Sridip chatterjee

Sridip chatterjee Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sridip chatterjee, Photographer, Jewar.

Story....  2015..... #ভ্রমণ কলকাতা থেকেলেখনে:-শ্রীদীপ চ্যাটাজ্জী #লাদাখ ভ্রমণএকদিন অবসর সময়ে বসে বসে মোবাইল এর পুরোনো  ...
27/06/2022

Story.... 2015.....

#ভ্রমণ কলকাতা থেকে

লেখনে:-শ্রীদীপ চ্যাটাজ্জী

#লাদাখ ভ্রমণ

একদিন অবসর সময়ে বসে বসে মোবাইল এর পুরোনো ঘুরতে যাওয়ার ছবি ঘাট ছিলাম .... হটাৎ চোখে পরলো 2015 সালে আমার লাদাখ যাওয়ার কিছু ভ্রমণ ছবি ........

ছবিগুলো দেখতে দেখতে আমি সেই আগের পাহাড় পর্বতে হারিয়ে গিয়েছিলাম কিছুক্ষন এর জন্য ...... আমি ছবি গুলো শেয়ার করব ভাবছিলাম .... যাতে আপনারাও একটু ঘুরে আসে পারেন !!!!


পরিশিষ্ট

কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের জিন এর মধ্যে আছে ভবঘুরের রক্ত ..... নতুন কোনো জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার সন্ধান এবং সুযোগ পেলেই মোটামুটি রাতের ঘুম উড়ে যায় ......আমি মোটামুটি ওই রকম টাইপের মানুষই ছিলাম .....
সারা বছর অপেক্ষায় থাকি কখন সুযোগ আসবে পাহাড় পর্বতে ঘুরতে যাওয়ার এবং কখন পড়াশোনা ব্যস্ত জীবন থেকে ছুটির ঘন্টা বাজবে .......ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় না সব সময় পাহাড় পর্বতে ঘুরে বেড়ানো.....

ভ্রমনপিপাসুরা সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে.....

১ ) সমুদ্র প্রেমী

২ ) পাহাড় পর্বত প্রেমী

আমি বাক্তিগত ভাবে দ্বিতীয় দলের মধ্যেই পরি ......

মন যদি পাহাড় হতো নদী হতো আঁখি,
যেমন খুশি বেড়াতে উড়ে কল্পনার ছোট্ট পাখি, নিয়মের গন্ডিতে থাকতো না বাঁধা এই অবুঝ মন সারা পৃথিবী থাকত বসে সবাই হতো আপন . ...

মনে সখ ছিল একদিন লাদাখ যাওয়ার...... ছোট বেলা থেকেই কম বেশি ভালোই পাহাড় পর্বতে ঘুরাঘুরি করা হয়েছে .....কিন্তু ছোটবেলায় পড়া ফেলুদার গল্পের ভুসর্গ দেখার এক অদম্য আগ্রহ সবসময় মনের এক কোনে লুকিয়ে ছিল ........

কাহিনীটা শুরু হয়ে ছিল ২০১৫ সালে মে মাসে সবে মাত্র সিমলা,কুলু মানালি থেকে ঘুরে ফিরেছি। পাহাড়কে ফেলে আসাই মনস্তের করছিল তখন আবার সুযোগ আসবে পাহাড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার..... অস্থির মন নিয়ে বুঝেছিলাম অপেক্ষা.....

সব মানুষের মতো আমারও স্বপ্ন ছিল লাদাখ ঘুরতে যাওয়ার কিন্তু এই স্বপ্নটা যে এত তাড়াতাড়ি বাস্তবায়িত হবে কোনদিনও ভাবিনি। ঘুরতে থেকে ফিরে আসার দু মাস পরে হঠাৎ জানতে পারি আমি যে স্বপ্ন দেখছিলাম সেটা বাস্তব হতে চলেছে.... নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারতাম না যে জায়গা গুলোর ছবি এতদিন দেখেছি এখন সুযোগ এসেছে খুব কাছ থেকে দেখলাম, তাই দেরি না করে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম........

ঘুরতে থেকে ফিরে আসা লাগেজ , ক্যামেরা বলতে ছোট্ট একটি ডিজিটাল ক্যামেরা,পাওয়ার ব্যাঙ্ক ,আরো কিছু শীতের কাপড় , টর্চ লাইট ,সবকিছু নিয়ে একদিন সত্যি সত্যি আমরা রওনা দিলাম লাদাখ এর উদ্দেশ্যে। দিনটা ছিল দূর্গা পূজার ষষ্ঠীর সকল । যাত্রা শুরু করলাম ..... কলকাতা থেকে বিমান করে পৌছালাম দিল্লি .....তারপর পরের দিনে অর্থাৎ সপ্তমীর দিন ভরবেলা বিমানের মাধ্যমে পৌছালাম লাদাখ ......

লাদাখ এ নেমেই মনে হলো পৃথিবীর সমস্ত ঠান্ডাটাই হয়তো সেখানেই লুকিয়ে আছে..... চারদিক পাহাড়ে ঢাকা খালি জায়গায় একটা আলাদা গন্ধ আছে ....এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে আমাদের আগে থেকে ঠিক করা ট্যাক্সি এর সন্ধান করতে করতে পেয়ে গেলাম গাড়িটি কে ..... ড্রাইভার uncle এর নাম আমারা দিয়েছিলাম 4G uncle .... শুনতে হয়তো অবাক লাগলেও কারণটা ছিল অনেক বড়ো । তারপর 4G uncle নিয়ে হোটেল এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম........

এ যেন অন্য এক জগত .....থরে থরে ঘুরেয়ে পেচায়ে আমরা যত উপরের দিকে উঠছিলাম ততই যেন বিশ্বয় অপেক্ষা করছিল......

কিছু মুহূর্ত কখনো ভাষায় প্রকাশ করা যায়না .....আমরা সবাই খেয়াল করলাম বেশ কিছুক্ষণ আমরা কেউ কোনো কথা বলছিনা ......প্রকিতির এক অমোঘ বন্ধনে হারিয়ে যাচ্ছি বিস্তৃতির অতলে .....জীবন কে হয়ত একটা ফ্রেম করে ঐখনে আটকে রাখলে হয়ত খারাপ হতনা ......বন্ধন ছিন্ন করার বৈরাগ্য মনে হয় এমন পরিবেশে আসে ......

যেখানে আকাশ এর রং হচ্ছে নিল .....কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে আকাশ টা দেখলে মনে হয় ফটোশপ এ এডিট করা এক ভয়ঙ্কর নিল ......এই আকাশ এর রং দেখেই মাথা পুরা নষ্ট তার সাথে এত সুন্দর রাস্তা ......গাড়ি থেকে নেমে আমরা একটু ফোটো সটো তুললাম .........

তারপর ই পৌঁছে গেলাম আমারা একটা সুন্দর হোটেলে। হোটেলে প্রবেশ করতেই প্রথমে চোখে পড়ল গাছে ঝুলতে থাকা আপেল এর ঝাঁক। আপেলের সেই লাল রং আমাদেরকে আকৃষ্ট করেছিল গাছ থেকে পেড়ে খাওয়ার জন্য..... কিন্তু হোটেলের নিষেধ থাকায় আমাদের পেরে খাওয়ার উপায় ছিল না .......

হোটেল রুমে সবকিছু রেখে আমরা বেরোলাম lunch করতে.... lunch শেষ করে হোটেলে ফেরার কিছু মুহূর্ত পরেই আমরা বেরিয়ে পরলাম আশপাশ দেখার উদ্দেশ্য......

কিছুক্ষণ পরেই পৌছলাম ম্যাগনেটিক হিল এ .....এখানে গাড়ি নিজে নিজে চলে .....থিউরী অফ গ্রাভিটি এইখানে কাজ করে না.....এই অদ্ভুত বেপারটি আমার চোখ বিশ্বাস করতে পারছিনা.....

এর কিছুক্ষণ পরে আমরা ফিরে এলাম হোটেলে ....অনেক ধকল গেছে ....একটু রেস্ট করা দরকার ছিল .....পথের সুন্দর্যের কারণে চোখ একফোটা বন্ধ করা হয়নি ...... তাই তাড়াতাড়ি dinner করে এসে শুয়ে পড়লাম।....

পরের দিন........

ভোরবেলা ঘুম ভেঙ্গে দেখি এক আশ্চর্য দৃশ্য .....পর্বতের চূড়ায় স্ফটিক বরফের গায়ে দিনের প্রথম সূর্যের আলোর আলতো ছোআ যেন মহাবিশ্বের অমিমাংসিত এক বিশ্বয় ..... পথে এক টং এর দোকানে আলুপারাটা খেয়ে রওনা দিলাম পান্গং লেক এর উদ্দ্যেশে.... খুশিমনে রওনা দিলাম.....পথে পড়ল ঠিকসে মনসটেরি , পদ্মা কর্পো ইনস্টিটিউট ( থ্রী ইডিয়ট মুভি এর স্কুল টা)
পথের চারিদিকের নয়নভিরাম দৃশ্য দেখে সময় কাটাচ্ছিলাম .....হটাথ দেখি অনেক খাড়া পথে গাড়ি চলা শুরু হলো .....ভয় পাচ্ছিলাম সবাই ....কারণ রাস্তার পাশে খাদের মধ্যে অনেক গাড়ির কঙ্কাল দেখা যাচ্ছিল .....অনেকক্ষণ পাহাড় ডিঙ্গানর পরে আমরা পৈছুলাম চাং লা পাস ....১৭৫৮৫ ফুট আলটিচিউড ( সেকেন্ড হাইএস্ট রোড অন আর্থ )....নিস্সাশে যথেষ্ট প্রবলেম হচ্ছিল .....কিন্তু আমরা মানিয়ে চলতে চেষ্টা করছিলাম .....এর পর রাস্তা নিচের দিকে নেমে গেল ......একটু পরে সবুজে ঢাকা এক কার্পেট এর মত ভ্যালি তে পৌছুলাম .......

আমার মনে হচ্ছিল আমরা মনে হয় আর এই পৃথিবীতে নাই ...এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড এর কোনো ক্যারেক্টার হয়ে ভিন্ন এক স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করেছি ......চারিদিকে পাহাড়ি ঝরনার পানি .....একটু দুরে সারি সারি ঘোড়া ঝরনার পানি খাচ্ছে ....দৌড়ুচ্ছে .....একটু দুরে পাহাড়ি ইআক এক দল.....আমার ভাষাজ্ঞান ওই পরিবেশ এর বর্ণনা দেয়ার মত শক্ত নয় বলে ক্ষমা চাইছি ........

কিছুক্ষণ এক মধ্যেই পৌছে গেলাম থ্রী ইডিয়ট এর পান্গং লেক এ .....অসাধারণ ......মানুষ এর মধ্যে যদি ধনী ,উচ্চবিত্ত ,মধ্যবিত্ত,দরিদ্র এইসব এর ভেদাভেদ থাকে.....তাহলে নীল্ রং এর ও ভেদাভেদ থাকা চাই ......

লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান ,আমি এখন পান্গং এর আকাশ ও পানিতে যেই নীল্ দেখছি ....তা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে রাজকীয় নিল .....যেই নীল্ এর জন্য সব কিছু বিলিয়ে দেয়া যায় .......

এই লেক টার উচ্চতা ১৩০০০ ft .....এই লেক টা ভারত ,তিব্বত ও চায়না সীমান্ত নিয়ে বিস্তৃত ......

অসাধারণ ....থ্রী ইডিয়ট মুভি টা দেখার পরে অনেক শখ ছিল....এখানে আসার .....লেকের পারে থ্রি ইডিয়েটস মুভিতে ব্যবহৃত কিছু বাহন এর উপর বসে কিছু ছবি তুললাম .....কিছু সুন্দর শান্ত সময় কাটালাম .....তারপর আস্তে আস্তে আমরা গাড়ি নিয়ে লেকের পাশ দিয়ে যেতে যেতে একটা হোটেলে উঠলাম যেটি লেকটির পাশেই ...... তারপর একটু রেস্ট নিয়ে আমরা লেকের পাশে সবাই ছবি তুলতে গেলাম....... তারপর কিছুক্ষণের মধ্যে সন্ধ্যে নেমে এলো এবং আমরা গোল করে বন ফায়ার এর সামনে কিছুক্ষণ সময় কাটাচ্ছি...... সেই সময় মাথায় এলো আমাদের নিয়ে আসা অক্সিজেন সিলিন্ডার টার কথা যেটি শরীর খারাপ হয়ে গেলে ব্যবহারের জন্য ..... কিন্তু সকলের শরীর ভালো থাকায় বিশেষভাবে সেই সিলিন্ডারটি কোনো প্রয়োজন হয়নি ......
পরের দিন.....
ভোরবেলায় আমরা রওনা দিলাম আরো কয়েকটা জায়গায় ঘোরার জন্য...... ঘুরতে ঘুরতে আমরা পৌছে গেলাম থ্রি ইডিয়টস এর শুটিং হওয়া রেনচোর তৈরি করার স্কুলে পরিবেশটা ছিল অদ্ভুত........... সেখানে শুধু ছিল জ্ঞানে ভরা মস্ত বড় একটা বই..... সেই পরিবেশে পড়াশোনা করার আলাদা একটা অনুভূতি আছে...... তারপর আমরা স্কুলটাকে পরিদর্শন করতে করতে বেরিয়ে এলাম.....

আরো কয়েকটা জায়গা ঘোরার পর.....
তারপর আমাদের গন্তব্য হলো খারদুংলা পাস ..... বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রোড .... যারা মোটরবাইক পছন্দ করে.... তাদের স্বপ্ন হলো একবার অন্তত বাইক এ করে খারদুংলা পাস ভ্রমণ করা .... এর আল্টিটিউড হলো 18460 ফুট .... আমরা গাড়ী নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম গন্তব্যের দিকে......

তারপর আমরা সবাই একটা করে ট্যাবলেট খেলাম যাতে রক্তে অক্সিজেন এর পরিমান বাড়ে যা কিনা হাই অল্টিটুডে নিস্সাস নিতে হালকা সহায়তা করে ....রওয়ানা দিয়ে
দিলাম সাহস করে.....আস্তে আস্তে উপরের দিকে যাচ্ছি আর উত্তেজনা বাড়ছে .... কিছুক্ষণ অন্তর অন্তর গুগল এর সাহায্যে একটু পর পর উচ্চতা চেক করছিলাম .....একটু পরে দেখি টেম্পারেচার ফল করার কারণে আমার হাত অসার হওয়ার দশা...... শেষ পর্যন্ত থাকতে না পেরে উলের গ্লোভস ..... পড়ে নিলাম .....একটু পরে ছিল ইনার লাইন পার্মিট এর চেক পোস্ট .....সব বাইকার দের এখানে রেজিস্টার করতে হয় ...16000 আলটিটুড এ আমাদের নিস্সাস নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো....একবার চিন্তা করছিলাম অনেক হলো....আর রিস্ক নেয়ার দরকার নাই .....হটাৎ দেখি .......

ফাইনালি একসময় পৌঁছে গেলাম বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রাস্তায় ....18380 ফুট উচ্চতায় খারদুংলা পাস্ এ.... ঐটা ছিল এক চরম বিজয়ানন্দ .....সবই একসাথে খুব আনন্দ করলাম....আফসোস হচ্ছিলো সাথে কোনো আমাদের দেশের পতাকা না থাকায় .....থাকলে হয়তো অন্যান্য দেশের সাথে আমাদের গেরুয়া,সাদা, সবুজ বেঁধে দিতে পারতাম ........
এই ক্ষীণ জীবনে মানুষের একটাই লক্ষ্য থাকে .....অনেক উঁচুতে ওঠা ....নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা ......কিন্তু ঐদিন অনেক উঁচুতে ওঠার পরেও নিজেকে অনেক ছোট আর ক্ষুদ্র মনে হচ্ছিলো....

অনুভব হচ্ছিলো জীবনের সিলেবাস এর বাইরে একটা অসমাপ্ত অধ্যায় সমাপ্ত করার আত্মতৃপ্তির আনন্দ .....

অহংকার ,সংকীর্ণতা ,বড়ত্ব, দাম্ভিকতা..
সবি বড় মলিন লাগছিলো ...উচু ওই পাহাড় থেকে ....
ক্ষনিকের আকা বাকা উচু নিচু পথ..কনকনে ঠান্ডা হাওয়া...
লন্ডভন্ড করে দিয়েছিলো ছোট্ট এই জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া....

আরো অনেক অনেক জায়গায় আমরা ঘুরলাম হয়তো সবকিছু গুছিয়ে লেখাটা সম্ভব হয়ে উঠলো না পরবর্তীকালে আবার যদি এই বিষয় পোস্ট করি তখন আরো বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব .........
....সবকিছু জায়গা ঘোরার পর আমরা ফাইনালি রাতের মধ্যে লাদাখ ফিরলাম ......অনেক নীল্ রং এর সৃতি নিয়ে .....

শেষ হতে হতে বলতে চাইলে যে 4g uncle নাম রাখার রহস্য টা.........

amader 4G uncle নাম দেয়ার কারণ হলো uncle খুব সাহসী দুরন্ত এবং সব কাজে পারদর্শী ছিল আর সেই সময় 4G খুব স্পিড নেটওয়ার্ক ভাবা হতো তাই আমরা ভালোবেসে 4G uncle নাম দিয়েছিলাম নামটি শুনে তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন .....😌❤️
এর মধ্যেই আমাদের 4G uncle সাথে এই কদিনে আলাদা একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল...... সেই দিন যেদিন লাদাখ কে বিদায় জানানোর পালা সেদিন আমরা যতটা মন খারাপ করেছিলাম ....তার থেকেও বেশি মন খারাপ করেছিল 4G uncle আমরা চলে যাচ্ছি ভেবে এই দশদিনে 4G uncle সাথে হয়তো বন্ধুর মত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল..... যেটি আমরা কোনদিনও ভুলতে পারবো না সারা জীবন স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে আমাদের মনে........😌❤️

লাদাখ কে বিদায় জানাতে খুব অস্সস্তি লাগছিলো.....খুব আপনজনকে বিদায় জানাতে যেমন কষ্ট লাগে .....লাদাখ এর বেলায় ঠিক তেমনটা মনে হচ্ছিলো.....ফাইনালি বিদায় লিটল তিব্বত .....অনেক ধন্যবাদ !!!. ( উল্লেখ্য , এই ভ্রমণ কাহিনী ২০১৫ সালে লিখা...এখনকার দিনে লাদাখ ভ্রমণ এর নিয়ম কানুন কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে )

লোকমুখে শোনা যায় যে আজকাল নাকি লাদাখ বা প্যাংগং লেক সেই আগের মতো নেই ....লোকজন ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ বরবাদ করে ফেলছে ..... ভ্রমণকারীদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই.... ..... আপনারা যেখানেই যান প্লিজ আশপাশের পরিবেশের উপর নজর দিন .... আপনার চোখে যা সুন্দর ....তা যেন সবাই যেন উপভোগ করতে পারে এমন একটা পরিবেশ ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে উপহার দিন...❤️😌

সমাপ্ত

Address

Jewar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sridip chatterjee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category