Kawsar Ahammed

Kawsar Ahammed Nothing to say about me. Kicho na

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়াবহ সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্...
23/02/2026

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়াবহ সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভিতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস — লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।
সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!
মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।
১৯৯৮ সালে জার্মানিতেও প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটে। চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।
প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।
লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!
মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে হিংসা করে, ঘৃণা করে, অপছন্দ করে নানান কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?
রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে একজন মানুষের আরেকজনকে ঘৃণা বা অপছন্দ করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। মানুষ অকারণেই তার আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী বা সহকর্মীকে হিংসা করে, পরিচিত অপরিচিত বিভিন্ন লোকের নামে বদনাম রটিয়ে বেড়ায়, অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে — কেননা মানুষের স্বভাবই অমন! মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর, ভণ্ড এবং স্বার্থপর।
তাহলে প্রশ্ন জাগে, পৃথিবীতে কি সত্যিকারের ভালো মানুষ বলে কিছু নেই? হ্যাঁ, আছে, হাতেগোনা অল্পকিছু। বাকিরা — যাদেরকে আপনি ভালো বলে মনে করেন — তারা আসলে সুযোগের অভাবে ভালো। পর্যাপ্ত সুযোগ পেলেই তারা আপনাকে তাদের আসল রূপ দেখিয়ে ছাড়বে।
(সংগৃহিত)

20/02/2026

1st Friday Ramadan 26

সুন্দর আকাশ।Kawsar Ahammed
18/02/2026

সুন্দর আকাশ।
Kawsar Ahammed

18/02/2026

1st Ramadan

Ramadan vibes 
18/02/2026

Ramadan vibes 

10/02/2026

মানুষকে খুশি করতে বেশি কিছু লাগে না, এই রকম কিছু কাজ পেলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষায় থাকা যায়.
*যে কাজে মানুষের মন ছুয়ে যায়. আম জনতাকে প্রতিফলিত করতে পারে.

আগের সরকার ও তার পছন্দের মানুষদেরই তার আসে পাশে রাখতেন.সেটা সব দিক থেকেই, ধরেন বাহিনী, সরকার, মিডিয়া এক কথায় সব দিক দি...
27/01/2026

আগের সরকার ও তার পছন্দের মানুষদেরই তার আসে পাশে রাখতেন.
সেটা সব দিক থেকেই, ধরেন বাহিনী, সরকার, মিডিয়া এক কথায় সব দিক দিয়ে .
উনাকে জবাব দিহিতার জায়গায় যাতে না যেতে হই. যদি আমি স্বচ্ছ থাকেন তাহলে জবাবদিহিতায় থাকতে আপনার ভুল কি?
তারেক রহমান ও একই কাজ করতেছে , তার চাটা সব লোকদেরকে তার আসে পাশে গেশাচ্ছেন.

আসলে আমাদের রাজনীতিতেই সমস্যা . কেউ ভালো না ,
নিজেকে ভালো ভাবে রাখতে পারে না.

স্মার্ট মানুষের স্মার্ট চিন্তা ভাবনা. সর্ব মিত্র যদি অন্য কোনো দলের হতো কোনো দিন ও এত দ্রুত এত কাজ করতে চাইতো না. আবার স...
27/01/2026

স্মার্ট মানুষের স্মার্ট চিন্তা ভাবনা. সর্ব মিত্র যদি অন্য কোনো দলের হতো কোনো দিন ও এত দ্রুত এত কাজ করতে চাইতো না.
আবার সেটা নিয়ে সমালোচনা হলে সেখান থেকে কোনো দিন ও পদত্যাগ করতে চাইতো না.

বিদেশের মাটিতে এমন হাজার হাজার নেতা আছে যারা তাদের কাজের তিল পরিমাণ ভুল হলে অথবা সমালোচনা হলে ই নিজের জায়গা থেকে পদত্যাগ করে.
উন্নত দেশের সব জায়গায় এটি দেখবেন. কিন্তু আমাদের দেশে না.

আপনি যদি আপনার দেওয়া কাজের উপর আপনার দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হউন সেখান থেকে সরে দাঁড়ানো ই হলো স্মার্ট এবং বুদ্ধিমানের কাজ.

তার মানে এই না যে সর্ব মিত্র ভুল বা অন্যায় করেছেন. সর্ব মিত্র এবং তার জোট ইতিহাসের সেরা সময় উপহার দিচ্ছেন.

05/12/2025

ওভার স্মার্টনেস অথবা ওভার জ্ঞানী হিসেবে বহিঃপ্রকাশ মাধ্যম হলো নিজেকে "নাস্তিক" হিসেবে প্রকাশ করা।

03/12/2025

মানুষ এখন স্বাধীনচেতা,
তাই, খুনীরা হই বিশ্বনেতা!
এটা শুনতে, লাগবে তিতা,
সত্যি ভাই এটাই বাস্তবতা.

সত্যি কথাটাই রসিকতা, মনে হলো ইসরাইল এর কথা.
মানুষ নইতো পশুত্বটা.
মানব জীবন গেল বিথা,
দেখি, নাই" কোথাও মনুষ্যত্ব.

স্বার্থ -ক্ষমতার প্রভূতত্তা, কবর" তো ভাই পরম সত্য.

মনে মনে ভাবেনআমি যখন মোবাইল ছাড়া কিছু ক্ষণ সময় পাই তখন ই চিন্তায় এই বিষয়টি নিয়ে ঢুবে থাকি সেটা হলো অবাস্তব.এই গাড়ি...
23/08/2025

মনে মনে ভাবেন

আমি যখন মোবাইল ছাড়া কিছু ক্ষণ সময় পাই তখন ই চিন্তায় এই বিষয়টি নিয়ে ঢুবে থাকি সেটা হলো অবাস্তব.
এই গাড়িটি কিছুটা চেনা চেনা লাগে, সামনে দিয়ে চলাচলের সময় হইতো বছরে ১-২ বার খিয়াল করেছি হইতো বা তারও কম, এই গাড়িটি নিয়ে লিখার কারণ এই গাড়িটি কোনো স্পেশ্যাল কোনো কিছু না।
ভাবতেছি এই গাড়িটি তো আমার মত বন্ধি না ঘুরে বেড়ায় সারা শহর, সারা দুনিয়া না, দেখে শহরের যত রং-ডং নারী-পুরুষ, উচু- নিচু সব বিল্ডিং, দুলা বালির বাতাস দেখে, বছরে দু-একবার বৃষ্টি, হাজার- হাজার মানুষ দোকানদার, এটার কাজ কিন্তু দোকানের মাল ছামানা ডেলিভারি দেওয়া।
ছুট বেলায় জগরা দেখতে ভালো লাগতো সেও হইতো দেখে অনেক জগরা কারণ ডেলিভারি দেওয়ার পরে টাকা নেওয়ার সময় কত কথা কাটাকাটি হই. তাকে হইতো ঐ রকম কেউ আদর স্নেহ করে না বেশি একটা কারণ গাড়িটির মালিক বা কোম্পানি তো আর ড্রাইভিং করে না দায়িত্বে থাকে ড্রাইভার ভাই, তাই হইতো ঐ রকম যত্ন কেউ নেই না. তিনি তো তার টাইম to টাইম দেখে গাড়ি রেখে ফুরুৎ। গাড়িটি জন্ম কালে হইতো খুব আদর করে হইতেছিল কারণ যে মানুষ গুলি বানিয়ে ছিল তারা হইতো তাদের সন্তানের মত আদর করে অনেক দিন সময় দিয়ে বানিয়ে ছিলেন।
গাড়িটির ভালো লাগার বিষয় টি কি হতে পারে?! একজন ভালো ড্রাইভার পাওয়া? নাকি একজন পাগলাটে ড্রাইভার পাওয়া? যে তাকে নিয়ে পাগলের মতো স্পীড বাড়িয়ে সব গাড়িকে পেছনে ফেলে যাবে?

নাকি তার পেট ফুল করে তাকে ফুয়েল দেওয়া? নাকি ধুয়া বের করে শহরের রাস্তা দিয়ে চলফেরা করা? এটা হইতো করতে পারবে না ইচ্ছা থাকেলও কারণ এটা নিষিদ্ধ।
ড্রাইভার ভাইকে তো জিবনে দেখেছি কিনা সন্দেহ তিনি হইতো বাড়িতে কথা বলতেছ রাগ করে আছেন বউ এর উপর কারণ হতে পারে কথা শুনে না! উনার হইতো আমার মত ই একই কাজ প্রতিদিন ভালো লাগে না😌 । হইতো উনার পছন্দের কাজ এটা ড্রাইভিং করা সারা শহর গুরে বেড়ানো! হইতো বা উনার পছন্দ ফটোগ্রাফি র মত অন্য কোনো পেশা, নইতো অন্য কিছু! আচ্ছা ৮০ দশকের মানুষের জিবনে লক্ষ্য কি ছিল চাকরী করা?
তার ঐ স্বপ্ন হইতো নেই ইচ্ছা আছে অঢেল টাকা থাকতো আর বউকে নিয়ে দেশ বিদেশ গুরে বেড়ানো আর আত্মীয়দের বাসায় দাওয়াত খাওয়া আর বউকে সুখ দেওয়া (আহারে জীবনের রুমান্টিক, হাতে গোনা কয়েকটা দিন থাকতে পারে বউ এর সাথে), কিন্তু সব কিছু তো স্বপনের মত না। আমি জানি এই কাজটা উনার ভালো লাগে না , কারণ বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত লাগবেই। উনার যে বয়স্ এই সময় উনার বউ ছাড়া বন্ধু কেউ নেই হইতো , তাহলে বউ এর সাথে কথা বলা ছাড়া বাকি সময়টা কি শুধুই ইউটিউব দেখে আর গান শুনে! আহারে বিরক্ত কর জীবন।

Address

Riyadh
14921

Telephone

+966572921841

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawsar Ahammed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kawsar Ahammed:

Share