Harikathamrita ツ হরিকথামৃত

Harikathamrita ツ হরিকথামৃত ✿"হরিকথা"✿যা আপনার জীবন সম্পূর্ণরূপে ? Our main purpose is to make everyone to enaculate for Krishna Consciousness. All glories to Guru & Gauranga. Hare Krishna.

Devotees,

As per as Policy, this page is all about sharing authentic & knowledgeable Spirtual content to the public domain. In Caitanya-caritāmṛta it is said, "Unless one is very, very intelligent, he cannot come to Krishna Consciousness". Our main Aim to enaculate everyone across the world to spread Krishna Consciousness movement as per guidelines made by our Guru H.G Srila Prabhupada. All glories to Srilla Prabhupad.

30/08/2021

Janmashtami special Darshan from Sridham Mayapur ❤️💮🦚💙

30/08/2021

|| শুভ কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী মহোৎসব ||

29/08/2021

১৪৪০ মিনিটের উপবাসে,
#কোটিকুল_উদ্ধারের_সুযোগঃ
─────────────────
আগামীকাল পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৭ তম আবির্ভাব তিথি, জন্মাষ্টমী মহোৎসব। সেই বিশেষ তিথি উপলক্ষে আপনি খুব সহজেই আপনার বংশভূত কোটিকুলকে উদ্ধার করতে পারবেন। সাধারণত কোন উপবাসে এককোটি কুল উদ্ধারের কোন সুযোগ নেই, এমনকি জন্মাষ্টমী উপবাসেও। কিন্তু আগামীকালের জন্মাষ্টমী তিথিটি আপনাকে সেই সুযোগ দিচ্ছে।

কারণ পদ্মপুরানের ব্রহ্মখন্ডের ১৩তম শ্লোকে ৩ নং শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, "সোমবারে বা বুধবারে রোহিণী নক্ষত্রযুক্তা অষ্টমী হলে, সেই জন্মাষ্টমী পালনে কোটিকুল উদ্ধার হয়ে থাকে।" আর এবছর জন্মাষ্টমী তিথিটি আগামীকাল সোমবারে পড়েছে, তাই আপনি সচরাচর এরকম দুলর্ভ সুযোগ পাবেন না।

আপনি এরকম সুবর্ণ সুযোগ পাবেন আরো ১০৯২ দিন পর। পরবর্তী এরকম সুযোগ আবার পাবেন ২৬শে আগস্ট, ২০২৪ সালে। যেখানে আপনার ১ সেকেন্ড বাঁচার গ্যারান্টি নেই, সেখানে কি করে আশা রাখতে পারেন যে আপনি এতদিন বেঁচে থাকতে পারেন। তাই কৃপাপূর্বক এই সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপার করুণা প্রাপ্ত হউন এবং আপনার কোটিকুলকে উদ্ধার করে ফেলুন।

ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ কী...........জয় !! 🙌

সম্রাট কুলশেখরের প্রার্থনাসম্রাট কুলশেখর প্রণীত মুকুন্দমালা স্তোত্রের আর সমস্ত শ্লোকের মধ্যে এই শ্লোকটি শ্রীল প্রভুপাদের...
27/08/2021

সম্রাট কুলশেখরের প্রার্থনা

সম্রাট কুলশেখর প্রণীত মুকুন্দমালা স্তোত্রের আর সমস্ত শ্লোকের মধ্যে এই শ্লোকটি শ্রীল প্রভুপাদের সবথেকে প্রিয়। যে সমস্ত ভক্ত শ্রীল প্রভুপাদের সেবা করেছেন, তাঁরা দেখেছেন যে, শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর প্রাত্যহিক কার্যকলাপের সঙ্গে সঙ্গে এবং কখনও কখনও তাঁর কক্ষে একাকীও এই শ্লোকটি গাইতেন। তাঁর প্রণীত তাৎপর্যেও তিনি এই শ্লোকটি বহুবার উদ্ধৃত করেছেন-

কৃষ্ণ ত্বদীয়পদপঙ্কজপঞ্জরান্তম্
অদ্যৈব মে বিশতু মানসরাজহংসঃ।
প্রাণপ্রয়াণসময়ে কফবাতপিত্তৈঃ
কণ্ঠাবরোধনবিধৌ স্মরণং কুতস্তে ॥

“হে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, এই মুহূর্তেই আমার মনরূপ রাজহংস যেন আপনার চরণের জটপাকানো পদ্মনালে প্রবেশ করে। মৃত্যুর সময়ে, যখন আমার কণ্ঠ কফ, বাত এবং পিত্তের দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন আমার পক্ষে আপনার স্মরণ করা কীভাবে সম্ভব হবে?” -মুকুন্দমালা স্তোত্র (শ্লোক নং-৩৩)

22/08/2021

নমস্তে তু হলগ্রাম!নমস্তে মষুলায়ুধ।
নমস্তে রেবতীকান্ত!নমস্তে ভক্ত-বৎসল।
নমস্তে বলিনাং শ্রেষ্ঠ!নমস্তে ধরণীধর।
প্রলম্বারে!নমস্তে তু ত্রাহি মাং কৃষ্ণ-পূর্বজ।।

বলরাম পূর্নিমার কৃষ্ণপ্রীতি ও শুভেচ্ছা! ❤️ 🤗

👉এক মহান আচার্যের মহিমা👈 #যদি প্রভুপাদ না হয়তো তবে কি হয়তো           এই জীবন বহিত কিসে!!                      -শ্রীল জয়প...
19/08/2021

👉এক মহান আচার্যের মহিমা👈

#যদি প্রভুপাদ না হয়তো তবে কি হয়তো
এই জীবন বহিত কিসে!!
-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ

🌿❤তাহারি আবির্ভাব তিথি আসছে সামনে ৩১আগষ্ট নন্দোৎসবের দিন উদযাপিত হবে সারাবিশ্বে প্রত্যেকটি ইসকন মন্দিরে ও দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপবাস।
ভগবানের আবির্ভাব তিথির মাহাত্ম্য চেয়ে তার ভক্তের আবির্ভাব তিথি দ্বিগুণ মহাত্ম্যপূর্ণ হয়।

❤ভগবান তখনি খুশি ও সন্তুষ্ট হোন যখন ভক্তের সেবা গুণমহিমা কীর্তন করেন কোন ভক্ত।❤

তাই শুদ্ধভক্ত তিনি যিনি #জগতের আচার্য কৃষ্ণভক্তি প্রচার করার জন্য নিজের জীবনকে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারে উৎসর্গ করেন প্রচার ও আচার করেন তিনি কৃষ্ণের প্রিয় ও জগতের কল্যাণ সাধন করেন।
তাহার আবির্ভাব তিথি যদি আমরা পালন করি তাহলে অচিরে কৃষ্ণভক্তি ও বৈষ্ণবের কৃপা লাভ করতে পারবো।

👉আসুন সেই মহান দূত কে আমরা জেনে নিই?

এক মহান দূতের আগমণের ভবিষ্যদ্বাণী

🌿🌿৫০০০ হাজার বছর পর আমার মন্ত্র উপাসক (হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে) আবির্ভূত হবেন এবং সর্বত্র হরিনাম প্রচার করবেন।
-শ্রীকৃষ্ণ-গঙ্গা সংবাদ, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ

🌿🌿‘‘ইদং স্থান পরিত্যজ্য বিদেশাম জ্ঞান্যতে ময়া’’ আমি এই দেশ ভারতবর্ষ ছেড়ে দূর দেশে গমন করব।’’
-ভক্তিদেবী নারদ মুনিকে, ভাগবত মাহাত্ম্য, পদ্মপুরাণ, উত্তর কান্ড

🌹🌹🌹ভবিষ্যতে এক মহান সেনাপতি ভক্তের আবির্ভাব ঘটবে যিনি সারাবিশ্বে কৃষ্ণভাবনা প্রচার করে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর স্বয়ং প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণী; যদি পাপী ছাড়ি ধর্ম দূর দেশে যায়, মোর সেনাপতি-ভক্ত যাইবে তথায়- ‘‘হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র সংকীর্তনের সুতীক্ষন তলোয়ারের সাহায্যে আমি বদ্ধ জীবাত্মাদের হৃদয়ের সমস্ত আসুরিক মানসিকতার শিকড় উৎপাটন ও ধ্বংস করব। যদি কিছু পাপাত্মা ধর্মীয় আদর্শ পরিত্যাগ করে দূর দেশে চলে যায়, তখন সেসময় তাদেরকে কৃষ্ণভাবনা প্রদান করতে আমার সেনাপতি ভক্ত আবির্ভূত হবেন।’’
-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীচৈতন্য মঙ্গল

‘‘পৃথিবীতে যত আছে নগরাদি গ্রাম,
সর্বত্র প্রচার হবে মোর নাম।’’
-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত

‘‘জীব ও শ্রীহরির মধ্যকার পার্থক্যসূচক প্রকৃত জ্ঞান এবং শ্রীহরির প্রতি সেবা নিবেদন বিশ্বজুড়ে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।’’ -শ্রীল মাধ্বাচার্য, অনু মাধব বিজয়-শেষ অধ্যায়

‘‘শ্রীমন মহাপ্রভু স্বপার্ষদ পরিবৃত হয়ে শুধু ভারতভূমির জীবদের উদ্ধার করার জন্য অবতরণ করেননি, বরং তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল সমস্ত জীবাত্মার জন্য নিত্য ধর্ম প্রচারের মাধ্যমে সারাবিশ্বের সমস্ত জীবকে উদ্ধার করা ও ঊর্ধ্বমুখী করা। বিশ্বে অনেক প্রকার ধর্ম রয়েছে এবং তাদের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত ধর্ম হল ভগবানের পবিত্র নাম সম্মিলিতভাবে কীর্তন করা। এ বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই! হায়! কখন সে দিন আসবে যখন সমস্ত সৌভাগ্যবান আত্মা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, পার্সিয়া এবং আমেরিকার মতো দেশগুলোতে ব্যানার, Kettle drums, মৃদঙ্গ, করতাল সহযোগে অপ্রাকৃত হরিনাম কীর্তনের ঢেউ সৃষ্টি করবে এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র নাম এ সমস্ত দেশগুলোর শহরে ও গ্রামে রাস্তায় রাস্তায় কীর্তন করা হবে ? কখন সেই দিন আসবে, যখন শব্দ ও চিন্ময় কৃষ্ণপ্রেম সমস্ত জীবাত্মার একমাত্র ধর্ম হিসেবে পরিগণিত হবে এবং সমস্ত ছোট প্রথাগত ধর্মগুলো অসীম ও বৈশ্বিক ধর্ম কৃষ্ণের প্রতি ভক্তিমূলক সেবার জন্য একত্রে মিলিত হবে যেরকম সমস্ত নদী গিয়ে মহাসাগরে মিশে ? ওহ্ কখন সেদিন আসবে ?

-শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সজ্জন-তোষণী গ্রন্থ,১৮৮০

একজন আত্ম-দীপ্তিময় আর্চাযের উদয় হবে, যিনি চমৎকার ভঙ্গিতে প্রচারের মাধ্যমে তাঁর সমুন্নতি প্রমাণ করবেন।
-শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গোস্বামী
প্রভুপাদ তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশ্যে।

‘‘শিশুটির বয়স যখন ৭০ বছর হবে, তখন তিনি সাগর পাড়ি দিয়ে বিদেশে যাবেন, এক বিখ্যাত ধর্মপ্রচারকরূপে স্বীকৃতি লাভ করবেন ও ১০৮ টি মন্দির প্রতিষ্ঠা করবেন।
-শ্রীল প্রভুপাদের বাল্যকালে জ্যোতিষী

প্রকৃতপক্ষে উপরোল্লিখিত ভবিষ্যদ্বাণীসমূহ যাঁর মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে তিনি আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ। তিনি তাঁর দিব্য নির্দেশনাবলীর মাধ্যমে চিরদিন বেঁচে থাকবেন এবং তাঁর অনুসারীরা তাঁর সাথে বাস করবেন। শ্রীল প্রভুপাদ স্বর্ণযুগের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য। প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য সবসময়ের জন্য একটি বিশেষ অবস্থান। বৈষ্ণবীয় ধারায় প্রতিষ্ঠাতা আচার্যগণ তাঁদের শিষ্যদের যোগ্যতা ও আন্তরিকতা অত্যন্ত কঠোরভাবে পরীক্ষা করে নির্বাচন করতেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা আচার্যগণের বিশেষ গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম হল তাঁর অপরিসীম কারুণ্য। তিনি যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তাদের সবাইকে গ্রহণ করেছেন এবং শিষ্যদের একই আদেশ দিয়েছেন।

🙏জয় শ্রীল প্রভুপাদ🙏

"🤎💗হরি নামের মহিমা"🤎💗🌺একদিন একজন অধার্মিক লোক একজন ধার্মিক লোককে বলছে, আচ্ছা! হরিনাম করলেও মানুষের মৃত্যু হয়, না করলেও ম...
19/08/2021

"🤎💗হরি নামের মহিমা"🤎💗

🌺একদিন একজন অধার্মিক লোক একজন ধার্মিক লোককে বলছে, আচ্ছা! হরিনাম করলেও মানুষের মৃত্যু হয়, না করলেও মৃত্যু হয়। তাহলে করার চেয়ে না করায় ভাল।
এটা শুনে ধার্মিক লোকটি মুচকি হেসে সুন্দর একটি কথা বললেন ---
হ্যাঁ মানুষ হরিনাম করলেও মরে, না করলেও মরে। তবে কি জান! যারা হরিনাম করে তাদের মৃত্যু হয় একভাবে আর যারা হরিনাম করেনা তাদের মৃত্যু হয় আরেক ভাবে।

🌺 তখন অধার্মিক লোকটি বলছে তা কেমন!

🌺 ধার্মিক লোক বলল, শুনো তাহলে! কখনো বিড়ালের শাবক (বিড়াল ছানা/বাচ্চ) হতে দেখেছো? বিড়াল শাবকের জন্মের কয়েকদিন পর যখন স্থান (জায়গা) পরিবর্তন করে। তখন মুখে করে দাঁতে আটকে নিয়ে যায় ঠিকই। কিন্তু অতি যত্নে, স্নেহে, মমতা ও ভালবাসা দিয়ে নিয়ে যায়। বিড়াল শাবকের শরীরের কোথাও কোনো আঘাত লাগে না।

আবার যখন ঐ বিড়ালই একই ভাবে কোনো ইঁদুরকে শিকার করে, তখনও মুখে করে দাঁতে আটকে, আঁচড়ে, রক্তাক্ত করে আঘাতে আঘাতে নিয়ে যায়।

🌺তেমনি আমাদের মৃত্যুও এমন করেই হবে। যারা হরিনাম করবে তাদেরকে ভগবানে ঠিক বিড়াল শাবকের মতো মমতা ও ভালবাসার সহিত এই ভবসাগর হতে পার করে গোলকধামে নিয়ে যাবেন।

আর যারা হরিনাম বিমুখ, হরিনাম করবে না। যমদূত তাদেরকে ঐ ইঁদুরের মতো করে আঁচড়ে, আঘাতে, অধিক যন্ত্রনা দিয়ে এই ভবসাগর হতে নিয়ে গিয়ে নরকে ফেলবেন।

🌺পরীক্ষিত মহারাজ ভাগ্যবান ছিলেন। তাই মৃত্যুর সাতদিন আগে জানতে পেরেছিলেন, আগামী সাতদিনের মধ্যে তাঁর মৃত্যু। তখন আর সময় নষ্ট না করে আগত মৃত্যুর সাতদিন ভাগবত আস্বাদন (শ্রবণ) করে, ভাগবতধামে ফিরে গিয়েছিলেন।
তাই এখনও সময় আছে, যে যতটুকু পারি হরিনাম করি।

হরে কৃষ্ণ🙏

17/08/2021

🌿 #বার্তা🌿
আগামীকাল পবিত্রারোপণী একাদশী ব্রত হতে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রীরাধা-কৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা মহোৎসব, চলমান থাকবে আগামী ২২শে আগস্ট রবিবার পর্যন্ত। উক্ত পাঁচদিন যাবৎ আমরা প্রতিদিন রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহগণকে দোলানোর সুযোগ পেয়ে থাকি।

উল্লেখ্য, আগামী বছর এই ঝুলনযাত্রা মহোৎসব উৎযাপিত হবে ৮ই আগস্ট, সোমবার থেকে ১২ আগস্ট, শুক্রবার, ২০২২ পর্যন্ত।

ঝুলনযাত্রার ইতিহাস সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। কিভাবে এই উৎসবের আগমন ঘটে সেই লীলাই আজ আপনাদের কাছে তুলে ধরছি!

ঝুলনযাত্রার ইতিহাস
──────────────

রাধারাণী বর্ষাণায় তাঁর পিতামাতার সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। তাঁর পিতা বর্ষণার রাজা আর মা বর্ষণার রাণী। তাঁর পিতার নাম ছিল বৃষভানু আর মাতার নাম কীর্তিদা। তাঁর ভাই শ্রীদাম। ঝুলনযাত্রার এই সময় তিনি পিতামাতার সাথে বর্ষণায় সাক্ষাৎ করতে যান।

রাধারাণী পরকীয়া লীলা সম্পাদন করেছিলেন, সেজন্য বাহ্যিকভাবে তাঁর শাশুড়ি ও ননদ ছিল। জটিলা ছিলেন তাঁর শাশুড়ি।

জটিলা বলছিলেন, "না, না, তোমার যাওয়া হবে না।" তখন রাধারাণী কাঁদতে লাগলেন - "আমি আমার পিতামাতাকে দেখতে চাই।" তখন বৃষভানু মহারাজ রাধারাণীর জন্য কিছু উপহার পাঠিয়েছিলেন। রাধারাণী সেই উপহারগুলো জটিলাকে দিলেন। জটিলা সেই উপহার পেয়ে অত্যন্ত খুশি হলেন। তারপর তিনি বললেন,

"ঠিক আছে, তুমি অল্প সময়ের জন্য যেতে পারো।" তবে নন্দগাঁও এর ওই কৃষ্ণ নামের কালো ছেলেটার দিকে লক্ষ্য রেখো। ও সবসময় কোনো না কোনো সমস্যা তৈরি করে। তার দিকে খেয়াল রেখো।

কিন্তু অনেকদিন অতিবাহিত হবার পরও কেউ আর বর্ষণা থেকে রাধারাণীকে নিয়ে যেতে আসছেন না। আর রাধারাণীও একা যেতে পারছেন না। তিনি মনে মনে ভাবছেন,

"তারা সবাই আমাকে ভুলে গেছে। কেউ আমার কথা মনে করে না।" এই খবর বৃষভানু মহারাজ ও কীর্তদার কাছে পৌঁছাল। তখন তাঁরা শ্রীদামকে পাঠালেন। "যাও তোমার ভগিনীকে গিয়ে নিয়ে এসো।"

বর্ষণায় ফিরে রাধারাণী তার পিতা-মাতাকে দর্শন করে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। তারাও প্রীতিপূর্বক তাঁকে আলিঙ্গন করলেন।

তারপর একদিন কৃষ্ণ ছদ্মবেশ ধারণ করে রাধারাণীকে নিয়ে গেলেন। কৃষ্ণ রাধারাণীকে নিয়ে গিয়ে ঝুলন বেদীতে উপবেশন করালেন। রাধারাণী ঝুলন বেদীতে একা একা বসে আছেন আর কৃষ্ণ তাঁকে পেছন থেকে দোল দিচ্ছেন। তিনি ক্রমশ জোরে রাধারাণীকে দোল দিতে লাগলেন।

রাধারাণী সর্বদাই বিপদে কৃষ্ণের শরণ গ্রহণ করেন। তাই ঝুলন বেদী যখন সজোরে দুলছিল তখন রাধারাণী চিৎকার করতে লাগলেন, "কৃষ্ণ! কৃষ্ণ! আমাকে রক্ষা কর।"

রাধারাণীর চিৎকার শুনে কৃষ্ণ তাঁর পাশে এসে বসলেন। রাধারাণী কৃষ্ণকে আলিঙ্গন করলেন। কৃষ্ণ এই উৎসবটি খুব পছন্দ করেন। কারণ এতে রাধারাণী স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কৃষ্ণকে আলিঙ্গন করেন। কিন্তু অন্য সময় কৃষ্ণকে রাধারাণীর আলিঙ্গন পেতে বিভিন্ন রকম ছলচাতুরী বা কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কিন্তু এই উৎসবে তিনি স্বাভাবিকভাবেই এটি করেন।

➡️আমরা গো-মাতার দূধ খাই এবং উনাকে পূজাও করি, তাহলে গরুর চামরা দিয়ে কেনো,  জুতা বানানো হয়, এই কাজগুলো কি ভালো হচ্ছে❓
17/08/2021

➡️আমরা গো-মাতার দূধ খাই এবং উনাকে পূজাও করি, তাহলে গরুর চামরা দিয়ে কেনো, জুতা বানানো হয়, এই কাজগুলো কি ভালো হচ্ছে❓

"শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গৃহস্থ হলেও অভয় প্রভুকে অত্যন্ত পছন্দ করতেন"— শ্রীপাদ নয়নানন্দ দাস বাবাজি মহারাজ শ্র...
14/08/2021

"শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গৃহস্থ হলেও অভয় প্রভুকে অত্যন্ত পছন্দ করতেন"
— শ্রীপাদ নয়নানন্দ দাস বাবাজি মহারাজ

শ্রীধাম মায়াপুরের শ্রীচৈতন্য মঠে শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গুরুমহারাজ তাঁর কক্ষের বারান্দায় আস্তে আস্তে পায়চারি করতেন।

একদিন দেখি, তাঁর চারপাশে শীর্ষস্থানীয় অনেক সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারী তাঁকে অনুসরণ করছেন। দেখি, অভয়চরণ প্রভুও কলকাতা থেকে তাঁকে দর্শন করতে এসেছেন এবং তিনি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছেন। কোনো না কোনোভাবে গুরুমহারাজ হঠাৎ তাঁকে দেখতে পান। যেহেতু অভয়চরণ প্রভু হেঁটে নিচ থেকে উপরে উঠছেন, তাই গুরুমহারাজ তাঁকে ইঙ্গিত দেন তাঁর কাছে যাওয়ার জন্য। প্রভু তাঁকে বিনীতভাবে সম্ভাষণ করেন। গুরুমহারাজও তাঁকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানান। তারপর ঘরের দরজা খুলে একা তাঁর সাথে ভেতরে যেতে ইশারা করেন। তাঁরা ভেতরে কিছু সময় অবস্থান করেন।

অন্য সব ভক্ত অভিভূত হন, কারণ গুরুমহারাজ সাদা কাপড় পরিহিত একজন গৃহস্থ ভক্তকে এত পছন্দ করেন। সবাই এ বিষয় নিয়ে কথা বলেন। আমি তাঁকে লক্ষ্য করেছি, যখন গুরুমহারাজের কক্ষ থেকে বের হন, তখন কত সুন্দর দীপ্তিময় হয়ে ওঠেন তিনি।

|| সকলের সুহৃদ শ্রীল প্রভুপাদ ||

Address

Mayapur
731302

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Harikathamrita ツ হরিকথামৃত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share