A D H O R "/

A D H O R "/ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A D H O R "/, Camera/Photo, Dammam.

05/03/2024
ডিবোর্স পেপারে স্বাক্ষর করার মুহুর্তে আল্লাহর রহমতে স্বামী-স্ত্রীর নতুন করে মিলনের আলিঙ্গন..........ছবিতে যাদের দেখতে পা...
13/08/2023

ডিবোর্স পেপারে স্বাক্ষর করার মুহুর্তে আল্লাহর রহমতে স্বামী-স্ত্রীর নতুন করে মিলনের আলিঙ্গন..........

ছবিতে যাদের দেখতে পারছেন তারা স্বামী-স্ত্রী। তাদের ৮ বছরের বিবাহিত সংসার। একটা কন্যা সন্তানও আছে তাদের সংসারে। গত দুই বছর যাবত তাদের দাম্পত্য জীবনে ঝামেলা চলছিল। বহু চেষ্টা করেও সংসার জোড়া লাগানো যাচ্ছে না। প্রায় ছয় মাস আগে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় তারা সংসার বিচ্ছেদ করবে। আমি নানা ভাবে তাদের সংসার জোড়া লাগানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু কোন ভাবেই কিচ্ছু হচ্ছে না। পরিশেষে গতকাল তাদের ডিভোর্স করার তারিখ ঠিক করা হয়। দুঃখের বিষয় তাদের ডিভোর্স দেয়ার মতো যৌক্তিক কোন কারণ ছিলো না। স্ত্রীর ধর্মীয়,রাষ্ট্রিয় সামাজিক সব পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হলো।এখন ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর দেয়ার সময়। স্ত্রী অনেক কান্নাকাটি করছে। কোন ভাবেই স্বাক্ষর দিতে চাচ্ছেন না।অনেক চাপাচাপির পর স্ত্রী যখন স্বাক্ষর দিতে যাবেন তখনই আল্লাহর রহমত নেমে আসে। স্বামী স্ত্রী কে বাধা দিয়ে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে। এই সময় উপস্থিত সকলের চোখে আনন্দ অশ্রু প্লাবিত হয়। পরিশেষে তাদের মিলিত করতে পেরে খুবই মনে শান্তি পাচ্ছি। সবাই ওদের নতুন পথ চলায় দোয়া করবেন সবাই।

© ধন্যবাদ- Arman Al Habib, এমন একটি মহৎ কাজ করার জন্য।

ডিভোর্সের ২৫ বছর পর নিজের প্রাক্তন স্বামীকে নিজের বৃদ্ধাশ্রমে দেখে চমকে গেলাম । কিছু বুঝতে পারছিনা। এতোবছর পর মানুষটাকে ...
12/08/2023

ডিভোর্সের ২৫ বছর পর নিজের প্রাক্তন স্বামীকে নিজের বৃদ্ধাশ্রমে দেখে চমকে গেলাম । কিছু বুঝতে পারছিনা। এতোবছর পর মানুষটাকে এভাবে দেখতে হবে তা একদম অকল্পনীয় ছিলো।লোকটা একপাশে গুটিসুটি মেরে বসে আছে। দেখতে বড্ড অসহায় লাগছে। নিজের মধ্যে সংকোচ করছে তার সামনে যাবো কি যাবো না।অনেকটা জড়তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত তার সামনে গিয়ে দাড়ালাম।সামনে দাঁড়ানোর পরও লোকটার কোনো ভাবের পরিবর্তন হলো না, বুঝতে অসুবিধা হলোনা, যে সামনে থাকা মানুষটা চোখে দেখতে পায় না।

২৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে আমার সাথে বিয়ে হয়েছিলো সিফাতের। বেশ ভালোই চলছিলো আমাদের সংসার।যৌথ হওয়াতে পুরো পরিবার একসাথে থাকতাম।শান্ত স্বভাবের হওয়াতে সবার সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভালোই ছিলো। আমাকে সবাই ভালোবাসতো। বিয়ের প্রায় দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পরও যখন আমাদের সন্তান হচ্ছিল না তখন আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমাকে বিভিন্ন চাপ দিতে লাগলো।অবশেষে রিপোর্ট থেকে জানতে পারি, আমি কখনো মা হতে পারবেনা। এরপর শুরু হয় শ্বশুড় বাড়ির বিভিন্ন মানসিক যন্ত্রণা। তবুও নিশ্চুপ ছিলাম কারণ আমার পাশে আমার ভালোবাসার মানুষ সিফাত ছিলো।কিন্তু সুখ নামক বস্তু হয়তো সবসময় সয় না।আমার ক্ষেত্রেও তার বিপরীত কিছু হলো না।পরিবারের চাপে সিফাতও আমার থেকে দূরত্ব নিয়ে নিলো।তবুও নিজেকে মানাতাম যে মানুষটা মনের কষ্টে হয়তো এমন করছে।

শ্বশুর বাড়িতে থাকাটা যখন অনেকটা যন্ত্রণাদায়ক হয়ে গেলো তখন ঠিক করলাম কিছুদিন বাপের বাড়িতে গিয়ে উঠবো এতে হয়তো পরিবেশ কিছুটা শান্ত হবে।যেদিন রাতে সিফাতকে বাপের বাড়ির কথা জানালাম সেদিন রাতে তার কোনো উত্তর পেলামনা।কিন্তু আগেরকার সময়ে বাপের বাড়ি যাওয়ার কথা বল্লে তার মুখটা কালো হয়ে যেতো,এবারে তার মধ্যে তেমন পরিবর্তন হলোনা।

বাপেরবড়ি যাওয়ার প্রায় তিনদিন বাদে একটা কুরিয়ার এলো যাতে লেখা আছে সিফাতের বিয়ের কথা আর আমাদের ডিভোর্সের পেপার।চিঠি আর ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়েই আমার পুরো মাথা ফাঁকা হয়ে গেলো ।বুঝতে বাকি রইলো না পুরে বিষয়টা বহুদিন আগে থেকে পরিকল্পিত। শুধু আমার বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিলো।যার জন্য এতো কষ্ট আর অপমান সয়য়ে ছিলাম সেই যখন পাশকেটে চলে গেলো তখন নিজেকে পুরো একা মনে হলো।ভাবলাম ঐ বাড়ি গিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করবো,প্রতিবাদ করবো কিন্তু মনে হলো যার জন্য ও বাড়িতে যাবো সেই তো আমাকে চাই না তাই গিয়ে লাভ কি!!! ডিভোর্স পেপারে সাইন করে পাঠিয়ে দিলাম।ডিভোর্স পেপার পাঠানোর পর তার সাথে আর কখনো দেখা বা যোগাযোগ হয়নি কারণ আমি নিজেই সবটা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

ক্ষণে ক্ষণে মনে হতো আমার মতো নিঃসন্তান, স্বামী ত্যাগী মানুষের পৃথিবীতে না থাকা শ্রেয় কিন্তু একটা সময় বুঝতে পারলাম নিজের জন্য না হলেও অন্যের জন্য বাঁচতে হবে।নিজের মতো ভুক্তভোগী নারীদের জন্য বাঁচতে হবে।বাঁচতে হবে ওসব শিশুদের জন্য যারা পরিচয়হীন হয়ে বেঁচে আছে এ পৃথিবীতে। পেছনে ফেলে আসা মানুষগুলোর প্রতি কোনো অভিযোগ রইলোনা। ।মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, সমাজের তাদের জন্য কাজ করবো যারা নিজেদের ত্রুটির জন্য পরিবার পরিজনের কাছে আঘাতপ্রাপ্ত।অতীতকে ভুলে, কঠোর পরিশ্রমে একদিন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলাম।স্থাপিত করলাম এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, বিধবা নারীদের জন্য বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থা করেলাম।। আমার মতো যে সকল নারী এ সমাজে অবহেলিত, মানসিক আঘাতে জর্জরিত তাদের জন্য কিছু করতে পারাটাকে নিজের জন্য অনেক সৌভাগ্যের মনে হলো।

অসুস্থ আর অস্বাভাবিক লাগছে সিফাতকে।আমি নাহয় তার আপন ছিলাম না তাই আমাকে ছাড়তে তার হৃদয় কাঁপেনি তাহলে যারা তার আপন ছিলো তারা কেনো তাকে এখানে রেখে গেলো?? একজন সার্ভেন্টকে জিজ্ঞেস করলাম, ওনাকে এখানে কে এনেছে?? উত্তরে সে জানায়, সন্তানরা সবাই বিদেশ থাকে কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না তাই আশ্রমে রেখে গিয়েছে।দীর্ঘশ্বাস ফেল্লাম আর মনে মনে চিন্তা করলাম, একসময় নিঃসন্তান হওয়ায় সিফাত আমাকে ছেড়েছিলো আর আজ সে সন্তানরাই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছেড়ে গেলো। এটাই হয়তো প্রকৃতির খেলা!
সমাপ্ত।।

যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন 📕-সাহিত্য কুটির-📗

প্রেম করতে কিসের প্রয়োজন বেশি
12/08/2023

প্রেম করতে কিসের প্রয়োজন বেশি

বাবা
12/08/2023

বাবা

হাবিবি কাম টু সৌদি আরব
18/05/2023

হাবিবি কাম টু সৌদি আরব

Address

Dammam

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A D H O R "/ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category