলা কি ঠিক হবে? যারা বিজ্ঞান জানেন না এবং মানেন না তারা আমার কথা শুনবেন না এটাইতো স্বাবাভিক। তবে তাঁরা বিজ্ঞান মানেন না বললেও কিন্তু বিজ্ঞানের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে থাকেন। অতএব বিজ্ঞানের প্রতি তাঁদের আস্থা আছে। আর বিজ্ঞান না বুঝলেও সৌরক্যালেন্ডারের সাহায্যে তাঁরা বর্তমানে সকল কাজই করে থাকেন। সৌরক্যালেন্ডারতো তাদেরকে কেউ জোরকরে মানতে বাধ্য করে নি। তাহলে তাঁরা তা নিলেন কি করে? তাঁরা দেখেছেন সৌরক্যালেন্ডার এবং ঘড়ী তাঁদের ধর্ম ও কর্ম পালনকে দারুনভাব সহজ করে দিয়েছে। তাই তাঁরা নিজেদের প্রযোজনে তা গ্রহন করে নিয়েছেন।

হিজরী ক্যালেন্ডারও একই ভাবে সওম শুরু করা এবং ঈদ উদযাপন করার দিন/ তারিখ অগ্রিম বলে দিচ্ছে। এই কথাটা যখন তাঁদের বুঝে এসে যাবে তখন তাঁদেরকে বাধা দিয়েও ঠেকানো যাবে না। প্রায় ৮০% দেশ এই কথা বুঝে গেছে, তাই তাঁরা নিশ্চিন্তে অনুসরণ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের আলেমগন ও শীঘ্রই নিজেদের প্রয়োজনে তা অনুসরণ করবেন, আমাকে বলতেও হবে না।

উপরোক্ত পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে পবিত্র কোরআন থেকে কি কি তথ্য পাওয়া গেছে?১) সুরা আল বাক্কারার আয়াত-১৮৯ বলে দেয় ১২টা নতুন চ...
08/26/2026

উপরোক্ত পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে পবিত্র কোরআন থেকে কি কি তথ্য পাওয়া গেছে?

১) সুরা আল বাক্কারার আয়াত-১৮৯ বলে দেয় ১২টা নতুন চাঁদ দিয়ে ১২টা চান্দ্রমাস শুরু করতে হবে (২:১৮৯)।

২) সুরা ইয়াসীনের আয়াত-৩৯ বলে দেয় চাঁদ তার বাড়া কমার মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রীল অতিক্রম করে চান্দ্রমাস বানায় (৩৬:৩৯)।

৩) সুরা বাক্কারার আয়াত-১৮৭ বলে দেয় সওম রাখতে হবে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত হিসাব করে। এথেকে সূর্য দিয়ে দিন/তারিখ গননা করার হিসাবও পাওয়া গেল (২:১৮৭)।

৪) সুরা আত তাওবার আয়াত-৩৬ বলে দেয় ১২ মাসে বৎসর হবে এবং প্রতি বৎসর ১২ মাসে ১২টা নতুন চাঁদ হবে (৯:৩৬)।

৫) সুরা আর রাহমানের আয়াত-৫ বলে দেয় সৌরক্যালেন্ডার এবং চান্দ্রক্যালেন্ডার দুটোই আলকোরআনের ক্যালেন্ডার (৫৫:৫)।
তাছাড়া আরও অনেক আয়াতের মধ্যে সূর্য ও চন্দ্র যে হিসাব মোতাবেক নির্দিষ্ট মেয়াদে (আল্লাহর নির্দেশে) চলে তার উল্লেখ আছে।

৬) সুরা আল কাহাফের আয়াত-২৫ বলে দেয় সৌরক্যালেন্ডার এবং
চান্দ্রক্যালেন্ডারের মধ্যে সম্পর্ক ৩০০=৩০৯ বৎসর (১৮:২৫)।

যারা সৌরক্যালেন্ডার গ্রহন করেছেন তাদের জন্য হিজরী ক্যালেন্ডার গ্রহন করা কি জরুরী?উত্তরঃ শুধু জরুরী নয় বরং অবশ্য করনীয় কর...
08/25/2026

যারা সৌরক্যালেন্ডার গ্রহন করেছেন তাদের জন্য হিজরী ক্যালেন্ডার গ্রহন করা কি জরুরী?

উত্তরঃ শুধু জরুরী নয় বরং অবশ্য করনীয় কর্তব্য। কারন সুরা আর রাহমানের আয়াত-৫ এ বলা হয়েছে যে- "সূর্য ও চন্দ্র (আল্লার দেওয়া) হিসাব মত চলে (৫৫:৫)। সূর্যের হিসাবে সৌরক্যালেন্ডার পেয়েছি এবং চন্দ্রের হিসাবে চান্দ্রক্যালেন্ডারও পেয়েছি। দুটোই কোরআনের হুকুম মোতাবেক বিজ্ঞানীগন করে দিয়েছেন। একজন ঈমানদার মুসলমান একটা মানবে অন্যটা মানবে না- তা কোনদিন হতে পারে না। যদি তা করে তবে বুঝতে হবে তাঁরা ঐ আয়াতের প্রথম অর্ধেক বিশ্বাস করলেন আর বাকী অর্ধেক বিশ্বাস করলেন না। আল্লাহর আয়াতের প্রতি এমন আচরন করা কোন ঈমানদার বান্দার পক্ষে কখনো সম্ভব হতে পারে না। তাই আল্লাহ তাআলা সতর্ক করে বলেছেন- "তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশ বিশ্বাস কর আর কিছু অংশ অবিশ্বাস কর (২:৮৫)। তারপর বলা হয়েছে- "এরাই তারা যারা আখিরাতের বিনিময়ে দুনিয়াকে গ্রহন করে নিয়েছে" (২:৮৬)। প্রকারান্তরে এতে করে কোরআনকে অমান্য করা হল।

সৌরক্যালেন্ডার পাওয়ার পর সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখা লাগে না। তাহলে হিজরী ক্যালেন্ডার পাওয়ার পর নতুন চাঁদ দেখা লাগবে কেন? তাই হিজরী ক্যালেন্ডার মানা বর্তমানে সবার জন্য অবশ্য করনীয় কর্তব্য।

Address

Blaine
Plymouth, MN

Telephone

+17633137581

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr Mohammad Enamul Huq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr Mohammad Enamul Huq:

Shortcuts

Share