মনের ডাইরি

মনের ডাইরি Life is too short ❤️smile at it 🥰💐

02/04/2026

🤣🤣🤣

With Mahi Sharifa Nasreen – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉
23/02/2025

With Mahi Sharifa Nasreen – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉

🙂
18/12/2024

🙂

With Mahi Sharifa Nasreen – I'm on a streak! I've been a top fan for 7 months in a row. 🎉
05/12/2024

With Mahi Sharifa Nasreen – I'm on a streak! I've been a top fan for 7 months in a row. 🎉

ইচ্ছা থাকলে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে!!সারাদিনে ব্যস্ততার মাঝেও একটা ফোন করতে পারে। মেসেজগুলো দেখে উত্তর দিতে পারে। হাজা...
13/10/2024

ইচ্ছা থাকলে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে!!
সারাদিনে ব্যস্ততার মাঝেও একটা ফোন করতে পারে। মেসেজগুলো দেখে উত্তর দিতে পারে। হাজারো কাজের মাঝেও সময় বার করে ঠিক দেখা করতে পারে। আপনার ছোট ছোট ভালো লাগার খেয়াল রাখতে পারে। মন খারাপের গল্পগুলো মন দিয়ে শুনতে পারে। মিটিয়ে নেওয়ার মতো ঝামেলাগুলো মিটিয়ে নিতে পারে। যতটা গুরুত্ব পাচ্ছে অন্তত ততটুকু গুরুত্ব ফিরিয়ে দিতে পারে। হাতটা ছেড়ে না দিয়ে আরেকটু চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু ইচ্ছা না থাকলে মানুষ এর কোনওটাই করতে পারে না। নিজের অনিচ্ছাকে বিভিন্ন বাহানার মোড়কে মুড়ে সে আপনাকে যা এনে দেবে; তার নাম হলো অবহেলা।
🥀❤️‍🩹

স্ত্রী অল্পতেই রেগে গেল যা করতে বলছেন বিশেষজ্ঞ:যেকোনো সম্পর্কেই ঝগড়াবিবাদ থাকে। আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াবিবাদ স্বাভা...
14/07/2024

স্ত্রী অল্পতেই রেগে গেল যা করতে বলছেন বিশেষজ্ঞ:

যেকোনো সম্পর্কেই ঝগড়াবিবাদ থাকে। আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াবিবাদ স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে সেটা যদি নিয়মিত হয় তাহলে ভাবনার বিষয়। ঝগড়া থেকেই দূরত্ব তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় স্ত্রীরা অল্পতেই রেগে যান। এ ক্ষেত্রে কি করবেন সে বিষয়ে কিছু টিপস উঠে এসেছে মার্কিন ওয়েব সাইট ম্যারিজ ডটকমে। আপনার স্ত্রী যদি অল্পতেই রেগে যান তাহলে তাকে শান্ত করতে জেনে নিন কয়েকটি টিপস।

🔘বিরক্ত হবেন না :

স্ত্রী রেগে গেলেও তার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলার চেষ্টা করুন। বিরক্তিবোধ প্রকাশ করবেন না। তার কথা শুনুন, তার কথা ভালোভাবে বুঝুন। তিনি কি বলতে চাইছেন, তার অনুভূতি বুঝে তার সঙ্গে কথা বলুন। এতে দেখবেন তিনি খুব সহজেই শান্ত হয়ে যাবেন।

🔘সঙ্গীকে বোঝান:

স্ত্রী প্রচণ্ড পরিমাণে রেগে গেলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। ধৈর্য ধরে তার কথা শুনবেন। আপনিও যদি রেগে যান, তাহলে অশান্তি বাড়বে। বাসার কাজে তাকে সাহায্য করুন। সবসময় সম্ভব না হলেও সময় পেলে বাড়ির কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করুন। তাহলে দেখবেন আপনার উপর স্ত্রীর রাগ অনেকটাই কমে গেছে।

🔘সারপ্রাইজ :

স্ত্রী আপনার ওপর খুব বেশি রেগে গেলে তাকে খুশি করতে একটি সারপ্রাইজ দিন। পারলে তাকে পছন্দের ফুল, চকোলেট বা কোনো বিশেষ উপহার দেবেন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার স্ত্রীর রাগ কমবে।

🔘জড়িয়ে ধরুন :

যখন আপনার স্ত্রী আপনার ওপর প্রচণ্ড পরিমাণে রেগে যাবেন সে সময় তাকে ভালোবাসে জড়িয়ে ধরবেন। তার হাত চেপে ধরুন। তাহলে দেখবেন তার রাগ আস্তে আস্তে কমে যাবে।

🔘 ক্ষমা করবেন :

স্ত্রী ভুল করেও চেঁচামেচি করলে তাকে দ্রুত ক্ষমা করে দিন। তাহলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ভালো হবে। আপনার সঙ্গে শান্তিতে থাকবে।

একজন পুরুষ কে জিজ্ঞেস করা হল যে আপনার জীবনের সবথেকে গুরুত্তপূর্ণ মহিলা কে?সে হালকা হেসে বললো, আমার স্ত্রী!অপরজন একটু আশ্...
13/07/2024

একজন পুরুষ কে জিজ্ঞেস করা হল
যে আপনার জীবনের সবথেকে গুরুত্তপূর্ণ মহিলা কে?

সে হালকা হেসে বললো, আমার স্ত্রী!
অপরজন একটু আশ্চর্য হয়ে বললেন, বাকিরা তো সবাই মা বলছে।
এবার সেই পুরুষটি বললেন, হ্যাঁ অনেকেই বলতে পারে মা তবে আমার মতে সে তো আমার মা! সে আমাকে জন্ম দিয়েছেন,তিনি তো আমাকে ভালোবাসবেন ! তার সাথে তো আমার র*ক্তে*র সম্পর্ক ,তার পে*ট থেকেই আমার জন্ম❤️
তবে আমার স্ত্রী, তার সাথে তো আমার কোনো সম্পর্কই ছিল না!! তাও সে আমাকে ভালোবেসে ,আমার পাশে দাঁড়িয়েছে! আমার জীবনে সব সময় আমাকে শক্তি দিয়ে এগোতে সাহায্য করেছে!
নিজের বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে,নিজের পরিবারকে ছেড়ে আমার সাথে সেই অভাবের জীবনেও আসতে রাজি হয়েছে সে শুধু আমার ভালোবাসার কথা ভেবে🖤🌻
তাই সেই আমার জীবনের সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মহিলা!

ভালোবাসার মানুষটিকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে এই ৬ মানবিক গুণরূপ নয়; বরং ভালোবাসার মানুষটিকে অমোঘ আকর্ষণের জাদুতে বেঁধে ফেলতে...
06/07/2024

ভালোবাসার মানুষটিকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে এই ৬ মানবিক গুণ
রূপ নয়; বরং ভালোবাসার মানুষটিকে অমোঘ আকর্ষণের জাদুতে বেঁধে ফেলতে পারে আপনার মানবিক গুণগুলো। সাম্প্রতিক সমীক্ষা ও গবেষণা তা-ই বলছে।

সমাজের একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পুরুষেরা শুধু নারীদের রূপেই আকৃষ্ট হন। কিন্তু ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়। যদি কেউ শুধু কারও রূপ দেখে আকৃষ্ট হয়েও থাকে, আর তারপর মনকে মন ছুঁয়ে না যায়, তবে মুগ্ধতা ধীরে ধীরে কেটে যেতে শুরু করে। ফলে সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। এ ছাড়া সবচেয়ে বড় কথা হলো, রূপের কোনো সংজ্ঞা হয় না। এদিকে সমাজের সৌন্দর্যনিক্তিতে যাকে নিখুঁত রূপ বলা হয়, তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ে যেতে বাধ্য।
কিন্তু মানুষের স্বভাব, ভালোবাসা দিতে পারার ক্ষমতা আর মানবিক গুণের মতো বিষয়গুলো চিরস্থায়ী। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণামূলক প্রবন্ধে আকর্ষণের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে এই মানবিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে; শারীরিক সৌন্দর্যকে নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভালোবাসার মানুষটিকে সব সময় প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে, এমন সব মানবিক গুণ সম্পর্কে।

১. রসবোধ

বলা হয়, কারও মধ্যে যদি রসবোধ কিংবা সেন্স অব হিউমার থাকে, তবে তাঁরা খুব সহজেই মানুষকে কাছে টানতে পারেন। কারণ, খুব কম মানুষই রয়েছেন, যাঁরা মন খুলে হাসতে পারেন বা কাউকে হাসাতে পারেন। সচরাচর এ বিষয়কে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তবে খেয়াল করলেই দেখা যাবে, এ ধরনের মানুষকেই সবাই বেশি পছন্দ করেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলতে, হাসতে ও মজার সময় কাটাতে চান। জিনিসটি অবচেতনেই যে কাউকে বরাবর অত্যন্ত আকৃষ্ট করে থাকে।

২. জীবনের ছোট ছোট বিষয়ে খুশি হওয়া

যখন কেউ জীবনের ছোট ছোট বিষয়ে খুশি হন, তখন তাঁর সঙ্গী একধরনের স্বস্তি পান। যদি আপনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সঙ্গী আপনার জন্য যা করেন, তার প্রশংসা করতে পারেন, আপনার প্রতি বিশেষ একধরনের আকর্ষণ কাজ করবে তাঁর। সঙ্গী যদি আপনার জন্য ফুল নিয়ে আসেন, কাজের ফাঁকে বা সুখে-অসুখে আপনার খোঁজ নেন এসব বিষয়ে আপনার খুশি হওয়া ও তা প্রকাশ করা তাঁকে আত্মতৃপ্তির অনুভূতি দেবে। এসব জিনিসই সঙ্গীকে বেশি আকৃষ্ট করে।

৩. মমত্ববোধ

আপনি যত সুন্দরই হোন না কেন, এটি মূল্যহীন, যদি আপনার মধ্যে দয়া, মমতা ও সহমর্মিতার মতো মানবিক গুণগুলো না থাকে। আপনি যদি স্বভাবতই সবকিছুর প্রতি সদয় হন, তবে আপনার সঙ্গীও গভীর মমতা অনুভব করবেন আপনার জন্য। তা হতে পারে মানুষ কিংবা পশুপাখির জন্য মায়া। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঙ্গী ও তাঁর পরিবারের প্রতি সদয় থাকা। আপনি যখন তাঁকে পরম মমতায় আগলে রাখবেন আর তাঁর পরিবারের প্রতিও সদয় থাকবেন, সঙ্গীর আপনার প্রতি আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

৪. প্রিয়জনের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পারা

সবাই সাধারণত তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ভালোবাসার মানুষটির একটি সাবলীল সম্পর্ক থাকুক এটিই পছন্দ করেন। এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে সব সময় ঘুরতে যেতে হবে কিংবা প্রতিদিন কথা বলতে হবে। তবে আপনারা যখন একসঙ্গে আড্ডা দেবেন, ভালোবাসার মানুষটিকে এমন অনুভব করতে দেবেন না যে আপনি তাঁর বন্ধুদের প্রতি বিরক্ত কিংবা তাঁদের পছন্দ করছেন না। এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই হওয়া উচিত। তাই এ ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। তবে তাঁদের ব্যাপারে যেকোনো নেতিবাচক বা আপত্তিকর বিষয় চোখে পড়লে সঙ্গীকে সাবধান করাও আপনার দায়িত্ব।

৫. হাসিমুখ উপহার দেওয়া

স্বভাবজাতভাবে হাসিখুশি মানুষদের মধ্যে অন্যদের আকৃষ্ট করার একধরনের জাদুকরি ক্ষমতা থাকে। হাসিমুখের চেয়ে সুন্দর উপহার আর হতে পারে না। মনে রাখবেন, সঙ্গীর কাছে বারবার প্রাক্তনের কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করবেন না। এটি সংবেদনশীল বিষয়।

৬. ভালো-মন্দ সব সময় পাশে থাকা

এই আধুনিক যুগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শক্ত করে সঙ্গীর হাত ধরে পাশে থাকতে পারা। কিন্তু তখনই সঙ্গী আপনার মধ্যে নিজেকে হারাবেন, হারিয়ে ভারমুক্ত হবেন, যখন আপনি তাঁকে পরিপূর্ণ আস্থা দেবেন যে আপনি সব অবস্থায় তাঁর পাশে আছেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে কিছু করতে পারুন কিংবা না-ই পারুন, সঙ্গীকে সবভাবে আশ্বস্ত করুন যে আপনি তাঁর পাশে আছেন। সঙ্গীর দুঃসময়ে ছায়া আর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেই তো তাঁকে জয় করে নেওয়া যায়, নিজের করে পাওয়া যায়।

আমার স্ত্রীকে আমি ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলাম।কিন্তু যখন পরিপাটি প্রেমিকাটা অগোছালো স্ত্রী হয়ে গেলো।তখন কেন জানি আমার আর ওকে...
05/07/2024

আমার স্ত্রীকে আমি ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলাম।

কিন্তু যখন পরিপাটি প্রেমিকাটা অগোছালো স্ত্রী হয়ে গেলো।

তখন কেন জানি আমার আর ওকে ভালো লাগত না।

মেয়েটা অল্পতেই খুশি হয়ে যেত।

আমার মনে আছে যখন ওর সাথে আমার বিয়ে হয়।

তখন আমার মাস শেষে বেতন ছিলো পনেরো হাজার।

এই টাকায় ও কতটা হ্যাপি ছিলো তা আমি কাউকেই বোঝাতে পারবো না।

আমি থেকে শুরু করে আমার পরিবারের প্রতিটা মানুষের খেয়াল ও রাখতো।

আর দিন শেষে চাইতো একটু ভালোবাসা।

যেটা আমি সময়ের সাথে সাথে দেওয়া কমিয়ে দিলাম।

আস্তে আস্তে আমার পজিশন ভালো হতে রইলো।

আমার চিন্তাধারা হলো উন্নত।

কিন্তু সংসারের চাপে পরে ও ঠিক আগের মতোই রয়ে গেলো।

আমার পনেরো হাজার বেতন ত্রিশ হাজারে গিয়ে ঠেকলো।

ঘর পরিবর্তন হলো আমি পরিবর্তন হলাম।

শুধু পরিবর্তন হলো না কবিতা।

হ্যা আমার স্ত্রী নিজেকে পরিবর্তন করলো না।

টাকার নেশা আমাকে গ্রাস করে দিলো আস্তে আস্তে।

ভুলে গেলাম আমি আমার প্রিয় অতীতকে।সুখ পেয়ে ভুলে গেলাম দুঃখের দিনে পাশে থাকা মানুষ গুলোকে।

সারাদিন খাটাখাটনি করে খাবার টেবিলে যখন কবিতা অপেক্ষা করতো।

আমি বলতাম যতো সব আদিখ্যেতা।

বৃষ্টি হলেই আমার হাত দু'টো ধরে যখন বলতো।

চলোনা একটু দু'জনে বৃষ্টি বিলাস করি।

আমি তখন বলতাম বয়স তো কম হলো না এখন এসব পাগলামি ছাড়ো।

মাঝ রাতে যখন পিরিয়ডের ব্যথায় কুঁকড়ে উঠতো।

আমি নাক সিটকে পাশের রুমে ঘুমাতে চলে যেতাম।

দিনের পর দিন তাঁর ভালোবাসা বেড়ে ছিলো আমার প্রতি।

আর আমার অবহেলা।

একটা সময় পর আমার পরিবারও ওকে অবহেলা করতে শুরু করলো।

যাঁর হাতের রান্না সবাই তৃপ্তি নিয়ে খেত।

এখন নাকি তাঁর রান্না ভালো হয় না।

যে ঔষধ না দিলে আমার বাবা-র ঔষধ খাওয়ার কথা মনে থাকত না।

আজকাল নাকি সে ভুল ঔষধ দিয়ে আমার বাবাকে মেরে ফেলার প্ল্যান করেছে।

একটা সময় আমাদের বাড়িতে থাকার মতো কোন সম্ভল খুঁজে পেলো না কবিতা।

তাই সরাসরি বলেই দিলাম আমি তোমায় ডির্ভোস দিতে চাই।

সে সেদিন খুব অবাক নয়নে চেয়েছিলো।

কোন প্রতিবাদ করেনি।

হয়তো সে বুঝতে পেরেছিলো তাঁর এই বাড়ির প্রয়োজন ফুরিয়েছে।

তারপর সেই অনাকাঙ্ক্ষিত সময় এলো যখন কবিতা আর আমার ডির্ভোস হবে।

সেদিনও সবটা কি সুন্দর করে মেনে নিয়েছিলো।

কোন প্রতিবাদ করেনি।

এমন কি খোরপোষের টাকা টাও দাবি করলো না।

উকিল যখন বললো সে কেন টাকাটা নিবে না।

তখন ও বললো।

যে মানুষটাই আমার হয়নি তাঁর টাকা দিয়ে আমি কি করবো।

ওর বাবা সেদিন আমায় একটা কথা বলেছিলো।

ভগবান দিয়ে ধন দেখে মন, কাইরা নিতে কতক্ষণ।

কথাটার মানে সেদিন না বুঝলেও আজ ঠিক বুঝতে পারি।

তিন মাসের মাথায় মিথ্যা অপবাদে আমার চাকরি চলে যায়।

বড় বোন টাকে মাঝে মাঝেই তাঁর শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেরে ধরে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

বাবা ভুল ঔষধের রিয়াকশনে আজ বিছানার সাথে মিশে আছে।

মা প্রায় আজকাল তরকারিতে নুন,হলুদ দিতে ভুলে যায়।

আর আমি উন্নতমানের চাকরি থেকে ফুটপাতে ছোট্ট একটা ফুলের দোকান নিয়ে বসে আছি।

আজ ওই কথাটার মানে বুঝলাম।

দিয়ে ধন দেখে মন, কাইরা নিতে কতক্ষণ।

লুকিয়ে খোঁজ নিয়েছিলাম কবিতার।

শুনেছি অন্য জায়গায় তাঁর বাবা বিয়ে দিয়েছে।

স্বামী একজন ডাক্তার।

খুব সুখে আছে।

খুব ভালো ভাগ্য সেই মানুষটার, যাঁর সাথে কবিতার বিয়ে হয়েছে।

গেছে মাসে নাকি তাঁদের একটা মেয়েও হয়েছে।

সে সুখের আশা করেনি তাই তাঁর এতো সুখ।

আর আমি সুখের আশা করে মানুষকে অমানুষ ভেবেছি।

তাই আজ আমার এই পরিস্থিতি।

তাইতো বলে,শেষ হাসিটা তাঁরাই হাসে।

যাঁরা নিজেকে নয় অন্যকে ভালোবাসে।

ভালোবাসা ||

(সবাই টাকায় সুখ খোঁজে না, প্রিয় মানুষটার মাঝেও কেউ সুখ খোজে। তাই বলি প্রিয় মানুষগুলোকে সময় থাকতে মূল্য দিও হারিয়ে গেলে, কপাল ঠুকলেও আর ফিরে পাবে না)
©
Follow this page মনের ডাইরি

Big shout out to my newest top fans! 💎 Big shout out to my newest top fans! 💎 Firdousi ParveenDrop a comment to welcome ...
03/07/2024

Big shout out to my newest top fans! 💎 Big shout out to my newest top fans! 💎 Firdousi Parveen

Drop a comment to welcome them to our community, fans

Address

English Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মনের ডাইরি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category