Hanif Chowdhury

Hanif Chowdhury Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hanif Chowdhury, Photography Videography, 18 Daffodil Place, Brampton, ON.

ভূরাজনীতি ও বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ_______________________________    ​তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব এই তিন রাষ...
08/25/2026

ভূরাজনীতি ও বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ
_______________________________
​তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব এই তিন রাষ্ট্র মিলে *মক্কা ফ্যাক্ট * ভূরাজনৈতিতে মুসলিম রাষ্ট্রগুলির ঐক্য বা আঞ্চলিক জোটের সমীকরণ ভারতের নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার ছোট রাষ্ট্রগুলোর ওপর ভারতের আধিপত্য নীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের মানুষ এই আধিপত্যবাদের নির্মমতা হাড়ে হাড় টের পেয়েছে। দেশের ৯৫ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর মাত্র ৫ শতাংশ সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রভাব সচিবালয় থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত l এই অনিআর্য ব্যবস্থা বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল সেসময়ের ভারত পালিত ক্ষমতাসীন সরকার. আওয়ামী লীগ।

অঝর রক্ত জরিয়ে ​রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমান সরকার এবং দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলোর অবস্থান ভারত বিরোধী অবস্থানে আজ সুদৃঢ় l. এরই ভিতর নতুন আশার সঞ্চার করেছে মক্কা ফ্যাক্ট। ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ভারতের জন্য কৌশলগত ভাবে আতঙ্ক। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারতের আধিপত্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়াটা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই জরুরি। তাই *মক্কা * চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি হবে স্মার্ট বুদ্ধিমত্তার পরিচয় l

​ তবে এই পথযাত্রার পথে চ্যালেঞ্জও কম নয়। সরকারের ভেতর এবং দেশের কিছু প্রভাবশালী গণমাধ্যমে এখনো ভারতের স্বার্থ রক্ষার প্রবণতা হতে বাহির হয়ে আসতে পারেনি। টিআইবিসহ বিভিন্ন সুশীল সমাজের ভূমিকাও মাঝেমধ্যে জনমনে সংশয়ের তৈরি করে চলেছে। তাই এই কঠিন ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে হলে সরকারকে আরও সতর্ক ও দৃঢ় হতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং বিশেষ করে ঘরের ভেতরের সুবিধাবাদী চক্রের ব্যাপারে কঠোর ও স্বচ্ছ অবস্থান নেওয়া এখন সময়ের পরিকল্পনা হওয়া উচিত।

​ এখনো পর্যন্ত শক্ত অবস্থানে আছে, বর্তমান সরকার l বিশেষ করে তারেক জিয়া l যে এখনো দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দিতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী l দেশ প্রেমিক সাধারণের একটি আওয়াজ হোক ভারত মুক্ত একটি বাংলাদেশ l *ধন্যবাদ**

08/12/2026

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন এর কিছু বিচ্যুতি
_______________________________
​সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত মহৎ এবং দায়িত্বশীল পেশা। জনগণের অধিকার রক্ষা, রাষ্ট্রের অনিয়ম তুলে ধরা এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই এই পেশার মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আজ এই মহৎ পেশার আড়ালে অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল, ভণ্ডামি, বাটপারি এবং একশ্রেণির ক্ষমতার দালালি করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। সাধারণ মানুষের কাছে প্রকৃত সত্য এবং নৈতিক দায়িত্ব পৌঁছে দেওয়ার পরিবর্তে হলুদ সাংবাদিকতা ও ক্ষমতার তোষণ আজ বহুলাংশে গ্রাস করেছে সংবাদমাধ্যমকে।

​অবশ্য এই অন্ধকারের মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রমী মুখ অতীতে আলো ছড়িয়েছেন। আমরা দেখেছি এমন কিছু সাংবাদিককে, যারা সব ধরনের লোভ-লালসা ও ভয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব এবং দেশের প্রতি চরম দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনসহ এমন আরো অনেক সাহসী সাংবাদিক অতীতে স্বৈরাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে আপসহীন ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা সাধারণ মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছিল। দেশের প্রতি তাদের সেই অনুরাগ ও সাহসিকতা প্রশংসার দাবিদার।

​কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ইদানিংকার কিছু কার্যক্রমে, সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মাত্রাতিরিক্ত ও একপেশে অবস্থান নিয়েছেন। ড. ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্র মেরামতের কাজে নিয়োজিত একজন ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে অবিরাম বিষোদগার এবং তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা স্বাভাবিক আচরণ নয়।

​একজন সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকের কাজ হলো বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা করা, গঠনমূলক মতামত তুলে ধরা এবং ষড়যন্ত্রের ঊর্ধ্বে থেকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট ও অন্ধ বিরোধিতার বশবর্তী হয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ বা মনগড়া প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হওয়া একজন সত্যের পূজারী সাংবাদিকের চরিত্রের সাথে একেবারেই বেমানান। যখন একজন সাহসী সাংবাদিক ন্যায় ও সত্যের পথ থেকে সরে গিয়ে কেবল পক্ষপাতদুষ্ট সমালোচনায় মেতে ওঠেন, তখন তা জনগণের কাছে তার আস্তা এর সংকট সৃষ্টি করে। সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন এর মতো সাহসী এবং প্রতিভাবান মানুষের কাছে এই ধরনের আচরণ জনগণ আশা করে না l *ধন্যবাদ*

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নৈতিক সংকট________________________​ইসলাম ধর্ম বা যেকোনো নৈতিক দর্শন সবসময় সততা, ইনসাফ ও মানবতার শিক...
08/09/2026

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নৈতিক সংকট________________________
​ইসলাম ধর্ম বা যেকোনো নৈতিক দর্শন সবসময় সততা, ইনসাফ ও মানবতার শিক্ষা দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নতের মূল ভিত্তি ছিল উত্তম চরিত্র, সততা এবং মানুষের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরণ। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ এই গুলোর মধ্যে একটিও নেই অধিকাংশ মানুষের মধ্যে, আছে শুধু মসজিদের মতো পবিত্র ঘরে আসা-যাওয়া সুন্নতের নামে দাড়ি- টুপির আস্তরণ l যাহা বাহ্যিক রূপকে আড়াল কিংবা অপরাধ ঢাকার ঢাল । ব্যবসায় ভেজাল দেওয়া, বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা নষ্ট করার মতো ঘটনাগুলো যখন দাড়ি-টুপিধারী ব্যক্তিদের দ্বারা ঘটে, তখন সেটা মানবতা এবং ধর্মের প্রতি লাল বাতি l

​ যারা প্রকৃত অর্থে ধর্মকে ভালোবাসেন এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন, তাদের জন্যও এটি হয়ে উঠে অত্যন্ত বিব্রতকর এবং লজ্জাজনক l শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা হেফজখানাগুলোতে শিশুদের ওপর নির্যাতন বা অমানবিক আচরণ গুলি মানুষের মনে ধর্মের প্রতি এক ধরণের অনাস্থা কিংবা বিশ্বাস এর প্রতি আঘাত করে।

অপরাধ যেই করে, রাষ্ট্র তার শাস্তি নিশ্চিত করে তাহা আমরা জানি l ​ তবে, যারা ধর্মের লেবাস বা পবিত্র প্রতীকগুলোকে ব্যবহার করে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তাদের অপরাধের মাত্রা সাধারণ অপরাধের তুলনায় সমাজ ও ধর্মের বৃহত্তর ক্ষতির কথা বিবেচনা করে আরও বেশি কঠোর এবং দ্বিগুণ করা উচিত । এবং ইসলামী দল গুলোর নিজেদের ভিতরে যথেষ্ট ভন্ডামি আমরা চোখে দেখি তাদের উচিত নিজেদের ভিতর সংশোধিত হওয়া উচিত l* ধন্যবাদ*

বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও বাস্তবতা। __________________________ দেখে অবাক লাগে ছাত্রদল এবং যুবদলের রাজপথে শক্তি প্রদর্শন...
08/04/2026

বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও বাস্তবতা। __________________________ দেখে অবাক লাগে ছাত্রদল এবং যুবদলের রাজপথে শক্তি প্রদর্শন বা ক্ষমতার দাপট দেখানোর পুরনো ও গতানুগতিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি l
​বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক নিপীড়ন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে এই সংগঠনগুলোর কিছু নেতার কর্মকাণ্ডে উস্কানিমূলক আচরণ ও পেশিশক্তির বহিঃপ্রকাশ লক্ষণীয় , যা পুরো দলের অর্জনকে ম্লান করে দিতে চলেছে। বাহির থেকে আগত কিছু নিম্ন শ্রেণীর. নিম্ন সারির নেতার অপরিপক্ব ও বেপরোয়া কথাবার্তা বক্তৃতা এবং কার্যক্রম বিএনপির মতো একটি বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলকে ভেতর থেকে দুর্বল করে তুলছে। নির্বাচন হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে পরিকল্পিতভাবে ক্ষমতার দাপটে লাঠিয়ালের রাজনীতি দিয়ে সাময়িক প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব হলেও তা দিয়ে জনগণের দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসা বা আস্থার জায়গা অর্জন করা অসম্ভব।​আগামীদিনের বাংলাদেশ গঠনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল শীর্ষ দুই এক জন দায়িত্বশীল নেতার সদিচ্ছা দিয়েই দলীয় সংস্কৃতির পতন রোধ করা যাবে না। আজকের প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ লাঠিয়াল বাহিনী বা ক্ষমতার দাপট দেখতে চায় না; তারা দেখতে চায় সৃষ্টিশীল মেধা, মননশীল নেতৃত্ব এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালার রাজনীতি। দুঃখজনক হলেও সত্য, বিএনপি এখনো সেই কাঙ্ক্ষিত মেধাভিত্তিক ও আধুনিক রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি।

​ এই পরিস্থিতিতে বিএনপির সহজ ও জনসমর্থিত পথে হাঁটার মূল শর্ত হলো জনগণের মৌলিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করা। বিশেষ করে: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গেজেটভুক্ত জুলাই সনদ এবং এর রূপরেখা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণভোটের রায়কে নিঃশর্তভাবে মেনে নেওয়া।

​ এই ঐতিহাসিক ও জনমুখী পথ থেকে সরে এসে যদি বিএনপি পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বা আধিপত্যের মডেলেই আটকে থাকে, তবে তাদের পরিণতি অত্যন্ত শোচনীয় হতে পারে। এমন একটি সময় আসতে পারে, যখন রাজনৈতিক সংকটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা জনসমক্ষে বিএনপির পক্ষে কথা বলার মতো একজন সৎ ও সচেতন নাগরিকও খুঁজে পাওয়া যাবে না l
পেশিশক্তির রাজনীতি নয়। মেধা, সততা, সৃজনশীলতা হোক বিএনপি'র টিকে থাকার আধুনিক রাজনৈতিক শক্তি l সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই আত্মসমালোচনা ও কাঠামোগত সংস্কার করে বিএনপির টিকে থাকুক উন্নত বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণ হয়ে। "ধন্যবাদ"

হবিগঞ্জ এবং                         জাতীয় নাগরিক পার্টি.  ________________________         (এনসিপি)—আজ দেশের প্রথাগত বড...
07/30/2026

হবিগঞ্জ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি. ________________________ (এনসিপি)—আজ দেশের প্রথাগত বড় দলগুলোর কূটিল সমীকরণে ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যন্ত আজ তাদের কার্যকারিতা ও উত্থান নিয়ে এক ধরনের নীরব আতঙ্কে । বড় রাজনৈতিক দলগুলোর এই অস্বস্তি এনসিপির জন্য নিছক একটি তাৎক্ষণিক প্রাপ্তি নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন আশার সঞ্চার।

অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো রক্তহীন হয় না। এনসিপির উত্থানের পেছনেও রয়েছে তরুণ প্রজন্মের রক্ত, ঘাম আর অদম্য সাহসিকতার ইতিহাস। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান এক বিশাল ইতিহাস l তাদের সেই আত্মত্যাগই আজ দলটিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। হবিগঞ্জে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজ্জিস আলমের উপর রক্তক্ষয়ী হামলা তাদের রাজনৈতিক উন্নয়নকে স্মরণ করে দেয় l

​রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা অলৌকিক উপায়ে অর্জিত হয় না; এর অপর নাম রক্ত এবং আত্মত্যাগ।

​ ইতিহাস এবং রক্তবিহীন রাজনীতি ক্ষণস্থায়ী। আওয়ামী লীগ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কারণ তাদের ভান্ডারে রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস l

​ যেসব দল বা শক্তির জন্ম কোনো আদর্শিক সংগ্রাম বা রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ছাড়াই হয়েছে। যাদের ঝুলিতে একাত্তরের মহান আত্মত্যাগ কিংবা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মতো জনপদের মুক্তির কোনো গৌরবোজ্জ্বল ট্রফি লাগাতে ব্যর্থ বরং নীতিহীন নেতৃত্ব এবং আদর্শহীন রাজনৈতিক চর্চা'' ভবিষ্যৎ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে নির্মম খাট গড়া।

​রাজনীতি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, এটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের পবিত্র আমানত। এনসিপি নামক নবীন রাজনৈতিক শক্তিটি আজ যে চ্যালেঞ্জিং পথ বেছে নিয়েছে, তা যেমন গৌরবের, তেমনি চরম দায়িত্বশীলতার। তা কেবল একটি দলের বিজয় নিশ্চিত করবে না, বরং সমগ্র বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে। "ধন্যবাদ"

07/25/2026

রাষ্ট্রের বিচারহীনতা,
___________________________
​একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন । কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য' বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে রাষ্ট্রীয় বিচারব্যবস্থা প্রায়শই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ l

​তাত্ত্বিকভাবে অপরাধের বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের কাজ। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কিছু ঐতিহাসিক ও চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার সম্পন্ন হতে দেখা গেছে। যেমন—১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কিংবা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার।

​তবে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার, হত্যা, নির্যাতন কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হওয়া প্রান্তিক নাগরিকদের বেলায় রাষ্ট্রের ভূমিকা প্রায়শই ছিল ভিন্ন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বিচার প্রক্রিয়া কিংবা আইনের প্রয়োগ সব নাগরিকের জন্য সমান ছিল না; বরং শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সদিচ্ছা বা দলীয় স্বার্থই আইন প্রয়োগের গতিপথ নির্ধারণ করা হতো।

​বর্তমান ​পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও এই প্রবণতা পূর্বের মত স্থিত, খুব একটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষনীয় নয়। আমরা দেখি বর্তমান সরকারের ওপর অতীতে হওয়া অবিচার বা হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো সদিচ্ছা ।

​কিন্তু প্রশ্ন —রাষ্ট্র যখন নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী বা প্রভাবশালী পরিবারের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ দেখায়, তখন দেশের আপামর জনসাধারণের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নটি ও সামনে আনা উচিত l

​২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত এবং ২০,০০০-এর অধিক মানুষ আহত কিংবা পঙ্গুত্ববরণ করেছিল । এই বিশাল মানবিক বিপর্যয়ের শিকার পরিবারগুলো আজও তাদের স্বজন হারানোর ন্যায়বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। অথচ বিচার প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান অগ্রগতি ও গতিশীলতা জনমনে গভীর হতাশা ও সংশয় তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ যখন দেখে রাষ্ট্রের মূল স্তম্ভগুলো—বিশেষ করে আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগ—এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সুনিশ্চিত করতে কাঙ্ক্ষিত তৎপরতা দেখাচ্ছে না, তখন তা স্বাভাবিক রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

​রাষ্ট্রের বিচারহীনতা ও দুর্বল ভূমিকার সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে মব জাস্টিস বা দলবদ্ধভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।

​বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই দেখা যায়, কোনো অপরাধী বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে প্রশাসনের হাতে সোপর্দ না করে জনতা নিজেরাই পশুর মতো নির্যাতন করছে পথে-ঘাটে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। একটি সভ্য ও স্বাধীন রাষ্ট্রে এ ধরনের আইনবহির্ভূত হিংস্রতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

​যখন আইন এবং বিচার বিভাগ তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে ধীরগতি এবং প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ , তখন সাধারণ মানুষ হয় হতাশ। যা তৈরি করে আইন হীন এক জঙ্গলের রাষ্ট্র। বাংলাদেশ এখন সেই রাষ্ট্রের কিনারায় l *ধন্যবাদ*

07/23/2026
ফুটবলের ময়দান ও রাজনীতির দর্পণ___________________________  ​ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি অনেক সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ...
07/10/2026

ফুটবলের ময়দান ও রাজনীতির দর্পণ
___________________________
​ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি অনেক সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভূ-রাজনীতির একটি অদৃশ্য দর্পণ । ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে মিশর বনাম আর্জেন্টিনার ম্যাচে রেফারিং এবং খেলার মাঠে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আমাদের মত ফুটবলপ্রেমীদের মনে গভীর ক্ষোভ ও প্রশ্নের জন্ম দেয়। খেলার মাঠে মিশরের প্রতি প্রদর্শিত কঠোর মনোভাব কেবল প্রযুক্তিগত বা নিয়মতান্ত্রিক ত্রুটির প্রতিফলন নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে আছে ভু রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

​খেলার মাঠে মিশরের খেলোয়াড়দের অহেতুক কার্ড তাদের পাওনা একটি গোল বাতিল করা এবং প্রতিপক্ষের একটি পরিষ্কার অফ সাইট গোল সংযুক্ত করে চাপের মুখে ফেলা, একটি পরিকল্পিত বৈষম্য । কিন্তু এই পরিস্থিতির ভিন্ন একটি দিকও আছে, যা নিয়ে মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক আলোচনার প্রয়োজন । মিশরের কূটনৈতিক ইতিহাস এবং ইসরায়েলের সাথে তাদের প্রথম স্বীকৃতি প্রদানের ঘটনাটি মুসলিম বিশ্বের একটি বড় অংশের কাছে আজও ক্ষত হিসেবে বিবেচিত । ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিশরের দুর্বল অবস্থান ও ইসরায়েলের সাথে তাদের দীর্ঘকালীন সম্পর্কই মুসলিম বিশ্ব তথা মুসলমান জাতির লজ্জা ।

​ফুটবল মাঠের এই ঘটনাকে তাই একটি প্রতীকী শিক্ষা l ইতিহাসের পাতায় যারা আপসকামিতার পথ বেছে নেয়, তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে অর্ধচন্দ্র পাওয়ার যোগ্য। মিশরের এই পরিণতি যেন সেই বাস্তবতা। যখন কোনো জাতি বা দেশ নিজের শক্তির ওপর নির্ভর না করে অন্যের দয়ার ওপর বাঁচতে চাই, তখন ক্রীড়াক্ষেত্রের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও তারা উপেক্ষিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

​এ থেকে উত্তরণের পথ আত্মমর্যাদা ও শক্তিমত্তা। ইরানসহ বেশ কিছু দেশ যেভাবে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের নীতি ও শক্তিমত্তাকে জাহির করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, তা থেকে অনেক দেশেরই শেখার প্রয়োজন। অন্যের মুখাপেক্ষী নয়, নিজস্ব সামর্থ্যের ওপর দাঁড়িয়ে বিশ্বকে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়ে মর্যাদা আদায় করে নিতে হয় । পরিশেষে আমাদের মত সাধারনের এত জটিলতায় যাওয়া দরকার নেই l এনজয় বিশ্বকাপ ফুটবল l *ধন্যবাদ*

07/07/2026

শিল্পীর আঙিনায় রাজনীতির নোংরা খেলা
___________________________

​সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কিছু ব্যক্তিত্বের আচরণ, বিশেষ করে নাট্যকার শাওনের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের এবং তাদের আঁকা গ্রাফিতিগুলোকে ‘সিডিআই’ (CDI) বা শিশুসুলভ আচরণের সঙ্গে তুলনা করার বিষয়টি কেবল অসংবেদনশীলই নয়, বরং চরম ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন , শিল্পের চর্চা কি তবে এখন দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগকে উপহাস করা ?

​শাওনের এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে আমরা মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের এমন আচরণ প্রত্যক্ষ করেছি, যেখানে তারা নিজেদের পেশাদারিত্ব ভুলে রাজনীতির দালালিতে নেমেছেন। অথচ উচিত নিজ নিজ অবস্থানে পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। রাজনীতির মাঠ আর শিল্পীর মঞ্চ এক নয়। কারো যদি রাজনীতি করার শখ থাকে, তবে তা কোমর বেঁধে সরাসরি রাজপথে করা উচিত। পর্দার আড়ালে থেকে উসকানি দিয়ে নিজের আখের গোছানোর যে সংস্কৃতি আমাদের মিডিয়া পাড়ায় গড়ে উঠেছে, তা চরম দুর্ভাগ্যজনক।

​সবচেয়ে হতাশাজনক , এ ধরনের কোনো উসকানি যখন জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে, তখন এক শ্রেণির তথাকথিত ‘সুশীল’ সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা তৎপর হয়ে ওঠেন। তারা নারীবাদ বা প্রগতিশীলতার মোড়কে একপেশে বয়ান তৈরি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেন। এই সুশীলদের কাছে বিগত ১৭ বছরে ঘটে যাওয়া দুঃশাসন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ইতিহাসের বিকৃতির সময় চোখ ছিল না।

​রাজনীতিকে রাজনীতির জায়গায় রেখে যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ পেশা এবং বিবেকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন, তবে দেশটা অনেক আগেই সুন্দর ও স্থিতিশীল হত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলছে। তারা উসকানি দেয়, মাঠ গরম করে এবং পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হয়, তখন পেছন থেকে বাক স্বাধীনতার বয়ান দিয়ে নিজেদের ইমেজ রক্ষার চেষ্টা চালায়।

​এই দ্বিচারী আচরণ সমাজকে ভেতর থেকে জীর্ণ করে ফেলছে। শিল্পীরা সমাজের বিবেক হওয়ার কথা, অথচ এখন তারাই উসকানিদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ । জাতি আজ ক্লান্ত ।

তাই, প্রত্যেকের জায়গা থেকে প্রত্যেকের প্রতি সম্মান দেখানোটা কেবল সৌজন্যবোধ নয়, বরং নাগরিক দায়বদ্ধতা। শিল্পী, সাংবাদিক কিংবা বুদ্ধিজীবী—সবারই উচিত বিবেকের সততা দিয়ে কাজ করা । পেশাদারিত্বের সততা বজায় না রাখলে শিল্প আর শিল্পের জায়গায় থাকে না। জাতি আজ একটি সুস্থ, সুন্দর ও বিভাজনহীন সমাজ প্রত্যাশা করে। সেই প্রত্যাশা পূরণে উসকানি ও দ্বিচারিতার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত। "ধন্যবাদ"

রাজনীতির পেশিশক্তি ________________________​বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতা উল্টালে এক ভয়াবহ চিত্র l  রাজপথে অস্ত্র কি...
07/04/2026

রাজনীতির পেশিশক্তি
________________________
​বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতা উল্টালে এক ভয়াবহ চিত্র l রাজপথে অস্ত্র কিংবা, চাপাতির মহড়া এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এক নোংরা সংস্কৃতি। নিচের চিত্রটি আওয়ামী লীগ শাসন আমলের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থাকা অপরাধীদের দৌরাত্ম্য , এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং আমাদের রাজনৈতিক কাঠামোর একটি স্থায়ী ব্যাধি।

​প্রশ্ন জাগে, এই ‘নোংরা কিটগুলো’ আসলে কারা এবং কেন তারা বারবার জন্মায়? উত্তরটি সহজ অথচ নির্মম l এরা কোনো স্বয়ংক্রিয় প্রজাতি নয়, বরং এরা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ফসল। যখন কোনো রাজনৈতিক দল প্রতিপক্ষকে দমন করতে বা রাজপথে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিকল্প হিসেবে পেশিশক্তিকে ব্যবহার করে, তখন থেকেই এই ধরনের গোবরের কিটগুলির জন্ম ।

​এই কিট চক্রটি শুধু একটি দলের নয়, বরং ক্ষমতার বলয় পরিবর্তনের সাথে সাথে রঙ বদলে বেঁচে থাকে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকের নিরাপত্তার চেয়ে দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন চাপাতি কিট গুলো হয়ে ওঠে রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার। তখন পুলিশ বা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তাদের নীরবতা হয়ে উঠে তাদের প্রত্যক্ষ পাহারাদার l এই আচরণ গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন নিরপেক্ষ হওয়ার কথা, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে,দলীয় আনুগত্যের কাছে নিজেদের বিবেক ও নৈতিকতাকে বিসর্জন দেয়।পরবর্তীতে রাষ্ট্রযন্ত্রের নীতিনির্ধারকরাই অপরাধীদের ‘বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন বা তাদের দায়মুক্তি দেন ।

​গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন বা ভোটের অধিকার নয়; গণতন্ত্র মানে হলো ভয়হীন সমাজ এবং আইনের শাসন।
ব্যতীত মনে, তাই বারবার প্রশ্ন জাগে, কখন হবে রাজনীতিবিদদের বাটপারি রাজনীতির কবল থেকে এই বাংলার মুক্তি l "ধন্যবাদ"

Address

18 Daffodil Place
Brampton, ON
L6Y3B8

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hanif Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share