19/08/2021
👉এক মহান আচার্যের মহিমা👈
#যদি প্রভুপাদ না হয়তো তবে কি হয়তো
এই জীবন বহিত কিসে!!
-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ
🌿❤তাহারি আবির্ভাব তিথি আসছে সামনে ৩১আগষ্ট নন্দোৎসবের দিন উদযাপিত হবে সারাবিশ্বে প্রত্যেকটি ইসকন মন্দিরে ও দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপবাস।
ভগবানের আবির্ভাব তিথির মাহাত্ম্য চেয়ে তার ভক্তের আবির্ভাব তিথি দ্বিগুণ মহাত্ম্যপূর্ণ হয়।
❤ভগবান তখনি খুশি ও সন্তুষ্ট হোন যখন ভক্তের সেবা গুণমহিমা কীর্তন করেন কোন ভক্ত।❤
তাই শুদ্ধভক্ত তিনি যিনি #জগতের আচার্য কৃষ্ণভক্তি প্রচার করার জন্য নিজের জীবনকে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারে উৎসর্গ করেন প্রচার ও আচার করেন তিনি কৃষ্ণের প্রিয় ও জগতের কল্যাণ সাধন করেন।
তাহার আবির্ভাব তিথি যদি আমরা পালন করি তাহলে অচিরে কৃষ্ণভক্তি ও বৈষ্ণবের কৃপা লাভ করতে পারবো।
👉আসুন সেই মহান দূত কে আমরা জেনে নিই?
এক মহান দূতের আগমণের ভবিষ্যদ্বাণী
🌿🌿৫০০০ হাজার বছর পর আমার মন্ত্র উপাসক (হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে) আবির্ভূত হবেন এবং সর্বত্র হরিনাম প্রচার করবেন।
-শ্রীকৃষ্ণ-গঙ্গা সংবাদ, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ
🌿🌿‘‘ইদং স্থান পরিত্যজ্য বিদেশাম জ্ঞান্যতে ময়া’’ আমি এই দেশ ভারতবর্ষ ছেড়ে দূর দেশে গমন করব।’’
-ভক্তিদেবী নারদ মুনিকে, ভাগবত মাহাত্ম্য, পদ্মপুরাণ, উত্তর কান্ড
🌹🌹🌹ভবিষ্যতে এক মহান সেনাপতি ভক্তের আবির্ভাব ঘটবে যিনি সারাবিশ্বে কৃষ্ণভাবনা প্রচার করে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর স্বয়ং প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণী; যদি পাপী ছাড়ি ধর্ম দূর দেশে যায়, মোর সেনাপতি-ভক্ত যাইবে তথায়- ‘‘হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র সংকীর্তনের সুতীক্ষন তলোয়ারের সাহায্যে আমি বদ্ধ জীবাত্মাদের হৃদয়ের সমস্ত আসুরিক মানসিকতার শিকড় উৎপাটন ও ধ্বংস করব। যদি কিছু পাপাত্মা ধর্মীয় আদর্শ পরিত্যাগ করে দূর দেশে চলে যায়, তখন সেসময় তাদেরকে কৃষ্ণভাবনা প্রদান করতে আমার সেনাপতি ভক্ত আবির্ভূত হবেন।’’
-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীচৈতন্য মঙ্গল
‘‘পৃথিবীতে যত আছে নগরাদি গ্রাম,
সর্বত্র প্রচার হবে মোর নাম।’’
-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত
‘‘জীব ও শ্রীহরির মধ্যকার পার্থক্যসূচক প্রকৃত জ্ঞান এবং শ্রীহরির প্রতি সেবা নিবেদন বিশ্বজুড়ে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।’’ -শ্রীল মাধ্বাচার্য, অনু মাধব বিজয়-শেষ অধ্যায়
‘‘শ্রীমন মহাপ্রভু স্বপার্ষদ পরিবৃত হয়ে শুধু ভারতভূমির জীবদের উদ্ধার করার জন্য অবতরণ করেননি, বরং তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল সমস্ত জীবাত্মার জন্য নিত্য ধর্ম প্রচারের মাধ্যমে সারাবিশ্বের সমস্ত জীবকে উদ্ধার করা ও ঊর্ধ্বমুখী করা। বিশ্বে অনেক প্রকার ধর্ম রয়েছে এবং তাদের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত ধর্ম হল ভগবানের পবিত্র নাম সম্মিলিতভাবে কীর্তন করা। এ বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই! হায়! কখন সে দিন আসবে যখন সমস্ত সৌভাগ্যবান আত্মা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, পার্সিয়া এবং আমেরিকার মতো দেশগুলোতে ব্যানার, Kettle drums, মৃদঙ্গ, করতাল সহযোগে অপ্রাকৃত হরিনাম কীর্তনের ঢেউ সৃষ্টি করবে এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র নাম এ সমস্ত দেশগুলোর শহরে ও গ্রামে রাস্তায় রাস্তায় কীর্তন করা হবে ? কখন সেই দিন আসবে, যখন শব্দ ও চিন্ময় কৃষ্ণপ্রেম সমস্ত জীবাত্মার একমাত্র ধর্ম হিসেবে পরিগণিত হবে এবং সমস্ত ছোট প্রথাগত ধর্মগুলো অসীম ও বৈশ্বিক ধর্ম কৃষ্ণের প্রতি ভক্তিমূলক সেবার জন্য একত্রে মিলিত হবে যেরকম সমস্ত নদী গিয়ে মহাসাগরে মিশে ? ওহ্ কখন সেদিন আসবে ?
-শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সজ্জন-তোষণী গ্রন্থ,১৮৮০
একজন আত্ম-দীপ্তিময় আর্চাযের উদয় হবে, যিনি চমৎকার ভঙ্গিতে প্রচারের মাধ্যমে তাঁর সমুন্নতি প্রমাণ করবেন।
-শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গোস্বামী
প্রভুপাদ তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশ্যে।
‘‘শিশুটির বয়স যখন ৭০ বছর হবে, তখন তিনি সাগর পাড়ি দিয়ে বিদেশে যাবেন, এক বিখ্যাত ধর্মপ্রচারকরূপে স্বীকৃতি লাভ করবেন ও ১০৮ টি মন্দির প্রতিষ্ঠা করবেন।
-শ্রীল প্রভুপাদের বাল্যকালে জ্যোতিষী
প্রকৃতপক্ষে উপরোল্লিখিত ভবিষ্যদ্বাণীসমূহ যাঁর মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে তিনি আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ। তিনি তাঁর দিব্য নির্দেশনাবলীর মাধ্যমে চিরদিন বেঁচে থাকবেন এবং তাঁর অনুসারীরা তাঁর সাথে বাস করবেন। শ্রীল প্রভুপাদ স্বর্ণযুগের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য। প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য সবসময়ের জন্য একটি বিশেষ অবস্থান। বৈষ্ণবীয় ধারায় প্রতিষ্ঠাতা আচার্যগণ তাঁদের শিষ্যদের যোগ্যতা ও আন্তরিকতা অত্যন্ত কঠোরভাবে পরীক্ষা করে নির্বাচন করতেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা আচার্যগণের বিশেষ গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম হল তাঁর অপরিসীম কারুণ্য। তিনি যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তাদের সবাইকে গ্রহণ করেছেন এবং শিষ্যদের একই আদেশ দিয়েছেন।
🙏জয় শ্রীল প্রভুপাদ🙏