PINCH Photography

PINCH Photography photography and short video related page

08/08/2023

Yooo yooo
22/03/2023

Yooo yooo

05/02/2023

অন্ধকার ঘরের নীলচে আভায় বিছানার দুপ্রান্তে বসে আছে দুটো নরনারী। দুজোড়া চোখেই জ্বলছে কামনার আগুন। তবুও দুজনেই অপেক্ষার প্রহর গুনছে কে আগে হার স্বীকার করবে। একটা সময়ের পর ত্রিভিক থাকতে না পেরে ওর সামনে বসা ঈশানি কে এক ঝটকায় নিজের কোলের ওপর বসিয়ে, ছোটো ছোটো চুমু একে দিল ওর গলায় আর ঘাড়ে। ওর হাত তখন ঈশানির বুক পেরিয়ে নেমে এসেছে নাভির কাছে। ক্ষিপ্র গতিতে বিবস্ত্র করতে লাগলো একে অপরকে। ঈশানির নগ্ন শরীর চাপা পড়েছে ত্রিভিকের পুরুষালি শরীরের নীচে। একে অপরের ঠোঁট আকড়ে ধরে ভেসে যাচ্ছে আদিমতার বন্য সুখে। ওদের আত্ম-তৃপ্তির চিৎকারে ভরে উঠেছে ঘর।

ঈশানির বুকে মাথা রেখে শান্ত হয়ে শুয়ে আছে ত্রিভিক। ওদের মুখে লেগে রয়েছে আত্মতৃপ্তির ছাপ। কিছুক্ষন পরে নীরবতা ভেঙে ত্রিভিকই প্রথম বললো - এখনো ভুলতে পারোনি না শুভকে?
ঈশানি - (আনমনে) হু? কিছু বললে?
ত্রিভিক - বললাম যে এখনো শুভকে ভুলতে পারোনি তুমি।
ঈশানি - এই কথা বলার কারণ জানতে পারি?
ত্রিভিক- কারণ কিছুই না। আসলে তুমি হয়তো আমার মধ্যেই শুভকে বার বার খুঁজতে চাইছিলে,তাই যতবার তোমায় আঁকড়ে ধরেছি ততবারই শুভর নামেই তুমি চিৎকার করেছো।
ঈশানি - (ম্লান হেসে) তুমিও তো আমাকে আঁকড়ে ধরতে চাওনি। তুমি তো চোখ বন্ধ করে আমার শরীরের মধ্যে তোমার প্রিয়সীকে অনুভব করতে চেয়েছিলে।
ত্রিভিক- নিশ্চুপ
ঈশানি - (ত্রিভিকের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে) আসলে কি বলতো তুমি আর আমি দুজনেই নিজেদেরকে ভালো রাখার জন্য একে অপরকে বেছে নিয়েছি। আমরা দুজনেই জানি আমরা একে অপরকে ভালোবাসতে পারবো না। আর হয়তো আমি চাইলেও তুমি.....
ঈশানিকে শেষ করতে না দিয়েই ত্রিভিক বললো - তুমি সবটাই জানো ঈশানি। আমার পক্ষে ভলোবাসা বা কোনো কমিটমেন্ট দেওয়া সম্ভব না।(ঈশানির হাতটা নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে) কিন্তু আমি তোমায় কথা দিয়েছি আমি নিজের মতো সারাজীবন আগলে রাখবো। আর তুমি জানো আমি কথা দিলে আমি রাখতে জানি। তোমার সমস্ত দরকারে প্রতিটা কাজে পাশে পাবে আমাকে। ছেড়ে যাবো না।
ঈশানি - আচ্ছা তুমি কি আদেও কোনোদিন ধরা দিয়েছিলে আমার কাছে? যে ছেড়ে যাবার কথা বলছো? আর তুমি যে আশা-প্রত্যাশার কথা বলছো,আমি তোমার কাছে কেনো কারোর কাছেই কোনো আশা রাখি না। আমি নিজেকে সামলে নিতে জানি।তবে তুমি যেই কারণে আমার কাছে আছো ঠিক সেই কারণে আমি তোমার কাছে আছি। একটু শান্তির জন্য একটু ভুলে থাকার জন্য, একটু ভালো থাকার জন্য।
ত্রিভিক - (ঈশানির বুকে মুখ গুজে দিয়ে) জানো তো কোনো আশা- প্রত্যাশা না রেখে, কোনো বাঁধনে না জড়িয়ে,গড়ে ওঠা সম্পর্কগুলো থেকে যায়। আর যদি বাঁধনে বাঁধতে যাও শুধু মাত্র হারাতে হবে আর ঠকতে হবে।এই মিথ্যে বাঁধনের মাঝে পড়ে আবার দমবন্ধ হয়ে মরতে চাই না আমি। খুব কম মানুষই আমার জীবনে আছে যারা আমায় ভালোবেসেছে, থেকে গেছে কোনো স্বার্থ ছাড়াই। তাদের জন্য আমি কোনো শর্ত ছাড়াই কোনো কারণ ছাড়াই আমি আমার সমস্ত জীবনটা বিলিয়ে দিতে রাজি। আর আমার কাছের মানুষ গুলোর মধ্যে তুমিও একজন। এবার তোমার ওপর নির্ভর করছে তুমি থেকে যাবে নাকি চলে যাবে।
ঈশানি - (ত্রিভিককে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ) যদি রেখে দিতে পারো থেকে যাবো শেষ পর্যন্ত। কোনো কারণ ছাড়াই কোনো শর্ত ছাড়াই। আমাদের সম্পর্কের নাম না থাকুক তবে সম্পর্কের গভীরতাটা যেনো অন্তর থেকে হয়। এর বেশি আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। শুধু এটুকুই বলবো থেকে যেও।
ত্রিভিক -(ঈশানির ঠোঁটে চুমু দিয়ে) থেকে যাবো কথা দিলাম।

লিখিতদলিলে:- ইসিকা
ছবি:- সংগৃহীত(DM FOR CREDIT)



কর্পূর- Karpoor

25/01/2023
24/01/2023

নীড়:- কাকা ঝাড়ু কতো করে?
ঝাড়ু কাকু:- বাবা তিরিশ টাকা করে।
নীড় একটু ভালো করে দেখে বললো ' কাকা তোমার আজকে খুব একটা বিক্রি হয়নি তাই না?'।
ঝাড়ু কাকু হেসে বললো ' এখন কোনোদিনই খুব একটা বিক্রি হয়না ,এখনকার দিনে তো সবাই কী সব যন্তর টন্তর দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে। ঝাড়ু আর কয়জন ব্যবহার করে '।
নীড় ভেবে দেখলো সত্যিই তো এখনকার দিনে সবাই তো বেশির ভাগ ভ্যাকিউম ক্লিনার দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে, ঝাড়ু ব্যবহার আর করে না। অবশ্য তার ফলও পায়,এখনকার দিনের মানুষেরা বেশি যন্ত্র নির্ভর হওয়ার কারণে দৈহিক পরিশ্রম আর করে না যার ফলে বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। আর আমরা অজান্তে এইসব মানুষরা যারা খুব একটা আধুনিকতা জানে না, নিজের দেশের ঐতিহ্য অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে তারাও যেনো এই যন্ত্র নির্ভর সভ্যতায় অকাল সমুদ্রে পড়েছে।
নীড় হেসে বললো ' কাকা তুমি আমাকে সবকটা ঝাড়ুই দিয়ে দাও, আর কতো হয়েছে বলো '।
ঝাড়ু কাকু অবাক হয়ে বললো ' এতো গুলো ঝাড়ু নিয়ে তুমি কি করবে বাবা এতো গুলো তো তোমার দরকার হবে না '।
নীড় হেসে বললো ' না আমার সবকটা চাই, তুমি আমাকে দাও '।
ঝারুকাকু আর কি বলবে দিয়ে দিলো।
আসলে নীড় নিজে মেক্যানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হয়েও কিছু কিছু কাজ যন্ত্রের সাহায্যে নয় নিজের হাতে করতে ভালোবাসে আসলে সে জানে আমাদের শরীরও একটা যন্ত্র তারও কিছু কলকব্জা আছে কাজ না করলে সেই কলকব্জা গুলো ঠিক থাকবে না।

কলমে :- উপাসনা সান্যাল
ছবি:- সংগৃহীত(DM FOR CREDIT)

কর্পূর- Karpoor

24/01/2023

একটা খুব সাধারণ মেয়ে। এই সাধারণ মেয়েটা যতক্ষণ সাধারণ থাকে তাকে বাড়ির লক্ষ্মী বলে, সে যেন এগিয়ে যেতে পারে সেই কথা আলোচনা হয়, তাকে পুরুষের সমকক্ষ করে তোলার চেষ্টাও করা হয়। সর্বোপরি তাকে মাথায় করে রাখে তার পরিবার তথা সমাজ। আর এই সাধারণ মেয়েটাই যদি দেখতে একটু ভালো হয় তখন হঠাৎই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে। পরিবারের পুরুষ সদস্যরাও কিছু কম যান না। ভদ্র সমাজের ততোধিক অভদ্র কিছু নরপশুর লালায়িত দৃষ্টি পড়ে তার ওপর, আকৃষ্ট হয় সেই মেয়েটির শরীরের প্রতি। আবার এই মেয়েটাই যদি একটা দুবছরের বাচ্চা হয় বা যদি হয় ষাট বছরের বৃদ্ধা তাতেও সে ছাড় পায় না। বাড়ির কাজের মহিলা থেকে নিজের দিদি, এই নরাধমদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে বাদ যায় না কেউই। নির্মম থেকে নির্মমতম ধর্ষণের শিকার হয় সবাই।
একটা মেয়ে বাড়ির সবচেয়ে আদুরে সদস্য বা লক্ষ্মী হয়েও যদি অত্যাচারের শিকার হয় তাহলে আমার মনে হয় তার পিশাচিনী হওয়াই শ্রেয়। যখন মেয়েটার ওপর সবাই ঝাঁপিয়ে পড়বে তার শরীরটাকে চেটে-পুটে ভোগ করার জন্য তখন সে যেন হয়ে যায় পিশাচিনী। তাকে যেন সবাই ভয় পায়।আর কখনো কেউ যেন তার দিকে নোংরা দৃষ্টি নিক্ষেপ করার সাহস না পায়। তার যোনি দিয়ে যেন এমন জৈব পদার্থ নিঃসৃত হয় যাতে ওই নররাক্ষসগুলোর লিঙ্গ গলে যায়। তার যোনি থেকে রক্ত যেন গলিত উত্তপ্ত লাভার ন্যায় নির্গত হয়। আর সেই লাভায় যেন পুড়ে ছাই হয়ে যায় নরপশুর দল।

লিখিত দলিলে:- বিষ হেমলক
আলোকচিত্রে:- সংগৃহীত (DM FOR CREDIT)


কর্পূর- Karpoor

24/01/2023

Address

Kolkata, West Bengal
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PINCH Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category