Emon Photography

Emon Photography Hey frndzzzz......i'm Empn.....i'm a photographer....here i sharing some of my own photography......

https://www.facebook.com/share/p/1DoxCiDtnq/
09/01/2025

https://www.facebook.com/share/p/1DoxCiDtnq/

রোগীটি আমার কাছে এসেছে সাত ঘাটের পানি খেয়ে। তাঁর ভাষায় সমস্যা বেশী কিছু না। নীচের চোয়ালের সামনের দাঁতের গোড়ায় একটা ঘা হয়েছে আর তাতে দাঁত গুলো নড়ে। রোগী শরণাপন্ন হন স্থানীয় এক হাঁতুড়ে বা কোয়াক দন্ত চিকিৎসকের। এই কোয়াক আবার এক কাঠি সরেস পরামর্শ দিলেন দাঁত ফেলে দেন। ঘা ভালো হয়ে যাবে। যেমন কথা তেমন কাজ ফেলে দেওয়া হলো দাঁত। কিন্তু ঘা তো আর ভালো হয় না। বরং দ্বিগুন গতিতে ঘা বাড়তে থাকে। একের পর এক ঔষধ খেয়েও যখন ঘা ভালো হচ্ছিলো না তখন শরনাপন্ন হন ডা: Md Zakir Hossain এর কাছে। ডা: জাকিরের জহুরি চোখ মূহুর্তেই বুঝে ফেলে ঘটনা কি। সে রোগীটিকে আমার কাছে রেফার করে। কিন্তু রোগী তো আর আমার কাছে আসে না। এ দুয়ার ও দুয়ার ঘুরে অবশেষে আমার কাছে আসে। আমি মাংস পরীক্ষার করি। অতপর ধরা পড়ে মুখের ঘা টি ছিল আসলে ক্যান্সার । কিন্তু ততক্ষণে পার হয়ে গেছে মূল্যবান ৪ টি মাস। এর মধ্যেই ক্যান্সার ছডিয়ে পড়েছে আশপাশে। চিকিৎসা পদ্ধতি এখন হয়ে গেছে আরো জটিল আরো ব্যয়বহুল। অথচ শুরুতেই যদি তিনি একজন বিডিএস ডিগ্রী ধারী ডেন্টাল সার্জনের / ডাক্তারের শরণাপন্ন হতেন, সময়মতো চিকিৎসা করাতেন হয়ত বেঁচে যেতো সময়, অর্থ আর মহামূল্যবান জীবন।

Md rifayet hossain ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

28/11/2024

দাসী তার মালিকের দেশে চলে যাওয়ার পরে বিদুৎ নিয়ে তাদের নাটক, যা কয়েক যুগ আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি।

যারাই ভারতের বিরোধিতা করে এই ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে ভারত এবং তার দালালরা বারবার তাদের বুকে আঘাত হেনেছে

03/08/2024

وَبَرَزُوۡا لِلّٰہِ جَمِیۡعًا فَقَالَ الضُّعَفٰٓؤُا لِلَّذِیۡنَ اسۡتَکۡبَرُوۡۤا اِنَّا کُنَّا لَکُمۡ تَبَعًا فَہَلۡ اَنۡتُمۡ مُّغۡنُوۡنَ عَنَّا مِنۡ عَذَابِ اللّٰہِ مِنۡ شَیۡءٍ ؕ قَالُوۡا لَوۡ ہَدٰىنَا اللّٰہُ لَہَدَیۡنٰکُمۡ ؕ سَوَآءٌ عَلَیۡنَاۤ اَجَزِعۡنَاۤ اَمۡ صَبَرۡنَا مَا لَنَا مِنۡ مَّحِیۡصٍ ٪

এবং সমস্ত মানুষ আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। যারা (দুনিয়ায়) দুর্বল ছিল, তারা বড়ত্ব প্রদর্শনকারীদেরকে বলবে, আমরা তো তোমাদেরই অনুগামী ছিলাম। এখন কি তোমরা আমাদেরকে আল্লাহর আযাব থেকে একটু বাঁচাবে? তারা বলবে, আল্লাহ যদি আমাদেরকে হিদায়াত দান করে থাকতেন, তবে আমরাও তোমাদেরকে হিদায়াত দিতাম। এখন আমরা চিৎকার করি বা সবর করি উভয় অবস্থাই আমাদের জন্য সমান। আমাদের নিষ্কৃতি লাভের কোন উপায় নেই।

—ইব্রাহীম - ২১

01/09/2020

#হাজিব_আল_মানসুর :
#যে_সেনাপতি_পরাজিত_হননি_একটি_যুদ্ধেও..

একজন শাসক। একজন যােদ্ধা। একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন কিন্তু কখনােই পরাজিত হননি। তাঁর পতাকা কখনাে ভূলুণ্ঠিত
হয়নি। জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে তিনি ইতিহাসের অনেক বিখ্যাত সেনাপতির চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।

যুদ্ধের ময়দানে তিনি সাথে রাখতেন নিজ হাতে লেখা
কুরআনুল কারিম। যখনই সময় পেতেন কুরআনুল কারিম তেলাওয়াত করতেন। তাঁর ভয়ে ইউরােপ ছিল তটস্থ। তাঁর মৃত্যুতে তারা ফিরে পেয়েছিল স্বস্তি। তাঁর মৃত্যুও হয়েছিল জিহাদের ময়দানে।

তিনি মুহাম্মদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আবি আমের। ইতিহাস তাঁকে চেনে হাজিব আল মানসুর নামে।
হাজিব আল মানসুরের জন্ম দক্ষিণ আন্দালুসের জাজিরাতুল খাদরায়। সময়টা ছিল ৩২৬ হিজরি। খ্রিষ্টীয় হিসেবে ৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দ। এই গ্রামটি ছিল কুরতুবার কাছেই।এই গ্রামের পথ ধরেই মুসলমানরা প্রবেশ করেছিলেন আন্দালুসে। এই পথ অতিক্রম করেছিলেন তারিক বিন যিয়াদ, মুসা বিন নুসাইর ও আবদুর রহমান
আদ-দাখিলের মতাে বরেণ্য সেনানায়করা। এখানেই বেড়ে ওঠেন হাজিব আল মানসুর।

তিনি ঘােড়া দাপিয়েছেন উত্তরে বিস্কে উপসাগর ও
আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল পর্যন্ত। তাঁর বাহিনী অতিক্রম করেছিল এমনসব এলাকা, তাঁর আগে কোনাে সেনাপতি বা শাসক যে পর্যন্ত যেতে পারেনি।
তিনি কখনাে জয় করেছিলেন সাখরা অঞ্চল, আবার কখনাে ছুটে গিয়েছেন সেন্ট ইয়াকুব নগরীতে। কখনাে তাঁর বাহিনী ঝড়ের গতিতে আছড়ে পড়েছে সান
স্টিফেন দুর্গে। তিনি অতিক্রম করেছিলেন পার্বত্য এলাকা, তাঁর সামনে বাধা হতে পারেনি দুর্গম বন্ধুর পথ।

প্রতিটি অভিযান থেকে ফিরে তিনি পরনের পােষাক ঝেরে ধুলােবালি সংগ্রহ করতেন। তারপর তা একটি বােতলে জমা করে রাখতেন। তিনি অসিয়ত করে গিয়েছিলেন, তাঁর কাফনের সাথে যেন এই ধুলােবালিও দিয়ে দেয়া হয়। মূলত তিনি একটি হাদিসে বর্ণিত সুসংবাদের প্রতি লক্ষ রেখেই এমনটা করেছিলেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর পথের ধুলাে ও জাহান্নামের আগুন একত্রিত হবে না।

৩৭১ হিজরিতে তিনি হাজিব আল মানসুর উপাধি ধারণ করেন। একবার তিনি সংবাদ পান নাফার রাষ্ট্রে তিনজন মুসলিম নারীকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। দ্রুত
তিনি বিশাল বাহিনী প্রস্তুত করে ফেলেন। এই বাহিনী উপস্থিত হয় নাফার রাষ্ট্রের সীমান্তে। নাফার সম্রাট আতংকিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, আপনারা কেন এসেছেন।তাকে বলা হয়, আপনার রাজ্যের একটি গির্জায় তিনজন মুসলিম নারীকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। নাফার সম্রাট জানান, এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এবং দ্রুতই তিনি এর সমাধান করবেন। সম্রাট নিজের উদ্যোগে সেই তিন মুসলিম নারীকে মুক্ত করেন। এর সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের সবাইকে শাস্তি দেন।এমনকি হাজিব আল মানসুরকে সন্তুষ্ট করার জন্য তিনি গির্জাটিও ভেঙে ফেলেন।

একরাতে হাজিব আল মানসুরের এক কর্মচারী তাঁকে বললেন, আমাদের মনিবের চেহারার ক্লান্তি বলে দিচ্ছে তাঁর এখন ঘুম দরকার। নিদ্রাহীনতা তাঁকে অসুস্থ করে
দেবে। জবাবে হাজিব আল মানসুর বললেন, যখন প্রজারা ঘুমায় তখন শাসনকর্তা ঘুমাতে পারে না। যদি আমার ঘুম দীর্ঘ হয় তাহলে এই রাজ্যের সমৃদ্ধিও ঘুমিয়ে
যাবে।

হাজিব আল মানসুর ইন্তেকাল করেন ৩৯৪ হিজরিতে। তাঁর কবর ফলকে কেউ একজন লিখে দিলেন, তাঁর কৃতকর্মই তােমাকে তাঁর সম্পর্কে জানাবে, মনে হবে
তুমি নিজ চোখেই তাঁকে দেখছে। তাঁর সময়কালের মতাে সময় হয়তাে আর আসবে না। উপকূলীয় শহর হয়তাে আর কখনাে উত্তপ্ত অগ্নিগর্ভ হবে না।

তারপর বহুদিন গত হলাে। আন্দালুস হয়ে পড়লে বিভক্ত। উত্তরে শক্তি সঞ্চয় করলাে খ্রিষ্টানরা। তারা দখল করে নিল একের পর এক রাজ্য। আলফান্সে দখল করে নিল হাজিৰ আল মানসুরের শহর মাদিনাতুস সালেম।
আলফান্সের নির্দেশে হাজিব আল মানসুরের কবরের উপর তাবু গাড়া হলাে।সেখানেই রাখা হলাে আলফান্সের শােয়ার খাট। আলফান্সে তার স্ত্রীসহ সেই খাটে বিশ্রাম নিচ্ছিল। হঠাৎ সে বলে উঠলাে, বাহ, আমি মুসলমানদের রাজত্ব দখল করেছি এবং তাদের সম্রাটের কবরের উপর আমার খাট রেখেছি।
উপস্থিত একজন বলে উঠলাে, যদি এই কবরে শুয়ে থাকা ব্যক্তি জীবিত থাকতেন তাহলে আপনি আজ এখানে থাকা দূরের কথা এই রাজ্যের দিকে চোখ তুলে
তাকানাের সাহসও পেতেন না। তিনি আমাদের কাউকেই ছাড়তেন না। এই কথা শুনে আলফান্সো রেগে যায়। তখন তার স্ত্রী তাকে বলে, সে সত্যই বলেছে। তুমি কি নিজেকে তার (হাজিব আল মানসুর) মতাে মনে করাে?

© ইতিহাসের পাতা
লেখক - ইমরান রাইহান

নয় যিলহজ্ব ফজর হতে তের যিলহজ্ব আছর পর্যন্ত মোট তেইশ ওয়াক্তের নামাযের পর একবার করে তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। জামাতে ন...
29/07/2020

নয় যিলহজ্ব ফজর হতে তের যিলহজ্ব আছর পর্যন্ত মোট তেইশ ওয়াক্তের নামাযের পর একবার করে তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়া হোক বা একাকি, পুরুষ(জোড়ে) বা নারী(আস্তে), মুকীম বা মুসাফির সকলের উপর ওয়াজিব।

22/07/2020

টাখনুর উপরে কাপড় পরার বিধান...

অনেকের কাছে টাখনুর উপরে কাপড় পড়তে লজ্জা লাগে,তাদের অনেকেই আবার হাফ প্যান্ট/ 3 কোয়ার্টার প্যান্ট পড়েন....

19/07/2020

যিলহজ্জের প্রথম দশক, তাৎপর্য, আমাদের করনীয়।
রমাজানের পরে ইবাদাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম যিলহজ্জের এই দশটি দিন, অন্য সব দিনের মতো যাতে আমাদের এই দশটি দিন কেটে না যায়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সারাজীবন যিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব বোঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক।

আলোচনায়ঃ শায়খ আহমাদুল্লাহ

10/07/2020

মুয়াজ্জিনের মর্যাদা এবং আজানের জবাব দেয়ার অবিস্মরণীয় সাওয়াব

আলোচনায়ঃ শাইখ আহমাদুল্লাহ

ইউটিউব লিংকঃ https://youtu.be/R6E43Xo4lZo

02/07/2020

হতাশা দূর করার জন্য করনীয়

02/07/2020

যদি কেউ বিপদগ্রস্থ হয় এবং বিপদে পতিত হয়ে এই দু'আটি পাঠ করেঃ

إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِى فِى مُصِيبَتِى وَأَخْلِفْ لِى خَيْرًا مِنْهَا إِلاَّ أَخْلَفَ اللهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন, আল্লাহুম্মা জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলিফ লী খইরম মিনহা)

অর্থ:“আমরা তাে আল্লাহরই। আর নিশ্চয় আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ! আমাকে আমার বিপদে সওয়াব দিন এবং আমার জন্য তার চেয়েও উত্তম কিছু স্থলাভিষিক্ত করে দিন।

সহিহ মুসলিমে সংকলিত এক হাদীস থেকে জানা যায়, উম্মে সালামা( রদিয়াল্লাহু আনহা)বলেন, আমি রসূল(সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)থেকে শুনেছি, কোন মুমিন বান্দার যদি কোন মুসিবাত হয় আর সে বলে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, এবং সাথে বলে আল্লাহুম্মা জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলিফ লী খইরম মিনহা’।

অতঃপর যখন (আমার স্বামী) আবু সালামাহ মারা গেলেন তখন আমি বললাম, ‘মুসলিমদের মধ্যে আর কে এমন ব্যক্তি আছে যে (আমার নিকট) আবু সালামার চেয়ে ভালো হবে? যার পরিবার ছিল আল্লাহর রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি প্রথম হিজরতকারী পরিবার।’ আমি (মনে মনে) এরূপ বারবার বলতাম। অতঃপর আল্লাহ তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বিনিময় স্বরূপ আমাকে দান করলেন। তিনি হাত্বেব বিন আবী বালতাআহকে আমার নিকট বিবাহের পয়গাম দিয়ে পাঠালেন।

আবু সালামার চাইতে রসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) উত্তম পাত্র নয় কী?

দু'আ কবুল এভাবেই করে থাকেন সুমহান রব্ব। আল্লাহ তা'আলা তাঁর দু'আ কবুল করেন। আল্লাহ তা'আলা তাঁর বিপদ দূর করেন এবং তাঁর চাইতে উত্তম জিনিস তাকে দান করেন।

24/06/2020

Indirizzo

Via Anco Marzio
Fiumicino

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Emon Photography pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Condividi

Digitare