CP Aminul Islam Rana

CP Aminul Islam Rana Digital Creator

From Nasir Uddin Shamim:ইন্টারনেটে আমরা যাই করি না কেন, কোথাও না কোথাও তার একটা ছাপ থেকে যায়। টেকনিক্যাল ভাষায় এটাকে বলে...
22/02/2026

From Nasir Uddin Shamim:

ইন্টারনেটে আমরা যাই করি না কেন, কোথাও না কোথাও তার একটা ছাপ থেকে যায়। টেকনিক্যাল ভাষায় এটাকে বলে Digital Footprint। হ্যাকাররা বা সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টরা এসব ডেটা ম্যানুয়ালি খোঁজে না, তারা ইউজ করে দারুণ সব OSINT (Open Source Intelligence) টুলস।

- চলুন জেনে নিই এমন ৫টি পাওয়ারফুল টুল সম্পর্কে, যেগুলো দিয়ে যে কাউকে ট্র্যাক করা সম্ভব:

- Sherlock

আপনার কি মনে হয় আলাদা আলাদা ইউজারনেম দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া চালালে কেউ আপনাকে খুঁজে পাবে না? Sherlock নামের এই টুলটি আপনার ধারণা পুরোপুরি পাল্টে দেবে। আপনি জাস্ট একটা username ইনপুট দেবেন, আর এটি মুহূর্তের মধ্যে ইন্টারনেটের ৩০০ এর বেশি প্ল্যাটফর্ম স্ক্যান করে বের করে আনবে ওই একই নামের আর কোথায় কোথায় অ্যাকাউন্ট আছে। আপনার পুরো ডিজিটাল প্রোফাইল হ্যাকারদের চোখের সামনে চলে আসবে সেকেন্ডের মধ্যে!

Link: https://github.com/sherlock-project/sherlock

- Maltego

এটি মূলত প্রফেশনাল ইনভেস্টিগেটরদের টুল। ধরুন আপনার একটা ইমেইল অ্যাড্রেস বা ডোমেইন নেম পাওয়া গেলো। Maltego সেই ইনফরমেশন ব্যবহার করে আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, ইমেইল কানেকশন আর অন্যান্য ডেটা লিংক করে একটা বিশাল রিলেশনশিপ ম্যাপ বা interactive view তৈরি করে ফেলবে। মুভিতে যেমন দেখেন ইনভেস্টিগেটররা বোর্ড ভর্তি সুতা দিয়ে একটা ক্লু এর সাথে আরেকটা ক্লু মেলায়, Maltego ঠিক ওই কাজটাই ডিজিটালি করে!

- Link: https://www.maltego.com

- Hunter.io

কোনো স্পেসিফিক কোম্পানির বা মানুষের ইমেইল অ্যাড্রেস বের করার জন্য এর চেয়ে সহজ টুল আর নেই। আপনি জাস্ট কোম্পানির ডোমেইন নেম (যেমন- company.com) লিখে সার্চ করবেন। এটি মুহূর্তের মধ্যে সেই কোম্পানির সব verified ইমেইল অ্যাড্রেস এবং তাদের ইমেইল ফরম্যাট (যেমন- firstname.lastname@ ) বের করে দেবে। টার্গেটেড ফিশিং অ্যাটাক (Phishing Attack) বা স্প্যামিংয়ের জন্য হ্যাকাররা অনেক সময় এসব ডেটা ইউজ করে।

- Link: https://hunter.io

- SpiderFoot

এটি একটি মারাত্মক পাওয়ারফুল স্ক্যানিং টুল। শুধু আপনার নাম, ইমেইল, IP address, ডোমেইন অথবা ইউজারনেম ইনপুট দিলেই এটি ১০০ এর বেশি সোর্স থেকে ডেটা কালেক্ট করতে শুরু করে। আপনার কোনো ডেটা লিক (Data leak) হয়েছে কি না, ডেটা ব্রিচ, লোকেশন ইনফো (geo-info) থেকে শুরু করে সব সোশ্যাল প্রোফাইল নিমিষেই বের করে আনতে পারে এই স্পাইডারফুট।

- Link: https://github.com/smicallef/spiderfoot

- TheHarvester

এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের শুরুতে বা recon phase এ এই টুলটি সবচেয়ে বেশি ইউজ হয়। এটি Google, LinkedIn, বা Shodan এর মতো পাবলিক সোর্সগুলো ঘেঁটে যেকোনো টার্গেটের ইমেইল অ্যাড্রেস, নাম, সাবডোমেইন আর IP address কালেক্ট করে। মানে, আপনি ইন্টারনেটে যা যা পাবলিকলি শেয়ার করেছেন, সেগুলো সব এক জায়গায় জড়ো করে ফেলবে এই টুল।

- Link: https://github.com/laramies/theHarvester

এই টুলগুলো মূলত সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট এবং এথিক্যাল হ্যাকাররা (Ethical Hackers) সিস্টেমের দুর্বলতা বের করার জন্য লিগ্যালি ব্যবহার করেন। কিন্তু খারাপ মানুষের হাতে পড়লে এগুলো দিয়ে মারাত্মক ক্ষতিও করা সম্ভব। তাই অনলাইনে পাবলিকলি নিজের পার্সোনাল ইনফরমেশন বা লোকেশন শেয়ার করার আগে অন্তত দুইবার ভাবুন।

পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন, বন্ধুদেরও কাজে লাগবে। Stay safe online!

E-mails, subdomains and names Harvester - OSINT . Contribute to laramies/theHarvester development by creating an account on GitHub.

14/01/2026

From Md Asaduzzaman:

অনলাইনে কিছুই আসলে প্রাইভেট না! মাত্র ২মিনিটে হ্যাকাররা আপনার পুরো ডিজিটাল জন্মকুন্ডলি বের করতে পারে, জানেন কীভাবে?

হ্যাকিং মানেই শুধু কালো স্ক্রিনে কোডিং না, হ্যাকিং মানে হলো স্মার্টলি ইনফরমেশন গ্যাদার করা। এটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলে OSINT (Open Source Intelligence)। একজন হ্যাকার বা ইনভেস্টিগেটর আপনার নাম বা একটা ইউজারনেম দিয়েই আপনার নাড়িনক্ষত্র বের করে ফেলতে পারে যদি তার হাতে সঠিক টুলস থাকে।

আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি হ্যাকার এবং সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টদের ব্যবহার করা ৫টি পাওয়ারফুল টুলের সাথে। এইগুলো জানা থাকলে আপনি বুঝবেন আপনার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট আসলে কতটা এক্সপোজড!

- Sherlock
খুবই ডেঞ্জারাস এবং কাজের একটা টুল। ধরুন আপনি সব জায়গায় একই ইউজারনেম ব্যবহার করেন। Sherlock সেই একটা ইউজারনেম দিয়ে ৩০০+ সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম স্ক্যান করে বের করে ফেলবে আপনি আর কোথায় কোথায় আছেন। কাউকে অনলাইনে খুঁজে বের করার জন্য এর চেয়ে সহজ উপায় আর নেই।

- Maltego
ডিটেকটিভ মুভিতে দেখেছেন না দেয়ালে সুতা দিয়ে একটার সাথে আরেকটা ঘটনার কানেকশন বের করে? Maltego ভার্চুয়ালি ঠিক এই কাজটাই করে। এটি ইমেইল, ডোমেইন, সোশ্যাল প্রোফাইল সবকিছুর মধ্যে একটা ভিজ্যুয়াল রিলেশনশিপ ম্যাপ তৈরি করে দেয়। কারা কার সাথে কানেক্টেড, এটা দিয়ে সহজেই বোঝা যায়।

- Hunter .io
কর্পোরেট হ্যাকিং বা কোল্ড ইমেইলিংয়ের জন্য এটি সেরা। আপনি শুধু কোনো কোম্পানির ডোমেইন (যেমন company.com) লিখে সার্চ দিবেন, আর এটি ওই ডোমেইনের আন্ডারে থাকা সব ভেরিফাইড ইমেইল এড্রেস এবং তাদের ফরম্যাট (যেমন firstname.lastname@ ) বের করে দিবে।

- SpiderFoot
একে বলা যায় অটোমেটেড OSINT মেশিন। আপনি শুধু একটা নাম, ইমেইল, আইপি এড্রেস বা ডোমেইন ইনপুট দিবেন বাকি কাজ তার। এটি ১০০+ পাবলিক সোর্স স্ক্যান করে লিক হওয়া পাসওয়ার্ড, জিও-লোকেশন, সোশ্যাল প্রোফাইল সহ সব ডাটা আপনার সামনে হাজির করবে।

- TheHarvester
ইথিক্যাল হ্যাকারদের রিকন (Recon) ফেজে এটি খুব জনপ্রিয়। গুগল, বিং, লিঙ্কডইন বা শডান (Shodan) এর মতো পাবলিক সোর্স থেকে ইমেইল, নাম, সাবডোমেইন এবং আইপি এড্রেস কালেক্ট করতে এর জুড়ি নেই।

সতর্কতা: এই টুলগুলো শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো এডুকেশন এবং সাইবার অ্যাওয়ারনেস। আপনি যখন জানবেন আপনাকে কীভাবে ট্র্যাক করা সম্ভব, তখনই আপনি নিজের প্রাইভেসি নিয়ে সচেতন হতে পারবেন। অনৈতিক কাজে টেকনোলজি ব্যবহার করবেন না।

পোস্টটি টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন, ফিউচার রেফারেন্সের জন্য কাজে লাগবে!🙂

Company.com is available for acquisition. We are accepting serious, bonafide offers only. Please email [email protected] if you are interested.

11/12/2025

রিসার্চ গ্যাপ ও বের করার উপায়

Research Gap

রিসার্চ গ্যাপ নতুন গবেষণার ভিত্তি নির্ধারণ করে পূর্ববর্তী গবেষণার ফাঁককে নির্ধারণ করে। সহজভাবে, পূর্ববর্তী গবেষণার সাথে বিদ্যমান গবেষণার যে গ্যাপ রয়েছে তাকেই রিসার্চ গ্যাপ বলে।

সচারাচর Literature review এর মাধ্যমে রিসার্চ গ্যাপ বের করা হয়। রিসার্চ গ্যাপ একটি পেপারের প্রাণ কেননা এর উপর ভিত্তি করে রিসার্চ কোশ্চেন, অবজেক্টিভ ও হাইপোথিসিস ফরমোলেট করা হয়। তারপর রিসার্চ কোশ্চেন এর উপর ভিত্তি করে রিসার্চ মেথড সিলেকশন করে ডাটা কালেকশন করে কোশ্চেনগুলোর উত্তর ডিসকাশন সেকশনে পূর্ণতা পায়। তাই বুঝাই যায় যে রিসার্চ গ্যাপ পুরো একটি রিসার্চ পেপার লিখতে গাইড করে।

গাণিতিকভাবে রিসার্চ গ্যাপকে ব্যাখ্যা ধরুন A ∩ B. ধরুন A ও B দুটি গবেষণার লিটারেচার রিভিউ সেট। A কে পূর্ববর্তী গবেষণার লিটারেচার রিভিউ সেট হিসেবে ধরে এবং B কে বিদ্যমান গবেষণার লিটারেচার রিভিউ সেট হিসেবে ধরে তারপর ইন্টারসেকশন অপারেশনে A লিটারেচার রিভিউ সেটে যে উপাদান নেই সে উপাদানের উপস্থিতি A এর সাপেক্ষে B লিটারেচার রিভিউ সেটে বিদ্যমান থাকবে তা A এর সাপেক্ষে B এর রিসার্চ গ্যাপ।

ধরি, A={1,2,3,4}

B={3,4,1,2,6,7}

তাহলে, B-A={6,7}

এই 6, 7 পূর্ববর্তী কাজে মানে A তে এই উপাদানগুলো উপস্থিত ছিল না তাই {6,7} এ দুটি উপাদান A এর সাপেক্ষে B এর রিসার্চ গ্যাপ।

অসংখ্য রিসার্চ গ্যাপ এর ক্যাটাগরি রয়েছে।

১.Evidence Gap: এভিডেন্স গেপ বলতে বুঝায় আপনার বিদ্যমান গবেষণায় যথাযথ প্রায়োগিক ডাটার অভাব।

উদাহরণ : ধরুন শহরতলীতে এক যুদ্ধ বিমান বিদ্ধস্ত হয়েছে।

প্রশ্ন: কেন যুদ্ধবিমান বিদ্ধস্ত হল? মহড়া দেয়ার জন্য কি পর্যন্ত মিলিটারি বেস ছিল না? কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে? এসব তথ্য যদি খুঁজে পেতে একাডেমিয়া,রিসার্চ গেট বা গুগল স্কলার এ যথাযথ প্রাসঙ্গিক পেপার খুঁজে না পান তা Evidence gap হিসেবে চিহ্নিত করবেন।

Knowledge Gap : বলতে বুঝায় একটি রিসার্চ ফিল্ডের যে বিষয়ের উপর এখনো গবেষণা হয়নি।

উদাহরণ : ধরুন যে প্রিডেটরি জার্নাল কিভাবে আমাদের দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থায় গবেষণা সংস্কৃতিকে কোয়ান্টিটির মানদণ্ডে ধরে রেখে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে। এ বিষয়ে তেমন গবেষণাপত্র একাডেমিয়া,রিসার্চ গেট,গুগল স্কলার, স্পিংগার সাইটে খুঁজে পাবেন না।

Theoretical gap: একটি ঘটনা বা বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করতে তত্ত্বের সীমাবদ্ধতাকে বুঝায়।

উদাহরণ:

ধরুন, আত্মার প্রকৃতি বুঝার জন্য কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কোন তত্ত্ব তা ব্যাখ্যা করতে পারবে না কারণ ম্যাটাফিজিক্যাল ফ্যাক্টের ব্যাখ্যা কখনো প্রাগমেটিক থিওরেটিক্যাল ফ্রেম দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। স্বয়ং স্টিফেন হকিং এর সীমাবদ্ধতা।

Methodological Gap: পূর্ববর্তী গবেষণার রিসার্চ মেথডে বিদ্যমান ত্রুটি সনাক্তকরণকে Methodological Gap বলা হয়।

উদাহরণ:

ধরুন, পূর্ববর্তী গবেষক এন্ডোক্রিনোলজির একটি সেগমেন্ট হরমোন যেমন এন্ডোজেন ও টেস্টস্টেরন এর উপর রিসার্চ করার জন্য টার্গেট গ্রুপের পিপল সিলেকশনে True Design Strategy এর বদলে Quasi Design Strategy সিলেক্ট করেছেন। ফলশ্রুতিতে যথাযথ cause-and-effect সম্পর্ক বের করতে পারেননি। এ সীমাবদ্ধতা সনাক্তকরণকে Methodological Gap বলা হয়।

Population gap: কোন স্পেসিফিক গ্রুপের উপর পর্যাপ্ত গবেষণার অভাবকে বুঝায়।

উদাহরণ :

ব্রাজিলের কায়াপো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যাদের জীবনযাত্রা,ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত বিষয় নিয়ে তেমন গবেষণা হয় না।

প্রশ্ন:

তারা কেন আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ভার্চুয়াল রিলেশনশিপ (গ্লোবাল ভিলেজ) থেকে দূরে?

এ প্রশ্ন উত্তর দিচ্ছে এই স্পেসিফিক গ্রুপের উপর এরকম গবেষণা হয়নি। এমন পেপার রিসার্চ পেপার সার্চ টুলসগুলোতে যদি না পান ধরে নিবেন এ জনগোষ্ঠীর উপর গবেষকগণ এখনো ফোকাস করেননি যা পপুলেশন গ্যাপ হিসেবে চিহ্নিত।

Application gap:

যে নতুন তত্ত্ব বা ধারণার এখনো প্রায়োগিক প্রয়োগ হয়নি তাকে Application gap বলে।

ধরুন,প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পলিটিকাল কৌশল, ডমিনেন্সকে লিটারেরি টেক্সট এর কোনো চরিত্রের সাথে তুলনা যেমন শেখ হাসিনার সাথে ম্যাকবেথের রাজনৈতিক কৌশল, দমন পীড়নের তুলনা।

যাইহোক, লিটারেচার রিভিউ করে রিসার্চ গ্যাপ বের করা ক্লান্তিকর।তাই ডেফিনেশনগুলো ভালোভাবে বুঝলে ও প্রশ্নের মাধ্যমে আপনি সহজে রিসার্চ গ্যাপ বের করতে পারবেন।

উল্লেখ্য একটি পেপারের লিটারেচার রিভিউ সেকশন এ রিসার্চ গ্যাপ উল্লেখ থাকে সাধারণত।

কনক্লুশন সেকশনের recommendation for further research term মূলত রিসার্চ গ্যাপকে নির্দেশ করে।

বিবলিওগ্রাফি সেকশন খেয়াল করুন

তাছাড়া অতি সহজে রিসার্চ গ্যাপ বের করার টুলস যেমন ResearchRabbit, Citmaps, CiteSpace, Vosviewer ব্যবহার করে রিসার্চ গ্যাপ বের করতে পারবেন।

© দ্বীন সাঈদীন

08/10/2025

From Prof Kamru Hasan Mamun

সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতি বছরই এক ধরনের আগ্রহ দেখা যায়—এইবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার কে পেলেন? শুধু বিজ্ঞানীরাই নয়, বিজ্ঞানে আগ্রহী সাধারণ মানুষও জানতে চান, এবার কোন আবিষ্কার পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখছে।

২০২৫ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জন ক্লার্ক (John Clarke), মিশেল এইচ. দেভোরে (Michel H. Devoret) এবং জন এম. মার্টিনিস (John M. Martinis)। তারা পুরস্কার পেয়েছেন কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য—“macroscopic quantum mechanical tunnelling” এবং “energy quantisation in electric circuits”। অর্থাৎ, তারা দেখিয়েছেন কীভাবে কোয়ান্টামের রহস্যময় আচরণ, যা সাধারণত ক্ষুদ্র কণার জগতে ঘটে, তা বাস্তব, বড় পরিসরের জগতেও দেখা সম্ভব। এই আবিষ্কার শুধু বিজ্ঞানেই নয়, ভবিষ্যতের প্রযুক্তি—বিশেষ করে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে—নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

তাদের কাজকে বুঝতে হলে আগে টানেলিং কি বোঝা জরুরি। তাহলে আসুন আগে tunnelling কি সেটা সহজ ভাষায় একটু বোঝার চেষ্টা করি। কোয়ান্টাম মেকানিক্স এমন এক শাখা, যা খুব ছোট জগতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করে—যেখানে সব কিছু একেকটা কণার মাত্রায় ঘটে। এই ক্ষুদ্র জগৎ এতটাই ছোট যে সাধারণ মাইক্রোস্কোপ দিয়েও তা দেখা যায় না।

অন্যদিকে আমরা যে জগতে বাস করি, সেটাকে বিজ্ঞানীরা বলেন ম্যাক্রোস্কোপিক জগৎ—যেখানে অসংখ্য কণার সমষ্টিতে বড় জিনিস তৈরি হয় যেইগুলোকে আমরা হাতে ধরতে পারি। যেমন, একটি ফুটবল মিলিয়ন বিলিয়ন অণু দিয়ে গঠিত, কিন্তু সেখানে কোয়ান্টাম নিয়মে কিছু ঘটে না। আমরা জানি, বলটি যদি দেয়ালে ছুঁড়ে মারি, সেটা দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসবে। যতবার ছুঁড়ে মারব ততবার নিশ্চিতভাবে ফিরে আসবে এবং এটাই আমাদের পরিচিত বাস্তব নিয়ম। কিন্তু একক কণার জগতে ব্যাপারটা একেবারেই অন্যরকম। সেখানে কোনো কোনো সময় কণা এমন দেয়াল বা বাধা পেরিয়ে যেতে পারে, যা সাধারণ নিয়মে পেরোনো অসম্ভব মনে হয়। কণাটি যেন দেয়ালের ভেতর দিয়ে ‘টানেল’ তৈরি করে অপর পাশে চলে যায়। এই অদ্ভুত ঘটনাটিই কোয়ান্টাম জগতে টানেলিং (tunnelling) নামে পরিচিত। কিন্তু দেয়ালের উচ্চতা যদি অসীম হয় তখন আমরা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভাষায় দৃঢ় দেয়াল বলি যেটি কোন কোয়ান্টাম কণাও সসীম শক্তি নিয়ে পার হতে পারে না।

এইবার আসুন আরেকটু বিস্তারিত বোঝা বা জানার চেষ্টা করি। এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন জন ক্লার্ক, যিনি এখন ৮৩ বছর বয়সী। ১৯৮০-এর দশকে তিনি তরুণ গবেষক মিশেল দেভোরে ও জন মার্টিনিসকে সঙ্গে নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেতে একটি দল গঠন করেন। তাঁদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা আজ নোবেল পুরস্কারে স্বীকৃত হলো—একইসঙ্গে শিক্ষক-শিষ্যের যৌথ সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্তও তৈরি করল।

তারা তৈরি করেন একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট, যেখানে ব্যবহৃত হয়েছিল দুটি সুপারকন্ডাক্টর—এমন পদার্থ যা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। এই দুটি সুপারকন্ডাক্টরের মাঝখানে রাখা হয় এক পাতলা ইনসুলেটর, যা নিজে কোনো বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। এই ব্যবস্থা তৈরি করে এক ধরনের “Josephson Junction”, যা আজকের কোয়ান্টাম সার্কিটের মূল উপাদান।

এই পরীক্ষায় দেখা যায়, সুপারকন্ডাক্টরের ভেতরের সব চার্জযুক্ত কণাগুলো একসঙ্গে এমনভাবে আচরণ করে যেন তারা একটি একক কণায় রূপ নিয়েছে, যা পুরো সার্কিট জুড়ে ছড়িয়ে আছে। এই সিস্টেমে বিদ্যুৎ প্রবাহ চললেও কোনো ভোল্টেজ তৈরি হয় না—এ অবস্থাকে বলা হয় zero-voltage state। কিন্তু কখনো কখনো এই সিস্টেমটি হঠাৎ করেই কোয়ান্টাম টানেলিং-এর মাধ্যমে সেই অবস্থার বাইরে “লাফিয়ে” বেরিয়ে আসে, এবং তখনই সার্কিটে একেবারে হঠাৎ করে বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ সৃষ্টি হয়। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেন, এই সিস্টেমটি কোয়ান্টাইজড—অর্থাৎ এটি শক্তি শোষণ বা নির্গমন করতে পারে কেবল নির্দিষ্ট, বিচ্ছিন্ন পরিমাণে। ধারাবাহিকভাবে নয়। এটি ছিল কোয়ান্টাম তত্ত্বের এক সরাসরি পরীক্ষামূলক প্রমাণ, সেটিও দৃশ্যমান, বাস্তব পরিসরে মেক্রোস্কোপিক দুনিয়ায়!

তাদের এই গবেষণা আজকের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির অন্যতম ভিত্তি। গুগল, আইবিএম, ইন্টেলসহ বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যে সুপারকন্ডাক্টিং কিউবিট (superconducting qubit) নিয়ে কাজ করছে, তার মূলেই রয়েছে এই নোবেলপ্রাপ্ত তত্ত্ব ও পরীক্ষা।এছাড়া এই প্রযুক্তি থেকে তৈরি হয়েছে অত্যন্ত সংবেদনশীল সেন্সর, যা ক্ষুদ্রতম ভোল্টেজ, চৌম্বক ক্ষেত্র বা পরিবেশগত পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে। ভবিষ্যতে এই সেন্সর ব্যবহৃত হবে মেডিকেল ইমেজিং (যেমন MRI), ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায়। সবচেয়ে বড় কথা, এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম আচরণকে ব্যবহারযোগ্য বাস্তব প্রযুক্তিতে রূপ দিয়েছে। এর ফলে এখন কোয়ান্টাম এনক্রিপশন—অর্থাৎ সম্পূর্ণ নিরাপদ তথ্য প্রেরণ—বাস্তবে সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতের যোগাযোগব্যবস্থা তাই হতে চলেছে প্রায় “অভেদ্য”।

তাদের এই কাজ এক মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে—কোয়ান্টামের জগত কোথায় শেষ হয়, আর আমাদের সাধারণ (ক্লাসিকাল) জগত কোথা থেকে শুরু হয়? তাদের পরীক্ষাই প্রথমবারের মতো দেখিয়েছে, সেই সীমারেখা আসলে এতটা দূর নয়; আমাদের পরিচিত পৃথিবীর ভেতরেই কোয়ান্টামের রহস্যময় নিয়ম কাজ করছে। তবুও পথ এখনো সহজ নয়। কোয়ান্টাম সার্কিটকে স্থিতিশীল রাখা (অর্থাৎ decoherence ঠেকানো) এখনো কঠিন! এছাড়া এই প্রযুক্তিকে বড় স্কেলে কার্যকর করা, ত্রুটি কমানো, এবং অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রার বাইরে ব্যবহারযোগ্য করা এখনো গবেষণার বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও, বিজ্ঞানীরা থেমে নেই। মানুষ এখন এমন এক অভিযাত্রায় পা রেখেছে, যার গন্তব্য—মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার।

আজ কোয়ান্টামের রহস্য আর কেবল ল্যাবরেটরির ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়—এটি এখন আমাদের প্রযুক্তির হৃদস্পন্দনে বেঁচে আছে।

29/09/2025

From Tanvir Zoha:

প্রশিক্ষক হিসেবে বলতে গেলে পর্নোগ্রাফি ও ডার্কওয়েব সংশ্লিষ্ট মামলার প্রাথমিক ডিজিটাল-ফরেনসিক কাজগুলোকে আমি একটা পরিষ্কার ধাপে ভাগ করি: প্রথমে উৎস ও ডিভাইস সনাক্তকরণ (মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্লাউড, darkweb লিংক) ও নিরাপদ জব্দ—সবকিছু টাইজ চেইন-অব-কাস্টডি নোট করে নিতে হবে। তারপর বিট-টু-বিট ইমেজিং ও হ্যাশ ভেরিফিকেশন করে মূল ডেটা অপরিবর্তিত রাখুন (ইমেজ ফাইলের সাথে হার্ড কপি চেইন লগ সংযুক্ত করবেন)। প্রাথমিক বিশ্লেষণে কিওয়ার্ড সার্চ, টাইমস্ট্যাম্প ক্রস-চেক, ফাইল-কার্ভিং ও ডিলিটেড ডেটা রিকভারি করা হয়; darkweb তদন্তে টর লগ, ক্রিপ্টো ট্রানজেকশন, চ্যাট/প্রোফাইল ট্রেসিং অপরিহার্য। প্রতিটি ধাপ ডকুমেন্ট করুন—এগুলোই পরে আদালতে জমা দেবার জন্য চার্যশিটের কাঁচা অবকাঠামো। চার্যশিটে মামলার পটভূমি, অভিযুক্ত পরিচয়, সংগৃহীত ডিজিটাল প্রমাণের তালিকা ও সোর্স, ফরেনসিক বিশ্লেষণের ফলাফল, প্রাসঙ্গিক আইনি ধারাসমূহ ও তদন্তকারী কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে—এভাবেই প্রমাণের অখণ্ডতা ও আইনি গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত হয়।

প্র্যাকটিক্যাল টুলসটা একই ফ্লোতে ব্যবহার করবেন: ইমেজিং/ক্লোনিং জন্য FTK Imager, dd বা Guymager; হ্যাশ-চেকে md5sum/sha256sum; ডেক্সটপ-বেসড বিশ্লেষণে Autopsy+TSK, EnCase, AccessData FTK বা X-Ways; কার্ভিং/রিকভারি জন্য PhotoRec, Scalpel; মেমরি ফরেনসিকের জন্য Volatility, LiME; মোবাইল এক্সট্র্যাকশনে Cellebrite, Magnet AXIOM, Oxygen বা ADB/libimobiledevice; নেটওয়ার্ক/প্যাকেট বিশ্লেষণে Wireshark ও Zeek; OSINT/ডার্কওয়েব রিকন-এ Tor Browser, OnionScan, Maltego, SpiderFoot; ব্লকচেইন ট্রেসিং জন্য Chainalysis বা ব্লক-এক্সপ্লোরার; পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিংয়ে Hashcat/John; ম্যালওয়ার রিভার্সিংয়ে Ghidra, IDA Pro, Cuckoo Sandbox; টাইমলাইন জেনারেশনে Plaso/log2timeline; রিপোর্টিং ও চেইন-অব-কাস্টডির রেকর্ডে Forensic Notes বা केस-ম্যানেজমেন্ট টুল ব্যবহার করুন। অনুচ্ছেদ শেষে গুরুত্বপূর্ণ নোট: প্রতিটি টুলের আইনি গ্রহণযোগ্যতা ও লাইসেন্স যাচাই করবেন, টুলগুলো ল্যাব-এ টেস্ট করে ফলাফল ভেরিফাই করবেন, ও darkweb হলে সব কাজ আইসোলেটেড VM/নেটওয়ার্ক স্যান্ডবক্সে করুন—এই নিয়মগুলো মেনে চললেই তদন্তও শক্ত ও চার্যশিটও আদালতে টিকে থাকবে।

15/08/2025

From M Hassan:

লন্ডন থেকে কাছের সুন্দর কিছু ডে ট্রিপ স্পট – বাজেট ফ্রেন্ডলি গাইড:

লন্ডনে থেকে যদি একটু ফ্রেশ এয়ার নিতে চান, একদিনেই ঘুরে আসতে চান, আর খরচও কম রাখতে চান – তাহলে এই লিস্ট আপনার জন্য। যেগুলোতে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে আরামসে যাওয়া যায়, অফ-পিক টিকিটে খরচও কম হয়।

1. Brighton Beach & Pier
📍 London Victoria → 1 ঘন্টা ট্রেন
সমুদ্রের ধারে হাঁটা, পিয়ারে রাইড, রঙিন লেনের ক্যাফে – সব মিলিয়ে পারফেক্ট একদিনের ট্রিপ।
💰 খরচ: প্রায় £15-£20 (অফ-পিক রিটার্ন)।

2. Cambridge
📍 London Kings Cross → 1 ঘন্টা
পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্ম, নদীর ধারে পন্টিং, আর একেবারে সিনেমার মতো রাস্তা।
💰 খরচ: £20-£25।

3. Windsor
📍 London Paddington → 50 মিনিট
Windsor Castle, Thames নদীর ধারে ওয়াক, আর ছোট্ট শহরের শান্ত পরিবেশ।
💰 খরচ: £12-£18।

4. Seven Sisters Cliffs
📍 London Victoria → Seaford (ট্রেন + বাস মিলিয়ে 1 ঘন্টা 40 মিনিট)
সাদা চুনাপাথরের পাহাড়, অসাধারণ সমুদ্র ভিউ – নেচারের পিওর বিউটি।
💰 খরচ: £20-£25।

5. Oxford
📍 London Paddington → 1 ঘন্টা
ইউনিভার্সিটির ঐতিহাসিক বিল্ডিং, পুরনো লাইব্রেরি আর চার্চ – যেন সময়ের মধ্যে ফিরে যাওয়া।
💰 খরচ: £20-£25।

6. Hastings
📍 London Charing Cross → 1 ঘন্টা 30 মিনিট
সী-বিচ, ফিশিং ভিলেজ, আর পুরনো দুর্গ – ইতিহাস আর নেচারের মিশ্রণ।
💰 খরচ: £20-£22।

7. Rye
📍 London St Pancras → 1 ঘন্টা 15 মিনিট
ছোট্ট ছবির মতো সুন্দর গ্রাম, পাথুরে রাস্তা আর পুরনো চার্চ – ইনস্টাগ্রামের জন্য পারফেক্ট লোকেশন।
💰 খরচ: £18-£22।

📷 আপনার পছন্দের লোকেশন কোনটা? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!

02/07/2025

"ফোনালাপ ফাঁসের জেরে বরখাস্ত থাই প্রধানমন্ত্রী"

অন্যায় করলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিকেও যখন বিচারবিভাগ বা আইনবিভাগ এমন শাস্তি দিতে পারবে তখনই বুঝবেন সত্যিকারের ভারসাম্য ও স্বাধীনতা তৈরি হয়েছে।

জুলাই বি*প্লব বৃথা যেতে দেব না।।

20/05/2025
20/02/2025

Can I get a job by studying data analytics in the Europe ?

14/01/2025

সালাম নিবেন,
যাদের গ্র্যাজুয়েট ভিসা আগামী দেড় বা আড়াই বছরের মধ্যে শেষ হবে তাদের জন্য বিশাল সুযোগ যা আমাদের পক্ষ থেকে চ্যারিটি হিসেবে আসবে। ভিডিওটি দেখুন, নিজের কাজে না লাগলেও অন্যদের কাজে লাগতে পারে, তাদেরকে পাঠিয়ে দিন।
ধন্যবাদ 🙂

Address

Park Campus
Cheltenham
GL502RH

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CP Aminul Islam Rana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CP Aminul Islam Rana:

Share