13/01/2025
১৪-০১-২০২৫.
সালাত কায়েম করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তা'আলা কোরআন শরীফে প্রথমেই সূরা বাকারায় তিন নম্বর আয়াতে বলেছেন " আল্লাযীনা ইউ'মিনুনা বিল্ গাইবি, ওয়া ইউক্কীমূনাছ সালা-তা ওয়া মিম্মা-রাজাক্না-হুম ইউন্ফিকুন" অর্থাৎ- যারা অদৃশ্যের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সালাত কায়েম করে ও আমি যে রিজিক দিয়েছি তাথেকে ব্যয় করে। এরূপ অনেক আয়াতে তিনি যাকাতের পাশাপাশি সালাত কায়েম করার জন্য বলেছেন। নামাজ একাকি পড়লে চলবেনা। পরিবার, সমাজ, দেশ তথা রাষ্ট্রে নামাজ চালু করা বা কায়েম করার জন্য বলেছেন। সব নবীর উপর নামাজ ফরজ ছিল। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ওপর মেরাজের রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়। উনার উম্মত অনুসারে এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মাফ নাই এটা করতেই হবে আর এটাই কায়েম করা। হযরত ওমর (রাঃ) তার খেলাফত কালে ঘরে ঘরে যেয়ে বেনামাজীদেরকে পিটাতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময় মত আদায় করা উচিৎ। সময় মত না পড়লে পরিশ্রম ছাড়া আর কেনো ফয়দা নাও হতে পারে। সময় মত অফিসে না গেলে লেট মার্ক পরে, তদ্রুপ বিনা ওজরে আল্লাহর হুকুম পালন না করলেও জবাবদিহি করতে হবে। তাই আরেক অর্থে নামাজ কায়েম করা মানে আল্লাহ-রাসুল (সাঃ) এর দেওয়া নির্ধারিত সময়ে নামাজ পালন করা। আমরা অনেকে জুম্মার নামাজ, কদরের রাত্রির নামাজ, রমজানের তারাবির নামাজ ও দুই ঈদের নামাজ পড়ে ক্ষান্ত হই। মনে রাখতে হবে নফল, সুন্নত ও ওয়াযীব নামাজের আগে ফরজ নামাজ কোনো অবস্থাতেই তরক করা যাবে না। জামাতে নামাজ পড়লে ২৭ গুন বেশি সওয়াব। জামাতের নামাজে ভুল ত্রুটি হওয়ারও সম্ভাবনা নাই। তাই আমরা যেন কোনো অবস্থাতেই নামাজ না ছাড়ি। নামাজ দাড়িয়ে না পারলে বসে, বসতে না পারলে শুয়ে, শুয়ে না পারলে আকার-ইঙ্গিতে অর্থ্যাত যে কোনো অবস্থা হউক না কেন নামাজ পড়তে হবে এভাবে পড়াও কায়েম করা। একাকি নামাজ পড়লে নামাজ কায়েম হয় না বলা চলে। নামাজ কায়েমের জন্য জামাতের প্রয়োজন হয়। তাই মসজিদ না হলেও যে কোন স্থানে দু' তিন জন লোক হলেই জামাত করা যায়।