Kazirul ইসলাম

Kazirul ইসলাম ༺❀๑▬▬▬༺๑﷽๑༻▬▬▬๑❀༻
༺��༺▬﷽▬༻��༻




༺�﷽�▬﷽▬�﷽�༻





༺��༺▬﷽▬༻��༻
༺❀๑▬▬▬༺๑﷽๑༻▬▬▬๑❀༻

26/05/2026
গরুর ভেতর সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো খাওয়া এক্কেবারে নিষিদ্ধ..? 👇
26/05/2026

গরুর ভেতর সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো খাওয়া এক্কেবারে নিষিদ্ধ..? 👇

স্ত্রীকে বলে গেলেন, কাজে যাচ্ছি। কিন্তু গেলেন তার বান্ধবীর বাসায়, যার স্বামী একজন দারোয়ান।দারোয়ানটি ওই সময়েই বাড়ি ফিরল...
14/01/2026

স্ত্রীকে বলে গেলেন, কাজে যাচ্ছি। কিন্তু গেলেন তার বান্ধবীর বাসায়, যার স্বামী একজন দারোয়ান।

দারোয়ানটি ওই সময়েই বাড়ি ফিরল, আর আপনি লুকিয়ে পড়লেন খাটের তলায়।

দারোয়ান স্ত্রীকে পাঠাল তার বাবার বাড়িতে।

তখনো আপনি খাটের তলায়।

আপনি শুনতে পেলেন, দারোয়ান ফোনে তাড়াতাড়ি আসতে বলছে কোনো এক মহিলাকে।

মহিলা এলো।

বাবার বাড়িতে না গিয়ে ফিরে এলো দারোয়ানের স্ত্রী! শাড়িতে নাকি ময়লা লেগেছে, পাল্টাবে।

দরজা খোলার আগে, দারোয়ান মহিলাটিকে খাটের তলায় লুকিয়ে পড়তে বললো।

তখনো আপনি খাটের তলায়।

মহিলাও ঢুকে পড়ল খাটের তলায়।

দেখলেন সে আপনার স্ত্রী।

দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলেন খরগোশের মতো।

একে আমরা স্কুলে বলতাম পুণর্মিলনী!
সামাজিক ক্ষেত্রে এর নাম গেট টুগেদার।
অংকে একে আমরা বলি সিমাল্টেনিয়াস ইকুয়েশন।
মনোবিজ্ঞানে এই পরিস্থিতিকে বলা হয় রিভার্স সাইকোলজি!
ধর্ম বইয়ে একে বলে কর্মফল।
কেমিস্ট্রিতে এটি চেইন রিয়েকশান।
ইকোনোমিক্সে একে বলে ডিমান্ড এণ্ড সাপ্লাই।
ফিজিক্সে এরই নাম নিউক্লিয়ার ফিউশান।


゚viralシalシ
゚ ゚

আমাদের নবীএমন নেতা যার ইন্তেকালের ১৪০০+ বছর পরেও তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে গোটা বিশ্ব কেঁপে উঠে.!আলহামদুলিল্লাহ..!♡
17/11/2025

আমাদের নবী

এমন নেতা যার ইন্তেকালের ১৪০০+ বছর পরেও তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে গোটা বিশ্ব কেঁপে উঠে.!

আলহামদুলিল্লাহ..!♡

দিন শেষে একটা-ই ভরসা!!"হাসবুনাল্লাহু ওয়ানিমাল ওয়াকিল" - আমার জন্য আমার আল্লাহই যথেষ্ট!ইনশা'আল্লাহ.....
14/11/2025

দিন শেষে একটা-ই ভরসা!!

"হাসবুনাল্লাহু ওয়ানিমাল ওয়াকিল" - আমার জন্য আমার আল্লাহই যথেষ্ট!

ইনশা'আল্লাহ.....

02/11/2025
ছোট একটা বাচ্চা কুকুর আঁচড় দিয়েছিলো।আঁচড়টা নরমাল ছিল তাই তিনি এতটা পাত্তা দেয় নাই বিষয়টা।রেবিস হওয়ার পর ডাক্তাররা ...
25/10/2025

ছোট একটা বাচ্চা কুকুর আঁচড় দিয়েছিলো।আঁচড়টা নরমাল ছিল তাই তিনি এতটা পাত্তা দেয় নাই বিষয়টা।রেবিস হওয়ার পর ডাক্তাররা ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছিল কিন্তু তিনি তার আগেই মারা গেছেন।রেবিস আক্রান্ত রোগী মৃত্যুর আগে পাগলের মত আচরণ করে তখন ডাক্তার বুঝে যায়।তিনি যখন শেষ পর্যায়ে তখন নার্সরা সবাইকে রুম থেকে বের করে দিয়ে রুম তালা মেরে দিয়েছে।কারণ শেষ পর্যায়ে তারা পাগল হয়ে যায়।সামনে যাকে পাবে তাকে কামড় বা আঁচড় দিবে এই রোগী যাকে কামড় দিবে তারও মৃত্যু ১০০০% নিশ্চিত হয়ে যাবে।দরজা তালা দেওয়ার পরে ইমাম সাহেব বাঁচার জন্য কি করলো।কত চাইলে রুম থেকে বের হতে।দৌড়াদৌড়ি ছটফট করতে লাগলো।স্বজনরা জোড় করল নার্সদেরকে যে একটু দরজাটা খুলে দেওয়ার জন্য যাতে তাকে একটু ধরে রাখতে পারে কিন্তু নার্সরা দিল না বলল আমরা আপনাদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারব না।উনি কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যাবে অপেক্ষা করুন।১৪০০ বছর আগে আমাদের নবীজি বলে গেছেন কুকুর নাপাক প্রাণী।১৪০০ বছর পর মেডিকেল সায়েন্স বলছে জলাতঙ্ক রোগের ভেকসিন নাই ওই ধরনের কুকুরকে আপনি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে আপনারও হয়ে যেতে পারে জলাতঙ্ক রোগ।রিবিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে না। রেবিস ভাইরাস আমাদের চামড়ার নিচে সাদা যে একটা চর্বির আস্তর থাকে সেই চর্বি থেকে মাথায় চলে যায়।প্রথমে আমাদের ব্রেন আক্রমণ করে ব্রেইন ইনজুর করে দেয় পরে আস্তে আস্তে আমাদের গলাতে নামতে শুরু করে আমাদের গলার যে নার্ভ থাকে সে নার্ভকে ধ্বংস করে দেয়।গলার নার্ভের কারণে আমরা পানি খেয়ে থাকি বা অন্যান্য খাবার খেয়ে থাকি। ড্যামেজ হয়ে গেছে তাই খাবার খেতে গেলেই শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।কি ভয়ংকর তাই না।

জলাতঙ্ক রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথা ও গলা ব্যথা এবং কামড়ের জায়গায় ঝিনঝিন বা চিনচিন অনুভূতি। পরবর্তীতে আচরণগত পরিবর্তন দেখা যায়, যেমন অতিরিক্ত লালা পড়া, গিলতে অসুবিধা, পানির প্রতি ভয় বা আতঙ্ক, বিভ্রান্তি, উদ্বেগ এবং ঘুমের সমস্যা। উন্নত পর্যায়ে আংশিক পক্ষাঘাত, খিঁচুনি এবং কোমাও হতে পারে।
প্রাথমিক লক্ষণ
জ্বর, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, কামড়ের জায়গায় ঝিনঝিন বা চিনচিন অনুভূতি.
পরবর্তী লক্ষণ
অতিরিক্ত লালা পড়া, গিলতে অসুবিধা, পানির প্রতি তীব্র ভয় বা আতঙ্ক (হাইড্রোফোবিয়া), বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা (অনিদ্রা).
উন্নত পর্যায়ের লক্ষণ
আংশিক পক্ষাঘাত, অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা, খিঁচুনি, কোমা.

সাবধান থাকুন সাবধানে রাখুন 🙏💝

এখনকার বাচ্চারা জানেই না আগে আমাদের কী কী কারণে পেটানো হতো - 🙂১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে। ২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে। ৩. ন...
28/04/2025

এখনকার বাচ্চারা জানেই না আগে আমাদের কী কী কারণে পেটানো হতো - 🙂

১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে।
২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে।
৩. না-মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে।
৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে।
৫. খেলতে গিয়ে মাইর খেয়ে আসলে বা কাউকে মারার নালিশ আসলে।
৬. বড়দের আড্ডায় ঢুকলে।
৭. বড়দের কথার উত্তর না-দিলে।
৮. বড়দের কথায় ত্যাড়া উত্তর দিলে।
৯. অনেকদিন মাইর না-খেয়ে থাকলে।
১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান করলে।
১১. বাড়িতে অতিথি এলে বা কারও বাড়ি গিয়ে সালাম না করলে।
১২. অতিথি এলে তাকে খাবারের প্লেট দিতে যাওয়ার সময় প্লেট থেকে খাবার মুখে দিয়ে ধরা পড়লে।
১৩. অতিথিরা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলে।
১৪. অতিথি বাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে।
১৫. খেতে না-চাইলে।
১৬. সন্ধ্যা নামার আগে বাড়ি না-ফিরলে।
১৭. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে চলে এলে।
১৮. জেদ দেখালে।
১৯. কারও সাথে মারামারি করে হেরে এলে।
২০. কাউকে বেশ করে পিটিয়ে এলে।
২১. স্লো মোশনে খেলে।
২২. ফাস্ট ফরোয়ার্ড স্কেলে খেলে।
২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে।
২৪. রাতে ঘুমোতে না-চাইলে।
২৫. শীতকালে গোসল করতে না চাইলে।
২৬. গ্রীষ্মকালে বেশিক্ষন গোসল করলে।
২৭. অন্যের গাছ থেকে আম, পেয়ারা পেড়ে খেলে।
২৮. স্কুলে টিচারদের কাছে মার খেয়েছি খবর পেলে।
২৯. জোরে উচ্চারণ করে না পড়ে চুপচাপ বসে পড়ার ভান ধরলে বা বিড়বিড় করে পড়লে।
৩০. পড়ার বইয়ের মধ্যে গল্পের বই রেখে পড়ছি ধরা পড়ে গেলে।
৩১. পরীক্ষার আগে টিভি দেখলে।
৩২. দুধ খেতে না চাইলে।
৩৩. আচার চুরি করে খেলে।
৩৪. উষ্ঠা খেয়ে পড়ে গেলে উঠিয়ে আবার মারা হতো।
৩৫. কারও বাসায় বেড়াতে গিয়ে নিজের বাসা মনে করে লন্ডভন্ড করলে।
৩৬. স্কুলের সামনের কোনো দোকান থেকে বাকিতে কিছু খেলে বা খেলনা কিনলে।
৩৭. দুপুরে না ঘুমালে।
৩৮. পাশের বাসার কেউ পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পাইলে।
৩৯. খাতার পৃষ্ঠা নষ্ট করলে।
৪০. বই দাগাদাগি করলে।
৪১. শোকেস থেকে নতুন প্লেট, গ্লাস বের করলে।
৪২. পুকুরে ডুবাইতে ডুবাইতে চোখ লাল করে ফেললে।

ই/হু/দী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইস...
13/04/2025

ই/হু/দী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র,
ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।

ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।

যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।

তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!

জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।

ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!

আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!

আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!

এক গর্ভবতী নারী তাঁর নিজের ঘরে ছিলেন। বিস্ফোরণের প্রকোপে সেই নারীর পেট ফেটে যায়। গর্ভস্থ সন্তান ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ে। একদ...
11/04/2025

এক গর্ভবতী নারী তাঁর নিজের ঘরে ছিলেন। বিস্ফোরণের প্রকোপে সেই নারীর পেট ফেটে যায়। গর্ভস্থ সন্তান ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ে।

একদিন আসবে যখন পাথরের জবান খুলে যাবে। পাথরের আড়ালে এই খুনীরা যখন লুকোবে, পাথরও আওয়াজ করে ওদের চিনিয়ে দেবে।

আমাদের মুখ বন্ধ হতে হতে একদিন পাথরেরই বুক ফেটে যাবে।

হায়, পবিত্র ভূমি আমার!💔🥹

Address

Murshidabad

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazirul ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kazirul ইসলাম:

Share

Category