22/10/2026
THE HARDEST PART OF ENDING IS STARTING AGAIN!
ছোট্ট মফস্বলের নাতিদীর্ঘ গলি। সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি আলো দিয়ে সাজানো; দর্শনার্থী মূলত পাড়ার মানুষজনই। এমনিতে এই গলি ‘রঙিন ইস্টিশান’ নয় মোটেই, বছরের প্রায় পুরোটাই জুতোর বাক্সে বেড়ালের মতো গুটিশুটি মেরে শুয়ে থাকে আঁধারে। পুজোর দিনগুলো তাকে দেয় এক আশ্চর্য স্বপ্নলোকের সন্ধান, এক অব্যাখ্যেয় সঞ্জীবনী।
যে বয়স্ক মানুষগুলি ক্রমশ ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন নাগরিক ছোটাছুটি থেকে, তাঁরা আসেন মণ্ডপে, মুখ উজ্জ্বল হয়ে থাকে পুজোর আলোয়। নতুন পাটভাঙা শাড়ি পরে দিদা-ঠাকুমারা আসেন নাতি-নাতনির হাত ধরে; অঞ্জলি দেওয়ার নিয়মকানুন শিখিয়ে দেন। সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার যাতে সযত্নে সংরক্ষিত হয় আর কী! কুকুর-বেড়ালগুলো পেট পুরে খেতে পায় ক’টা দিন, সারারাত নিশ্চিন্তে মণ্ডপে ঘুমোয়, পায়ের ওপর দিয়ে সাইকেল চলে যাওয়ার ভয় থাকে না। চাটাই পেতে বিক্রি হয় প্লাস্টিকের সস্তা খেলনা, রোল-চাউমিনের দোকানের সওদা বাড়ে।
ছোট মফস্বলের নাতিদীর্ঘ গলি। তার সাধ্য সীমিত, সাধ নয়। সে জানে, যতই মণ্ডপ খুলে নিলে দলা পাকিয়ে উঠুক অন্ধকার, যতই পুজো শেষে ঢাকির দল ক্লান্ত পায়ে হাঁটা লাগাক গ্রামের দিকে, যতই বৃদ্ধার চোখে নেমে আসুক একাকিত্বের বিষাদ; এই পাঁচটা দিনের আলোও মিথ্যে নয় মোটেই। পুজো, উৎসব এই মলিন দুই চোখে একটু স্বপ্নের ঝিলিক ছাড়া আর কীই বা! আমার পুজো এই।
— Ranadeep Naskar
শুভ বিজয়া! ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন। 💕
Photography: Dj's Clicks ©️
Camera: Samsung
Mention: Ministry of Tourism, Government of India. Ministry of Culture, Government of India. Tourism Department, Government of West Bengal. UNESCO.
[Durga Puja, Intangible Cultural Heritage, Festivals Of India]
FULL BRIGHTNESS RECOMMENDED.