The Sylhet Times

The Sylhet Times sociopolitical news media stationed in sylhet

15/07/2026

আর্জেন্টাইন ফুটবল অন্ধ ভক্তদের কাছে এই ভিডিওটা পৌঁছে দিন!

Thanks for NTV.

05/07/2026

জুলাইকে যে যেভাবে ওন করছে ওন করতে দেন। জুলাইকে জনগণের হইতে দেন। বাম থেকে ডান, নাস্তিক থেকে আস্তিক, লিবারেল থেকে কনজারভেটিভ সবাইকে জুলাই ওন করতে দেন।

রাজনৈতিক দলের নেতারা ওন করলে দুইটা কাজ করবেন। প্রথমত মেনে নিয়ে এপ্রিশিয়েট করবেন এবং সন্দেহ করবেন।

"জুলাই হইলো জাশি বনাম লীগ" অথবা " জুলাই হইলো ২৪ বনাম ৭১" যারা এই ন্যারিটিভ দিবে তাদের সন্দেহ করুন, তাকে জনসম্মুখে চিহ্নিত করে ভৎসনা দেবেন। পোলারাইজড ন্যারিটিভ বিল্ড করতে দিবেন না জাশি কিংবা লীগকে।

জুলাই কারো বাপের না, জুলাই কারো প্রতিদন্দ্বী না, জুলাই রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি না।

২০২৬ জুলাইয়ের একটা মাহাত্ম আছে, তৈরি হইছে বিগত বছরের ক্রমান্বয়ে। সেইটাকে পিষ্ট করতে দিয়েন না বিএনপি, এনসিপি, জাশি কারো ন্যারিটিভেই। আর লীগ তো অপরাধী, এদের কোনো কথা বা জায়গা ই নাই।

রাজনৈতিক দলের স্টেক আছে জুলাইয়ে। কিন্তু জুলাইয়ের মালিক জনগণ। জনগণ দিয়েই রাজনৈতিক দল। জুলাইয়ে স্বপরিচয়ে রাস্তায় জনগণ ছিল, কোনো রাজনৈতিক দল না।

'জুলাই গণহত্যায় আওয়ামীলীগ দলীয়ভাবে দায়ী'- অনেকেই এমন মত দিয়েছেন যার পক্ষে শক্তিশালী তথ্য প্রমাণ রয়েছে।    ১। জুলাই ২০২৪ ...
02/07/2026

'জুলাই গণহত্যায় আওয়ামীলীগ দলীয়ভাবে দায়ী'- অনেকেই এমন মত দিয়েছেন যার পক্ষে শক্তিশালী তথ্য প্রমাণ রয়েছে।

১। জুলাই ২০২৪ সালে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের কোনো একক নগরে বা রাজধানীতে নয় বরং সারাদেশেই ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালিয়ে অকাতরে ছাত্রজনতাকে আহত ও নিহত করেছে। বিবিসি বাংলা'র ডেটা জার্নালিজমের মাধ্যমে 'আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন এন্ড ইভেন্ট ডেটা' ACLED থেকে ১৩৮৪ জন নিহত ছাত্র জনতার লোকেশন প্লট মতে সারাদেশে একযোগে হত্যাযজ্ঞ চালনো হয়েছে। জাতিসংঘও একই তথ্য দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঢাকার দলীয় কাউন্সিলর ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছিলেন- “আওয়ামী লীগের অস্তিত্বের প্রতি হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান। সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এ অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১৪০০ খুন এবং ১৫ হাজার আহত এককভাবে বাংলাদেশ পুলিশ বা আইন শৃঙ্খলাবাহিনী গুলোর হামলায় হয়নি, ব্যক্তিগতভাবে কোনো নেতার নির্দেশ শুধু নয় বরং দল হিসেবে আওয়ামীলীগ এবং তার সকল অঙ্গ সংগঠন যেমন যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ শ্রমিকলীগ, স্বেচ্চাসেবকলীগ সবাই এই দমন পীড়নে সরাসরি দলীয়ভাবে সংযুক্ত ছিল এবং সারাদেশে। এর পক্ষে শক্ত তথ্য প্রমাণ আছে। ফলে দেশব্যাপী সংগঠিত খুন, গণহত্যা ও হামলার দায় আওয়ামীলীগকে দলীয়ভাবেই বহন করতে হবে।

সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জবানবন্দি অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৪ থেকে প্রায় প্রতি রাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ধানমন্ডির বাসভবনে একটি “কোর কমিটি” বৈঠক হতো, যেখানে আন্দোলন দমনসহ সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হতো। এই কমিটির এক বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের আটকের সিদ্ধান্ত হয়। সূত্র: প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ২০২৫।

২। ওবায়দুল কাদের আন্দোলনকারীদের 'দেখামাত্র গুলির নির্দেশ' দিয়েছেন। এটা উনি দিয়েছেন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে আওয়ামীলীগ এর দলীয় মিটিং এবং ১৪ দলীয় জোটের মিটিং এর পরে।

“এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে।”

২০ জুলাই ২০২৪, প্রথম আলো: কাদের বলেছিলেন কারফিউ "শুট অ্যাট সাইট" হবে এটা ১৯ জুলাই গণভবনে হাসিনার সভাপতিত্বে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকের পরের বক্তব্য।

এছাড়া মানবজমিনে (২০২৬) পাওয়া গেছে যে ICT-তে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ঠিক এই "শুট অ্যাট সাইট" সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার। ফলে দলীয়ভাবে শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ নয় বরং ১৪ দলীয় জোটও দায়ী। এর মাধ্যমে ঐক্যমত্ত কমিশনে ১৪ দলীয় জোটকে বাইরে রাখার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।

অর্থাৎ আওয়ামীলীগ যে দলীয়ভাবে জুলাই গণহত্যার জন্য দায়ী তার পক্ষে বেশ শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ (ICT-র রায়/পরোয়ানা, জাতিসংঘের প্রতিবেদন, সাবেক আইজিপির জবানবন্দি) আছে। পাশাপাশি জুলাই ২০২৪ সালের সংবাদ আর্কাইভে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় প্রায় সব নেতার হত্যার ও নির্যাতন এবং সহিংস আন্দোলন দমনের বক্তব্য ও নির্দেশ আছে।

৩। আন্দোলন দমনে সরকারকে উৎসাহিত করেছিলেন আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিককর্মী ও ব্যবসায়ীরা। আওয়ামী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে জানা যায়, ২৭ জুলাই ২০২৪ ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে হাসিনা-সমর্থিত সাংবাদিক নেতাদের একাংশ এক সমাবেশে সরকারের দমন-পীড়নের প্রতি সমর্থন জানান। আওয়ামী সম্পাদকরা গণভবনে গিয়ে হাসিনার সহিংস দমনকে সমর্থন করেছিল, দালাল সম্পাদকদের সেই ছবি ব্যাপক প্রচারিত হয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী কিছু শিল্পীর সরাসরি বক্তব্য আছে নির্যাতনে পক্ষে।

আওয়ামীপন্থী শিক্ষারাও ৩ আগস্ট হাসিনার সাথে গণভবনে দেখা করে জুলাই গণহত্যা ও দমনপীরনের বিরুদ্ধে সমর্হতন দিয়েছে। শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪ বাংলা ট্রিবিউন ও বাংলানিউজ২৪ এর রিপোর্ট মতে গণভবনে শেখ হাসিনা পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ এবং পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-শিক্ষক-অধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এবং আওয়ামী শিক্ষকদের নীল দল ছাত্রজনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে। শাহবাগে এধরণের অবস্থান কর্মসূচী করেছে আওয়ামী শিল্পীরাও।

অতি উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আওয়ামী ব্যবসায়ীদের মিটিং হাসিনার উপস্থিতিতে তারা কার্ফিউ এবং দমনের পরামর্শ দিয়েছে।

****************

৪। হামলার পক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কিছু বক্তব্য-

১৫ জুলাই, সোমবার,

মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী:
“এ যুগের রাজাকারদের পরিণতি ওই যুগের রাজাকারদের মতোই হবে! ঘৃণা, ধিক্কার আর ক্রোধ এদের প্রতি! রাজাকারের দল তোরা, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ছাড়!”

সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ:
“কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা “আমি রাজাকার” স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব।”

ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ:
“কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের “রাজাকার” স্লোগানের জবাব ছাত্রলীগই দেবে। আত্মস্বীকৃত রাজাকার যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে, তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট।”

(সূত্র: প্রথম আলো, “কোটা আন্দোলন: আলোচিত-সমালোচিত যত কথাবার্তা”,

১৭ জুলাই, বুধবার

শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রী:
“আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতকারীদের সংঘাতের সুযোগ করে দেবেন না।”
সূত্র: গণভবন থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ

ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ:
“আওয়ামী লীগের অস্তিত্বের প্রতি হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান। সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এ অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।”

সূত্র: প্রথম আলো; ঢাকার দলীয় কাউন্সিলর ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য

আ ক ম মোজাম্মেল হক, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী:
“কোটা সংস্কার আন্দোলন এখন স্বাধীনতার বিরোধীদের হাতে চলে গেছে। কাজেই আর বসে থাকার সময় নেই।”
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

১৮ জুলাই, বৃহস্পতিবার
ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ:
“রাজপথ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।” ধানমন্ডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রী (ফাঁস হওয়া, বিবিসি-যাচাইকৃত অডিও):
“[নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে] প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করবে, তারা যেখানেই তাদের পাবে, গুলি করবে।”

সূত্র: বিবিসি আই ইনভেস্টিগেশন, “The Battle for Bangladesh: Fall of Sheikh Hasina” (৯ জুলাই ২০২৫ প্রকাশিত অনুসন্ধান); বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি কণ্ঠস্বর যাচাই করেছে; ফোনালাপ রেকর্ড করেছিল এনটিএমসি। ফোনকলের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৪, গণভবন থেকে।

২০ জুলাই, শনিবার
ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ:
“এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে।”

সূত্র: প্রথম আলো, “কোটা আন্দোলন: আলোচিত-সমালোচিত যত কথাবার্তা”, ১ আগস্ট ২০২৪; গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে বক্তব্য

২৬ জুলাই, শুক্রবার
ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ:
“নিরীহ মানুষ হত্যার দায় বিএনপি ও জামায়াতের।” ধানমন্ডিতে সংবাদ সম্মেলন

২৭ জুলাই, শনিবার
সরকার-সমর্থিত সাংবাদিক নেতাদের একাংশ:
“(সংগঠিত সমাবেশে) শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের দমন-পীড়নের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন।”
সূত্র: উইকিপিডিয়া, “ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান”; জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ

৪ আগস্ট, রোববার, গণভবনে নিরাপত্তা সমন্বয় বৈঠক
চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, সাবেক আইজিপি (ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি):

“সেদিন সকাল ও রাতে গণভবনে অনুষ্ঠিত দু’টি নিরাপত্তা সমন্বয় বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, এসবি-ডিজিএফআই-এনএসআই প্রধানসহ ২৭ জন উপস্থিত ছিলেন; রাতের বৈঠকে শেখ রেহানাও ছিলেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঠেকানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।”

সূত্র: প্রথম আলো, “শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের নির্দেশে জুলাই গণহত্যা”, সেপ্টেম্বর ২০২৫; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক আইজিপির জবানবন্দি

**************

ফলে ব্যক্তি শেখ হাসিনা, দলীয় সাধারণ সম্পাদক সহ আওয়ামীলীগের পুরো দলীয় কাঠামো জুলাই খুনের পক্ষে কাজ করেছে। এসব তথ্য প্রমাণে প্রতীয়মান হয় যে, আওয়ামীলীগ দলীয়ভাবে জুলাই গণহত্যার জন্য দায়ী। বর্তমানে বিচারচলাকালীন সময়ে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ, আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আদালতের দিকে তাকিয়ে আছি।

জুলাই গণহত্যার (ম্যাসাকার ও কার্নেজ) দায়, দায়ী ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিতেই হবে।

ম্যাপ কৃতজ্ঞতা- বিবিসি বাংলা জুলাই আর্কাইভ 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩৬ দিন'

11/06/2026

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!

আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)

আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!

আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!

এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।

আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।

এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।

তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!

ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।

আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!

সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়।:)

08/05/2026

ধরেন, স্বামী এক্সিডেন্ট করে বিছানায় পড়ে গেছে ১০ মাসের জন্য।

বৌ এর সাথে সেক্স করার শক্তি নাই।

এই পরিস্থিতিতে বৌ যদি স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে "হালাল সেক্স করার জন্য" আরেকটা বিবাহ করে,

সেইটা কি হারাম হবে?

না। হারাম হবে না। ইসলামে যে কোন সময়ই যে কাউকে ডিভোর্স দেওয়া যায়।

কিন্তু কাজটা কি মানবিক হবে?

উত্তরটা হলো, না, হবে না।

এবার চিন্তা করেন, একজন নারী প্রেগনেন্ট। এক সপ্তাহ পর তার ডেলিভারি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আছেন।

এই পরিস্থিতিতে স্বামী আরেকটা বিবাহ করে আনতেসেন।

লজিক কী? "গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য", পরকীয়া না করে হালাল উপায়ে সেক্স করার জন্য।

সেইটা আবার ফেসবুকে প্রকাশ করতেসেন। হাজার হাজার মানুষকে এনকারেজ করতেসেন, যেহেতু তিনি একজন সেলিব্রিটি আলেম।

এইসবে সমাজে কী মেসেজ যায়?

মেসেজ যায় যে বৌ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকুক, সেক্স এর ব্যবস্থা করতেই হবে। সেক্স থামানো যাবে না।

কারণ একটাই, বিষয়টা "হালাল", "হারাম" না।

অথচ একটা সম্পর্ক কি হালাল হারাম দিয়ে টিকে থাকে?

এই যে আমার জ্বর হইলে আমার মা না ঘুমাইয়া সেবা যত্ন করে, এই যে ঘরের সবার ভালো মন্দ হিসেব করে গোটা সংসারটা চালানো,

এসবের একটাও ধর্মে নাই।

আই রিপিট, ধর্মে নাই।

মানে আমার মা আমার খাবার দাবার তো দূরের কথা, আমার জন্মের পর যদি আমাকে বুকের দুধ না খাওয়ায়, ধর্ম অনুযায়ী তিনি কোন "হারাম" কাজ করতেন না।

বৌদের উপর সংসারের কোন কাজ তো না ই, ইভেন বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোও ফরজ না।

ফাঁক খুজলে এইটা খুঁজতেই পারত।

কিন্তু কয়টা মা এইটা খুজে?

কয়টা মা বলে যে বাচ্চার জন্য রানতে পারব না? বাচ্চাকে খাওয়াইতে পারব না?

একটা মাও বলে না।

বলে না, কারণ, হালাল হারামের বাইরেও সংসারে একটা জিনিস আছে, তার নাম ভালোবাসা, মায়া।

আপনি হাসপাতালে ভর্তি থাকলে কোন ধর্মেই বলা নাই যে আপনার বৌ কে আপনার সেবা করতে হবে।

কোথাও লেখা নাই।

বৌরে করে না সেবা?

হালাল হারাম মেনে করে?

নাকি ভালোবাসা থেকে করে?

বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুরুষের জীবনই গরিবি জীবন।

এদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।

অথচ আর্থিক স্ট্রাগল করার কোন বাধ্যবাধকতা কি ইসলাম বৌদের উপর দিয়েছে?

দেয়নি।

ইভেন, বৌদের চাহিদা পূরণ করা স্বামীদের উপর ফরজ।

অথচ কয়টা বৌ স্বামীদের কাছে মুখ ফুটে কিছু চায়?

শুধু সংসারের দিকে তাকাইয়া কত মেয়ে তাদের "হালাল" স্বর্ণ, বিলাসিতা, শৌখিনতা এমনকি দেনমোহর পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে দেয়।

জাস্ট স্বামীর মুখের দিকে তাকাইয়া এরা এদের ধর্মীয় অধিকার পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে।

কেন?

ভালোবাসা, মায়া।

তো এই ভালোবাসা আর মায়া দিয়ে দিয়ে একটা মেয়ে সেইটা কেন এক্সপেক্ট করবে না?

প্রেগনেন্ট হইলে কেন একটা মেয়েকে দেখতে হবে সেক্স করার জন্য তার স্বামী "হালাল" "হারামের" খাতা খুলে আরেকটা বিবাহ করে আনসে?

বহুদিন আগে লিখেছিলাম,

ধর্ম আর ধার্মিকতা বিবাহের কোন ক্রাইটেরিয়া হইতে পারে না।

কেন বলসিলাম, এখন বুঝতেসেন?

কে কত ধার্মিক, কে কত বড় আলেম, কে কত নামাজ রোজা করে, এইগুলা কোনদিনই মানুষের ক্রাইটেরিয়া না।

একজন মানুষ তখনই মানুষ যখন তার মধ্যে মায়া থাকে, ভালোবাসা থাকে।

যারা করে ফেলেছেন, তারা তো করেই ফেলেছেন,

বাট যারা বিবাহ করেন নাই, ছেলে হোন বা মেয়েই হোন,

লেবাস দেখে, জোব্বা দেখে, বোরকা দেখে বা হিজাব দেখে বিয়ে কইরেন না, কে কত ভালো ফতোয়া দিতে পারে তা দেখে পার্টনার চুজ কইরেন না,

করলে দেখবেন,

আপনি অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন, আর আপনার স্বামী সেই অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে দ্বিতীয় বৌ এর ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়ে গেছে।

মায়াহীন আর ভালোবাসাহীন মানুষ, পশুরও অধম, তা সে যত ফতোয়াই দিক না কেন!!

29/04/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে দূর্নীতির লেভেল ছিল কতটা, জানেন?

প্রতিটা বালিশের দাম নেওয়া হয়েছিল ৬ হাজার ৭১৭ টাকা।

বাজারের চেয়ে ২০ গুণ বেশি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

এই ১৯ গুণ টাকা কই গেছে জানেন?

হাসিনা, রেহেনা আর টিউলিপের পকেটে।

এই টাকা কার টাকা?

আমার আপনার টাকা। হাসিনার বাপের টাকা না।

ধরেন, আপনি কাউকে আপনার জন্য বাড়ি করে দিতে বললেন।

সে ১ টাকার সিমেন্টের বস্তা ১০০ টাকা দেখাইয়া আপনার জন্য বাড়ি করে দিল।

১ কোটি টাকার বাড়িতে খরচ আসলো ১০০ কোটি।

৯৯ কোটি টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে।

এখন আপনার ১ টা বাড়ি আছে, কিন্তু আপনাকে আগামী ২ বছরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা শোধ করতে হবে।

অথচ বাড়িটা ১ কোটিতেই হয়ে যাইত।

এখন ১০০ কোটি টাকার সেই বাড়ির জন্য আপনি কি সেই লোককে ধন্যবাদ দেবেন? মহান বলবেন? আইরন লেডি বলবেন?

নাকি ১ কোটির জিনিস ১০০ কোটিতে বানানোর জন্য ওকে চোর বলবেন?

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে হাসিনা সেইম কাজটাই করছিল।

এই প্রকল্পের ঋন এখনও বাংলাদেশকে শোধ করতে হচ্ছে।

এই টাকা নিয়ে যাইয়া হাসিনার ছেলে এখন রাজার হালে আমেরিকায় বসে আছে।

শামীম ওসমান সাগরের উপরে প্রমোদতরীতে জন্মদিন পালন করতেসে।

টাকা কে শোধ করবে?

আমি আর আপনি।

২০ টা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পয়সা মেরে দিয়ে ১ টা বানাইসে।

তাও আমার আপনার টাকায়।

এরপরেও চোরকে ধন্যবাদ দিবেন? ডাকাতকে ধন্যবাদ দিবেন?

এই রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের টাকায় হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষ প্রতারিত হয়েছে। তাই ধন্যবাদ দিলে সেটা মানুষকে দেন, আফসোস করলেও সেটা মানুষের জন্য করেন।

আমাদের কপাল এমনই খারাপ, আমাদের মানুষেররা এতটাই বুদ্ধিহীন গোলামের জাত যে রাজনীতিবিদরা আমাদেরই টাকা লুট করে, করে ১ টাকার জিনিস ১০০ টাকা দেখাইয়া চুরি করে, সেই চোরকেই আমরা আবার থ্যাঙ্কিউ দিই।

এরপর সেই চোরের নেওয়া ১০০ টাকা শোধ করে সেই চোরকে মহান বানাই।

এই যে গোলামি মার্কা মেন্টালিটি, এই মেন্টালিটি থেকে নিজেও বের হন, নিজের ছেলে মেয়েকেও বের করেন।

আপনি আপনার দেশের মালিক।

আপনার কষ্টের পয়সাতেই এই দেশের সব হয়েছে।

এই মালিকানা চোর বাটপার আর খুনিদের হাতে তুলে দিয়েন না।

25/04/2026
স্পেনে “Regularización Extraordinaria” শুরু — আবেদন ১৬ এপ্রিল থেকে, সময় ৩০ জুন পর্যন্তস্পেনে অনিয়মিত অবস্থানে থাকা অভিবা...
14/04/2026

স্পেনে “Regularización Extraordinaria” শুরু — আবেদন ১৬ এপ্রিল থেকে, সময় ৩০ জুন পর্যন্ত
স্পেনে অনিয়মিত অবস্থানে থাকা অভিবাসীদের জন্য বহুল আলোচিত “Regularización Extraordinaria” প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত গেজেট Boletín Oficial del Estado (BOE) ১৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রকাশিত হবে।
📌 আবেদন শুরু:
১৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সশরীরে অফিসে আবেদন করা যাবে।
📌 আবেদনের সময়সীমা:
এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
📌 যোগ্যতার শর্ত:
এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর আগে স্পেনে অবস্থান করতে হবে এবং কমপক্ষে ৫ মাস বসবাসের প্রমাণ দেখাতে হবে। এছাড়া কোনো ধরনের ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) রেকর্ড থাকা যাবে না।
📌 সরকারের প্রস্তুতি:
আবেদনকারীদের চাপ সামলাতে ৪৫০টি বিশেষ সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে এবং ৬০০ জনেরও বেশি নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য সরকারি অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখতে আলাদা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডকুমেন্ট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
যদি কোনো আবেদনকারী সময়মতো Criminal Record Certificate সংগ্রহ করতে না পারেন, তবে সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এটি সংগ্রহে সহায়তা করবে। এজন্য অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৩ মাস সময় দেওয়া হবে। এরপরও ডকুমেন্ট না পাওয়া গেলে নিজ দায়িত্বে সংগ্রহের জন্য আরও ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যেও জমা দিতে ব্যর্থ হলে আবেদন প্রক্রিয়া আর চালিয়ে যাওয়া যাবে না।

14/04/2026

কৃষ্ণচূড়া, কদম, নরম রোদ, গরম হাওয়া, খোলা মাঠ, নীল আকাশ, নদীর পাড়, পাখির উড়াউড়ি
একতারা, বাঁশি, কোকিলের ডাক, নবান্ন, হালখাতা
পায়ে আলতা, কবি রাখাল, কাঙ্গাল, পুতুল, পসরা
কাঁচা আম, তালের শাঁস, লেবুর শরবত, বাতাসা
ইত্যাদি ইত্যাদি।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩🥀🌱

08/04/2026

প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংক, তারপর বিসিবি দেখলাম।

ডাকাইত তাড়ানোর পরে সামনে এখন ফকিন্নির পুতেরা।

আমি একানব্বইয়ের ডিসেন্সিতে ফেরত যাইতে চাইছিলাম।

আমরা বোধহয় আর কোনদিন ফেরত যাইতে পারবোনা।

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Sylhet Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share