DC's Diary

DC's Diary Travel Story and Photography Hi...Welcome to all in DC's Diary, here you get all my Travel Update and It's photography and Travel Story.

If you LIKE my photography and want to get it's update, don't forget to LIKE this PAGE. Click this LINK and hit LIKE button. You can SHARE my Travel Story and Photography or TAG your friends in it. For more update LIKE this page (DC's Imagery):- https://www.facebook.com/dibyendu.dcdiary

|| শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ ||আজ বুধবার সিদ্ধিদাতা গণেশের দিন। যে কোনও পুজোতেই নিয়ম সবার আগে গণেশের পুজো করে তারপর একে একে অন্যা...
15/04/2026

|| শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ ||
আজ বুধবার সিদ্ধিদাতা গণেশের দিন। যে কোনও পুজোতেই নিয়ম সবার আগে গণেশের পুজো করে তারপর একে একে অন্যান্য ঠাকুর দেবতার পুজোপাঠ। এছাড়া যে কোনো শুভকাজের ক্ষেত্রেও শুরুটা গণেশের (সাথে লক্ষ্মী) পুজোর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। তাই এই নতুন বছরের শুরুতে যেন সব মিলে মিশে এক হয়ে গেছে। আশা রাখবো সারা বছর সকলের সুন্দর ভাবে কাটবে, সকলে ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।।

#পয়লাবৈশাখ #শুভনববর্ষ #নববর্ষ #গনেশ #পূজা Dibyendu Chakraborty Dibyendu Chakraborty

09/04/2026

Celebrating my 14th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"আজকের পর্বে জানাবো শ্রী অন্তুর হোটেল সম্পর্কিত তথ্য। আগের পর্বেই বলেছিলাম যে শ্রী অন্তুতে হোটেল নি...
05/01/2026

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"
আজকের পর্বে জানাবো শ্রী অন্তুর হোটেল সম্পর্কিত তথ্য। আগের পর্বেই বলেছিলাম যে শ্রী অন্তুতে হোটেল নিয়ে হয়েছিল এক কাণ্ড, আজকে শোনাবো সেই গল্প।

শ্রী অন্তু সম্পর্কে নেট ঘেঁটে যেটুকু জেনেছিলাম তা হলো এখানে খুব সুন্দর একটি লেক রয়েছে এবং এই লেককে কেন্দ্র করেই মূল আকর্ষণ। এছাড়া এখান থেকে খুবই সামান্য কিছুটা পথ ট্রেক করলেই পৌঁছে যাওয়া যায় সূর্যোদয় দর্শন পয়েন্টে, যেখান থেকে অসাধারণ মুহূর্তের সাক্ষী হওয়া যায় ঠিক আমাদের দার্জিলিংয়ের টাইগার হিলের মতো।

শ্রী অন্তু যেহেতু এখনো ভ্রমনপ্রেমীদের কাছে সেরকমভাবে পরিচিতি হয়ে উঠতে পারেনি তাই খুবই স্বল্প তথ্য এর সম্পর্কে পাওয়া গিয়েছিল। হোটেলের সংখ্যাও এখানে কম সংখ্যকই বলা চলে। নেট থেকেই জেনেছিলাম এখানকার হোটেল PARADISE THE RESORT সম্পর্কে। এই হোটেলটির বেশ নামডাকও রয়েছে। সব ধরনেরই রুম এখানে উপলব্ধ তবে একটু কস্টলি, সেই মত আমাদের জন্য একটি রুম আগে থেকেই হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং করে রেখেছিলাম।

হোটেল PARADISE THE RESORT এ পৌঁছে দেখলাম এটি লেক থেকে অনেক দূরে এবং উপরের দিকে। কিন্তু ভালো ব্যাপার হলো সানরাইস পয়েন্ট যাওয়ার জন্য যেখান থেকে হাঁটা শুরু হয় এটি সেখানেই অবস্থিত এবং হোটেলের অবস্থান জঙ্গলের মধ্যে চারপাশটা বড় বড় গাছগাছালিতে ঘেরা। কিন্তু আমাদের ভাবনা যেহেতু ছিল লেককে কেন্দ্র করে, তার চারপাশে হেঁটে বেড়ানো তাই আমরা এই হোটেলটিতে থাকার পরিকল্পনা বাতিল করে চললাম লেকের দিকের হোটেল খুঁজতে। তবে এইটুকু সময় হোটেল সম্পর্কে যেটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছিল তা হলো এর রুমগুলির সাইজ বেশ অনেকটাই ছোট হলেও এদের ব্যবহার বা আন্তরিকতা যথেষ্ট ভালো।

এবার লেকের সামনে পৌঁছে পরলাম আর এক বিড়ম্বনায়। এখানে যে দুটি হোটেল দেখলাম তার ভাড়াও যেমন বেশি, রুম বা বাথরুমের অবস্থা কল্পনাতীত। একপ্রকার কোনো মেইনটেনেন্স নেই বললেই চলে। তুলনামূলক যে হোটেলটি ভালো লাগলো সেটি আবার ফুলবুকড। এখানে কোথাও থাকলে লেকটি হয়তো ভালো করেই ঘোরা যাবে কিন্তু সানরাইজ ভিউ পয়েন্ট যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে হবে কারণ সেটি বহু দূরে। এখন সমস্যা হলো আগের হোটেলটির বুকিং ক্যানসেল করে দিয়েছি, এগুলোও তথৈবচ, তাহলে থাকবো কোথায় ?

অবশেষে হাল ধরলেন ড্রাইভার ভাই, বললেন উপরের দিকে থাকাই বেশি ভালো হবে, কাল ফেরার পথে বরং লেক ঘুরে নেবেন। ওনার চেনা জানা একটি হোটেল আছে, ওটি পছন্দ না হলে আগের বাতিল করা হোটেলটিতে থাকতে হবে। অগত্যা সে পথেই আবার ফিরে চললাম।

ওই একই পথ দিয়ে ফিরে এসে উঠলাম HOTEL KHADKA COTTAGE-এ। একদম সানরাইজ পয়েন্টে হাঁটা শুরু করার মুখেই এটির অবস্থান, রুমগুলিও উপযুক্ত এবং সামনেই দিগন্ত বিস্তৃত ভিউ। একবার দেখাতেই পছন্দ হয়ে গেল এবং আর কালবিলম্ব না করে এখানেই রাত্রিযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম।

এদিক ওদিক হোটেল খুঁজতে খুঁজতে পেটে তখন ছুঁচোদের প্রতিবাদ সভা তুঙ্গে ; খাবারের অর্ডার দিয়ে ফ্রেস হতে হতে খাবার রেডি। টেবিলে ইয়া বড় আয়োজন শুধুমাত্র আমাদের সোয়া দুজনের জন্য - আমার, ওনার আর তুতুবাচ্চার। খাবারের স্বাদ সত্যি অতুলনীয়। সন্ধ্যার পকোড়া, রাতের চিকেন রুটি ডিনার এবং সকালের পুরি সবজি ব্রেকফাস্ট সবই পারফেক্ট। সাথে মাঝে মাঝে চায়ের কথা আর নতুন করে কি বলবো।

আগেই বলেছি শ্রী অন্তুতে খরচ তুলনামূলক সামান্য বেশি। এখানে আমরা ছিলাম ভারতীয় টাকায় 1500 টাকার রুমে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, ঝকঝকে রুমের সাথে ভালো খাবারের স্বাদের মেলবন্ধন ও আতিথেয়তা HOTEL KHADKA COTTAGE -এর USP।

আমি নিচে আমাদের আগে থেকে বুকিং করা কিন্তু পরবর্তীতে বাতিল করা PARADISE THE RESORT এর পাশাপাশি আমাদের রাত্রিবাস করা HOTEL KHADKA COTTAGE - দুটি হোটেলেরই যোগাযোগ নম্বর দিয়ে দিচ্ছি আপনাদের সুবিধার্থে ....

PARADISE THE RESORT : +977 9844669378
+977 9800905355

HOTEL KHADKA COTTAGE : +977 N/A

"তাজপুর ডায়রি"ভোরবেলার তাজপুর সমুদ্রসৈকত দর্শন পর্ব :-----------------------------------------------------------ডিনার প...
03/08/2025

"তাজপুর ডায়রি"
ভোরবেলার তাজপুর সমুদ্রসৈকত দর্শন পর্ব :-
----------------------------------------------------------
ডিনার পর্ব সেরে রাতে ঘুমোনোর প্রস্তুতি হয়তো নিতে হবেই কিন্তু মনের ভেতর একটা ইচ্ছাই বারবার ভাবনায় আসছিল, তা হলো কখন ভোর হবে এবং আমরা সমুদ্রে গিয়ে কতক্ষণে পায়ে জল লাগাবো। কারণ আজ খুব সকাল সকালই আমাদের এই হোটেল ছেড়ে নতুন হোটেলের সন্ধানে বেরিয়ে যেতে হবে এবং তার কারণ আজ অফিস মিটিং। পাশাপাশি আজকের থাকাও সম্পূর্ণ অন্য হোটেলে। কোনরকমে ভোর ভোর ঘুম ভাঙ্গতেই তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আমরা তিনজন বেরিয়ে পড়লাম সমুদ্র সন্ধানে।

গতকাল সন্ধ্যায় যদিও আমরা ঘুটঘুটে অন্ধকারে সমুদ্র পাড়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তার গর্জন কানে এলেও দুচোখ ভরে দেখার কোনো উপায়ই ছিল না। যদিও তাজপুরের মূল সৈকতের আলোক সজ্জা ভালোই লেগেছিল।

কিন্তু বেরোতে গিয়ে প্রথম যে বিপত্তির সম্মুখীন হতে হল তা হল হোটেলের মূল দরজা বন্ধ। কোনরকমই কারোকেই দেখতে পাওয়া গেল না। স্বাভাবিক ভাবেই তারা হয়তো ঘুমের দেশে। তাই তাদের কারকে অযথা বিরক্ত না করে নিজেরা পথ খুঁজতে লাগলাম। হয়তো বা পাঁচিল টপকে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় হয়তো নেই বলে যখন প্রায় স্থির তখনই নজরে পরলো হোটেলের পেছন দিকের একটি গ্রিলের গেট। গেটের কাছে যেতেই নজরে পরলো নিচের জমি বেশ অনেকটাই নিচু কিন্তু আমাদের কাছে তা কোনো প্রতিবন্ধকতাই নয়।

যেই ভাবা সেই কাজ, সেই পথে নেমে এসে বাঁশবাগানের পাশ দিয়ে এসে উঠলাম কালো পিচের মূল রাস্তায়। নীল আকাশ যেন তখন ব্যস্ত মেঘের সাথে সকালের সাজ সাজ খেলায়।।

ভোরবেলার তাজপুর

Exploring Tajpur at Morning ......

"তাজপুর ডায়রি"আহার গেস্টহাউসের খাবারের মেনু ও রিভিউ :--------------------------------------------------------------আহার...
24/07/2025

"তাজপুর ডায়রি"
আহার গেস্টহাউসের খাবারের মেনু ও রিভিউ :-
-------------------------------------------------------------
আহার গেস্ট হাউসের আরো একটা সুবিধা হলো হোটেলের একদম কাছেই স্থানীয় স্টেশনারি দোকান রয়েছে। টুকটাক প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন, খাবারের জল, চিপস, মুড়ি এরকম অনেক কিছুই পাওয়া যায়। যদিও হোটেলেও খাবারের জল দামে কিছুটা বেশি হলেও অপ্রতুল।

এই হোটেলের অন্যতম ভালো লাগা হলো খাবারের স্বাদ। সুস্বাদু প্রশংসা সম্মন্ধে কানে শুনে থাকলেও অভিজ্ঞতা জিভে জল আনা। যদিও তিন সহকর্মী মিলে অর্ডার করেছিলাম সামান্যই ; চিকেন পকোড়া, চিকেন মশালা সাথে রুটি।

ঠিকঠাক দামের পাশাপাশি যথাযথ পরিমাণ এবং স্বাদে সত্যিই অতুলনীয় বলা যেতে পারে। ওনাদের মেনুকার্ডে লেখাই আছে কম করে 1 ঘণ্টা সময় রেখে অর্ডার করার কথা, তাই সেইমত সময় হাতে রেখে খাবার অর্ডার করাই ভালো।।

আহার গেস্ট হাউস, তাজপুর

Aahar Guest House, Tajpur ......

"তাজপুর ডায়রি"আহার গেস্ট হাউসের রুম ও রিভিউ :--------------------------------------------------আহার গেস্ট হাউসে দুপাশে ...
23/05/2025

"তাজপুর ডায়রি"
আহার গেস্ট হাউসের রুম ও রিভিউ :-
-------------------------------------------------
আহার গেস্ট হাউসে দুপাশে সুন্দরভাবে সাজানো সারিবদ্ধ ঘরগুলির মধ্যে আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরে ঢুকতেই ভেতরের সাজানো গোছানো পরিবেশটিও বেশ নজর কেড়ে নিল। এখানে প্রতিটি ঘরেই AC আছে, প্রয়োজন না হলে Non AC হিসেবেও নেওয়া যেতে পারে।

রুমগুলিও প্রয়োজন মতো যথেষ্ট বড়ই এবং বাথরুমও যথেষ্ট বড় এবং সবথেকে বড় কথা সুন্দর পরিপাটি করে গোছানো এবং পরিষ্কার। আর সবথেকে আনন্দের যেটা সেটা হলো হোটেল থেকে বেরিয়েই মাত্র 25 মিটারের মধ্যেই মল্লিকাপুর সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার পথ এবং সমুদ্র সৈকত মাত্র 2 মিনিট দূরত্বে।

এছাড়া একদিনের পর্যবেক্ষণে হোটেল স্টাফদের মুখেও সবসময় সুমিষ্ট হাসি লেগে ছিল এবং মোটামুটি ভাবে সকলেই যথেষ্ট হেল্পফুল।

আহার গেস্ট হাউস, তাজপুর

Aahar Guest House, Tajpur ......

"তাজপুর ডায়রি"আহার গেস্ট হাউস :---------------------------তাজপুর পৌঁছতেই আমাদের হোটেল দেখে বেশ ভালোই নজরকাড়া লাগলো। তা...
27/04/2025

"তাজপুর ডায়রি"
আহার গেস্ট হাউস :-
--------------------------
তাজপুর পৌঁছতেই আমাদের হোটেল দেখে বেশ ভালোই নজরকাড়া লাগলো। তাজপুরে আমাদের হোটেল ছিল আহার গেস্ট হাউস। যদিও শুধু রাত কাটানোর জন্যই বুকিং করা হয়েছিল কিন্তু পৌঁছানোর পর হোটেলটি দেখে যথেষ্ট পছন্দ হয়ে গেল। এক অফিস কলিগের পূর্বে এই হোটেলে থাকার অভিজ্ঞতা থেকেই সামান্য কিছু অগ্রিমের বিনিময়ে এখানে বুকিং করা হয়েছিল।

পৌঁছে দেখলাম সুন্দর দুপাশে আলাদা আলাদা করে সাজানো ঘরগুলি এবং মাঝে বসার জন্য বেঞ্চ পাতা ও মাথায় খড়ের সুন্দর ছাউনী।

আহার গেস্ট হাউস, তাজপুর

Aahar Guest House, Tajpur ......

Chakraborty Dibyendu

"তাজপুর ডায়রি"কম খরচে এবং দ্রুত তাজপুর পৌঁছানোর গল্প :-----------------------------------------------------------------...
24/04/2025

"তাজপুর ডায়রি"
কম খরচে এবং দ্রুত তাজপুর পৌঁছানোর গল্প :-
-----------------------------------------------------------------
কম খরচে কয়েক ঘন্টায় কলকাতা থেকে তাজপুর ...

এবারের অফিস মিটিং ছিল তাজপুরে। সেইমতো ট্রেনের টিকিট কেটে নিয়েছিলাম। কনফার্ম টিকিট পেয়ে তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে চিন্তা একটা ছিলই - সময়সূচি ; অনিয়মিত সময়ে ট্রেনের যাওয়া - আসা। কোনোদিন বিকেল 3 টে - 4 টের সময় ছাড়ছে তো কোনোদিন রাত 8 টা - 9 টা। পৌঁছাচ্ছেও সেরকম সাড়ে 3 ঘণ্টা পর। এইভাবে যাওয়ার ঠিক আগের দুদিন মোটামুটি সঠিক সময়ের থেকে 1 ঘণ্টা লেট করেই কান্ডারী ছাড়লো। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো যাওয়ার দিন। ঠিক রাত 1 টার সময় ফোনে ম্যসেজ এলো ট্রেন ছাড়বে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে 3 ঘণ্টা 50 মিনিট লেট করে। অর্থাৎ ট্রেন বিকেলের পরিবর্তে ছাড়তে ছাড়তে সন্ধ্যা এবং পৌঁছোতে পৌঁছোতে মাঝরাত!!

পরেরদিন খুব সকালে মিটিং শুরু হবে, তাই যে করে হোক আগের দিনই পৌঁছতে হবে। অনেক আলোচনা করে ঠিক হলো বাসেই যাওয়া হবে, ধর্মতলায় সবাই দেখা করবো ঠিক দুপুর 1 টায়। যেই কথা সেই কাজ, সময়ে পৌঁছে গেলেও দীঘা যাওয়ার সব বাসই আকাশছোঁয়া ভাড়া ; কেউ 500 টাকা তো কেউ বলছে 1000 টাকা। তাছাড়া তাদের প্রস্থানের সময়ও মিনিট 10 -এর মধ্যেই, অর্থাৎ চারপাশে খুব একটা সার্ভে করার মতো সময়ও একদম নেই। প্রসঙ্গত বলে রাখি এক্ষেত্রে আমাদের গন্তব্য হবে বালিসাই বাস স্টপেজ (তাজপুরে যাওয়ার নিকটতম বাস স্টপেজ এটিই)।

কি করবো ভাবতে না ভাবতেই দেখি একটি বাস বেরোচ্ছে কিন্তু তাদের গন্তব্য কাঁথি হয়ে এগরা। তবু কি মনে হলো জিজ্ঞাসা করলাম। বললো কাঁথি পর্যন্ত চলুন ওখান থেকে অন্য বাস ধরে নেবেন, ভাড়া মাত্র 200 টাকা। সময় নস্ট না করে তিনজনেই উঠে পড়লাম ; যতটা এগিয়ে যাওয়া যায়, উপায় একটা না একটা ঠিক হয়েই যাবে। মাত্র 3 ঘণ্টার কিছু বেশি সময় শীততাপ খেতে খেতে ঝড়ের গতিতে পৌঁছে গেলাম কাঁথি।

বাস কাঁথি পৌঁছাতেই নামার সময় কন্ডাক্টর দাদা বলে দিলেন পিছনেই দীঘার বাস আসছে। বাস স্টপেজে টোটোকাকুর মায়াবী উপকারী ভাষণ "বালিসাই বাস স্টপেজ থেকে অটো 300 টাকা নিয়ে নেবে, আমি হোটেল পর্যন্ত ছেড়ে আসবো 400 দেবেন" ; যথারীতি উপেক্ষা করে দীঘার বাসে চাপতেই মাত্র 20 টাকা জনপ্রতি বিনিময়ে 30 মিনিটের মধ্যেই বালিসাই পৌঁছে গেলাম।

বালিসাই বাসস্ট্যান্ডে অটো রিসার্ভ গেলে 200 টাকা (ফিক্সড) এবং শেয়ারে গেলে 40 টাকা ; অটো ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত ছাড়বে না মর্মেই রাজি হয়ে আধ ঘণ্টা বসতে না বসতেই মিনিট 10-15 র মধ্যেই হোটেলের দরজায় পৌঁছে গেলাম। মাত্র 260 টাকায় ধর্মতলা থেকে তাজপুর পৌঁছানো এবারের ট্যুরের বেশ অভিনব অভিজ্ঞতা।।

কাঁথির পথে .....

Chakraborty Dibyendu

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"সূর্যমামার ঘুম ভাঙতে ঘরের পর্দা সরাতেই উপলব্ধি করলাম, কেন কন্যাম পূর্ব নেপালের রানী। তার রূপ জৌলুস...
08/09/2024

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"

সূর্যমামার ঘুম ভাঙতে ঘরের পর্দা সরাতেই উপলব্ধি করলাম, কেন কন্যাম পূর্ব নেপালের রানী। তার রূপ জৌলুস প্রত্যক্ষ করতে দেরি না করেই রেডি হয়ে বেরিয়ে পরলাম। বাইরে বেরোতেই চোখে ধরা দিল রূপবতী কন্যাম। যেদিকেই চোখ যাচ্ছে শুধু সবুজ আর সবুজ।

কন্যাম ম্যালে পৌঁছাতেই দেখি ম্যাল রোডের দোকান ততক্ষনে খুলে গেছে। নেপালি সুগন্ধি চায়ের সাথে গরম গরম নেপালি স্বাদের প্রাতরাশ সেরে নিতে তাই আর দেরি করলাম না। এরপর ম্যাল রোড ধরে কিছুটা হাঁটতেই বাদিকে উন্মুক্ত সবুজ চা বাগান এবং সামনে কন্যামের উচ্চতম পয়েন্ট ধাপ কাটা সিড়ি বেয়ে সোজা উপরে উঠে গিয়েছে।

সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতেই চোখ আটকে গেল। কি অপরূপা সৌন্দর্য প্রকৃতি নিজের তুলিতে যত্ন সহকারে তুলে ধরেছে। দিগন্ত বিস্তৃত চারিদিক শুধু সবুজ আর সবুজ চা বাগান আর সামনে উন্মুক্ত শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘার রেঞ্জ। সাদা আর সবুজের মিশেলের এক অনবদ্য আরামদায়ক অনুভূতি নিয়ে এরপর ধীরে ধীরে নেমে আসলাম। নেপালি পোশাকের সাজে এই মুহূর্ত বন্দি করতে চাইলে তার সবরকম ব্যবস্থাও এখানে আছে সাথে ঘোড় সওয়ারী হতে চাইলে তাও পাবেন।

এবারে ফেরার পথ ধরার সময় নজর গেল পথ পাশে দাড়িয়ে থাকা বিভিন্নরকম গাড়ি ও তাদের হাঁক। পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে দরদাম করে আরো একবার সুগন্ধি নেপালি চায়ের স্বাদ নিয়ে এবারের মত কন্যামকে টাটা করে উঠে বসলাম গাড়িতে।

এবার আমাদের গন্থব্য শ্রী অন্তু। কন্যাম থেকে ঘন্টা দেড় - দুয়েকের পথ। সুন্দর প্রকৃতির মাঝের এই পথ কখন যে কেটে গেল বুঝতেই পারলাম না। এখানেও আমাদের হোটেল কন্যামের মত আগে থেকেই হোয়াটস এপে কথা বলে রাখা ছিল। কিন্তু পৌঁছতেই হোটেল নিয়ে এক বিরাট সমস্যার সম্মুখীন হলাম। তবে সে গল্প করবো পরের পর্বে। কিন্তু সবশেষে যে হোটেলে আমরা উঠলাম, HOTEL KHADKA COTTAGE ; তার লোকেশন, ঘর - খাবার স্বাদ এবং সর্বোপরি সকলের আন্তরিক ব্যবহার সত্যিই মুগ্ধ করার মত। সম্পূর্ণ প্রকৃতির কোলে এর লোকেশন ; বাকি সময়টা তাই এর ঘন ছায়ায় পায়ে হেঁটেই কেটে গেল। দুপুরের সুস্বাদু অপরাহ্ন ভোজন সন্ধ্যার স্ন্যাক্স এবং রাতের খাবার খেয়ে আজকের দিন সাধারণ ভাবে কাটলেও কাল খুব সকাল সকাল ওঠার দিন, কারণ কাল সূর্যোদয় - মর্নিং ওয়াক করে জঙ্গল ট্রেক এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন সব মিলেমিশে একাকার হওয়ার দিন।

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"KANYAM HOTEL INFORMATION :------------------------------------আজ আপনাদের জানাবো পূর্ব নেপালের রানী...
06/08/2024

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"

KANYAM HOTEL INFORMATION :-
-----------------------------------

আজ আপনাদের জানাবো পূর্ব নেপালের রানী কন্যামের হোটেল সম্পর্কে। আগের ভ্রমণ পর্বেই আমি জানিয়েছিলাম যাওয়ার আগেই বেশ কিছু তথ্য ঘেঁটে আমি দুটি হোটেল নির্বাচন করে রাখি এবং তাদের সাথে WhatsApp -এ কথা কিছুটা এগিয়ে রেখেছিলাম, সেইমত কন্যাম পৌঁছে ঘর দেখে আমরা স্পট বুকিং করি।

এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, কন্যাম যেহেতু নেপালে অবস্থিত তাই সেখানে যোগাযোগ করতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই ISD ছাড়া উপায় নেই, কিন্তু এদের প্রতিটি হোটেলের যোগাযোগ নম্বর WHATSAPP এ উপলব্ধ। তাই নম্বর সেভ করে আপনার প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসা লিখে দিলেই ওনারা সঠিক সময়ে রিপ্লাই করে থাকেন। আর এই জায়গাটি যেহেতু এখনো প্রায় অফবিট বলা চলে, তাই হোটেল পেতেও খুব একটা অসুবিধা হয় না। এছাড়া আরো অনেক হোটেলও এখানে উপলব্ধ।

আমরা যে হোটেলে ছিলাম তার নাম HOTEL GREEN CARPET। বেশ সুন্দর হোটেল। সামনে উঠোনে প্রচুর সুন্দর ফুলের গাছ, সাথে পোষ্য রয়েছে একটি খুব সুন্দর খরগোশ এবং একটি কুকুর। এছাড়া ওদের বেশ কিছু মুরগি ও কিছু পাখিও রয়েছে। হোটেলের চারিদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ চা বাগানে আচ্ছাদিত। বাজেট, স্ট্যান্ডার্ড ও ডিলাক্স সব রকমের রুমই রয়েছে। আমরা ছিলাম 1300 টাকার স্ট্যান্ডার্ড রুমে।
আরো একটা ইনফরমেশন দিয়ে রাখছি, সেটা হলো ওরা রুম বা খাওয়ার ক্ষেত্রে যে রেটটা বলে থাকে সেগুলি সবই ওদের কারেন্সি অর্থাৎ নেপালে রুপিতে। ভারতের 1.6 ভাগ হলো নেপালি কারেন্সি। যদিও ওরা অনেকেই সেটা 1.5 বলে থাকে। তাই যেখানেই যা দরদাম করবেন তার যা রেট ওরা বলবে তা 1.5 বা 1.6 দিয়ে ভাগ করে সেই টাকা ভারতীয় টাকাতে পেমেন্ট করবেন। ভারতীয় টাকা সব জায়গাতেই চলে, তবে কিছু কিছু জায়গায় রিটার্নে ওরা নেপালি রুপি হিসেবে পেমেন্ট রিটার্ন করে থাকে।

নিচে আমি কন্যামের যে হোটেল দুটির সাথে যোগাযোগ করে কথা বলে রেখেছিলাম তার নম্বর আপনাদের সুবিধার্থে দিয়ে দিলাম .....

HOTEL GREEN CARPET : +977 9842127770

KANYAM VILLAGE COTTAGE : +977 9842010999
+977 9842633211

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"ঘুরতে যাওয়া তো আর বন্ধ করা যাবে না, কিন্তু মেয়ে ছোট তাই প্ল্যানটাও খুব বুঝে শুনেই করতে হবে। এখন ...
29/07/2024

"কন্যাকে নিয়ে কন্যাম"

ঘুরতে যাওয়া তো আর বন্ধ করা যাবে না, কিন্তু মেয়ে ছোট তাই প্ল্যানটাও খুব বুঝে শুনেই করতে হবে। এখন প্রথম পছন্দ তো পাহাড় কিন্তু এত ছোট বয়সে কি সেই রিস্ক নেওয়া ঠিক হবে ? যদিও মাস চারেক আগের পুরুলিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা একটা রয়েছে। অতএব ভেবে চিন্তে ঠিক করা হলো খুব বেশি উচ্চতায় নয় তবে পাহাড়েই ; এমন কোনো জায়গায় যাবো। সেই মত ভেবে চিন্তে শিলিগুড়ি পর্যন্ত কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা সম্পন্ন হলো এবং ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনালের দিনে একদিকে একরাশ দুঃখ, অপরদিকে একরাশ আনন্দ নিয়ে শুরু হলো বিদেশ যাত্রা।

ও এতক্ষন তো বলাই হয়ে ওঠেনি, আমরা চলেছি পূর্ব নেপালের রানী কন্যাম। শিলিগুড়ি পৌঁছে আমাদের পরিকল্পনা ছিল শেয়ারে মিরিক হয়ে পশুপতি মার্কেটে পৌঁছাবো। কারণ ভারত থেকে নেপালে ঢোকার ওটিও একটি বর্ডার। কিন্তু গাড়ি খুঁজতে গিয়ে দেখি একে তো সংখ্যায় খুবই নগণ্য এবং 4-5 টির প্রতিটিই প্রায় ভর্তি। গাড়ির বক্তব্য মিরিক হয়ে যেতে গেলে ফুল রিসার্ভ করে যেতে হবে, অগত্যা স্থির করলাম শেয়ারে ঘুম পর্যন্ত যাওয়া এবং সেখান থেকে পশুপতি মার্কেট। 250 টাকা সিট প্রতি শেয়ারে ঘুম পৌঁছে সেই এক সমস্যা, রিসার্ভ করা ছাড়া উপায় নেই কারণ শেয়ার পেতে গেলে খুব সকাল একমাত্র ভরসা। তাই সময় নষ্ট না করে 1000 টাকা রিসার্ভে পৌছালাম পশুপতি মার্কেট।

পশুপতি মার্কেটে খুব সামান্য ফর্মালিটি আপনাকে করতে হবে আর সেটা হলো আপনাকে প্রত্যেক সদস্যের আধার কার্ড অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে এবং ওনারা তা নিজেদের খাতায় লিখে নেবেন, সাথে শুধু এটুকু বলতে হবে আপনারা কতদিনের জন্য এবং কি কারণে নেপালে যাচ্ছেন। ব্যাস এইটুকুই। এরপর আমরা দরাদরি করে 1500 টাকার বিনিময়ে একটি ছোট গাড়ি করে কন্যাম পৌঁছাই আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখা হোটেল Green Carpet-এ। যাওয়ার আগেই প্রচুর তথ্য ঘেঁটে আমি দুটি হোটেল নির্বাচন করে রাখি এবং তাদের সাথে WhatsApp -এ কথা কিছুটা এগিয়ে রেখেছিলাম, সেইমত কন্যাম পৌঁছে ঘর দেখে আমরা স্পট বুকিং করি। আসার সময় কার্শিয়াংয়ে সামান্য বিরতির মোমো ততক্ষনে ভস্ম হয়ে গিয়েছিল, অতএব নেপালি থালি সাথে আলাদা করে ডিমের অমলেট অর্ডার করে সেই দিয়ে ভোজন সম্পন্ন করা হলো।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই সামান্য বিশ্রামের পর আমরা প্রথমেই ঘুরে নিই KANYAM VIEW POINT। হোটেল থেকে মিনিট সাতেকের দূরত্বে অবস্থিত এই ভিউ পয়েন্টটি, যদিও 'KANYAM' লেখা এই জায়গাটি আক্ষরিক অর্থেই হয়ে উঠেছে সেলফি পয়েন্ট। বিকেলের মিঠে রোদে ভীড় জমিয়েছেন লোকাল মানুষজনও, DJ গানের গমগম ধ্বনির সাথে ছবি তোলার হিড়িক তখন তুঙ্গে। চাইলে ছবি তুলে সঙ্গে সঙ্গে বাধিয়ে দেওয়ার সবরকম বন্দোবস্ত এখানে উপস্থিত। সম্পূর্ণ চা বাগানে ঘেরা এই ছোট্ট হিল স্টেশনটি এককথায় অসাধারণ, অনবদ্য। যেদিকেই চোখ যাক না কেন শুধু সবুজ আর সবুজ।

এরপর আমরা যাই সামান্য দূরের কন্যাম ম্যাল রোড। হাঁটা পথে মিনিট পাঁচেক। রাস্তার ধারে সারি দেওয়া সব দোকান, ঠিক স্টলের মত সাজানো। সন্ধ্যা নামতে না নামতেই এখানে নির্দিষ্ট সময়ে ম্যাল রোডের সব দোকান বন্ধ হয়ে যায়, তাই দেরি না করে নেপালি স্বাদের অতি পরিচিত কিছু খাবার পরখ করে ফিরে আসি নিজ স্থানে এবং এভাবেই কাটে কন্যামের প্রথম রাত।।

Address

Ilam
Ilam

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DC's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share