স্বপ্ন সৃজন CanvaS

স্বপ্ন সৃজন CanvaS স্বপ্ন সৃজন একটি সাহিত্য ,,নাচ,গান,আবৃ?

শুভ নববর্ষ।
14/04/2024

শুভ নববর্ষ।

আবৃত্তি ও অঙ্কনের ক্লাস শুরু হয়েছে।ইচ্ছুকরা যোগাযোগ করুন।
05/02/2023

আবৃত্তি ও অঙ্কনের ক্লাস শুরু হয়েছে।ইচ্ছুকরা যোগাযোগ করুন।

বিদিশা ও একটি চকলেট আনন্দ।✍️রাজীব কুমার নন্দী সময়টা তখন 2008, কিংবা 2009 সাল হবে তখন আমরা বাংলা বিভাগের কলেজের ছাত্র।ফিল...
29/12/2022

বিদিশা ও একটি চকলেট আনন্দ।
✍️
রাজীব কুমার নন্দী

সময়টা তখন 2008, কিংবা 2009 সাল হবে তখন আমরা বাংলা বিভাগের কলেজের ছাত্র।ফিল্ড এক্সকার্সন সেবার প্রথম বর্ষের পড়লো।বিষয় বিভাগ অনেক বিভাজন ছিলো।সেবার আমাদের নারায়ণগড়ের বিদিশা। কি নামটা খুব চেনা চেনা লাগছে এবার আসল বিষয়ে আসি, ঠিক গল্প নয় বাস্তবে রূপাঞ্জলি।
একটি চকলেট এর গল্প না এ কোনো ভালোবাসার গল্প নয়।ছাড়ুন তো হেঁয়ালি এবার আসি বিষয়ে।ফিল্ডে গিয়ে বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ে নানা তথ্য নিচ্ছিলাম।কলেজের স্যারেদের নির্দেশ মত প্রত্যেক টিম লিডারের কাছে ছিলো একটি করে চকলেট ভর্তি বেশ বড় প্যাক।যে পরিবারে যাই তাদের প্রত্যেক বাচ্চা ছেলেকে দেখলেই আমরা আমরা সবাই একটি করে চকলেট দিচ্ছিলাম।আমরা 10 জন করে গ্রূপ।হারাধনের 10 টি ছেলের মত আমরা গ্রামের ওলি গলি ফিরে পৌঁছালাম এক পাহাড়ি টিলার মত জায়গায়(যদিও ওটা পাহাড় বা টিলা নয়।)ওইখানে একটা পরিবারে নিচ্ছি তথ্য। তৎকালীন সময় সেই সব পরিবারে অভাবের চিত্র স্পষ্ট,(সময়ের তালে যদিও এখন অবস্থা বদলেছে অনেক)
...★ঠিক সেই সময় একটি বাচ্চা ছেলে হাত বাড়িয়ে আছে চকলেট নেবে বলে ..হাসি মুখে আমি ওর হাতে একটা চকলেট দি, তার পর ওই বাচ্চা ছেলেটার দিদা আমাদের একটা আঞ্চলিক ভাষায় গান শুনিয়েছিলেন..(ভোর বেলা মুরগী ডাকে...)গানটা পুরোটা মনে নেই।বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামছে আমরা গান শোনানোর আনন্দে ওদের বাড়ির দুই ছেলে মেয়েকে আরো একটি করে চকলেট দিলাম।ওরা যে কি আনন্দ পেয়েছে।সেই আনন্দের চোখ এখনো আমার মনে পড়ে।যেনো স্বর্গ সুখ পাওয়ার আনন্দ,সব পেয়েছিল আনন্দ।সেই আনন্দের হওয়া লাগলো আমাদের মনে।বিকেল গড়াচ্ছে সন্ধ্যের পথে আমরা হাঁটছি স্কুলের ক্যাম্পের পথে।আমাদের সেই 10 বন্ধু সেই স্মৃতি নিয়ে এখনো বিভোর। না না একটু ভুল বল্লাম।আমরা আট বন্ধু।দুজন বন্ধু অকালেই ঝরে গেছে।একজন বিয়ের দুদিন আগে গাড়ি এক্সিডেন্ট ও একজন কঠিন অসুখে।এটাই তো জীবন।যেনো দিন রাত্রির আহ্নিক গতির খেলা।ফিরছি এবার বিদিশার কথায়।প্রতিদিন সন্ধ্যায় ক্যাম্পে ফিরে আমাদের রিপোর্ট করতে হতো।আবেগ আপ্লুত হয়ে সেদিন রিপোর্টে সেই চকলেট পাওয়ার আনন্দের গল্প বলেছিলাম স্যার দের।
গল্প এখানে শেষ নয়।কারণ এটি গল্প নয় সত্যি ঘটনা।ঠিক পরের দিন ,হয়তো রবিবারের সকাল।কেননা ঐদিন রোদটা খুব উজ্জ্বল ছিলো ওই চকলেট পাওয়া ছেলেটার হাসির মত!আসলে রেট রেসে আমাদের ছাত্র জীবনে ঘাড় উঁচু করে একটু তাকানোর ফুসরত পাওয়া যেত ওই রবিবার।তাই সূর্যের সাথে চোখে চোখ রেখে আলাপ হতো।(যদিও তখন R বাংলা আসেনি😁)আমি রঞ্জিত মানস,সান্তনু, মনীষা, সুপর্ণা,রকি,দীপন চললাম শেষ দিনের ফিল্ড অভিযানে।ওই টিলার মত জায়গায় যাওয়ার খুব ইচ্ছে হলো আর একবার।কিন্তূ ফিল্ডের কাজ আছে অনেক।মারাং বুরুর কাছে পুজো দিলাম।দেখলাম মারাং বুরু কেমন হয়।বিকেল গড়িয়ে আসছে আমরা ফিরছি আবার ক্যাম্পে আমি ছুটলাম টিলার দিকে,সাথে বন্ধুরা।দুটো হাত দুটি চকলেট এখনো একই আছে।..শুধু খাওয়ার অপেক্ষায়।তার মা বল্লো বাবু ও আনন্দে চকলেট কে জড়িয়েই সারা রাত ঘুমিয়েছে,সকাল থেকে এখন পর্যন্ত সে শুধু চকলেটকেই দেখছে।আসলে ও তো কোনোদিন চকলেট খায় নি।শুনেছে।😥আমি ও আমার বন্ধুদের কাছে যা চকলেট ছিলো সব ওদের দুই ভাই কে দিলাম।তারা আনন্দ লাফাচ্ছে।ভাবছে বুঝি পৃথিবী জয়।ফিরতে হলো,তারা জানেনা এই হাসি একদিন থেমে যাবে চকলেট ফুরিয়ে গেলে.. আমরা জানি..জানিনা ওরা এখন কেমন আছে।হয়তো সে এখন কোনো চকলেট কোম্পানির মালিক হতে যাচ্ছে...আশায় বাঁচে চাষা.. ভালো হোক তাদের..ভালো হোক সবার..ভালো থেকো বিদিশা...

নতুন বছরে নতুন ভাবে পথ চলা শুরু হোক স্বপ্ন সৃজনের সাথে...
23/12/2022

নতুন বছরে নতুন ভাবে পথ চলা শুরু হোক স্বপ্ন সৃজনের সাথে...

বাংলা টিউটোরিয়ালনবম,দশম,একাদশ,দ্বাদশ,বাংলা অনার্স,পাস শ্রেণীর ক্লাস শুরু।এছাড়াও আবৃত্তি,সঞ্চালনার বিশেষ ক্লাস ও শুরু হয়ে...
29/03/2022

বাংলা টিউটোরিয়াল
নবম,দশম,একাদশ,দ্বাদশ,বাংলা অনার্স,পাস শ্রেণীর ক্লাস শুরু।
এছাড়াও আবৃত্তি,সঞ্চালনার বিশেষ ক্লাস ও শুরু হয়েছে।
ক্লাস করতে চাইলে নীচে দেওয়া নাম্বারে টেক্সট করতে পারেন।খুব প্রয়োজনে ফোন করতে পারেন।

18/03/2022
*সুর সম্রাজ্ঞী 'নাইটিঙ্গেল' লতা মঙ্গেশকরের জীবনাবসান।**রাজীব কুমার নন্দী।*শায়াদ ফির ইস জনম মে...মুলাকাত হো না হো...'। গা...
09/02/2022

*সুর সম্রাজ্ঞী 'নাইটিঙ্গেল' লতা মঙ্গেশকরের জীবনাবসান।*

*রাজীব কুমার নন্দী।*

শায়াদ ফির ইস জনম মে...মুলাকাত হো না হো...'। গানের স্নিগ্ধ সৌরভ ছড়িয়ে চলে গেলেন সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেসকর। না সত্যিই আর 'মুলাকাত' হবে না তাঁর সঙ্গে। জীবনাবসান হল গানের'নাইটিঙ্গেল' এর। সঙ্গীতজগৎ হারাল তাঁর উজ্জ্বলতম নক্ষত্রকে। ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত সুর সম্রাজ্ঞী। তিনি রবিবার সকালে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।
।দুঃসংবাদটি প্রথম জানান লতা মঙ্গেশকরের বোন ঊষা মঙ্গেশকর।কিংবদনন্তী শিল্পীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী ।
করোনায় আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান এই সঙ্গীতশিল্পী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় তাঁকে ICU-তে ভর্তি করা হয়। । তাঁর আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা করছিল গোটা দেশের অনুরাগীরা। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত অনুরাগীদের প্রার্থনা এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা বিফলে গেল। সরস্বতী পুজোর পরদিনই না ফেরার দেশে চলে গেলেন সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেসকর। একটি যুগের অবসান।
এ যেন এক আশ্চর্য সমাপতন। সরস্বতী পুজোর পরদিনই প্রয়াত 'সরস্বতীর বরকন্যা' লতা মঙ্গেশকর।
লতা মঙ্গেসকরের গানের বর্ণময় অধ্যায়ের মতোই জীবন ছিল বর্ণময়।
মধ্যবিত্ত পরিবারে সব ভাই বোনদের মধ্যে লতাই ছিলেন বড়। জন্মপত্রে লতার নাম ছিল হেমা। পরবর্তীতে বাবার এক নাটকের চরিত্র লতিকার নামানুসারে বদলে যায় হেমার নাম। আত্মপ্রকাশ ঘটে লতা মঙ্গেশকরের। মাত্র ১৩ বছর বয়সে গানের কেরিয়ার শুরু। সাল, ১৯৪২। লতা যখন স্টুডিয়োতে গান গেয়েছেন, সেই বছরেই জন্ম হচ্ছে অমিতাভ বচ্চনের।
প্রথমে গানের সূচনা ভালো না হলেও পরবর্তীকালে ভারতের গানের জগতে ধ্রুবতারা হয়ে উঠেছেন তিনি। প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায় তাঁর শহীদ ছবিতে গান গাওয়ার ইচ্ছে বাতিল করে দিয়েছিলেন নিমেষেই। লতার গলা পাতলা, মন্তব্য ছিল তাঁর। সঙ্গীত পরিচালক গুলাম হায়দার অবশ্য সেদিন বেশ কটি কথা শুনিয়ে এসেছিলেন শশধরকে। জোর গলায় বলেছিলেন, “প্রযোজকরা এর পর লতার পা ধরে তাঁদের ছবিতে গাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবে।” এক বাঙালি খারিজ করেছিলেন লতার গান আর পরবর্তীতে বাঙালিদের হাত ধরেই লতা ‘ব্র্যান্ডের’ ঘটেছিল আত্মপ্রকাশ। বাংলা জানতেন, বলতেও পারতেন। তাঁর ‘রঙ্গিলা বাঁশি’র সুরেলা গলা একটা গোটা প্রজন্মকে প্রেমে পরতে শিখিয়েছিল।
কয়েক যুগ ধরে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ধারা পরিবর্তনের সাক্ষী ছিলেন। চলচ্চিত্র এবং গানের জগৎ ছাড়াও ভারতের উন্নতির জন্যও সর্বদা ভাবনাচিন্তা ছিল তাঁর। মজবুত এবং উন্নততর দেশ দেখতে চেয়েছেন তিনি। লতার প্রয়ানে দু দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ভারতীয় সরকার।' সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্ধনমিত রাখা হবে জাতীয় পতাকা।

উনিশশো চল্লিশের দশকে চলচ্চিত্রে তত বেশি গানের সুযোগ না থাকায় তরুণী লতা আয়-রোজগারের জন্য অভিনয় করতে শুরু করেন।
তিনি প্রায় আটটি মারাঠি আর হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
১৯৪৩ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র 'গজাবাউ'-তে তিনি 'কিছু কথা, কিছু শব্দ' শিরোনামের একটি গান গেয়েছেন, যা ছিল চলচ্চিত্রে তার গাওয়া প্রথম গান।

১৯৪৭ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
''মেকআপ, লাইট এগুলো কখনোই আমার ভাল লাগেনি। মানুষজন আপনাকে আদেশ দিচ্ছে, এই কথা বলো, ওই কথা বলো, আমার খুব অস্বস্তি লাগতো।'' চলচ্চিত্রে তাঁর সময় নিয়ে নাসরীন মুন্নী কবিরকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

যখন একজন পরিচালক তাকে বলেছিলেন যে, তার ভুরু ছাঁটতে হবে, কারণ এগুলো বেশি ছড়ানো, তখন তিনি খুবই আহত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেটা মেনে নিয়েছিলেন।
১৯৪৯ সালে মহল চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার পর থেকে তিনি সবার নজরে চলে আসেন।
নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া' বলে আখ্যা পাওয়া লতা মঙ্গেশকর অর্ধশত বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ভারতের ৩৬টি ভাষায় প্রায় ৩০ হাজার গান গেয়েছেন।

দশকের পর দশকজুড়ে তিনি ছিলেন ভারতের সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন সঙ্গীত শিল্পী। বলিউডের প্রত্যেক শীর্ষ অভিনেত্রী চাইতেন, চলচ্চিত্রে তাদের গানটি যেন তাকে দিয়ে গাওয়ানো হয়।

অত্যন্ত প্রশংসিত'
একটি সাক্ষাৎকারে লতা মঙ্গেশকর বলেছিলেন যে, তার পরিবার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত চর্চা করতো এবং চলচ্চিত্রের গান বাড়িতে খুব একটা ভালো চোখে দেখা হত না।

তিনি কখনোই প্রথাগত আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পাননি। একজন গৃহকর্মী তাকে মারাঠি বর্ণপরিচয় শিখিয়েছেন এবং স্থানীয় একজন পুরোহিত তাকে সংস্কৃত শেখান। আত্মীয়স্বজন এবং শিক্ষকরা তাদের বাড়িতে এসে তাকে অন্যান্য বিষয় শেখাতেন।
মহারাষ্ট্রের সাঙ্গলিতে তাদের পারিবারিক বাসস্থানটি নিলাম হয়ে গেলে পরিবারটি পশ্চিমের শহর পুনায় (এখন পুনে) চলে আসতে বাধ্য হয়। পিতার মৃত্যুর পর পরিবারটি বোম্বাই (এখনকার নাম মুম্বাই) শহরে চলে আসে।

তিনি সিনেমা দেখতেও পছন্দ করতেন। তার পছন্দের হলিউডি চলচ্চিত্র ছিল 'দি কিং এন্ড আই', যা তিনি অন্তত ১৫ বার দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। আরেকটি পছন্দের চলচ্চিত্র হচ্ছে 'সিঙ্গিং ইন দ্যা রেইন'।
তিনি গাড়ি ভালোবাসতেন। জীবনের নানা পর্যায়ে তিনি ধূসর রঙের হিলম্যান এবং নীল শেভ্রোলেটের মালিক হয়েছেন, ক্রাইসেলার এবং মার্সিডিজও ছিল। বাড়িতে তার নয়টি কুকুর রয়েছে।
অন্যদিকে মঙ্গেশকর ক্রিকেটের একজন গোঁড়া সমর্থক। অনেক সময় রেকর্ডিংয়ে বিরতি দিয়ে টেস্ট ম্যাচ খেলা দেখতে গিয়েছেন। ডন ব্রাডম্যানের স্বাক্ষর করা একটি ছবি তার গর্বের একটি জিনিস।

মাঝে মাঝে রান্না করা এবং রোলেইফ্লেক্স ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা তার শখের অন্যতম।
যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি কাটানোর সময় তিনি লাস ভেগাসে সারারাত ধরে স্লট মেশিনে খেলতে ভালোবাসতেন।

তার কালজয়ী সঙ্গীত অবশ্যই ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে এনেছে এবং নাসরীন মুন্নী কবির যেভাবে বলেছেন, তাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে এসব সঙ্গীত।
আজ লতা মঙ্গেশকর নেই ,তবু তিনি আছেন আমাদের ভালোবাসায় অন্তরে।গানের সুরে সুরে।

|| তুমিও হেঁটে দেখো মানবতা ||                        ✍️ রাজীব কুমার নন্দীএই দেখো কান্ড এই পাতি বিষয় নিয়ে কি আজকাল খবর কর...
04/12/2021

|| তুমিও হেঁটে দেখো মানবতা ||

✍️ রাজীব কুমার নন্দী

এই দেখো কান্ড এই পাতি বিষয় নিয়ে কি আজকাল খবর করা যায়।কি যে করো।খবর করতে চাই প্যাশন, চাই এগ্রেসন ও লক্ষ ঠিক রেখে সঠিক তথ্য কে পরিবেশন করা।
অভিরূপ শুনছিলো কথাগুলো।খবরের অ আ পেরিয়ে ক ছুঁয়ে একটু খ এর পথে পা বাড়াবে কি বাড়াবে না অমনি বস এসে বল্লো না না হচ্ছে না আরো আরো চাই টি আর পি।অভিরূপ নিশ্চুপ।
অভিরূপ প্রত্যেক গল্পের মত আমার গল্পের একটি চরিত্র ভাবতে পারো,নায়ক কি ভিলেন তা তোমরা পাঠক রা বলো।তোমাদের ও তো কিছু কর্তব্য আছে কিনা।সব দায় ভার কি লেখকের নাকি।
ভালোবাসি হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন ভালোবাসি,ভালোবাসলে জয় করা যায় আসমুদ্র হিমাচল।কবিতার বোলে কবিতা ,গানের তানে সুর,তুলির টানে রঙ ছবি সৃজন।একধার থেকে বলে চলেছে ওই "চুপকথার" দল...সাথে অভিরূপ ও...
রমারায় ,ডিসুজার মত রুবি রায় গানের পাতা পেরিয়ে আধুনিকতার এন্ড্রোয়েড ছুঁয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবিগাহন করছে বন্ধুত্বের রংমিলান্তি।
তুমি না থাকলে....গানের বোল তুললো ললিত,গিটারে সমিক,গান ধরলো অভিরূপ আর আনন্দী।কফি হাউস নয়...আবার তেপান্তরের মাঠ ও নয় সমিক এর বাড়ি।"চুপকথা" হলো ওদের ব্যান্ড।
বাথরুম সিঙ্গার হতে হতে মঞ্চ পাবার আশায় দল বেঁধেছে সবে।সোশ্যাল মিডিয়া জুড়েও গানের পেজে চলছে চুপ কথার উৎসব।
খবর পড়ছে অভিরূপ...আজকের ব্রেকিং নিউজ,সঙ্গে রয়েছি আমি অভিরূপ।সকালে গানের অনুষ্ঠানে চুপকথার পারফরম্যান্স!সঞ্চালক অভিরূপ।আনকোরা এক দল।কবিতা আবৃত্তি হলো সঞ্চালনার সুরে অভিরূপ এর কণ্ঠে।ললিত ধরলো গান,সমিক বাজালো গিটার।আনন্দিও গানের সুরে।
শুরু হলো গান স্টুডিও তে... এই ভাবে...
"জানি... জানি...
মানি.... মানি...

উড়ছে দেখো... স্বপ্ন গুলো।
হাজার তারা..বাঁধছে মেলা।

তুমিও ভাবতে পারো ভালোবাসা।
তুমিও গাইতে পারো চুপকথা।

জানি.. জানি
মানি. মানি...
তুমিও ভেবে দেখো সব কথা।
তুমিও হেঁটে দেখো মানবতা।

জানি... জানি
মানি... মানি..........................দ্বিতীয় পর্ব আসছে...😊

বিজয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ শুধু বিজয়ের জয়ধ্বনি।                ✍️রাজীব কুমার নন্দী◆খেলার শেষে পুরস্কার বিতরণী সভা।সব খেলার শেষ...
16/10/2021

বিজয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ শুধু বিজয়ের জয়ধ্বনি।

✍️রাজীব কুমার নন্দী
◆খেলার শেষে পুরস্কার বিতরণী সভা।সব খেলার শেষেই হয়।এ আর নতুন কি।তবু আই পি এল ফাইনাল বলে কথা।ট্রফি উঠলো CSK এর অধিনায়ক ক্যাপটেন কুল ধোনির হাতে।ট্রফি তুলে দিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট প্রিন্স অফ ক্যালকাটা সৌরভ গাঙ্গুলী।সাথে জয় শাহ।ফাইনাল এর মত পুরস্কার মঞ্চেও সেই কলকাতা চেন্নাই যোগ।যোগ্য দল হিসেবেই CSK চ্যাম্পিয়ন।KKR এর মধ্যেও সেই জেতার খিদে থাকলেও শেষ ধাপ আর অতিক্রম করা হলো না।কোথাও যেনো ক্রিকেট দেবতা মাহিকে জয়ধ্বনির আঙ্গিকে বরণ করতে চাইছিলো প্রায় শেষ বারের মত।মাহি মার রাহা হে এই ধ্বনি শোনার জন্য আমি সাত জন্ম অপেক্ষা করতে রাজি।সমগ্র দেশের জনগণ মাহির জাদুতে সম্মোহিত হয়েই থাকে।
আমি কিন্তূ কলকাতা কে ভালোবেসে কলকাতার ফ্যান আর ধোনিকে ভালোবেসে চেন্নাইর ফ্যান।সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই টিমের বাক যুদ্ধ বেশ জমেই উঠেছে।ফাইনাল এর চেন্নাই বিজয় কলকাতার হারের পর গঙ্গা দিয়ে গড়িয়েছে অনেক জল,অনেকটা উচ্ছাস, অনেকটা আবেগও।কলকাতার শ্রীভুমির বুর্জ খলিফা দশমীর সন্ধ্যায় যেখানে অন্ধকার সেখানে দুবাই এর বুর্জ খলিফা ক্রিকেটের উৎসবে মাতোয়ারা।জয় হয়েছে ক্রিকেটের।IPL- 2 আমাদের অনেক ভারতীয় প্রতিভা উপহার দিলো।আইয়ার ও গায়েক ওয়ার্ডের কথা সত্যি ভোলার নয়।
ক্রিকেটের সাথে বাঙালী নস্টালজিয়া থাকবে।এমনকি চেন্নাই এর ও ক্রিকেট প্রেম অসাধারণ।তবুও কলকাতা হারের রাত কেটে ভোর হলেও সেই সকালে মনখারাপ থাকে।তবু জোর গলায় বলবো এই সকালে এক কলকাতা সমর্থক হয়ে আমার মনখারাপ নেই আছে বিজয়ের গন্ধ মাখা মাধুর্য।আছে মাহির জয়।আছে ভারতীয় ক্রিকেটের জয়ধ্বনি।প্রথম পর্বে প্রায় হারিয়ে যাওয়া টিম হয়ে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছেছে এটাই তো বড় জয়।ম্যাচ না জিতেও মন জিতে নিল কলকাতা।ম্যাচ জিতলো চেন্নাই।মন জিতলো মাহি। চেন্নাই আমার আবেগ , কলকাতা আমার ভালোবাসা।সৌরভ গাঙ্গুলী আমার ছোটবেলার বাপি বাড়ি যা সিক্স এর আইকন আর মাহি হলো আমার যৌবনের মাহি মার রাহা হে জয়ধ্বনি র উচ্ছাস।

©রাজীব কুমার নন্দী

Address

Digha

Telephone

+919732492529

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্ন সৃজন CanvaS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to স্বপ্ন সৃজন CanvaS:

Share