09/09/2026
মনে করেছিলাম এই ধরনের ঘটনা থেমে যাবে, কারণ গত দুই মাসে বেশ কিছু চাইনিজ প্রতারকদের প্রতারণার খবর প্রচারিত হয়েছে ভাইরাল হয়েছে, মেইনষ্ট্রিমে নিউজও হয়েছে।
কিন্তু না, থামে নাই। এইটা নতুন কেস।
নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের ঘটনা।
মেয়ের ভাষ্যমতে তিন মাস আগে তাদের উইচ্যাটে পরিচয়।
এই ৩ মাসেই নাকি তাদের মধ্যে প্রেম হয়ে গেছে এবং উভয়ে বিয়ে করার জন্য সম্মত হয়েছে।
মেয়ে আরো বললো, ছেলে আমার মায়ের সাথে কথা বলেছে, আমার মাও রাজি, তারপর চাইনিজ ছেলে ঢাকায় এসেছে। মেয়েরা পারিবারিক ভাবে এয়ারপোর্টে যেয়ে ছেলেকে রিসিভ করে বাড়িতে নিয়ে গেছে।
এখন বিয়ের আয়োজন চলছে...
মেয়ের মা’য়ের ও একটা সাক্ষাত্কার দেখলাম, তিনি বলছেন, ফেসবুকে চাইনিজদের এমন অনেক প্রতারণার কথা দেখেছি, শুনেছি, তাই একটু চিন্তায় ছিলাম, কিন্তু এই ছেলের সাথে কথা বলে ভালো মনে হয়েছে, তাই মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হয়েছি, তাই সে দেশে এসেছে।
মেয়ের-মা ও পরিপূর্ণ হিজাব এ নিকাব পরা।
এই ঘটনায় অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়-
১. মেয়ে উইচ্যাটে গেল কেন?
উইচ্যাট তো সাধারণত বাংলাদেশে ব্যবহার হয় না, এটা ব্যবহার করা বেশ কঠিন, শুধুমাত্র চাইনিজরা এটা ব্যবহার করে। তাহলে কি দেশের নারীদের একটা অংশের কাছে এরকম চাইনিজ ছেলের সাথে প্রেম করে বিয়ে করার মেন্টালিটি গড়ে উঠেছে? যার কারণেই তারা উইচ্যাট আ্যপ ব্যবাহার করছে? এটা নিয়ে সরকারকে কাজ করা উচিত।
২. ছেলে ইংরেজি পারে না, মেয়েরা চাইনিজ পারে না।
তাহলে মাত্র তিন মাসে এই মেয়ের প্রেম হলো কি করে? এত বিশ্বস্ততা এলো কি করে?
মেয়ের মা ও বাবাও গুগল অনুবাদ দিয়ে এর উপরে এত বড় আস্থা আনল কী করে?
উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছরে অসংখ্য বাংলাদেশি মেয়ে ধ*র্ম বিসর্জন দিয়ে
এভাবে চাইনিজদের বিয়ে করে প্রতারিত হয়েছে, অনেক বাংলাদেশি মেয়েকে চিনে নিয়ে যেয়ে বিভিন্ন নিষিদ্ধ কাজে যুক্ত করার প্রমাণ রয়েছে।
চিনে নিয়ে গিয়ে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনা অসংখ্য রয়েছে। এসব নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখির পাশাপাশি মেইনস্ট্রিমের মিডিয়ায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে, তারপরেও এসব থামছে না।
অল্প কিছু ঘটনা মিডিয়ার সামনে আসে অধিকাংশ ঘটনা আড়ালেই ঘটে যায়।