13/02/2026
Komolinir সমস্যাটা হল নারীর so called শুদ্ধতা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কমোলিনি ভাবে সে স্বতন্ত্র র যোগ্য নয়। কারন সে তার মন তাকে সম্পূর্ণ দিতে পেরেছে কিন্তু তার শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে আছে তার অতীতের কাটা ছেঁড়ায় , সে স্বীকার করেছিল তার প্রাক্তন স্বামী তাকে ব্যবহার করেছে out of lust only, not love , সে সেই trauma থেকে বেরোতে কিছুতেই পারেনি, এর পরেও, কোমলিনি একজন পুরোনো মানসিকতার নারী, সে শরীর এবং মন কে আলাদা করে দেখে না, সে কিছুতেই তার অতীতের ছাপ তার জীবন থেকে মুছে দিতে পারে না, আগের সম্পর্ক কে অসম্মান করলে, না মানলে, তার ছেলে মেয়েরা তার সামনে চলে আসে, সেই সম্পর্কের ফলাফল হিসেবে, তাই কমোলিনী চরিত্রে অনেক শেড আছে, অনেক চাপা দুঃখ, যন্ত্রণা আছে, সে চায় স্বতন্ত্র কে সুখী করতে, কিন্তু সোজা সরল এবং পশ্চিমী ধারণায় উন্মুক্ত মনের স্বতন্ত্র অতটা বুঝে উঠতে পারে না তাকে। কমোলিনি আর তার ভেতরের লাজুক মেয়েটি চায় নতুন কে নতুন ভাবে পেতে, সব কিছু নতুন করে যদি শুরু করা যেত, কিন্তু বয়স আর সমাজের , পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তে সে নিজেকে প্রকাশ করতে ভয় পায়, এমন কি স্বতন্ত্র র কাছেও । কমোলিনি যতই বয়সে বুড়ি হোক, আসলে তার আকাঙ্খার বয়স থেমে গেছে যেদিন তার বিয়ে হয়েছে একটি বর্বরের সঙ্গে । সে সেখানে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছে, দিন গেছে , রাত গেছে, বছর গেছে, সে সেখানেই আছে, এটা স্বতন্ত্র ফিল করে, তাই যেমন জোর করে স্বতন্ত্র তাকে বিয়ে করেছিল, তেমন জোর করেই তাকে ভালবাসা প্রয়োজন , শরীর বললেই শিহরণ এর কিছু নেই, শরীর মানেই খারাপ নয়, মন, শরীর সবটা নিয়েই মানুষ। বয়সের সঙ্গে ভালবাসার ধরন বদলে যায়, কিন্তু শরীর আর মন শুধুই চায় কারোর সান্নিধ্য, প্রেম , সাহচর্য সেটা অল্প বয়সের প্রেম এর থেকে অনেক নিবিড় ও গভীর । শান্তি আছে সেখানে । স্বতন্ত্র সেটাই খুঁজছে আর প্রেয়সী কে সেই আনন্দপূর্ণ শান্তিতে তাকে আজীবন রাখতে চাইছে। বয়স শরীরের বারে, মনের না।
#চিরসখা #বিনোদন ゚ #কলকাতা