শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

শৈশবখানা / ঋপণ আর্য I want to become a gentle breeze to fan children's tender dreams. Gallery of Childhood Activity.
(1)

মনে পড়ে, ক্রিংক্রিংক্রিং খেলা?෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷  ₁+  𝓫𝔂  রুদ্রপুর শৈশবখানা / ঋপণ আর্য
16/06/2026

মনে পড়ে, ক্রিংক্রিংক্রিং খেলা?

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
রুদ্রপুর শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

দেবাশীষ সেনগুপ্তর লেখা একটা রূপকথার গল্প পড়বেন ?উঁহু! যেমনটা ছোটবেলায় পড়ে এসেছেন তেমনটা নয় হয়ত। এ গল্পে পক্ষীরাজ নে...
15/06/2026

দেবাশীষ সেনগুপ্তর লেখা একটা রূপকথার গল্প পড়বেন ?
উঁহু! যেমনটা ছোটবেলায় পড়ে এসেছেন তেমনটা নয় হয়ত। এ গল্পে পক্ষীরাজ নেই, ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমী নেই, এমনকী নেই দুষ্টু রাক্ষসীও! ভাবছেন তবে সে কেমন রূপকথা?
আছে আছে! রাজপুত্তুর আছে, আছে অনেক অনেক লালকমল, নীলকমল আর স্বপ্নরাজ্য।

সুন্দর পিচাইকে আজ সবাই চেনেন। ঠিক যেমন চেনেন জীতেন্দ্র কুমারকে, বিখ্যাত ওয়েব সিরিজ 'পঞ্চায়েত'য়ের কল্যাণে! কিন্তু যদি বলি বিপিন ধানে'র নাম? চেনেন তাঁকে? এরা তিনজনই আইআইটি খড়্গপুরের কৃতী ছাত্র। ভাবছেন, প্রথম তো দুজন যে কৃতী তা তো জানি! কিন্তু এই বিপিন ধানে কে?
২০১৩ সালে আইআইটি স্নাতক হয়ে বেরোনোর পর যখন মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার নিপাট মধ্যবিত্ত ধানে পরিবার বিপিনকে জোর করে বিদেশে চাকরী করতে পাঠিয়ে দেয় তখনও তাকে চিনত না কেউই।
সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত বহুজাতিক সংস্থায় সফটওয়্যারের চাকরি করার ইচ্ছে বিলকুল ছিল না বিপিনের। এমনকি আইআইটি পড়াকালীনও বন্ধুদের সে প্রায়ই বলত, পাশ করে এই সমাজের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। বন্ধুরা হাসতো, যেমন হেসে উড়িয়ে দিত বাড়ির লোকেরাও।

চাকরিটা সত্যিই বেশিদিন করেনি বিপিন! বাড়িতে না জানিয়েই নিঃশব্দে ছেড়ে দেয়। আরও মাসকয়েক সিঙ্গাপুরে থেকে টুকটাক ফ্রিলান্সিং করে ঠিকই। কিন্তু মন পড়ে থাকে দেশে।
ছোটবেলার বান্ধবীকে ফোন করে বসে একদিন। দেশে ফিরে কোনও কাজ পাবে কীনা জানতে। সেই যুবতী তখন আসামের মাজুলিতে এক স্কুলে চাকরি করছে। সে জানায়, ঐ স্কুলে শিক্ষকের দরকার খুব। কিন্তু আইআইটি গ্র্যাজুয়েট বিপিন কী আর সেকাজে আসবে?
সানন্দে রাজী হয় বিপিন! মাজুলির সেই স্কুলে অঙ্ক আর বিজ্ঞানের 'মাস্টার' হিসেবে নতুন জীবন শুরু হয় তার!
কয়েকমাস পর ঐ স্কুলেরই কয়েকজন শিক্ষক বিপিনকে নিয়ে যায় কুলামু গ্রামে। মাজুলি উপকেন্দ্র থেকে অনেকটা ভিতরে এক প্রান্তিক আদিবাসী গ্রাম!
পঁচিশের যুবক বিপিন যেন টাইমমেশিনে ১০০ বছর পিছিয়ে যায় নিমেষে! মাইলের পর মাইল কাঁচারাস্তা! ধারেকাছে কোথাও নেই একটা প্রাইমারি স্কুল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র! হাসপাতাল বা হাইস্কুল তো স্বপ্ন! গ্রামের মানুষেরা সামনে পেয়ে ঘিরে ধরে একজোট হয়ে।
তাদের গ্রামেও স্কুল চাই একটা! তাদের ছেলেমেয়েরাও পড়বে, লিখবে।
অসহায় বিপিন আত্মসমর্পণ করে - স্কুল করতে তো টাকা লাগে! তার কাছে তো সেটাই নেই! নাছোড় গ্রামবাসীরা দমে না! উল্টে বলে ওঠে - সব যদি আমরাই দিই? পড়াবে তোমরা বাচ্চাগুলোকে?

স্বপ্ন দেখতে বরাবরই ভালোবাসে বিপিন। তা বলে বাস্তবকে অস্বীকার করবে কোন স্পর্ধায়? সেই স্পর্ধা দেখালো ঐ আদিবাসী মানুষগুলো! পয়সা নেই তো কী?
কেউ দিল জমি, কেউ বাঁশ, কেউ খড় তো কেউ সাধ্যমত ইট! মাত্র তিনমাসে চালু হয়ে গেল তাদের স্বপ্নের "হামিংবার্ড স্কুল"!
আর বিপিন? উৎসাহী সঙ্গীসাথীদের নিয়ে গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে চলল তাদের ছাত্রছাত্রী খোঁজার পালা। নইলে কুলোবে কী করে?
২০১৭র জানুয়ারিতে ৭০ জন ছেলেমেয়ে নিয়ে চালু হওয়া স্কুলে বর্তমানে আশেপাশের ২০-২৫টা গ্রামের ছেলেমেয়ে মিলিয়ে সংখ্যাটা ৩০০ জনের মত। প্রায় ৮০ জন থাকে অস্থায়ী হোস্টেলে। বিপিন ও গ্রামবাসীদের বানিয়ে দেওয়া।

চমকের আরও বাকি যে! কোনও ধরাবাঁধা বোর্ডের পাঠক্রমে পড়ানো হয় না হামিংবার্ড স্কুলে! কিছুটা নেওয়া হয়েছে আসাম বোর্ডের সিলেবাস থেকে। সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে হোমি ভাবা'র আদর্শ শিক্ষাপ্রণালী। আর রাখা হয়েছে আদিবাসী জীবনের শিকড়ের সাথে জড়িয়ে থাকা শিক্ষাক্রম। সেখানে যেমন বাঁশের কাজ, কৃষিকাজ, কুটির শিল্পের পাঠ আছে তেমনই আছে প্রাকৃতিক দূর্যোগ প্রতিরোধ ও তা থেকে বাঁচার উপায়! একদিকে যেমন আছে কম্পিউটার শিক্ষা অন্যদিকে আছে আধুনিক সেলাই মেশিনে প্রাচীন আদিবাসী সূচীশিল্প ফুটিয়ে তোলার পাঠ!
আছে অবলুপ্ত প্রায় আদিবাসী ভাষার শিক্ষা। চলছে সেই ভাষার লিপি তৈরির কাজ!
মাসিক আড়াই 'শ টাকা টিউশন ফি ধার্য করেছে গ্রামবাসীরাই! যারা দিতে পারে না তাদের জন্য স্পন্সর ধরে আনেন বিপিনরাই। আর যাদের স্পন্সর জোটে না, তাদের বাপমায়েরা হাসিমুখে এসে শ্রমদান করে যায় অবসর সময়ে। কেউ দরমার বেড়া মেরামতি করে দিয়ে যায় তো কেউ ঝাড়ু দিয়ে যায় ক্লাস চত্বর। স্কুল তো নয় যেন নিজেদেরই বাড়ির দাওয়া!

ক্রমাগত বাড়ছে চাহিদা! প্রান্তিক গ্রামগুলো থেকে মাতব্বররা প্রায়ই এসে আবদার করে বিপিনের কাছে! তাদেরও অমন স্কুল চাই! একা বিপিন গুটিকয়েক সঙ্গী নিয়ে পারবে কী করে? অতএব তাঁরা তৈরি করেছেন "অয়ঙ ফাউন্ডেশন"। স্থানীয় ভাষায় অয়ঙ মানে ভালোবাসা।
বিপিন আর তাঁর সঙ্গীরা এখন সপ্তাহান্তে দূরদূরান্তের আদিবাসী গ্রামগুলোতে ঘুরে ঘুরে ভালোবাসা ছড়িয়ে বেড়ান। কোথাও বর্তমান স্কুলের শিক্ষকদের ট্রেনিং দিচ্ছেন, কোথাও হামিংবার্ড স্কুলের অনুসরণে পাঠক্রমে রদবদল করছেন তো কোথাও স্কুলের কাঠামো বা অঙ্গসজ্জা পাল্টাচ্ছেন। মোট ৫০টা সরকারী ও আধাসরকারী স্কুলে কাজ চালাচ্ছে বিপিনের অয়ঙ ফাউন্ডেশন!
কেবল ৩২ বছর বয়স। সামনে গোটা একটা জীবন পড়ে বিপিনের। স্বপ্ন কী জানতে চাইলে শুধু বলেন 'আরও আরও প্রান্তিক জীবনে ছড়িয়ে যেতে হবে। অবহেলিত আদিবাসী গ্রাম অসংখ্য যেখানে মানুষ শিক্ষার আলো চায়। সেইসব গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে যেতে হবে। পুঁথিগত শিক্ষা নয় শুধু, ব্যবহারিক ও নিজস্ব আদি সংস্কৃতির শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে সমস্ত প্রান্তিক ছেলেমেয়েদের! চাই প্রচুর শিক্ষক, প্রচুর স্বেচ্ছাসেবক। যারা আলো হাতে নির্দ্বিধায় এসে দাঁড়াতে পারবে অন্ধকার জনপদগুলোতে।'
এরপরও বলবেন এসব রূপকথা নয়?

—via Dr. Indranil Saha

𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

ওরা তখন ক্যারাম খেলায় মশগুল!෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷  ₁+  𝓫𝔂  𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য
14/06/2026

ওরা তখন ক্যারাম খেলায় মশগুল!

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

শীতলগাঁয়ের বাগদী পাড়ার মাঝ দুপুরে...෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷  ₁+  𝓫𝔂  𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য
12/06/2026

শীতলগাঁয়ের বাগদী পাড়ার মাঝ দুপুরে...

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

11/06/2026

শীতলগ্রাম, জুন ২০২৬

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

মানবশিশুর‌ই তো কান্না! সহ্য করা যায়?মহান কবি নাজিম হিকমত তার বিখ্যাত কবিতায় লিখেছিলেন— বিংশ শতাব্দীতে, মানুষের শোকের আয়...
11/06/2026

মানবশিশুর‌ই তো কান্না! সহ্য করা যায়?

মহান কবি নাজিম হিকমত তার বিখ্যাত কবিতায় লিখেছিলেন— বিংশ শতাব্দীতে, মানুষের শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর। এখন একবিংশ শতাব্দীতে এসে সেই আয়ু বোধহয় আর অবশিষ্ট নেই।

নাগরিকত্বের টানাপোড়েনের মধ্যে, দুই দেশের সীমানার কাঁটাতারের মাঝে দাঁড়িয়ে এক বাচ্চা মেয়ের আকুতি—
“খাওয়া নেই, দাওয়া নেই, গা-ধোয়া নেই, কিচ্ছু নেই। সারাদিন এইভাবে পথে-ঘাটে বসে আছি। আর কতদিন থাকতে হবে জানি না। আমার আব্বু, মা, ভাই, দিদি—সবাই আছে। আমরা এমডিএইচ স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়তাম। এখন শুধু চাই, আমাদের দেশের বাড়ি আমাদেরকে ফিরিয়ে দিক।”

প্রখর রোদের নিচে বসে কথাগুলো বলছিল একটি স্কুলপড়ুয়া মেয়ে। তার কণ্ঠে কোনো রাজনৈতিক স্লোগান ছিল না, কোনো মতাদর্শের ভাষাও ছিল না। সে রাষ্ট্র বোঝে না, সীমান্ত বোঝে না, কূটনীতি বোঝে না। সে শুধু জানে, তার খিদে পেয়েছে। সে জানে, তার একটি বাড়ি ছিল, একটি স্কুল ছিল, কিছু বন্ধু ছিল। আর সে সেখানে ফিরে যেতে চায়।

যে বয়সে একটি শিশুর চিন্তা করার কথা স্কুল, খেলা, বন্ধু আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে, সেই বয়সে তাকে বলতে হচ্ছে– “তিন দিন কিছু খাইনি”, "খোল আকাশের নিচে পড়ে আছি", আর পারছি না, “বাড়ি ফিরতে চাই”।

নিজের সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একবার যদি এই কথাগুলো অনুভব করা যায়, তাহলে বোঝা যায়—মানবিকতার গল্প বলা এই সমাজ আসলে কতটা নিষ্ঠুর।

এই ঘটনাটি কেবল এক "অবৈধ অভিবাসী" শিশুর সীমান্তের কাঁটাতারে আটকে থাকার করুণ আকুতি নয়; এটি আমাদের বর্তমান সভ্যতারই এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। কারণ, প্রশ্নটা শুধু তার পরিচয়ের নয়। প্রশ্নটা আরও বিস্তৃত—এই কষ্ট কি কেবল “অবৈধ” তকমা পাওয়া কোনো আলাদা শ্রেণির?

একই সমাজের অন্য প্রান্তে থাকা বৈধ নাগরিকের শিশুটিও কি খুব আলাদা জীবন পায়? তারও কি শৈশব নিশ্চিত? তারও কি সকাল মানে স্কুল, দুপুর মানে খেলাধুলা, আর রাত মানে নিরাপদ ঘুম?

বস্তির সংকীর্ণ ঘরে, নির্মাণকাজের ধুলো-ধোঁয়ার পাশে, কিংবা ফুটপাতে বড় হওয়া বহু শিশু প্রতিদিন একই অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়। কাগজে-কলমে তাদের পরিচয় আলাদা হতে পারে, কিন্তু জীবনের অভিজ্ঞতা অভিন্ন—ক্ষুধা, অভাব আর একমুঠো অন্নের তীব্র অনিশ্চয়তা।

অথচ, একই সমাজের ঠিক অন্য প্রান্তে শৈশব যেন এক সম্পূর্ণ আলাদা পৃথিবী। যেখানে অভাব নেই, অনিশ্চয়তা নেই, পেট ভরে খাওয়ার জন্য কোনো অপেক্ষা নেই। সেখানে জীবন অনেকটাই প্রস্তুত, অনেকটাই সুরক্ষিত।

এই ব্যবধান শুধু নাগরিকতার নয়—এটা জীবনের মৌলিক অধিকার বণ্টনের চরম বৈষম্য। তাই প্রশ্নটা আর “অবৈধ” বা “বৈধ” পরিচয়ের বেড়াজালে আটকে থাকে না।

প্রশ্নটা আরও সরল, কিন্তু আরও তীক্ষ্ণ—
একই আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে কারও শৈশব কেন প্রতিদিন ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই, আর কারও শৈশব কেন নিশ্চিন্ত পরিপূর্ণতা?

—via Nizam Nizam

Yoga in School Day   9th Jun 2026রুদ্রপুর শৈশবখানা෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷  ₁+  𝓫𝔂
09/06/2026

Yoga in School Day
9th Jun 2026
রুদ্রপুর শৈশবখানা
෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂

বিশ্ব পরিবেশ দিবস 🌿রুদ্রপুর, ৫ই জুন ২০২৬෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷  ₁+  𝓫𝔂  𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য
05/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবস 🌿
রুদ্রপুর, ৫ই জুন ২০২৬

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

05/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবস 🌿
৫ই জুন, ২০২৬, রুদ্রপুর

෴𝓢𝓱𝓸𝓽 𝓸𝓷 ₁+ 𝓫𝔂
𝕊𝕥𝕒𝕪‌‌‌ 𝕎𝕚𝕥𝕙 শৈশবখানা / ঋপণ আর্য

Address

Gourbanga Road
Habra
743271

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শৈশবখানা / ঋপণ আর্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শৈশবখানা / ঋপণ আর্য:

Share

Category