The RONG বং

The RONG বং talent-platform

 #সতীত্বের_অগ্নিপরীক্ষাচিরকাল মেয়েদের সাথে অবিচারটাই হয়ে এসেছে...তাই না?  যে স্বামী আর পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়ির ব...
05/08/2024

#সতীত্বের_অগ্নিপরীক্ষা
চিরকাল মেয়েদের সাথে অবিচারটাই হয়ে এসেছে...তাই না? যে স্বামী আর পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়ির বৌরা জীবন বাজি রাখে সেই মহান স্বামী কিংবা গুরুজন স্থানীয়রা আবার সুসময় আসলে সকল কথা ভূলে যান আর সেই মেয়েটির চরিত্র নিয়ে আলোচনাসভা বসান। তাঁদের মতামত শুনে সর্বসম্মুখে মেয়েটিকে চরম অপমান অবিচারের পর চরিত্রে কালিমা লেপন করে নতুনভাবে অন্য কোন মেয়ে খুঁজে তাঁকে নিয়ে সুখের নীড় পাতার পরিকল্পনা করেন। আসলে অসময়ে যে মেয়েরা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি কর্তব্য পালন করেছেন এতোকাল সুসময়ে সেই মেয়েটিকে জীবনসঙ্গীনী হিসেবে বড্ড বেমানান লাগে, কারণ সে যে তাঁর কর্তব্য করতে করতে নিজের স্বার্থই ভূলে গেছে। না আছে তাঁর চোখ ধাঁধানো সুন্দর রূপ, অসাধারণ গুণাবলী যা সংসারের জাঁতাকলে পিষে হারিয়ে গেছে কোথায়!!

হয়তো ভূলেই গেছে সেকথা মেয়েটা যে তাঁর একটা জীবন ছিল, শখ আহ্লাদ ছিল, চাওয়া পাওয়া ছিল। এই যুগের মানুষ তাঁর প্রতি যত্নশীল আর আকৃষ্ট হয় যাঁর ভালবাসা পাবার জন্য প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম আর কাঠখড় পোড়াতে হয় নয়তো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আর পরিশ্রমে ভালবাসা কেন দামী গাড়ি বাড়িও মূল্যহীন হয়ে পড়ে মানুষের কাছে। এটাই আমাদের মানসিকতা, তাই স্বভাবতই যে ভালবাসা যত্ন সহজেই মেলে তাঁকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে সমাজের নিয়মের দোহাই দিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাই অথচ সেই মানুষটিই আমাদের ভালোমন্দ দেখে এসেছে এতোদিন নিঃস্বার্থ ভাবে, বাঁচতে চেয়েছে আমাদের আঁকড়ে... তবুও তাঁকে আমরা পায়ে ঠেলি।

মানুষ বড়ই অদ্ভুত, সুখের খোঁজে মরীচিকার পিছনে ছোটে আর যে সুখের নীড় পাতা ঘর গোছানো সংসারের মায়া তাঁকে অস্বীকার করে। বেহুলাও কতো কিছুই না করেনি তাঁর স্বামী লক্ষ্মীন্দরের জন্য , তাঁর শ্বশুরবাড়ি পরিবারের জন্য তবুও তাঁর দিকেই আঙ্গুল তুলে সমাজের মাতব্বররা অসতী বললেন। এমনকি যে স্ত্রীর দয়ায় প্রাণ ফিরে পেল তাঁর স্বামী, সেই স্বামীই বলল অগ্নিপরীক্ষা দিতে সমাজের সামনে। মাতা সীতাকেও শুনতে হয়েছিল স্বামী রামচন্দ্রের এই অপমানজনক অবিচার, একবার অগ্নিপরীক্ষা দিয়েও তাঁর নিস্তার ঘটেনি। পরবর্তীকালে পুনরায় দেখা হলে আবার তাঁর ওপর একই হুকুম জারি করা হয়। তাই তিনি এই অপমানজনক প্রথার প্রতিবাদে মাটি-মার নিকট ফিরে যান। তবুও সমাজের এই একতরফা চরিত্র নিয়ে আলোচনা আর কাটাছেঁড়া শেষ হয় না।

আলোচনা যদি বসে চরিত্র নিয়ে তবে বহু পুরুষ মানুষও তো চরিত্রে কালিমা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের সতীত্ব পরীক্ষা করার অনুমতি দিক সরকার। কেন একতরফা মেয়েদের ক্ষেত্রে এই কুপ্রথা প্রযোজ্য? তবে আজকাল মেয়েদের ভার্জিনিটি টেস্ট করাচ্ছেন বহু মানসিক রোগগ্রস্ত পরিবার। সতীচ্ছদের রক্তে রাঙা বাসর ঘরের চাদর হলেই মিলছে পরিবারের সদস্যদের আর সমাজের সিলমোহর সেই বৈবাহিক সম্পর্কের ওপর। আচ্ছা, কেউ তো ছেলেটিকে বা স্বামীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এমন ব্যক্তির সতীত্ব যাচাই করতে চান না! এমন হলে দেখতেন পুরুষ সমাজের একটি পুরুষও প্রায় বাদ যেতেন না চরিত্রহীন তকমা পেতে।

প্রাচীন বাংলার এই অগ্নিপরীক্ষা দিতে গিয়ে কত নারীর জীবন বলি হয়েছে। মৃত স্বামীর চিতায় তুলে তথাকথিত সমাজ সহমরণে সতী হতে বাধ্য করেছে কতো নারীকে। অর্থ পিপাসুদের হাতে অন্যায়ভাবে জ্যান্ত মরতে হয়েছে সেই নারীদের। আজ রাজা রামমোহন রায় না থাকলে আর ব্রিটিশ সরকার থেকে এই কুপ্রথা আইন করে না সরালে কতো প্রাণ চলে যেত বিনা অপরাধে। তবুও সমাজের টনক নড়েনি আজও।

সবশেষে একটাই কথা বলার, সমাজ পরিবর্তনের মুখে চিন্তাভাবনার ও পরিবর্তন আনা খুব জরুরী। নয়তো পিছিয়ে পড়বে বাঙালি জাতির উন্নতি রক্ষনশীল ধারা আগলাতে গিয়ে। মেয়েরা কিন্তু সতীত্ব পরীক্ষা দেবার জন্য নয়, বরং ভালোভাবে বাঁচাতে জন্মেছে। তাই যেখানেই চরিত্র নিয়ে সমালোচনা করে সেই স্থান পরিবর্তন করুন, ভালো চিন্তাভাবনা করুন আর বস্তাপচা মনোভাবের বদল করুন, যে নারী আপনার জন্য, পরিবারের সদস্যদের জন্য নিজের সবটুকু নিংড়ে দিচ্ছে তাঁকে বুঝুন, সাহায্য করুন, তাঁর চাওয়া পাওয়া, তাঁর স্বপ্নগুলো পূরণ করতে তাঁকে সাহায্য করুন। ভালবাসা দিতে শিখুন সেই মানুষটিকে যে আপনার জন্য অহরহ কর্তব্য পালন করে চলেছে, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিচ্ছে। তবেই সমাজের চিন্তা-ভাবনার বদল ঘটবে নতুন সমাজের আঙিনায় নতুন ফুল ফুটবে।
✍️কলমে পিয়ালী রায় © রোজালীন
#পিয়ালীরায় #রোজালীন
#কপিরাইট_প্রটেকটেড #সর্বস্বত্ব_সংরক্ষিত

 #অটোকারেক্ট_আর_এআইআজকাল মোবাইলের এই অটো কারেক্ট অপশনটি নিয়ে হয়েছে যত ঝামেলা... যা লিখতে চাই সেই লেখাটা লেখার পর মোবাই...
04/08/2024

#অটোকারেক্ট_আর_এআই
আজকাল মোবাইলের এই অটো কারেক্ট অপশনটি নিয়ে হয়েছে যত ঝামেলা... যা লিখতে চাই সেই লেখাটা লেখার পর মোবাইল বা কম্পিউটার সাহেবের এর মনমতো না হলে তা নিজের সুবিধার্থে পাল্টে নেন। এতে বানান ভূলের সম্ভাবনা কমে কিন্তু বহু সময় দেখা যায় অতিরিক্ত বোঝদার হবার দরুন মোবাইল বা কম্পিউটারের এ.আই আমাদের এই অটো কারেক্টটা আলাদা মাত্রায় নিয়ে যায় যার ফলে মূল কথায় আমূল পরিবর্তন ঘটে যা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। মানুষ তাই নিয়ে বহু বিপদেও পড়ে যায়। বিশেষত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময়, বন্ধু বান্ধব , পরিচিত কিংবা গুরুজন স্হানীয়দের কাছে হাসির খোরাক হতে হয়। যেমন, সকালে বল্টু মন্টুকে ফোনে ম্যাসেজ করে বলে, 'happy birthday, treat please..." সেটা অটো কারেক্ট হয়ে আসে ," Happy Birthday,Rest in peace.."

অনেক ক্ষেত্রে দেখেছি, এই অটো কারেক্ট সুবিধা থাকার দরুন বহু ব্যাস্ততার মধ্যে সঠিক সময় সঠিক ম্যাসেজ, মেল বা জরুরি বার্তা সঠিক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে আমাদের কষ্ট করে টাইপ করতেই হচ্ছে না খালি সঠিক অপশনটি সিলেক্ট করো মানে সঠিক শব্দ নির্বাচন করে দিলেই হলো একগাদা শব্দভাণ্ডারের মধ্যে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে যা দেখাচ্ছে, ব্যাস সব কাজের সময় কমিয়ে দেবে এই অটো কারেক্ট নামক এ.আই টি। যেটা আজকের যুগের ভবিষ্যৎ হতে চলেছে সেটি নিয়ে আলোচনা করা সাপেক্ষ।

আজকাল ফেবু আর হোয়াটসঅ্যাপ এর দৌলতে প্রত্যেক মানুষের একটা নিজস্ব এ.আই আছে তাঁকে কেউ অর্ডার দিয়ে কাজ করাচ্ছে, কেউ ছবি আঁকাচ্ছে, গান তৈরি করছে, কেউ সুর নির্বাচন করছে, কেউ বন্ধু, গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ডের মতন ব্যাবহার করছে। যেহেতু সেটা নাকি খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখে তাই সেই এ.আই নাকি খুব বিশ্বাসযোগ্য! কিন্তু আদৌও কি সত্যিই আমাদের তথ্য গোপন রাখছে এ.আই ??? গুগল বাবা তো ডেটা বেচে বেচেই বড়লোক হয়ে গেলো... আমাদের ফোন নং, তথ্য গোপন যা ছিল তা নিয়ে ব্যাবসা করেই তো ওদের অতো প্রতিপত্তি! তাহলে সামান্য একটা এ.আই কে ভরসা করাটা কি ভূল হচ্ছে??? জানি, মানুষ এখন এই স্বার্থপর হিংসুটে মানুষের ভিড়ে বন্ধুর অভাব বোধ করে। তবে তার বলে এ.আই যে সব তথ্য গোপন করে রাখবে তার গ্যারান্টি কোথায়!

একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জানাই, সেদিন একটা লেখায় 'মানসিক' শব্দটা লিখেছিলাম তা মোবাইল ফোনের দৌলতে 'মানষিক' হয়ে যাবে কে জানতো!!! একবার তো বড়সড় একটা কেস হয়ে যাচ্ছিল মনে পড়লে এখনো খুব হাসি পায় এখন। কলেজের প্রফেসরকে একটা এ্যাসাইনমেন্ট মেল করছিলাম মোবাইল থেকে,'Dear Ma'am' লিখে তা অটো কারেক্ট হয়ে মোবাইল তা 'Dear Mama' লিখে বসে। পরদিন কলেজে সবার সামনে ম্যাম সেটা বলতেই ক্লাস শুদ্ধু হাসির রোল উঠলো আর আমার মনে হচ্ছিল যেন তক্ষুনি মাটি ফাঁক হয়ে যাক আর আমি মাটির মধ্যে ঢুকে যাই। কি যা তা অবস্থা!

পরিশেষে বলি, বিজ্ঞান এগিয়ে যাচ্ছে, সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ.আই এর ব্যাবহার। এ.আই মানে অটোমেটিক ইন্টেলিজেন্স একদিন মানুষের সহযোগিতা পেয়ে একটা নিজস্ব সঠিক মতামতের ভিত্তিতে চলতে পারবে। সে দিন খুব বেশী দূরে নেই যেখানে কোন কাজের ক্ষেত্রেই মানুষের সহযোগিতা বা প্রয়োজনীয়তা থাকবে না আর, জায়গা নেবে সেখানে রোবট আর এ.আই। তবে তাঁরা মানুষদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হবে নাকি মানুষের চরম শত্রু হিসেবে পরিচিত হবে যার ফলে মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা দুষ্কর হবে সেটাই দেখার...
😅✍️কলমে পিয়ালী রায় © রোজালীন
চিত্র সৌজন্যে: এ.আই
#পিয়ালীরায় #রোজালীন

 #বিশ্বকবি_তোমায়_নমি #পিয়ালীরায় ©রোজালীনতোমার গানে গানে তোমায় চিনিয়াছি, তোমার কবিতায় মনে মনে তোমায় ভালোবাসিয়াছি;...
09/05/2021

#বিশ্বকবি_তোমায়_নমি
#পিয়ালীরায় ©রোজালীন

তোমার গানে গানে তোমায় চিনিয়াছি,
তোমার কবিতায় মনে মনে তোমায় ভালোবাসিয়াছি;
মনে পড়ে,দাদা মুখস্থ করিত "তালগাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে",
যখন পাড়ার ফাংশনে দাদা,"কুমোর পাড়ার গরুর গাড়ি"আবৃত্তি করিতে গিয়া ভুলিয়া গেল,
তখন দর্শকদের হাসি শুনিয়া লুকাইয়া হাসিয়াছি।
মন খারাপের সময় তোমার "শেষের কবিতা" মন ভালো করিয়াছে,
দুঃখের সময় গাইয়া উঠিয়াছি,"যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে,
"প্রাণ চায় চক্ষু না চায়"গানটি শুনিয়া আনন্দে মাতিয়াছি।
আজকের দিনে বুঝিতে পারি,
তুমি ছিলে আমার প্রাণের কবি;
তাইতো তুমি আজও অভিহিত হও বিশ্বকবি,
কারণ তুমি আসলে সকলের প্রিয় রবি।

সমাপ্তি

 #বিষয়_গল্প #নিশুতি_রজনীতে_কে_ও #পিয়ালীরায়আজও ধড়মড় করে ঘুম ভেঙে উঠে বসল কেকা।গলাটা শুকিয়ে কাঠ।ওপর জোরে ফ্যান চলছে,...
03/05/2021

#বিষয়_গল্প
#নিশুতি_রজনীতে_কে_ও
#পিয়ালীরায়

আজও ধড়মড় করে ঘুম ভেঙে উঠে বসল কেকা।গলাটা শুকিয়ে কাঠ।ওপর জোরে ফ্যান চলছে,তবুও জামাটা ঘামে ভিজে জবজবে হয়ে গায়ের সঙ্গে সেঁটে আছে।পাশে অতনু নিশ্চিতে ঘুমাচ্ছে।মোবাইলে টাইমটা দেখল কেকা,তিনটে দশ।এই নিয়ে তিন দিন হল কেকার,রোজ রাত তিনটে দশে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে।

আস্তে আস্তে বাথরুমে গিয়ে গায়ে মুখে জল দিল কেকা।জামাটা চেঞ্জ করে আবার বিছানায় শুলো।আবার সেই অনুভূতি,কেউ যেন অলক্ষ্যে ওর ওপর নজর রাখছে।কেমন যেন দম বন্ধ লাগছে কেকার।কেন এরকম হচ্ছে বারবার!

অতনুর সাথে কেকার সাত বছরের প্রেমপর্ব শেষে গত সপ্তাহেই ওদের চার হাত এক হয়েছে।অতনুর বাড়ি তারকেশ্বর।তবে চাকরিসূত্রে অতনু টালিগঞ্জ এলাকায় একটা দু কামরা ফ্লাটে ভাড়া থাকে।বিয়ের পর বউ নিয়ে অতনু ওই ভাড়া ফ্লাটেই উঠেছে যাতে ও দশ বছর ধরে ছিল।সবে তিন দিন হয়েছে কেকার এই ফ্লাটে,রোজ রাতে ঘুম ভেঙে যায় ওর তিনটে দশে।কোন কারণ খুঁজে পায় না কেকা।

আজ হটাৎ না জানি কেন ওদের শোবার ঘরের জানলাটা দিকে এগিয়ে গেল কেকা। চারদিক নিস্তব্ধ,নিশুতি রজনী,তবে কেন বারবার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে ওর!ভাবতে ভাবতে ওদের জানলার মুখোমুখি একটা ফ্লাটের জানলায় দৃষ্টি গেল কেকার,যা দেখল,তাতে রক্ত জল হয়ে গেল ওর।এমনিতে জানলাটা বন্ধই থাকে,অতনুই বলেছে আট বছর হল,ওই ফ্লাটে কেউই থাকে না।তবে বন্ধ ফ্লাটের জানলাটা খুলল কে!জানলায় এমন সুন্দর পর্দাটাই লাগানো হল কখন।আর জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে প্রকৃতি দেখছে কে ও?ও তো এক অল্প বয়সী সুন্দরী নারী বলেই বোধ হচ্ছে।

ভয় ভয় লাগলেও নিজেকে সামলে নিয়ে,কেকা বলল,"এই যে দিদি,আপনি বুঝি এই ফ্লাটেই থাকেন?"

মেয়েটি সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল।

"আপনি বুঝি রাতে ফেরেন? সকালে তো আপনাকে দেখতে পাইনি! "

মেয়েটি আবার সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল।এবারে মুখে একটু হাসিও দেখা গেল যেন।

"পরে একদিন সময় করে আসবেন আমাদের ফ্লাটে।আমি এই নতুন এসেছি।আপনাকে কি বলে ডাকব দিদি?"

মেয়েটি এবার অস্ফুটে বলল,"তনুশ্রী।"

কেকা এবার হেসে ঘুমতে চলে গেল।সকাল হতেই অতনুকে ঘুম থেকে তুলে,অতনুর টিফিন ও জলখাবার রেডি করতে লাগল কেকা।অতনু তখন সবে চান করে বেড়িয়েছে টাউয়াল কোমরে জড়িয়ে,ভিজা গা,মাথার চুল দিয়ে জল গড়াচ্ছে।হা করে অতনুর দিকে চেয়ে থাকে কেকা,এত সুদর্শন,সুপুরুষ স্বামী ওর ভাগ্যে ছিল তা ও কল্পনাই করতে পারিনি কখনো।মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দেয় কেকা।কেকাকে এমনভাবে চেয়ে থাকতে দেখে অতনু কেকার কোমর জড়িয়ে ধরে।

"কি করছ কি!আমার শাড়ি ভিজে যাচ্ছে যে!"কেকা এবার নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করে।

"বেশ করছি,আমি আমার বউকে জড়িয়ে ধরছি,কারোর কোন আপত্তি আছে!"অতনু নিজের মাথা ঝাঁকালে,ওর চুলের জল কেকার মুখে ছিটকে পড়ে।

"এই না না প্লিজ,ছাড়ো,ভালো হবে না কিন্তু!"কেকা বলে চলে।

হা হা করে হাসতে থাকে অতনু,দেখে কেকার মুখে জলের ছিটা লেগেছে।সুন্দরী কেকাকে যেন আরও সুন্দরী লাগছে এতে।অপার বিস্ময়ে ওর সৌন্দর্য পান করতে থাকে অতনু দু চোখে।কেকা খানিক পড়ে অতনুকে চিমটি কাটলে অতনু চমকে গিয়ে ওকে ছেড়ে দেয়।এবার হাসতে থাকে কেকা।

"তবে রে!"বলে কেকাকে ধরতে পিছু নেয় অতনু।কেকাও হাসতে হাসতে পালাতে থাকে।পালাতে পালাতে শোবার ঘরের বিছানায় পড়ে যায় কেকা।অতনুও কেকাকে ধরে সুড়সুড়ি দিতে থাকে।হা হা করে হাসতে থাকে কেকা," অঅতনু,হা হা হা হা,অআআআর নাআআআ প্লিইইইজ!"বলতে বলতে কেকার চোখ ওদের জানলার মুখোমুখি ফ্লাটের জানলায় পড়ে।কই,কেউ তো নেই! জানলাটা বন্ধ,পর্দাও নেই।এক রাত্রির মধ্যেই পর্দাটা খুললো কে!

এবার হাসি থামিয়ে ধড়মড় করে উঠে বসে কেকা। অতনুও অবাক হয়।

"জানো অতনু,কাল রাতে ওই ফ্লাটে একজন সুন্দরী মহিলাকে দেখলাম।উনি রাতেই ফেরেন।খুব সুন্দর পর্দা লাগানো ছিল জানলায়!এখন কে খুলে নিল!"

"ধুর,তোমায় বলিনি,ওই ফ্লাটে কেউই থাকে না,তুমিও না,কি দেখতে কি দেখেছ!"অতনুর গলায় বিরক্তি।

"কিন্তু,বিশ্বাস করো অতনু,আমি ঠিক দেখেছি।আমি ওই মহিলার সাথে কথাও বলেছি।ওনার নাম বলল তনুশ্রী!"

"কি বললে,তনুশ্রী!"অতনুর মুখ গম্ভীর।কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেল অতনু।কেকা কথা বলার চেষ্টা করাতেও লাভ হল না।চুপচাপ খেয়ে টিফিন আর অফিসের ব্যাগ নিয়ে বেড়িয়ে গেল অতনু।কেকা ভাবতে লাগলো,অতনুর এহেন আচরণের কারণ কি?

******************************

আজ দুদিন হলো অতনু চুপচাপ হয়ে গেছে।কেকা চেষ্টা করলেও কোন লাভ হয়নি।কেমন যেন বিমর্ষ ভাব অতনুর।ডাকলে সাড়া দেয় না,অফিসের কাজে ব্যাস্ত থাকে।আজ কেকা সিনেমা দেখার জন্য জোরাজুরি করতে,অতনু অফিসের ফাইল থেকে মুখ তুলে,রেগে,"ডিস্টার্ব করো না তো!"বলে পাশের ঘরে চলে যায়।কাঁদতে থাকে কেকা,এমন কি করেছে ও!আজকাল অতনুকে কেমন যেন অচেনা লাগে।তনুশ্রীর নাম শুনেই ওর আচরণের পরিবর্তন লক্ষ্য করেছে কেকা।কে এই তনুশ্রী?জানতেই হবে ওকে।

সকালে আলমারির উপরের তাকে ব্যাগগুলো রাখছিল কেকা।টুলের পায়াটা হটাৎ ভেঙে পড়াতে ব্যালেন্স হারিয়ে একটা বড়সড় এক্সিডেন্ট হতে যাচ্ছিল কেকার,যদি না অতনু ঠিক সময় ওকে ধরে ফেলত।দুদিন আগেও বাথরুমে গিয়ে বাথটাবে চান করবে বলে পোষাক ছাড়ছিল কেকা,অতনুর তাড়ায় বাথরুম থেকে জামা কাপড় পড়ে বেড়িয়ে আসে ও।অতনু নাকি তক্ষুনি বাথরুম ইউস করার দরকার।আজ কেকা ভাবে,ভাগ্যিস,অতনু সেদিন বাথরুম গেছিল,অতনুই তো আবিষ্কার করল,বাথটাবে দুটো ইলেকট্রিকের তার ছিঁড়ে পড়ে আছে।কেকা আর একটু হলেই সোজা পটলডাঙ্গার টিকিট কাটত!তাই তারপর থেকেই অতনু চোখে চোখে রাখছে কেকাকে,কিচ্ছু কাজ করতে দিচ্ছে না একা একা।পাগলটা পারেও বটে।দুদিন রান্না অতনু করেছে একা,অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে,কেকা খালি বসে বসে খেয়েছে শুধু।

সন্ধ্যেবেলা অতনু একটু বাজারে বেরিয়েছে,সেই ফাঁকে অতনুর স্টাডি টেবিলটা গোছাতে গিয়ে একটা ডায়রি পায় কেকা,সাথে একটা অ্যালবাম।ডায়রিটায় খুব সুন্দর করে মেয়েলি হাতে লেখা,"মাই লাভ স্টোরি বাই তনুশ্রী আগারওয়াল।"

কাঁপা কাঁপা হাতে অ্যালবামটা খোলে কেকা,"ইউ এন্ড মি-আস" তাতে বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে,কখনো বসে অতনুর ছবি,তাতে কখনো কখনো একটি মেয়েকেও দেখা যাচ্ছে,এদের মধ্যে কিছু ছবি অতনুর অজান্তেই তোলা হয়েছে মনে হয়,কখনো ড্রেস চেঞ্জ করছে অতনু,কখনো চান করে বেরোচ্ছে,কখনো ঘুমোচ্ছে,সেগুলিতে আবার ওই মেয়েটির ছবি কেটে সাঁটা হয়েছে।মন দিয়ে দেখে কেকা,এ তো তনুশ্রীর ছবি।হটাৎ অতনুর বাঘাটে হুঙ্কারে হাত থেকে অ্যালবামটা পড়ে যায় কেকার,"কি করছ ওখানে!"

কেকার তখন চোখে জল,কোনরকমে অ্যালবামটা মেঝে থেকে কুড়িয়ে স্টাডি টেবিলে রেখে দ্রুতবেগে ঘরে ঢুকে গেল কেকা।পিছন পিছন যায় অতনু।কেকা তখন কাঁদতে কাঁদতে আলমারি থেকে কাপড় নিয়ে ব্যাগ গোছাচ্ছে বাপের বাড়ি চলে যাবে বলে।অতনু এসে কেকার হাত ধরে বাঁধা দেয়,"কি করছটা কি!কেকা জোর করে হাত ছাড়িয়ে নিতে কাপড়গুলো মেঝেতে পড়ে যায়,কাঁদতে কাঁদতে এবার ভেঙে পড়ে কেকা।অতনু ধীরে ধীরে কেকাকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিতে থাকে।কেকা নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করে,"ছাড়ো,ছোঁবে না আমায়,তুমি আমায় মিথ্যে বলেছ,যে আমিই তোমার প্রথম ভালোবাসা!"

অতনুর চোখও এবার শুষ্ক নেই,কোনমতে বলে"কেকা,সোনা,বিশ্বাস করো,তুমিই আমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা!"

"তাহলে এগুলো কি!কে এই তনুশ্রী?তার সাথে কি তোমার সম্পর্ক!" অতনুর জামার কলার খামচে জিজ্ঞেস করে কেকা।

"ঠিক আছে,আজ আমি সব বলব তোমায়।তোমার মনে আছে যে কলেজ লাইভ থেকে এই ফ্লাটটায় আমি ভাড়া ছিলাম?"

কেকা সম্মতিসূচক মাথা নাড়ে।

"এই ঘরের জানলার মুখোমুখি যে জানলাটা দেখা যায়,সেটা আমার ক্লাসমেট তনুশ্রীর ছিল।"অতনু বলতে শুরু করে,"তনুশ্রী মা বাবা ছোটবেলায় একটা এক্সিডেন্টে মারা যায়,কাকার কাছে মানুষ।পাশাপাশি ফ্লাটে থাকার সুবাদে আমাদের কথাবার্তা হত প্রায়ই।একই সাবজেক্ট থাকার দরুন নোটস নিতে আসত ও আমার ঘরে প্রায়ই।এমনকি পরীক্ষার সময়ও লাস্ট মিনিট সাজেশন আমার কাছেই পেত।অচিরেই আমরা বেষ্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেলাম।উইকএন্ডে আমি ভালো রান্না করলে ও বরাবরই নিজেকে সেল্ফ ইনভাইট করে নিত,বলত,"ওয়াও!ক্যা খানা বানায়া হে ইয়ার,মু মে পানি আ গেয়া।সাচমে তুঝসে যো লরকি সাদি করেগি,বহত খুশনসিব হোগি।"

মাঝখানে আমার মাকে কদিন এখানে এনে রেখেছিলাম,তখনই দেখি ওদের মধ্যে বন্ডিংটা ভালো হয়ে গেছে,মা ওর চুল বেঁধে দিত,ওদের নানা আলোচনা হত।জিজ্ঞাসা করলে মা বলত,"মা আর মেয়ের আলোচনা শুনতে নেই!"

পরে মা চলে গেলে দেখি,মার কাছে থেকে আমার ছেলেবেলার সব খবর জেনেছে ও!তাই নিয়ে মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত করত ও।আমার আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিজয় বলেছিল,"দ্যাখ ভাই আমার মনে হয় তনুশ্রী তোকে পচ্ছন্দ করে!"
আমি ব্যাপারটা হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম।আমরা শুধু মাত্র বেষ্ট ফ্রেন্ড তার বেশী কিচ্ছু না।

পরে আমার জন্মদিনে আমায় একটা ছোটো টেলিবিয়ার গিফ্ট করেছিল তনুশ্রী।আমি হেসে বলেছিলাম,"ছেলেদেরকে কে টেলিবিয়ার দেয়!"

ও জেদ করে বলেছিল,এটা নাকি ওর খুব প্রিয়,তাই যেন কখনো কাছ ছাড়া না করি।আমি একটু অবাকই হয়েছিলাম তবে ওটা ড্রয়িং রুমে রেখেছিলাম।দুদিন পর তনুশ্রী এসে টেলিবিয়ারটা ড্রয়িং রুমে দেখে কাঁদো কাঁদো হয়ে বলে, "ম্যায়নে কাহা থা না ইসে আপনে পাশহি রাখনা!ইসে আকেলা মেহসুস হোতা হে!"

তারপর থেকে যে ঘরেই যেতাম টেলিবিয়ারটা সাথে করেই নিয়ে যেতাম।একদিন তনুশ্রীর ঘরে আমার একটা খাতা আনতে যাই।তনুশ্রী বসতে বলে চা আর জলখাবার আনতে যায়।তখনই এই অ্যালবামটা আর ডায়েরিটা আমার চোখে পড়ে,আমি অ্যালবামে আমার কিছু ছবি যেগুলো অজান্তেই তোলা,দেখে ঘাবড়ে যাই,আর ডায়েরিটা কিছুটা পড়ে যা বুঝতে পারি তা হল,তনুশ্রী আমায় প্রচন্ড ভালোবাসে যাকে ভালোবাসা না বলে অবসেশন বলাই বাহুল্য।তনুশ্রী তখনই চা জলখাবার নিয়ে আসে,আমার হাতে ওগুলো দেখে ঘাবড়ে যায়।আমি ওকে শুধরে যেতে বলি,কেননা ও যা করছে ভালোবাসার নামে,তা হল ক্রাইম,ওর শাস্তি হওয়া দরকার!কাউকে ভালোবাসা অপরাধ নয়,তবে কারোর ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলানো এভাবে,জঘন্য অপরাধ।

ও খুব কান্নাকাটি করে,বলে,"আই লাভ ইউ অতনু,প্লিজ ফরগিভ মি,ম্যায় স্যাচ বোল রেহি হু,কোইভি তুমে মুঝসে জাদা প্যার নেহি ক্যার সাকতা হে!তুম স্যাচ বোলো,ক্যা তুমনে কাভিবি মুঝসে প্যার নেহি কিয়া?"

"নো,নেভার!হাম সির্ভ আচ্ছে দোস্ত হ্যায়,ওর কুছ নেহি!"

তনুশ্রী ভেঙে পড়ে,কাঁদতে থাকে।আমি ওকে সতর্ক করি,ভবিষ্যতে যেন এমনটা না করে তা বোঝাই।ওর সামনে গোটা ফিউচার পড়ে আছে,আমার থেকেও ভালো কেউ অপেক্ষা করছে ওর জন্য বলি।ও কি বোঝে ওই জানে।চুপচাপ হয়ে যায়।আমিও বাড়ি ফিরে আসি।টেলিবিয়ারটার খুলে মিনি ক্যামেরাটা বের করে নষ্ট করে দিই।

পরদিন ভোরে তনুশ্রীকে ডাকতে গিয়ে ওর কোন সাড়া শব্দ পাই না।পরে কেয়ারটেকার দরজা খুলতেই ওর ঝুলন্ত দেহ অবিষ্কার হয়।পুলিশ এসে তদন্ত করেও মৃত্যুর কারণ জানতে পারেনি তনুশ্রীর।কোন সুইসাইড নোট উদ্ধার হয় নি।আমায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ,তবে আমি গোটা ঘটনাটা চেপে যাই।এই ঘটনার পর মনে মনে আমি খুব ভেঙে পড়ি,নিজেকে দোষারোপ করতে থাকি।মা বাবা বারবার চেষ্টা করে অন্য ফ্লাট ভাড়া নেবার,তবে এত কম ভাড়ায় কোথাও ফ্লাট পাওয়া যাচ্ছিল না।সুতরাং এই ফ্লাটটায় আমি রয়ে যাই।তোমার সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর আমি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরি।তবে বিয়ের আগে আমি তনুশ্রীর ফ্লাটের দিকের জানলাটা সবসময় বন্ধ রাখতাম।আমার কেন জানি মনে হতো,তনুশ্রী ওই জানলাটা দিয়ে আমার দিকে চেয়ে আছে।প্রথম প্রথম ভয় পেলে মার কথায় জানলাটা বন্ধ করে রাখতাম,"অতনু বলা থামায়।

"হুম,এবার বেশ বোঝা যাচ্ছে যে তোমার বান্ধবী তনুশ্রী আমায় সহ্য করতে পারছে না তোমার সাথে," কেকার স্বর গম্ভীর।

"মানে?"অতনুর প্রশ্ন।

"মানে,আমার দুদিন এক্সিডেন্ট হতে হতে বাঁচা,জানলায় তনুশ্রীকে দেখা সবটাই কাকতালীয় নয়।তনুশ্রী তোমার আমার মনের ভূল নয়,ওর আত্মা এখনও এখানেই বিরাজমান।ও তোমায় ভুলতে পারেনি অতনু,আর আমাকেও তোমার সঙ্গে মেনে নিতে পারছে না ও,"কেকা বলে।

" তাহলে উপায়!"এবার অতনু ভয় পায়।

কেকার পরামর্শে অতনু ব্যাপারটা ওর বাবা মাকে খুলে বলে।ওর বাবা মা পরদিনই ওনাদের ঠাকুরমশাইকে নিয়ে হাজির।উনি সব কিছু দেখেন, বোঝেন,তারপর বিধান দেন,গয়ায় গিয়ে পিন্ড দিতে তনুশ্রীর নামে।ততদিন সবার হাতে মন্ত্রপূত ধাগা বেঁধে দিয়ে যান,বলেন পিন্ডদানের পর খুলতে।অতনু সেইমত ওর পরিবারের সাথে গয়ায় গিয়ে পিন্ড দেয়।তারপর থেকে ওদের জীবনে আর কখনো অশরীরী ছায়া পড়েনি।

সমাপ্তি

আজ কোনো ক‍্যাপশনের দরকার নেই, মৌনতাই যেন মুখর।  ং  ংrockers
21/04/2021

আজ কোনো ক‍্যাপশনের দরকার নেই, মৌনতাই যেন মুখর। ং ংrockers

নববর্ষ আলোকিত হোক সুস্থতার আলোয়, করোনার অন্ধকার দূর করে জীবজগৎ-এর উপর নেমে আসুক শান্তির বারিধারা।  এই মুহূর্তে সভ্যতা আ...
15/04/2021

নববর্ষ আলোকিত হোক সুস্থতার আলোয়, করোনার অন্ধকার দূর করে জীবজগৎ-এর উপর নেমে আসুক শান্তির বারিধারা। এই মুহূর্তে সভ্যতা আবারও করোনাযুদ্ধের সম্মুখীন। কিন্তু তবু হৃদয়ের বিশ্বাস, আমরা জিতবই। করোনা থেকে সতর্ক থাকতে মাস্ক ব্যবহার করুন, সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে পরিস্কার রাখুন, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন, অযথা ভিড় এড়িয়ে চলুন। করোনা নিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না। সতর্কতা অবলম্বন করলে কিছুটা হলেও করোনা থেকে দূরে থাকা যায়। সমস্ত বন্ধুদের জানাই শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা। সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন। ং ংrockers

বিশ্বের সর্বত্র এখনও মানুষ মহিলা ডাক্তারদের উপর ভরসা রাখতে চান না। অথচ একজন মহিলাই পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি করেন।  আজ একজ...
31/03/2021

বিশ্বের সর্বত্র এখনও মানুষ মহিলা ডাক্তারদের উপর ভরসা রাখতে চান না। অথচ একজন মহিলাই পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি করেন। আজ একজন মহাপ্রাণের জন্মদিন। আনন্দীবাঈ গোপাল যোশী, অসূর্যম্পশ‍্যা ভারতের পাশকরা প্রথম মহিলা ডাক্তার। তাঁর জন্মদিনে সবার সুস্থতা কামনা করি ং ংrockers

দোলপূর্ণিমার শুভেচ্ছাবার্তার বহন করে নিয়ে আসুক এক সুন্দর লেখনী কলমে  #গোবিন্দ   ং   ংrockers
28/03/2021

দোলপূর্ণিমার শুভেচ্ছাবার্তার বহন করে নিয়ে আসুক এক সুন্দর লেখনী কলমে #গোবিন্দ ং ংrockers

সাহিত্যজগতে নক্ষত্রপতন হল। চলে গেলেন 'মিত্র ও ঘোষ' পাবলিশিং হাউস-এর কর্ণধার ইন্দ্রাণী রায়।  শরীরের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু আ...
20/03/2021

সাহিত্যজগতে নক্ষত্রপতন হল। চলে গেলেন 'মিত্র ও ঘোষ' পাবলিশিং হাউস-এর কর্ণধার ইন্দ্রাণী রায়। শরীরের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু আত্মা অবিনশ্বর। ইন্দ্রাণীদি আপনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। ংrockers

চির উপাসিতা-  কলমে       ং  ংrockers
08/03/2021

চির উপাসিতা- কলমে ং ংrockers

Address

Kolkata

Telephone

+919831577683

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The RONG বং posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The RONG বং:

Share