29/03/2023
◆বেনামাজিদের নামাজ আদায় না করার কিছু বাহানা বা অজুহাত:
১) সময় হলে নামাজ পড়বো।
২) প্রচন্ড কাজের চাপ, সময় পাইনা।
৩) আজকে গোসল করি নাই ।
৪) কাপড় সব সময় নোংরা থাকে।
৫) তুমি যাও, আমি পরে যাবো।
৬) নামাজ তো পড়তেই হবে ঠিক কইছেন।
৭) প্রসাব করে পানি নেই নাই, লুঙ্গি অপরিষ্কার।
৮) নিয়ত আছে, অতি তাড়াতাড়ি নামাজ ধরবো।
৯) আগামী শুক্রবার থেকে নামাজ ধরবো।
১০) নামাজ না পড়লে কি হবে, নামাজিদের চেয়ে ঈমান ঠিক আছে।
১১) কত নামাজীকে দেখলাম, নামাজ পড়িও যা, না পড়ি ও তা।
১২) নিজের চরকায় তেল দাও, অন্যকে হেদায়েত দেওয়ার প্রয়োজন নাই।
১৩) আমার জবাব আমাকে দিতে হবে। তোমাকে ভাবতে হবে না।
১৪) নামাজ না পড়িয়া অন্যদের চেয়ে ভালো আছি।
১৫) শুক্রবারে নামাজ পড়ি।
১৬) ঠিক বলেছেন ভাই,নামাজ শুরু করতে হবে।
১৭) সামনে একটা সমস্যা আছে, ওইটা থেকে কাটিয়ে উঠতে পারলে, নামাজ শুরু করব।
১৮) কত নামাজীকে দেখলাম!
১৯) নামাজ পড়ে কি হবে।
২০) আল্লাহ যখন হেদায়েত দিবে, তখন নামাজ শুরু করব।
২১) সামনে পরিক্ষা আছে, পরিক্ষার পর ধরবো।
২২) সারাদিন ভারি কাজ করতে হয়, গা পিঠ ব্যাথা করে খুব, তাই হয় না।
২৩) আমার সুরা মুখস্থ নেই, ওই জন্য ধরতে পারি না। সুরা মুখস্থ করেই ধরবো।
২৪) দেখি, কয়েকদিনের মধ্যেই নামাজ ধরবো।
২৫) জানিস, দুদিন থেকে সময় পাচ্ছি না।,খুব ব্যস্ত।
২৬) আমাকে কিছু সুরা লিখে দিস, ওগুলো পড়বো, দিয়ে তাড়াতাড়ি শুরু করবো( সুরা লিখে দিলেও আর পাত্তা পাওয়া যাই না)।
২৭) কয়েকদিন ধরে বাড়িতে খুব প্রব্লেম, তাই হয় না
২৮) আমার চেষ্টা করলে ফজর আর এশা হবে,কিন্তু জোহরের আসরের মাগরিবের সময় হবে না। ওই জন্য নামাজ ধরতে পারছি না। দেখি ধরে নেব।
২৯) দেখি মেয়ের/ ছেলের বিয়ে দিয়েই একেবারে নামাজ ধরে নেব, আর ছাড়বো না।
৩০) বাড়িটা করে নিই, আমার চাকরিটা হয়ে যাক দিয়েই নামাজ ধরবো।
৩১) আরে ভাই এমন জায়গাই কাজ করি শুধু ধুলো বালি কাদা, জামা ঠিক থাকে না।
৩২) আমার মন পরিস্কার, সত্য কথা বলি, কারোর অন্যায় করিনা। আমার ঈমান ঠিকই আছে।
৩৩) সময় হলে ঠিক ধরে নেব। এখন বয়স হয়নি।
৩৪) কিছু টাকা ঋণ আছে, শোধ করেই ধরবো।
৩৫) নামাজ ধরেছিলাম, পড়তাম। সব জানি নামাজের নিয়ম। এখন সময় পাই না। তাই নামাজ পড়া হয় না।
৩৬) ভোরে ঘুম ভাঙে না।
৩৭) অ্যালার্ম দিই। দিয়ে অফ করে আবার ঘুমিয়ে যায়। দিয়ে উঠা হয় না।
৩৮) এবার নামাজ ধরবোই। গ্যারান্টি। আমার সামনের আশাটা পূরণ হয়ে যাক।
৩৯) নামাজ বাদ দিয়ে অন্য কথা বল।
৪০) রোজার সময় পড়ি।
৪১) মসজিদ অনেক দূরে তাই।
৪২) নামাজের সময় হলে অন্য কাজের ব্যস্ততা দেখায়। অথচ নামাজের সময় অন্য কাজ করা হারাম।
৪৩) নামাজের আজান হলে চুপচাপ অন্য দিকে চলে যাওয়া।
৪৪) নামাজ পড়তে বললে রেগে যায়।
৪৫) শীতে অজু করা কষ্টকর। গরম এলে নামাজ পড়ব।
◆এমন হাজারো মানুষ কবরে শুয়ে আছে যাদের অনেকেই বলেছিল কাল থেকে নামাজ পড়ব।
◆মনে রেখো মৃত্যুর বয়স হয় না। মৃত্যুর সময় হয় না। যখন তখন ডাক আসতে পারে। পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষের কাছে ২৪ ঘন্টায় একদিন হয়। তাতে কেউ নামাজ আদায় করেও বিভিন্ন কাজ করে, কেউ বাহানা দেখায়। আপনার অ্যাকাউন্টে কি নামাজ রেডি আছে? আপনাকেই একা কবরে, হাশরে উত্তর দিতে হবে। তাই কাল নয়, আজ থেকে নামাজ ধরুন। ইনশাআল্লাহ।
◆এখন মনে হচ্ছে আপনার সাথে সব পয়েন্ট মিলে গেছে, এখন আপনি কি করবেন?
কাল থেকে নয়, আজ থেকেই নামাজ আদায় করুন।কারন, কালকের দিনটা আপনার জীবনে নাও আসতে পারে। যাই হোক আল্লাহর পথে ফিরে আসুন এবং নিজে বাঁচুন।
আল্লাহ আমাদের নিয়মিত জামায়াতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার তৌফিক দিন। আমিন।