Professional Video & Photography

Professional Video & Photography The Professional video & Photography page is intended solely for educational & Historical Place purposes.

All content provided is for informational & Historical use only and should not be construed as professional advice All content provided is for informational & Historical use only and should not be construed as professional advice.

18/07/2026

এমপি মামা শশুরের ক্ষমতার দাপট বেপরোয়া বিপিসির পরিচালক আসাদুল

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিবজুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বা...
20/05/2026

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বাণিজ্য গড়ে উঠেছে, তার নেপথ্যের মূল হোতা হিসেবে এবার বেরিয়ে এসেছে কথিত সাংবাদিক নাজমুস সাকিবের নাম। পুলিশ সদর দপ্তরের মতে, গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় চলতি বছরের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৮৫৫টি। আর এসব মামলার আড়ালে ফ্লোরিডায় বসে সাকিব চালিয়েছে নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জঘন্য এক ব্যবসা।

পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য। ১৯৫টি সিআর মামলার মধ্যে ১১৩টির তদন্ত শেষ করেছে তারা। এর মধ্যে ৮৯টি মামলার সত্যতা মিলেছে।

কিন্তু সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো,এই মামলাগুলোতে মোট ৬ হাজার ৮৪৪ জনকে আসামি করা হলেও, তদন্ত শেষে প্রমাণ মিলেছে মাত্র ১ হাজার ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে!
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানিয়েছেন,অভিযোগ যাচাই করে প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি আসামিদের অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
গত ৫ আগস্টের পর নিজেকে ‘জুলাই-পন্থী’ ও ‘নিরপেক্ষ গণতন্ত্রকামী’ হিসেবে প্রচার করে এই সাকিব। আর আড়ালে পুলিশের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে ফেঁদে বসে ভুয়া আসামি বানানোর রমরমা ব্যবসা। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতে সে যেমন ব্যক্তিগত শত্রুদের মামলার আসামি বানিয়েছে, তেমনি টাকার বিনিময়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষকেও এসব মামলায় ফাঁসিয়েছে।

তার ব্ল্যাকমেইলের কৌশলটা ছিল অভিনব। কাউকে হেনস্তা করতে হলেই তাকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে মামলার আসামি বানিয়েছে সাকিব। এরপর সেই নিরীহ ব্যক্তিকে মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলেই দাবি করেছে মোটা অঙ্কের চাঁদা। অর্থাৎ, নিজেই সাপ হয়ে দংশন করেছে, আবার নিজেই ওঝা হয়ে ঝাড়ফুঁকের নামে হাতিয়েছে কোটি কোটি টাকা।
তবে নিরীহ মানুষের এই হয়রানি নিয়ে এবার কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুয়া মামলার কারণে আসামিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তাই যারা জুলাই অভ্যুত্থান সংক্রান্ত এসব ভুয়া মামলা দায়ের করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, যখন ভুয়া মামলার বাণিজ্য আর চাঁদাবাজির সব তথ্য ফাঁস হতে শুরু করেছে, ততক্ষণে ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে আছে নাজমুস সাকিব।

তবে প্রবাসে বসে নিজেকে যতই গণতন্ত্রের রক্ষক দাবি করুক না কেন, জুলাইয়ের আবেগকে পুঁজি করে নিরীহ মানুষের রক্তচোষা এই ডিজিটাল মাফিয়ার আসল চেহারা আজ জাতির সামনে স্পষ্ট।

নাজমুস সাকিব এখন আর কেবল একজন সাধারণ ‘ফটোকার্ড চাঁদাবাজ’ বা কথিত সাংবাদিক নেই;সে পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য এক ভয়ংকর হুমকিতে। ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে সে ইসরায়েলি হ্যাকারদের কাছে দেশের তথ্য ও সম্পদ তুলে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না। ভুক্তভোগীরা যেহেতু মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তাই এখনই সময় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই সাইবার টেররিস্টকে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি করা। নতুবা, এই ডিজিটাল মাফিয়ার আগ্রাসনে চরম মূল্য দিতে হতে পারে গোটা রাষ্ট্রকে।

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিবজুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বা...
20/05/2026

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বাণিজ্য গড়ে উঠেছে, তার নেপথ্যের মূল হোতা হিসেবে এবার বেরিয়ে এসেছে কথিত সাংবাদিক নাজমুস সাকিবের নাম। পুলিশ সদর দপ্তরের মতে, গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় চলতি বছরের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৮৫৫টি। আর এসব মামলার আড়ালে ফ্লোরিডায় বসে সাকিব চালিয়েছে নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জঘন্য এক ব্যবসা।

পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য। ১৯৫টি সিআর মামলার মধ্যে ১১৩টির তদন্ত শেষ করেছে তারা। এর মধ্যে ৮৯টি মামলার সত্যতা মিলেছে।

কিন্তু সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো,এই মামলাগুলোতে মোট ৬ হাজার ৮৪৪ জনকে আসামি করা হলেও, তদন্ত শেষে প্রমাণ মিলেছে মাত্র ১ হাজার ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে!

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানিয়েছেন,অভিযোগ যাচাই করে প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি আসামিদের অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্টের পর নিজেকে ‘জুলাই-পন্থী’ ও ‘নিরপেক্ষ গণতন্ত্রকামী’ হিসেবে প্রচার করে এই সাকিব। আর আড়ালে পুলিশের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে ফেঁদে বসে ভুয়া আসামি বানানোর রমরমা ব্যবসা। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতে সে যেমন ব্যক্তিগত শত্রুদের মামলার আসামি বানিয়েছে, তেমনি টাকার বিনিময়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষকেও এসব মামলায় ফাঁসিয়েছে।
তার ব্ল্যাকমেইলের কৌশলটা ছিল অভিনব। কাউকে হেনস্তা করতে হলেই তাকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে মামলার আসামি বানিয়েছে সাকিব। এরপর সেই নিরীহ ব্যক্তিকে মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলেই দাবি করেছে মোটা অঙ্কের চাঁদা। অর্থাৎ, নিজেই সাপ হয়ে দংশন করেছে, আবার নিজেই ওঝা হয়ে ঝাড়ফুঁকের নামে হাতিয়েছে কোটি কোটি টাকা।
তবে নিরীহ মানুষের এই হয়রানি নিয়ে এবার কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুয়া মামলার কারণে আসামিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই যারা জুলাই অভ্যুত্থান সংক্রান্ত এসব ভুয়া মামলা দায়ের করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, যখন ভুয়া মামলার বাণিজ্য আর চাঁদাবাজির সব তথ্য ফাঁস হতে শুরু করেছে, ততক্ষণে ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে আছে নাজমুস সাকিব।

তবে প্রবাসে বসে নিজেকে যতই গণতন্ত্রের রক্ষক দাবি করুক না কেন, জুলাইয়ের আবেগকে পুঁজি করে নিরীহ মানুষের রক্তচোষা এই ডিজিটাল মাফিয়ার আসল চেহারা আজ জাতির সামনে স্পষ্ট।

নাজমুস সাকিব এখন আর কেবল একজন সাধারণ ‘ফটোকার্ড চাঁদাবাজ’ বা কথিত সাংবাদিক নেই;সে পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য এক ভয়ংকর হুমকিতে। ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে সে ইসরায়েলি হ্যাকারদের কাছে দেশের তথ্য ও সম্পদ তুলে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না। ভুক্তভোগীরা যেহেতু মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তাই এখনই সময় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই সাইবার টেররিস্টকে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি করা। নতুবা, এই ডিজিটাল মাফিয়ার আগ্রাসনে চরম মূল্য দিতে হতে পারে গোটা রাষ্ট্রকে।

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিবজুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বা...
20/05/2026

জুলাইয়ের ভুয়া মামলা বানিজ্যের হোতা নাজমুস সাকিব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে ভুয়া মামলার যে ভয়ংকর বাণিজ্য গড়ে উঠেছে, তার নেপথ্যের মূল হোতা হিসেবে এবার বেরিয়ে এসেছে কথিত সাংবাদিক নাজমুস সাকিবের নাম। পুলিশ সদর দপ্তরের মতে, গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় চলতি বছরের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৮৫৫টি। আর এসব মামলার আড়ালে ফ্লোরিডায় বসে সাকিব চালিয়েছে নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জঘন্য এক ব্যবসা।

পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য। ১৯৫টি সিআর মামলার মধ্যে ১১৩টির তদন্ত শেষ করেছে তারা। এর মধ্যে ৮৯টি মামলার সত্যতা মিলেছে।

কিন্তু সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো,এই মামলাগুলোতে মোট ৬ হাজার ৮৪৪ জনকে আসামি করা হলেও, তদন্ত শেষে প্রমাণ মিলেছে মাত্র ১ হাজার ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে!
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানিয়েছেন,অভিযোগ যাচাই করে প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি আসামিদের অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্টের পর নিজেকে ‘জুলাই-পন্থী’ ও ‘নিরপেক্ষ গণতন্ত্রকামী’ হিসেবে প্রচার করে এই সাকিব। আর আড়ালে পুলিশের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে ফেঁদে বসে ভুয়া আসামি বানানোর রমরমা ব্যবসা। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতে সে যেমন ব্যক্তিগত শত্রুদের মামলার আসামি বানিয়েছে, তেমনি টাকার বিনিময়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষকেও এসব মামলায় ফাঁসিয়েছে।
তার ব্ল্যাকমেইলের কৌশলটা ছিল অভিনব। কাউকে হেনস্তা করতে হলেই তাকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে মামলার আসামি বানিয়েছে সাকিব। এরপর সেই নিরীহ ব্যক্তিকে মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলেই দাবি করেছে মোটা অঙ্কের চাঁদা। অর্থাৎ, নিজেই সাপ হয়ে দংশন করেছে, আবার নিজেই ওঝা হয়ে ঝাড়ফুঁকের নামে হাতিয়েছে কোটি কোটি টাকা।
তবে নিরীহ মানুষের এই হয়রানি নিয়ে এবার কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুয়া মামলার কারণে আসামিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই যারা জুলাই অভ্যুত্থান সংক্রান্ত এসব ভুয়া মামলা দায়ের করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, যখন ভুয়া মামলার বাণিজ্য আর চাঁদাবাজির সব তথ্য ফাঁস হতে শুরু করেছে, ততক্ষণে ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে আছে নাজমুস সাকিব।

তবে প্রবাসে বসে নিজেকে যতই গণতন্ত্রের রক্ষক দাবি করুক না কেন, জুলাইয়ের আবেগকে পুঁজি করে নিরীহ মানুষের রক্তচোষা এই ডিজিটাল মাফিয়ার আসল চেহারা আজ জাতির সামনে স্পষ্ট।

নাজমুস সাকিব এখন আর কেবল একজন সাধারণ ‘ফটোকার্ড চাঁদাবাজ’ বা কথিত সাংবাদিক নেই;সে পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য এক ভয়ংকর হুমকিতে। ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে সে ইসরায়েলি হ্যাকারদের কাছে দেশের তথ্য ও সম্পদ তুলে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না। ভুক্তভোগীরা যেহেতু মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তাই এখনই সময় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই সাইবার টেররিস্টকে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি করা। নতুবা, এই ডিজিটাল মাফিয়ার আগ্রাসনে চরম মূল্য দিতে হতে পারে গোটা রাষ্ট্রকে।

প্রবাস থেকে পরিচালিত হচ্ছে সাকিবের ভ/য়ং/কর 'স্লি/পার সেল' ডিজিটাল চাঁদাবাজ থেকে চ/রম/পন্থী ‘মাস্টারমাইন্ড’ সাকিব!প্রবাসে...
19/05/2026

প্রবাস থেকে পরিচালিত হচ্ছে সাকিবের ভ/য়ং/কর 'স্লি/পার সেল' ডিজিটাল চাঁদাবাজ থেকে চ/রম/পন্থী ‘মাস্টারমাইন্ড’ সাকিব!
প্রবাসে বসে ডিজিটাল ব্ল্যা/কমেইল,হা/নি ট্র্যা/প এবং তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়ার পর এবার সরাসরি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে কথিত সাংবাদিক নাজমুস সাকিব। ফ্লোরিডায় বসে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অবৈধ অর্থের জোরে সে বাংলাদেশজুড়ে তৈরি করছে এক গোপন চরমপন্থী নেটওয়ার্ক বা 'স্লি/পার সেল'।

সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘ভুয়া যোদ্ধা’ গ্যাজেট বাতিলের সরকারি উদ্যোগের সূত্র ধরে বেরিয়ে এসেছে সাকিবের এই ভ/য়ং/কর মা/স্টারপ্ল্যান।

অপরাধ বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সাকিবের অতীতের ডিজিটাল চাঁদাবাজি এবং ই/স/রা/য়ে/লি হ্যা/কারদের সাথে আঁ/তাতের চেয়েও এই নতুন ‘স্লিপার সেল’ প্রজেক্ট রাষ্ট্রের জন্য হাজার গুণ বেশি বি/পজ্জনক।

ভুয়া ‘জুলাই-যোদ্ধা’ কেলেঙ্কারি এবং সাকিবের রিক্রুটমেন্ট
সম্প্রতি সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্পৃক্ত না হয়েও অবৈধভাবে ‘জুলাই-যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ১০৪ জন ভুয়া ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার গ্যাজেট প্রকাশ হওয়া ২৩ জনের একটি গ্যাজেট রেখে বাকিগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে,প্রভাবশালীদের রেফারেন্সে এই তালিকার বাইরেও অসংখ্য ভুয়া যোদ্ধা লুকিয়ে আছে।
গভীর অনুসন্ধানে জানা যায়,এই তালিকার একটি বড় অংশের নেপথ্যে রয়েছে নাজমুস সাকিব। ফ্লোরিডায় বসে বিএনপির কিছু ক্ষমতাবান নেতার প্রভাব খাটিয়ে সে তার নিজস্ব অনুসারীদের ‘ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা’ বানিয়েছে। এরা বর্তমানে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। আর এই অনৈতিক সুবিধার বিনিময়েই তারা সাকিবের নির্দেশে কাজ করছে গোপন ‘স্লিপার সেল’ বা চরমপন্থী গ্যাং হিসেবে। বিদেশ থেকে অনুদানের নামে অবৈধ অর্থ পাঠিয়ে সাকিব এই প্রজেক্টে নিয়মিত বিনিয়োগ করে যাচ্ছে।

সাকিবের ‘গো/পন সে/নাবা/হিনী’র গঠনতন্ত্র

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে,বিভিন্ন ভ/য়ংকর স/ন্ত্রা/সী সংগঠন সৃষ্টির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সাকিবের কাজের ধরনে সেই একই ফর্মুলার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। সে ধীরে ধীরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিশোর ও তরুণদের হাতে অর্থ, ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা তুলে দিচ্ছে। নিজেকে তাদের কাছে ‘ত্রাণকর্তা’ বা হিরো হিসেবে প্রমাণ করতে ফ্লোরিডায় বসেই অবুঝ তরুণদের ব্যক্তিগত নানা সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে সে। মূলত, এর মাধ্যমে সে তাদের ব্রেনওয়াশ করে অন্ধ অনুসারীতে পরিণত করছে।
তার এই গোপন নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যেই কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সেল বা বিভাগ কাজ করছে:

• আদর্শিক প্রচারক: যারা সাকিবের এজেন্ডা তরুণদের মগজে ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
• সমন্বয়ক: মেধাবী তরুণ,যারা মাঠপর্যায়ে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করছে।
• সাইবার ও টেকনিক্যাল সেল: এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ,ভুয়া পরিচয় তৈরি,ডিজিটাল নিরাপত্তা, হ্যাকিং এবং অনলাইনে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে পারদর্শী একদল প্রযুক্তি-দক্ষ সদস্য।
সমাজবিজ্ঞান ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের শঙ্কা,আধুনিক চরমপন্থা যেহেতু মূলত “স/হিং/সতা নির্ভর”, তাই সাকিব খুব শিগগিরই তার দলে অ/স্ত্রচা/লনা,বি/স্ফোর/ক ও নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের রিক্রুট করা শুরু করবে।
আন্তর্জাতিক কেস স্টাডি: সাকিবের চরমপন্থার ভবিষ্যৎ কতটা বিধ্বংসী?
আন্তর্জাতিক চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর উত্থানের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে সাকিবের এই স্লিপার সেল মডেলের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়:
১. মেক্সিকান কার্টেল এবং মাফিয়াদের ‘রবিনহুড কমপ্লেক্স’: মেক্সিকোর 'লস জেটাস' বা পাবলো এসকোবারের মতো ড্রাগ লর্ডরা শুরুতে সাধারণ তরুণদের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান,অর্থ ও ক্ষমতা দিয়ে সমাজে নিজেদের 'ত্রাণকর্তা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তরুণরা একসময় অন্ধবিশ্বাসে তাদের জন্য জীবন দিতে বা নিতে প্রস্তুত হয়ে যায়। সাকিব ফ্লোরিডায় বসে ঠিক সেই ‘রবিনহুড’ সাজার চেষ্টা করছে। তরুণদের ইমোশনকে পুঁজি করে সে মূলত রাষ্ট্রের ভেতরে তার নিজস্ব একটি ‘সশস্ত্র প্রাইভেট আর্মি’ বা মিলিশিয়া তৈরির পথে এগোচ্ছে।

অ/পরাধের মহাসমুদ্র: অতীত ও বর্তমানের যোগসূত্র

সাকিবের এই চরমপন্থী সেল গঠনের খবর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং এটি তার ধারাবাহিক অপরাধজগতের চূড়ান্ত রূপ। এর আগে তার বিরুদ্ধে যেসব জঘন্য অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে, তার প্রতিটিই এই চরমপন্থী সেলকে টিকিয়ে রাখার রসদ জোগাচ্ছে:

• চাঁদাবাজি ও মানি লন্ডারিং: দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের (যেমন- বসুন্ধরা, হামিম, থার্মেক্স গ্রুপ) নিয়ে ভুয়া ‘ফটোকার্ড’ বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা এবং কারাবন্দিদের জিম্মি করে আদায় করা চাঁদার ডলার ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দেশে পাঠিয়ে সে এই স্লিপার সেলে অর্থায়ন করছে।
• ই/স/রা/য়ে/লি হ্যাকারদের সাথে আঁতাত: বাংলাদেশের রিজার্ভ হ্যাক করার জন্য সে যে ইসরায়েলি প্রযুক্তি কোম্পানির সাথে চুক্তি করছে, সেই হ্যাকিং প্রক্রিয়ায় দেশের ভেতরকার সাইবার সহায়তা দেওয়ার জন্যই মূলত তার এই গোপন আইটি বা সাইবার সেলকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
• হানি ট্র্যা/প ও চ/রি/ত্র হ/নন: সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ থেকে শুরু করে প্রবাসীদের হা/নি ট্র্যা/পে ফেলে সে যে জি/ম্মি দ/শা তৈরি করে, তার মূল উদ্দেশ্যই হলো এই চরমপন্থী নেটওয়ার্কের জন্য ব্ল্যা/কমেইল করে অর্থের জোগান নিশ্চিত করা।

নাজমুস সাকিব এখন আর কেবল একজন বিতর্কিত ব্যক্তি বা ডিজিটাল চাঁদাবাজ নয়; সে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক টাইম বোমায় পরিণত হয়েছে।

এখনই ইন্টারপোল এবং আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সহায়তায় এই ‘মাস্টারমাইন্ড’কে আইনের আওতায় আনা না গেলে, ভবিষ্যতে এই চরমপন্থী স্লিপার সেলের বিস্ফোরণে রাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।

প্রবাস থেকে পরিচালিত হচ্ছে সাকিবের ভ/য়ং/কর 'স্লি/পার সেল' ডিজিটাল চাঁদাবাজ থেকে চ/রম/পন্থী ‘মাস্টারমাইন্ড’ সাকিব!প্রবাসে...
19/05/2026

প্রবাস থেকে পরিচালিত হচ্ছে সাকিবের ভ/য়ং/কর 'স্লি/পার সেল' ডিজিটাল চাঁদাবাজ থেকে চ/রম/পন্থী ‘মাস্টারমাইন্ড’ সাকিব!

প্রবাসে বসে ডিজিটাল ব্ল্যা/কমেইল,হা/নি ট্র্যা/প এবং তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়ার পর এবার সরাসরি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে কথিত সাংবাদিক নাজমুস সাকিব। ফ্লোরিডায় বসে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অবৈধ অর্থের জোরে সে বাংলাদেশজুড়ে তৈরি করছে এক গোপন চরমপন্থী নেটওয়ার্ক বা 'স্লি/পার সেল'।

সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘ভুয়া যোদ্ধা’ গ্যাজেট বাতিলের সরকারি উদ্যোগের সূত্র ধরে বেরিয়ে এসেছে সাকিবের এই ভ/য়ং/কর মা/স্টারপ্ল্যান।
অপরাধ বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সাকিবের অতীতের ডিজিটাল চাঁদাবাজি এবং ই/স/রা/য়ে/লি হ্যা/কারদের সাথে আঁ/তাতের চেয়েও এই নতুন ‘স্লিপার সেল’ প্রজেক্ট রাষ্ট্রের জন্য হাজার গুণ বেশি বি/পজ্জনক।

ভুয়া ‘জুলাই-যোদ্ধা’ কেলেঙ্কারি এবং সাকিবের রিক্রুটমেন্ট
সম্প্রতি সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্পৃক্ত না হয়েও অবৈধভাবে ‘জুলাই-যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ১০৪ জন ভুয়া ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার গ্যাজেট প্রকাশ হওয়া ২৩ জনের একটি গ্যাজেট রেখে বাকিগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে,প্রভাবশালীদের রেফারেন্সে এই তালিকার বাইরেও অসংখ্য ভুয়া যোদ্ধা লুকিয়ে আছে।

গভীর অনুসন্ধানে জানা যায়,এই তালিকার একটি বড় অংশের নেপথ্যে রয়েছে নাজমুস সাকিব। ফ্লোরিডায় বসে বিএনপির কিছু ক্ষমতাবান নেতার প্রভাব খাটিয়ে সে তার নিজস্ব অনুসারীদের ‘ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা’ বানিয়েছে। এরা বর্তমানে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। আর এই অনৈতিক সুবিধার বিনিময়েই তারা সাকিবের নির্দেশে কাজ করছে গোপন ‘স্লিপার সেল’ বা চরমপন্থী গ্যাং হিসেবে। বিদেশ থেকে অনুদানের নামে অবৈধ অর্থ পাঠিয়ে সাকিব এই প্রজেক্টে নিয়মিত বিনিয়োগ করে যাচ্ছে।

সাকিবের ‘গো/পন সে/নাবা/হিনী’র গঠনতন্ত্র

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে,বিভিন্ন ভ/য়ংকর স/ন্ত্রা/সী সংগঠন সৃষ্টির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সাকিবের কাজের ধরনে সেই একই ফর্মুলার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। সে ধীরে ধীরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিশোর ও তরুণদের হাতে অর্থ, ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা তুলে দিচ্ছে। নিজেকে তাদের কাছে ‘ত্রাণকর্তা’ বা হিরো হিসেবে প্রমাণ করতে ফ্লোরিডায় বসেই অবুঝ তরুণদের ব্যক্তিগত নানা সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে সে। মূলত, এর মাধ্যমে সে তাদের ব্রেনওয়াশ করে অন্ধ অনুসারীতে পরিণত করছে।
তার এই গোপন নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যেই কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সেল বা বিভাগ কাজ করছে:

• আদর্শিক প্রচারক: যারা সাকিবের এজেন্ডা তরুণদের মগজে ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
• সমন্বয়ক: মেধাবী তরুণ,যারা মাঠপর্যায়ে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করছে।
• সাইবার ও টেকনিক্যাল সেল: এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ,ভুয়া পরিচয় তৈরি,ডিজিটাল নিরাপত্তা, হ্যাকিং এবং অনলাইনে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে পারদর্শী একদল প্রযুক্তি-দক্ষ সদস্য।

সমাজবিজ্ঞান ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের শঙ্কা,আধুনিক চরমপন্থা যেহেতু মূলত “স/হিং/সতা নির্ভর”, তাই সাকিব খুব শিগগিরই তার দলে অ/স্ত্রচা/লনা,বি/স্ফোর/ক ও নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের রিক্রুট করা শুরু করবে।

আন্তর্জাতিক কেস স্টাডি: সাকিবের চরমপন্থার ভবিষ্যৎ কতটা বিধ্বংসী?
আন্তর্জাতিক চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর উত্থানের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে সাকিবের এই স্লিপার সেল মডেলের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়:

১. মেক্সিকান কার্টেল এবং মাফিয়াদের ‘রবিনহুড কমপ্লেক্স’: মেক্সিকোর 'লস জেটাস' বা পাবলো এসকোবারের মতো ড্রাগ লর্ডরা শুরুতে সাধারণ তরুণদের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান,অর্থ ও ক্ষমতা দিয়ে সমাজে নিজেদের 'ত্রাণকর্তা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তরুণরা একসময় অন্ধবিশ্বাসে তাদের জন্য জীবন দিতে বা নিতে প্রস্তুত হয়ে যায়। সাকিব ফ্লোরিডায় বসে ঠিক সেই ‘রবিনহুড’ সাজার চেষ্টা করছে। তরুণদের ইমোশনকে পুঁজি করে সে মূলত রাষ্ট্রের ভেতরে তার নিজস্ব একটি ‘সশস্ত্র প্রাইভেট আর্মি’ বা মিলিশিয়া তৈরির পথে এগোচ্ছে।

অ/পরাধের মহাসমুদ্র: অতীত ও বর্তমানের যোগসূত্র

সাকিবের এই চরমপন্থী সেল গঠনের খবর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং এটি তার ধারাবাহিক অপরাধজগতের চূড়ান্ত রূপ। এর আগে তার বিরুদ্ধে যেসব জঘন্য অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে, তার প্রতিটিই এই চরমপন্থী সেলকে টিকিয়ে রাখার রসদ জোগাচ্ছে:

• চাঁদাবাজি ও মানি লন্ডারিং: দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের (যেমন- বসুন্ধরা, হামিম, থার্মেক্স গ্রুপ) নিয়ে ভুয়া ‘ফটোকার্ড’ বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা এবং কারাবন্দিদের জিম্মি করে আদায় করা চাঁদার ডলার ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দেশে পাঠিয়ে সে এই স্লিপার সেলে অর্থায়ন করছে।

• ই/স/রা/য়ে/লি হ্যাকারদের সাথে আঁতাত: বাংলাদেশের রিজার্ভ হ্যাক করার জন্য সে যে ইসরায়েলি প্রযুক্তি কোম্পানির সাথে চুক্তি করছে, সেই হ্যাকিং প্রক্রিয়ায় দেশের ভেতরকার সাইবার সহায়তা দেওয়ার জন্যই মূলত তার এই গোপন আইটি বা সাইবার সেলকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

• হানি ট্র্যা/প ও চ/রি/ত্র হ/নন: সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ থেকে শুরু করে প্রবাসীদের হা/নি ট্র্যা/পে ফেলে সে যে জি/ম্মি দ/শা তৈরি করে, তার মূল উদ্দেশ্যই হলো এই চরমপন্থী নেটওয়ার্কের জন্য ব্ল্যা/কমেইল করে অর্থের জোগান নিশ্চিত করা।

নাজমুস সাকিব এখন আর কেবল একজন বিতর্কিত ব্যক্তি বা ডিজিটাল চাঁদাবাজ নয়; সে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক টাইম বোমায় পরিণত হয়েছে।

এখনই ইন্টারপোল এবং আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সহায়তায় এই ‘মাস্টারমাইন্ড’কে আইনের আওতায় আনা না গেলে, ভবিষ্যতে এই চরমপন্থী স্লিপার সেলের বিস্ফোরণে রাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।

‘টাকা দাও, নয়তো ইজ্জত হারাও’ এভাবেই চলত নাজমুস সাকিবের কথিত অনুসন্ধান!
18/05/2026

‘টাকা দাও, নয়তো ইজ্জত হারাও’ এভাবেই চলত নাজমুস সাকিবের কথিত অনুসন্ধান!

শিশু নি/র্যা/তন, আপন বোনকে ধ/র্ষ/ণ বা না/রী পা/চা/র করে ‘হা/নি ট্র্যা/প’ পাতা— এগুলো কোনো সাধারণ অ/পরাধীর কাজ নয়। এটি চর...
17/05/2026

শিশু নি/র্যা/তন, আপন বোনকে ধ/র্ষ/ণ বা না/রী পা/চা/র করে ‘হা/নি ট্র্যা/প’ পাতা— এগুলো কোনো সাধারণ অ/পরাধীর কাজ নয়। এটি চরম মাত্রার সাইকোপ্যাথিক আচরণ, যেখানে তার মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বা মানবিকতা নেই।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত চাঁদাবাজির গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশি হ্যাকার চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রেও জড়িয়েছে সে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিকভাবে নিজেকে বিতাড়িত ও ঘৃণিত মনে করার ক্ষোভ থেকেই বাংলাদেশের প্রতি তার এই আক্রোশ। মনস্তত্ত্বের ভাষায় এটিকে বলা হয় ‘প্রজেকশন’। নিজের অপরাধবোধ ঢাকতে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি, ব্যবসায়ী কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হননের চেষ্টা করে সে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—একসময় অন্যদের ব্ল্যাকমেইল করলেও, পরবর্তীতে নিজেই ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে পড়েন সাকিব। বিশ্লেষকদের মতে, সেই ঘটনাই তার মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও প্যারানোয়া তৈরি করে। আর সেই মানসিক ক্ষোভ থেকেই এখন সাইবার হামলা ও ডিজিটাল ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে প্রতিশোধ নিতে চাইছে সে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, এটি শুধুই কোনো ব্যক্তির অপরাধের গল্প নয়; বরং এক বিকৃত মানসিকতার ডিজিটাল রূপ, যা ধীরে ধীরে সামাজিক স্থিতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।

ক্যামেরার সামনে নিজেকে ‘দেশপ্রেমিক সাংবাদিক’ কিংবা ‘কণ্ঠযোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া নাজমুস সাকিবকে ঘিরে এবার উঠে এসেছে ভ/...
17/05/2026

ক্যামেরার সামনে নিজেকে ‘দেশপ্রেমিক সাংবাদিক’ কিংবা ‘কণ্ঠযোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া নাজমুস সাকিবকে ঘিরে এবার উঠে এসেছে ভ/য়ংকর সব অভিযোগ। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এমন এক অন্ধকার অতীত, যেখানে সাংবাদিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে চাঁ/দাবাজি, সাইবার সন্ত্রা/স, ব্ল্যা/কমেইল এবং একের পর এক বিকৃত অপরাধের অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে সবুজবাগে পাঁচ বছরের এক শিশুকে পাশবিক নি/র্যা/তনে/র ঘটনায় তার নাম উঠে আসে।

শুধু তাই নয়, ভাড়াটিয়ার স্ত্রীকে দল/বেঁ/ধে ধ/র্ষ/ণ এবং নিজের খালাতো বোনকে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করার মতো ভয়াবহ অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু এসব ঘটনার কোনোটিতেই আইনি শাস্তি না হওয়ায়, তার মধ্যে তৈরি হয় এক ধরনের বিচারহীনতার আত্মবিশ্বাস।

বিশ্লেষকরা বলছেন যেকোনো গভীর অনুসন্ধানে অপরাধীর মনস্তত্ত্ব বোঝাটা খুব জরুরি। সাকিবের বেপরোয়া আচরণ বিশ্লেষণ করলে তার ভয়ংকর এক মনস্তাত্ত্বিক রূপরেখা পাওয়া যায়:

১. বিচারহীনতার বিকৃত আত্মবিশ্বাস বা ‘গড কমপ্লেক্স’: শিশু ধর্ষণ বা দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করেও সে যখন শাস্তি পায়নি, তখন সে নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবতে শুরু করে। অর্থ ও ক্ষমতার জোরে অতীত অপরাধ থেকে পার পেয়ে যাওয়ার কারণেই, প্রবাসে বসে এমন ব্ল্যাকমেইল করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে সে।

২. প্রজেকশন ও অপরাধবোধ থেকে আক্রোশ: সামাজিকভাবে একজন চিহ্নিত ধ/র্ষ/ক ও বিতাড়িত ব্যক্তি হওয়ার অবচেতন ক্ষোভ থেকেই সে বাংলাদেশের ওপর আক্রোশ ঝাড়ে। মনস্তত্ত্বের ভাষায় যাকে বলে 'প্রজেকশন'। দেশের সম্মানিত মানুষদের চরিত্র হনন করে মূলত সে নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এবং নিজের অপরাধবোধ হালকা করার চেষ্টা করে।

৩. শিকার থেকে শিকারি হওয়ার প্যারানোয়া: সারাজীবন মানুষকে ব্ল্যা/কমেইল করা সাকিব যখন নিজেই ব্ল্যা/কমেইলের শিকার হয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হয়, তখন তার মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা বা 'প্যারানোয়া' তৈরি হয়। নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সেই ক্ষোভ আর মানসিক চাপ সে মেটায়, দেশের অন্যান্য অসহায় মানুষদের ওপর সাইবার হামলা চালিয়ে।

৪. সাইকোপ্যাথিক প্রবণতা: শিশু নি/র্যা/তন, আপন বোনকে ধ/র্ষ/ণ বা নারী পাচার করে ‘হা/নি ট্র্যাপ’ পাতা— এগুলো কোনো সাধারণ অপরাধীর কাজ নয়। এটি চরম মাত্রার সা/ইকোপ্যাথিক আচরণ, যেখানে তার মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বা মানবিকতা নেই।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত চাঁদাবাজির গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশি হ্যাকার চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রেও জড়িয়েছে সে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিকভাবে নিজেকে বিতাড়িত ও ঘৃণিত মনে করার ক্ষোভ থেকেই বাংলাদেশের প্রতি তার এই আক্রোশ। মনস্তত্ত্বের ভাষায় এটিকে বলা হয় ‘প্রজেকশন’। নিজের অপরাধবোধ ঢাকতে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি, ব্যবসায়ী কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হননের চেষ্টা করে সে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, একসময় অন্যদের ব্ল্যাকমেইল করলেও, পরবর্তীতে নিজেই ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে পড়েন সাকিব। বিশ্লেষকদের মতে, সেই ঘটনাই তার মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও প্যারানোয়া তৈরি করে। আর সেই মানসিক ক্ষোভ থেকেই এখন সাইবার হামলা ও ডিজিটাল ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে প্রতিশোধ নিতে চাইছে সে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, এটি শুধুই কোনো ব্যক্তির অপরাধের গল্প নয়; বরং এক বিকৃত মানসিকতার ডিজিটাল রূপ, যা ধীরে ধীরে সামাজিক স্থিতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।

Address

59 Brick Lane, United Kingdom
London
E16QL

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Professional Video & Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Professional Video & Photography:

Shortcuts

Share