23/12/2025
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মন্ত্রী ও বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা জনাব আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা।
জাতির পিতার স্নেহধন্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জননেতা আব্দুর রাজ্জাক ২০১১ সালের ২৩ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
সংগ্রাম মুখর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আব্দুর রাজ্জাক শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামে ১৯৪২ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। উনার পিতার নাম ইমাম উদ্দিন এবং মাতার নাম বেগম আকফাতুন্নেছা।
জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে। তিনি ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি পরপর দুইবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের প্রধান ছিলেন।
জনাব আব্দুর রাজ্জাক ছাত্রলীগের মধ্যে নিউক্লিয়াস গঠন করে স্বাধীনতা সংগ্রামের রূপরেখা প্রণয়নে অসামান্য অবদান রাখেন। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী উত্তাল সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন নেতৃত্বের ভূমিকায়।
১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আব্দুর রাজ্জাক পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন, ও ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি ২টি করে নির্বাচনী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ।
জনাব রাজ্জাক ১৯৭৯ ও ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, পার্লামেন্টারী বোর্ডের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সংগ্রামী এই নেতা সর্বশেষ দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
মহান আল্লাহতালা মহান নেতা আব্দুর রাজ্জাককে জান্নাতবাসী করুক, আমিন।