Umar's Diary

Umar's Diary Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Umar's Diary, Photography Videography, Sreemangal, Sylhet.

 #নতুনবইয়েরখবরফাইনাল প্রচ্ছদ!🔥 দূর্দান্ত এ প্রচ্ছদখানা করেছেন one and only সজল চৌধুরী!🔥বই: ড্রাকুলা ভার্সেস শার্লক হোমসম...
15/08/2023

#নতুনবইয়েরখবর

ফাইনাল প্রচ্ছদ!🔥 দূর্দান্ত এ প্রচ্ছদখানা করেছেন one and only সজল চৌধুরী!🔥

বই: ড্রাকুলা ভার্সেস শার্লক হোমস
মূল লেখক: ব্রাম স্টোকার, স্টিফেন কিং, অ্যান্টোনি হরোউটজ, নিঝুম
অনুবাদ: অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য, জাওয়াদ উল আলম, শাবাব আব্দুল্লাহ
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
প্রকাশনী: বেনজিন প্রকাশন

ফ্ল্যাপ থেকে:
মিউনিখের এক হোটেল থেকে বৈকালিক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বের হলো এক যাত্রী- ড্রাকুলার অতিথি। যেতে যেতে পৌঁছে গেল পরিত্যক্ত গ্রামের এক কবরস্থানে। এক সময় রক্তচোষার আক্রমণে ওখানকার গ্রামবাসীরা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল। কী আছে সেই যাত্রীর ভাগ্যে? বেঁচে ফিরতে পারবে কি সেই ভয়ঙ্কর গ্রাম থেকে?

ব্রাম স্টোকারের 'ড্রাকুলা' বইটি পড়ার সময় আপনাদের মনে প্রশ্ন জেগেছে নিশ্চয়ই- জোনাথন হারকার ড্রাকুলার প্রাসাদ থেকে পালালো কীভাবে? আর সেই ঘটনা কেন-ই বা লিখে রাখল না? জমে থাকা প্রশ্নগুলো উত্তর পাবেন অবশেষে।

শার্লক হোমস সিরিজের 'দ্য সাইন অফ ফোর' উপন্যাসের ডিটেকটিভ অ্যাথেলনি জোনসের কথা মনে আছে, যার ভুলভাল তদন্তে পুরো কেস জট পাকিয়ে গিয়েছিল? সেই জোনস এবার হোমসের কাছে নিয়ে এসেছে আরেকটা কেস- চুরি গেছে তিনটা 'রাণীর মূর্তি', সাথে হয়েছে খুন! হোমস কি পারবে রহস্যটার সমাধান করতে?

ওয়াটসনের ভুল ডিডাকশন, আর শার্লকের সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে নতুন সমাধান-- এমন ঘটনার সাথেই তো আমরা সচরাচর পরিচিত। কিন্তু কেমন হয়, যদি ওয়াটসনই শার্লকের আগে কোনো কেস সমাধান করে ফেলে? লেস্ট্রেডের হাত ধরে হোমসের কাছে আসা একটা কেসে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল।

ড্রাকুলা আর শার্লক হোমসকে নিয়ে লেখা চারটা ভিন্ন ভিন্ন গল্প সংকলিত হয়েছে এ বইটিতে। ব্রাম স্টোকার, অ্যান্টোনি হরোউইটজ, স্টিফেন কিংয়ের মতো মহারথীদের লেখার পাশাপাশি রয়েছে নিঝুম-এর লেখা একটা মৌলিক ছোটোগল্পও।

বইটি খুলে বসুন আর হারিয়ে যান ড্রাকুলা এবং শার্লক হোমসের রোমাঞ্চকর অনন্য দুনিয়ায়।

✅ প্রি-অর্ডার শুরু হবে ২০ আগস্ট।

বই রিভিউ,,,বইঃ আদম ধর্ম (প্রারম্ভ)লেখকঃ কাজী ম্যাকপ্রকাশনীঃ কুহক কমিক্স এন্ড পাবলিকেশনপ্রচ্ছদঃ আদনান আহমেদ রিজনধরণঃ স্পি...
21/06/2023

বই রিভিউ,,,

বইঃ আদম ধর্ম (প্রারম্ভ)
লেখকঃ কাজী ম্যাক
প্রকাশনীঃ কুহক কমিক্স এন্ড পাবলিকেশন
প্রচ্ছদঃ আদনান আহমেদ রিজন
ধরণঃ স্পিরিচুয়াল থ্রিলার
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৭
মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৫০/-

ফ্ল্যাপ থেকেঃ
আমরা এখন প্রচুর স্যাটানিক কাল্টের নাম জানি। শুধু নাম-ই নয় এসব কাল্টের ইতিহাসও আমরা কমবেশি জানি। তবে সবথেকে দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের দেশের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা এক স্যাটানিক কাল্ট যা "আদম ধর্ম" নামে আত্মপ্রকাশ করেছিলো, সে সম্পর্কে আমরা প্রায় কিছুই জানি না ।

এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা সুপরিচিত ছিলেন "আনোয়ার দরবেশ" নামে। প্রথমে তিনি পীর দরবেশ হিসেবেই - এলাকায় খ্যাতি অর্জন করেন। বেশ কিছু লোক তার মুরিদও হন। কিন্তু, হঠাৎ-ই আনোয়ার দরবেশের চিন্তা- চেতনা এবং আচার আচরণে আমূল পরিবর্তন আসা শুরু করে। তিনি প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্মের বিরোধীতা শুরু করেন। তিনি ইসলামের সর্বশেষ নবীকে শয়তানের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যা দেন। জানা যায় তার চারপাশের মানুষজন তার এরকম অদ্ভুত বিশ্বাসের কারণে তাকে একঘরে করে দেয়। কিন্তু আসলে তিনি নিজেই স্বেচ্ছায় প্রতিবেশীদের "বয়কট" করেছিলেন।

ধীরে ধীরে তিনি তার এই নতুন ধর্মকে পূর্ণাঙ্গ রুপ দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছিলেন। তিনি স্বতন্ত্র ইবাদতের পদ্ধতি, সূরা, নানা রকম নিয়ম-নীতি তৈরি করতে থাকেন। নিজ পরিবারের সকল সদস্যদের তিনি তার ধর্মে দীক্ষিত করেন। প্রথম অবস্থায় পীর হওয়ার কারণে তার মুরিদদের মধ্যেও অনেকে এই ধর্মে দীক্ষিত হন। চলতে থাকে তাদের গোপন ধর্মচর্চা।

তাদের এই চর্চার মূল বিষয় ছিলো "কুফরি কালাম"। আনোয়ার দরবেশ মারা যাবার পর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার আত্মাকে হাজির করার চেষ্টা করে। আনোয়ার দরবেশের আত্মা হাজির হয় এবং তাদের প্রতি নির্দেশনা আসে "একসাথে আত্মহত্যা করার"। এতে তাদের আত্মা সংঘবদ্ধভাবে মুহাম্মদ সাঃ-র আত্মাকে আক্রমণ করতে পারবে। শুনতে কিছুটা অদ্ভুত মনে

হলেও এটাই ছিলো তাদের জন্য সত্য। ১১ জুলাই, ২০০৭ সাল। জামালপুরের জগন্নাথগঞ্জ স্টেশন থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত নিয়মিত চলাচল করে জিএম এক্সপ্রেস ২৫৪ ডাউন নামক লোকাল ট্রেনটি। আজ ট্রেন চালাচ্ছেন ড্রাইভার (লোকো মাস্টার) আব্দুল মতিন এবং মোঃ এনায়েত খান। ময়মনসিংহ পৌরসভার কাশর এলাকার ইটখোলায় যখন ট্রেনটি আসে, তখন ঘড়িতে সময় বেলা ৩টা ১০ মিনিট। হঠাৎ ড্রাইভাররা দেখেন, রেলপথের বাঁ পাশ থেকে বেশ কয়েকজন নারী- পুরুষ একে অন্যকে ধরাধরি করে রেল লাইনের দিকে আসছে।

মোট ৯ জন। পুরুষ, নারী, শিশু সবাই একই পরিবারের সদস্য। রেললাইন ধরে চুপচাপ বসে পড়ে তারা। প্রথমে ড্রাইভাররা কিছুই বুঝতে পারেননি। পরে খেয়াল করলেন, তারা আসলে রেললাইন পার হচ্ছে না, রেললাইনের উপরেই বসে আছে। ড্রাইভার হুইসেল দিলেন। তারা লাইন থেকে সরল না। ড্রাইভাররা বুঝতে পারলেন এরা সবাই আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে। ট্রেন ইমার্জেন্সি ব্রেক করলো। কিন্তু ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। চোখের সামনে ৯ জন মানুষকে চাপা দিয়ে ট্রেনটা

বেশ খানিকটা সামনে এগিয়ে গিয়ে থামল। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে তার বাড়ির ভেতর কিছু নথি আবিষ্কার করেছিলেন। সেসব নথি তে নানা রকম তথ্য লিপিবদ্ধ ছিলো।

একটি ডায়েরির ভেতর ইংরেজিতে লেখা ছিল-"আমরা পৃথিবীর একমাত্র পরিবার যারা স্বাধীন ও আত্মনির্ভরশীল। মোহাম্মদের আইনের বাইরে এবং সব ধর্মের সব কার্যকলাপের বাইরে। তাহলে আমরা কে? আমরা হলাম আদম। ” এ ছাড়া লেখা ছিলো "সবার উপরে আদম সত্য, জুলুমের বিচারের ব্যবস্থা করিব।” আনোয়ার দরবেশ মারা যাওয়ার আগে অছিয়ত করে গিয়েছিলেন। অছিয়তনামার একটি অংশ নিম্নে দেয়া হলোঃ

"আমার মৃত্যুর পরে কেউ আমার জানাজা পড়বে না। আমাকে গোসল দিবে না এবং আমাকে যেনো কাফনের কাপড় না পরানো হয়। আমি যে পোশাক পরে মারা যাবো সে পোশাক সহ-ই ঘরের ভেতর আমাকে মাটি চাপা দেয়া হবে। যখন তোমরা আমাকে কবরে শোয়াবে, তখন আমার মাথাটি পূর্ব দিকে, পা পশ্চিম দিকে, এবং আমার মুখ দক্ষিণের দিকে করে দিবে। যদি এই নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয় তবে আমি প্রতিশোধ নেব।"

ভাগ্যক্রমে এই ধর্মের এক অনুসারীর কাছ থেকে কিছু টাকার বিনিময়ে একটি পান্ডুলিপি আমি গোপনে সংগ্রহ করি। সেই সাথে পাই কিছু ভয়ানক তথ্য। এই বইটিতে আমি চেষ্টা করবো সেসব তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরার

পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ
প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আগে বলে নেই যে আমরা যারা Netflix এর ডকুমেন্টারি সিরিজ House of Secrets দেখেছি তারা অনেকটাই এই বইয়ের কাহিনির সাথে সামঞ্জস্য পেতে পারেন। মূলত দুটো ঘটনাই বাস্তব। তবে বাংলাদেশের 'আদম ধর্ম' কেইসটা অনেক ক্রিটিকাল এবং ভয়ানক।

সত্যি বলতে বইটা যতটা এক্সপেকটেশন নিয়ে শুরু করেছিলাম তার বিন্দুমাত্রও পূরণ করতে পারেনি। অনেকটাই আশাহত হয়েছি। মূল কাহিনির অস্তিত্ব ছিলো সামান্য মাত্র, তাও একেবারে শেষের দিকে।
তবে বইটা থেকে অনেকখানি ডার্ক সাইকোলজি ও কিছু জায়গায় রয়েছে আদিম লাভক্রাফটিয়ানের ছোয়া পাওয়া যাবে। বইটিতে ধর্ম, দর্শন, সাইকোলজি এবং হররের অদ্ভুত সংমিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়। বইটিতে অনেক রহস্যই অমীমাংসিত রাখা হয়েছে যার কারণে অনেক প্রশ্নের উত্তর খুজে পাওয়া যায় নি। হয়তো বইয়ের দ্বিতীয় পর্বে এই রহস্যের সমাধান পাবো।

এই পাঠপ্রতিক্রিয়াটিতে আমি পজিটিভ ও নেগেটিভ দিকে তুলে ধরবো।

শুরুতে বইয়ের কিছু পজিটিভ দিকগুলো দেখা যাক৷

লেখকের লিখনশৈলী বেশ ভালো হয়েছে, খুবই সাবলীল ভাষায় তিনি বইটা সাজিয়েছেন।
যুক্তির প্রয়োগের বর্ণনাগুলো অসাধারণভাবে ব্যাবহার করেছেন।
বইটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থ্রিলিং ভাইব কিন্ত বজায় রেখেছেন লেখক যা বেশ ভালোই লেগেছে।
আনোয়ার দরবেশের প্রাথমিক চরিত্রটা বেশ ভালো লেগেছে, যদিও শেষের দিকে এসে সে পথভ্রষ্ট হয়ে যায় যা মূলত মানসিক সমস্যা থাকে।

এবার আসি বইটির কিছু নেগেটিভ দিকে।

বইয়ে প্রচন্ড পরিমাণ বানান ভুল ছিল যা এর আকার অনুসারে একদমই খাপছাড়া। রীতিমতো বিরক্ত হয়েছি। হতাশ হলাম বইয়ের তৃতীয় মুদ্রণে এসেও এতো বানান ভুল থাকবে বলে আশা করিনি। কিছু কিছু জায়গায় বাক্যে প্রতিষ্ঠা একেবারেই অর্থহীন (যেমন কোরআনের মোট সূরা ১৪৪! )। এটা অবশ্যই প্রোডাকশন এর ভুল যা গ্রহণযোগ্য নয়।
লেখক কিছু বিষয়কে অতিরঞ্জিত ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তবে যদি তা যদি ঘটনা প্রবাহে দরকার হয় তাহলে এটি অভিযোগ করার মত না।
অতিরিক্ত বর্ণনা, স্লো বার্ণ এবং মূল বিষয়ের উপর ফোকাস পুরোপুরিই কম, সম্ভবত বইয়ের সিকুয়েলের জন্য এমনটা করা হয়েছে। যদি না করা হয়ে থাকে তাহলে সত্যিই হতাশ হয়েছি।
ঘটনাপ্রবাহের শেষের দিকে এসে একটু বেশিই তাড়াহুড়োর মাঝে শেষ করেছেন।
বইটির পিছনের ফ্ল্যাপের কথাগুলো অসুম্পূর্ণ রয়ে গেছে। এছাড়া বইয়ের পেইজ কাটিং এ আরো সতর্ক হওয়া দরকার ছিল, প্রায় মার্জিন এ চলে গেছে। শেষ প্রান্ত আরো মসৃণ হতে পারত।

আশা করি যে জায়গাগুলোতে সম্পাদনার ঘাটতি রয়ে গেছে, সেই জায়গাগুলো ঠিকঠাক করে নেয়া হবে পরবর্তী সংস্করণে এবং পেইজ কাটিং এর দিকে যত্নবান হবে।

ব্যক্তিগত রেটিং: ২.৫/৫

বই রিভিউ,,,বইঃ কিংকর্তব্যথ্রিলারসম্পাদনায়ঃ জামসেদুর রহমান সজীবলেখকঃ নিয়াজ মেহেদী, সুস্মিতা জাফর, রিয়াজ মোরশেদ সায়েম, ফাল...
20/06/2023

বই রিভিউ,,,

বইঃ কিংকর্তব্যথ্রিলার
সম্পাদনায়ঃ জামসেদুর রহমান সজীব
লেখকঃ নিয়াজ মেহেদী, সুস্মিতা জাফর, রিয়াজ মোরশেদ সায়েম, ফাল্গুনী আলম, শাহালুল তানজিম, অমিত কুমার কুণ্ডু, আহমাদ স্বাধীন, মোসাব্বের হোসেন মুয়ীদ, সামসুদ্দোহা রিফাত, সাজিদ হাসান, জামসেদুর রহমান সজীব
প্রচ্ছদঃ রাকিব রাজ্জাক
প্রতিকৃতিঃ রাজকুমার পাল
ধরণঃ মিস্ট্রি গল্পসংকলন
প্রকাশনায়ঃ অক্ষরবৃত্ত
মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৫০/-
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৯২

পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
কিংকর্তব্যথ্রিলার!! নামটা শুনলেই মাথায় 'কিংকর্তব্যবিমুঢ়' এই শব্দটা আসে তাই না?
কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দটির মানে হলো হতবুদ্ধি অবস্থা। বইটা পড়ার মনে হবে আসলেই হতবুদ্ধি হওয়ার মতো অবস্থা হয়ে গেছে।
বইটিতে ১২জন লেখকের ১২টি গল্প রয়েছে যা রীতিমতো টুইষ্টে ভরপুর।
বইটিকে ঠিক মিস্ট্রি থ্রিলার গল্পসংকলন বললে ভুলে হবে কারণ, থ্রিলার গল্প সংকলন বলা হলেও এখানে প্যারানরমাল, সাইকোলজিক্যাল, ক্রাইম, ডিটেকটিভ, সাইফাই, রিভেঞ্জ, সাসপেন্স এর মতো অন্যান্য সাব-জনরাগুলোরও স্বাদ পাবেন।

এবারের বইমেলায় যে গল্প সংকলন টা আমার ভালো লেগেছে তা হলো এই 'কিংকর্তব্যথ্রিলার'। চমৎকার সব টুইস্টেড গল্পের সম্ভার। তাছাড়া ছোটগল্প বা এমন গল্পসংকলনের প্রতি আমার একটা টান কাজ করে যার পরিপ্রেক্ষিতে বইটি নেওয়া।
গল্প ছাড়াও বইটির যে দিকটি বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে তা হলো প্রত্যেকটি গল্পের সাথে লেখক এবং গল্পের প্লটের দৃশ্যগুলোর সামঞ্জস্য রেখে অলংকরণ। যা গল্পগুলোকে অত্যন্ত জীবন্ত করে তুলেছে।

বইটির ১২গল্পের লেখকের মধ্যে দুয়েকজন বাদে মোটামুটি সবাই পরিচিত মুখ ছিল।
বইটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে বটে। কিছু কিছু গল্প যেমন অনেক বেশি ভালো লেগেছে তেমনই কিছু কিছু গল্প নিয়মিত পড়া থ্রিলার, গোয়েন্দা গল্পের মতো মনে হয়েছে। তবে হ্যাঁ সেসব গল্পগুলোও কিন্তু বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না বলে আমার বিশ্বাস।

স্টোরি টেলিংঃ
বইয়ের প্রতিটা গল্পের স্টোরি টেলিং হয়েছে যথাযথ ভাবে। বেশ দাপুটে প্লট ছিলো গল্পগুলোর। প্রথম দুটো গল্প যদিও একটু সাদামাটা লেগেছে তবে পরবর্তী সবগুলো গল্পই দারুণভাবে বইটাকে এগিয়েছে নিয়েছে। প্লট মেকিং ও স্টোরি বিল্ডাপ করা হয়েছে সুন্দরভাবে, এছাড়াও বইয়ের সেটিং ও থিম এনালাইসিস ছিলো দারুণ। সাধরণত লেখকরা এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন এবং প্রতিটা লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসাধারণত্ব দেখিয়েছেন।

সবাই সর্বসাকুল্যে চেষ্টা করেছেন গল্পগুলোতে নতুনত্ব দেওয়ার এবং বলতে হয় অনেকখানি সফলও হয়েছেন৷ লেখকের ও সম্পাদক জামসেদ ভাইয়ের এ ধরণের নতুনত্ব নিয়ে আসা আমার মনে হয় পাঠককে বইয়ের জগতে একটি নতুন ধারণার সাথে পরিচয় করে দিবে। সর্বশেষ বলতে চাই বইটা বেশ ভালো ছিলো। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। চমৎকার আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। এক বসায় পড়ে ফেলার মতো একটি বই। বইটাতে পাঠকদের ধরে রাখার একটা টান আছে। পাঠক বইটি পড়ে বেশ রোমাঞ্চিত ও উপভোগ্য করবে বলে আমি মনে করি। বইয়ের প্রতিটা লেখকের জন্য অসংখ্য ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো।

"কুমিল্লা শহরের অন্যতম নান্দনিক স্থাপনা কুমিল্লা নবাব বাড়ী। এটি শহরের প্রাচীন মুসলিম আবাসগুলির মধ্যে একটি। এ বাড়ীর পরতে ...
08/06/2023

"কুমিল্লা শহরের অন্যতম নান্দনিক স্থাপনা কুমিল্লা নবাব বাড়ী। এটি শহরের প্রাচীন মুসলিম আবাসগুলির মধ্যে একটি। এ বাড়ীর পরতে পরতে রয়েছে সমৃদ্ধ এক ইতিহাসের গল্প। কসবা শাহপুরের সৈয়দ বাড়ীর সৈয়দ জুলফিকার হায়দার এর পুত্র সৈয়দ বশরত আলী কুমিল্লা শহরের চর্থা এলাকায় এসে আবাস গড়েন। তিনিই এই ঐতিহাসিক বাড়ীটির নির্মাতা। তাঁর আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটলে ১৮৭৮ সনে তিনি এ বাড়ীর নির্মাণ করেন।

তখন এটি একতলা ছিলো। পরবর্তীতে ১৯০৮ সনে তদীয় পু্ত্র নবাব হোচ্ছাম হায়দার বাড়ীর বর্তমান অবয়বটি নির্মাণ করেন। বাড়ীটির নির্মাণশৈলী প্রশংসনীয়। নান্দনিক এ বাড়ীর সীমানা সারে চার একর বা বারো বিঘা। মূল বাড়ীটি একতলায় ৪৮০০ দোতালায় ৪৮০০ বর্গফুট মিলে মোট ৯৬০০ বর্গফুট। মূল বাড়ীর বাইরে একটি কাঁচারী ঘর এবং অন্যান্য কিছু আনুষাঙ্গিক ঘর রয়েছে। চতুর্দিকে দেয়াল ঘেরা বাড়ির পশ্চিম অংশে একটি পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। সম্মুখে নবাববাড়ীর নাম না থাকলেও বাড়ীর গেইটে কলেমা পাক এবং পবিত্র কোরআন পাকের বাণী লিপিবদ্ধ রয়েছে।

নবাব হোচ্ছাম হায়দারের সময় নীচে ১০ টি এবং উপরে ৮ টি কক্ষ ছিলো। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু পরিবর্তন এসেছে। হোচ্ছাম হায়দার দোতালায় থাকতেন। দোতালার হলরুমে দেশী-বিদেশী জ্ঞানী -গুনী অনেক মেহমানের আগমন ঘটেছে। তাদের মধ্যে ছোটলাট থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্যার সলিমুল্লাহ, ত্রিপুরার মহারাজা উল্লেখযোগ্য।

এমনকি ১৮৮৯ সালে নবাব ফয়জুন্নেসার খেতাব প্রদান অনুষ্ঠান এ বাড়ীতেই হয়েছিল। শচীন কর্তা এই পরিবারের সদস্যদের মতো ছিলেন।

বাড়ীটিতে ৬৮ টি দরজা এবং ৪০ টি জানালা রয়েছে। শীতকালে এই বাড়ীতে যেমন শীত কম অনুভূত হয় তেমনিভাবে গরম কালেও গরমের তীব্রতা বোঝা যায়না। বাতাসের প্রবাহ সবসময় একই রকম। নবাব হোচ্ছাম হায়দারের মৃত্যুর পর তার পুত্র এহতেশাম হায়দারও খানবাহাদুর উপাধি লাভ করেন। নবাব হোচ্ছাম হায়দারের বহু জনহিতকর কাজ রয়েছে কুমিল্লায়। তন্মধ্যে কুমিল্লা সরকারী মহিলা কলেজ, হোচ্ছামিয়া স্কুল, হোচ্ছাম হায়দার ছাত্রী নিবাস, লুতফুন্নেসা স্কুল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এখানে, নবাব বাড়ীর গৌরবগাঁথার কিয়দংশ বিধৃত হয়েছে। আরো অনেক জানা অজানা ইতিহাস রয়ে গেছে।

বর্তমানে নবাববাড়ীতে দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে শত বছরের পুরানো ডাইনিং টেবিল, পঁচিশ কেজি ওজনের হাতির দাঁত, লোহার সিন্দুক, মার্বেল পাথরের গোলস টেবিল, নবাবী আমলের ড্রেসিং টেবিল, বৃটিশ সরকার প্রদত্ত দুটি তরবারী, বৃটিশ আমলের দেয়াল ঘড়ি, খান বাহাদুর ও নবাব উপাধির মেডেল ও বড়লাটের স্বাক্ষর করা সনদ ইত্যাদি।"

কিন্তু দুঃখের বিষয়, কুমিল্লা শহরের অন্যতম নান্দনিক স্থাপনা এই ঐতিহ্য সম্বলিত বাড়িটিতে এখন দিনে-দুপুরে অবাধে চলে মাদকদ্রব্য সেবন। সেখানেই বসে নিয়মিত মাদকের আড্ডা। এমনকি বসে জুয়ার আসর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবাব বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষে যথারীতি আস্তানা গেড়ে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করছেন তারা। বাড়ির ভেতরের কয়েকটি কক্ষে মাদকদ্রব্যের উচ্ছিষ্টগুলো রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে সেখানে। ফেনসিডিল, গাঁজা, মদ ও ইয়াবা সেবনের নানা উপকরণে ভর্তি। প্রতিদিন এই নবাব বাড়িতে শুরু হয় মাদকাসক্তদের এসব কর্মকান্ড এবং চলতে থাকে মধ্যরাত পর্যন্ত। শুধু মাদক নয় সেখানে সামাজিক অপরাধ সংঘটিত হয় বলে স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন ।

এই ঐতিহ্যবাহী বাড়ির মাঠে আগে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করত। কিন্তু ইদানিংকালে কিছু লোক মূল বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত বাড়িটিতে প্রকাশ্যে মাদক খায়।

নবাববাড়ী কুমিল্লার গৌরবময় ইতিহাসের স্বাক্ষী বহন করে। মুসলিম সমাজ তথা কুমিল্লাবাসীর গৌরবগাঁথার নিদর্শন হিসেবে নবাববাড়ী আজও সগৌরবে মাথা তুলে দাড়িয়ে আছে। এর সংরক্ষণ করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তথ্যসুত্রঃ "বিভিন্ন আর্টিকেল ও নিউজ পোর্টাল।

প্রি-অর্ডার!বেনজিন প্রকাশন এর দূর্দান্ত সিগনেচার প্রোডাকশনের পাশাপাশি দূর্দান্ত কন্টেন্টের আপকামিং বইগুলোর প্রি-অর্ডার শ...
19/04/2023

প্রি-অর্ডার!

বেনজিন প্রকাশন এর দূর্দান্ত সিগনেচার প্রোডাকশনের পাশাপাশি দূর্দান্ত কন্টেন্টের আপকামিং বইগুলোর প্রি-অর্ডার শুরু হচ্ছে...

১। মসলার যুদ্ধ (সচিত্র)
লেখক: সত্যেন সেন
মুদ্রিত মূল্য: ১২০ টাকা
প্রি-অর্ডার মূল্য: ৬০ টাকা

২। গল্প শুরুর আগে (গল্প সিরিজ #১)
লেখক: তানভীর আহমেদ সৃজন
মুদ্রিত মূল্য: ৩৫০ টাকা
প্রি-অর্ডার মূল্য: ২১০ টাকা

৩। একটা গল্প শুনবেন? (গল্প সিরিজ #২)
লেখক: তানভীর আহমেদ সৃজন
মুদ্রিত মূল্য: ৬০০ টাকা
প্রি-অর্ডার মূল্য: ৩৬০ টাকা

৫। যে গল্পের শেষ নেই (গল্প সিরিজ #৩)
মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা
প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৮০ টাকা

✅ গল্প সিরিজের তিনটি বই-ই অর্ডার করলে 'মসলার যুদ্ধ' বইটি ফ্রি।

🌻 প্রি-অর্ডার করতে ইনবক্স করুন....

📓বই সম্পর্কে--

📚 মসলার যুদ্ধ:
মসলার লোভে ইউরোপীয় শক্তিসমূহের অভিযান এবং ভারত ও পূর্বভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে তাদের উপনিবেশ-স্থাপনের বিচিত্র কাহিনী এ গ্রন্থে বিবৃত হয়েছে অত্যন্ত চিত্তাকর্ষকরূপে। শুধু ইতিহাসের তথ্য নয়, এর অন্তরালবর্তী সত্যই লেখককে আকর্ষণ করেছে বেশি। তাই যে-সব শক্তি ইতিহাসের ধারাকে গতি দেয়, সেগুলো উদ্ঘাটন করেছেন লেখক। সে যুগের মানুষের জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরেছেন তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতে।
একদিকে উপনিবেশ-স্থাপন ও সাম্রাজ্য-বিস্তার, কুৎসিত লোভ ও বর্বর অন্যায়, মানুষের জীবনযাত্রা-নিয়ন্ত্রণের ঔপনিবেশিক প্রচেষ্টা; অন্যদিকে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতারক্ষার সংগ্রাম, দেশীয় শক্তি ও সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা, বেঁচে থাকবার প্রাণান্ত প্রয়াস। ‘মসলার যুদ্ধ’ তারই ইতিবৃত্ত।

📚 গল্প শুরুর আগে:
নিজের মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করাতে এসে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির স্বীকার হয়ে মারা যান রেহনুমা আক্তার রানু। কেসটি প্রথমে বাড্ডা থানার অধীনে থাকলেও নানান মোড় ঘুরে চলে আসে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে। তদন্তভার ন্যস্ত হয় ডিবির সহকারী কমিশনার রায়হান সিদ্দিকীর ওপরে।
তদন্ত করতে গিয়ে একের পর এক তথ্যের উন্মোচন হতে থাকে রায়হানের সামনে। কেসটা কি নেহাৎ-ই ঝোঁকের বশে গণপিটুনির একটা ঘটনার? নাকি এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো ঘটনা? পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে কি কেউ?
তদন্ত করতে করতে রায়হান সিদ্দিকী মুখোমুখি হয় এক চরম সত্যের। বেরিয়ে আসে এক অপরাধের আড়ালে লুকোনো আরেক জঘন্য অপরাধ। সে এমনই এক অপরাধ, যার কোনো ক্ষমা নেই। ক্ষমা থাকা উচিৎ-ও নয়!
কী সেই অপরাধ?
উত্তর জানতে পড়ুন গল্প সিরিজের প্রথম বই 'গল্প শুরুর আগে'...

📚 একটা গল্প শুনবেন?
রাজধানীর খিলগাঁয়ের তালতলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে পাঁচটি ক্ষত-বিক্ষত বীভৎস মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পাঁচটি মৃতদেহই নগ্ন! জানা যায়, এই পাঁচজন গত বছর বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। কে বা কারা এমন বীভৎসভাবে খুন করেছে, পুলিশ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই। নিখোঁজ হয়ে যায় আরাে পাঁচজন। তারপর, একইভাবে তাদেরও নগ্ন এবং ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ পাওয়া যায় পরের বছরের একই দিনে!
কী সম্পর্ক ছিল এই নিহতদের মাঝে? ভিন্ন ভিন্ন বয়সের, ভিন্ন ভিন্ন পেশার এবং ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বসবাসকারী এই মানুষগুলাের মাঝে যদি কোনাে সম্পর্ক কিংবা যােগাযােগ না-ই থেকে থাকে, তবে তাদের সবার সঙ্গে খুনির কী সম্পর্ক? আর তাদের সবার দেহে খোদাই করে আঁকা ছবিগুলােই বা কী অর্থ বহন করছে? খুনি কি কিছু বলতে চাইছে এই ছবিগুলাের মধ্য দিয়ে? কী বলতে চাইছে?
এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করে রহস্যের সমাধান করতেই মাঠে নেমেছে ডিবির জাঁদরেল গােয়েন্দা রায়হান সিদ্দিকী। সে কি পারবে এই রহস্যের জট খুলতে? না কি নিজেই জড়িয়ে পড়বে ধূর্ত প্রতিপক্ষের হেঁয়ালির জালে...আর সেই জাল কেটে সে বেরিয়ে আসতে আসতেই লাশ পড়বে আরাে পাঁচজনের?!
তানভীর আহমেদ সৃজনের লেখা রিভেঞ্জ থ্রিলার ‘একটা গল্প শুনবেন?’ রহস্য, জেদ, নৃশংসতা আর রক্তের জাল যেখানে বুনেছে ভিন্নমাত্রার এক গল্প।

📚 যে গল্পের শেষ নেই
জেগে জেগে দেখা স্বপ্ন কাউকে মহামানব করে তোলে, আবার কাউকে করে তোলে দানব। এ গল্পটা কার? কোনো মহামানবের, নাকি কোনো নৃশংস দানবের?
কী অপরাধ করেছিলো সমীর আর রূপা? কী অপরাধ করেছিলো রবীন্দ্র সরোবরে আড্ডা দিতে বসা সেই চার তরুণ-তরুণী? আর শাহেরপুরের দাসপাড়ার বাসিন্দারা, তাদেরই বা কী অপরাধ ছিলো?
কে এই শফিউর? কেন তার জন্মান্ধ দুই চোখের বিষ হয়ে উঠলো চোখে দেখতে পাওয়া মানুষগুলো?
এই সব প্রশ্নের উত্তর এক এক করে খুঁজে বের করতেই আরো একবার মাঠে নেমেছে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের জাঁদরেল গোয়েন্দা। উত্তর মেলে সব প্রশ্নেরই, তবু শেষ হয় না গল্প। কারণ এই গল্পের শেষ বলে যে আদতে কিছুই নেই....!

সম্ভাব্য প্রকাশকাল: ২০ মে, ২০২৩

বই রিভিউ,,, বইঃ সুবাসিত রমাদানলেখকঃ ফারহানা হোসেন রুমি সম্পাদনাঃ আশরাফুন নাহারপ্রচ্ছদঃ অনিক ইসলাম সোহানপ্রকাশনায়ঃ বেনজিন...
10/04/2023

বই রিভিউ,,,

বইঃ সুবাসিত রমাদান
লেখকঃ ফারহানা হোসেন রুমি
সম্পাদনাঃ আশরাফুন নাহার
প্রচ্ছদঃ অনিক ইসলাম সোহান
প্রকাশনায়ঃ বেনজিন প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৮০
মুদ্রিত মূল্যঃ ১৫০/-

ফ্ল্যাপ থেকেঃ
রমাদান, মুমিনের জীবনে বসন্ত। প্রতিবছর রমাদান আসে, রমাদান যায়। এই ভাবেই অতিবাহিত হচ্ছে আমাদের জীবন। প্রতি রমাদানেই আমরা কত পরিকল্পনা করি, কিন্তু সবতো আর বাস্তবায়ন করা হয়ে উঠে না। আবার অনেকে হিসাব মিলাতে পারি না কী কী আমল করবো, কীভাবে কাটাবো বরকতময় এই দিনগুলো। সেসব ভাবতে ভাবতেই আকাশে ইদ-উল-ফিতরের চাঁদ উঁকি দেয় মেঘের আড়াল থেকে। আর আমাদের জীবন নাফরমানির মেঘেই আচ্ছন্ন থেকে যায়।

“সুবাসিত রমাদান” বইটিতে মূলত ইলম ও আমলে বরকতময় রমাদানের সবটা সুবাস দিয়ে নিজের জীবনকে সুবাসিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
হে বিশ্বাসিগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের (রোযার) বিধান দেওয়া হল, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগণকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা তাক্বওয়া অবলম্বন করতে পারো।

[সূরা বাকারাহ ১৮৩]

একটা মানুষকে বদলাতে বিশাল কিছুর দরকার পরে না, একটি আয়াত কিংবা একটি হাদিস অথবা একটি বাক্য বদলে দিতে পারে জীবন। এই অন্তরকে নতুন করে জাগাতে, অবাধ্যতার ঢেউ থেকে আমাদের আবার তুলে আনতে অনেক সময় একটি কুরআন ও হাদিসের একটি লাইন যথেষ্ট, কোনো এক কুড়িয়ে পাওয়া কাগজে এমন এক কথা থাকে রয়েছে যা বদলে দিতে পারে আপনার পুরো জীবন।

তেমনই এক বই 'সুবাসিত রমাদান।'

ছোট্ট এই বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় যেন নিজের অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়, আবার নিজেকে বদলানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিয়ে দেয় আমাদের অন্তরে।
এই বইয়ের অধ্যায়গুলো পৃথক পৃথক ভাবে সাজানো। এই বইটি পড়লে এমন কোন পাঠক নেই যে তার অন্তরাত্মা জাগ্রত হবে না।

এই যে আজ আমরা দুনিয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে চলছি, প্রতিবছর রমাদান আসে, রমাদান যায়। আখিরাতের চিন্তা হৃদয়-মন থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আমরা কি নিশ্চিত যে আগামীকালকের রাঙা প্রভাতে পবিত্র রমাদানের বরকতময় এই দিনগুলো পাবো কিনা?
মোটামুটি সবারই দ্বীনে ফেরার পথে আজকাল অনেক বড় ধরনের বাধা থাকে। 'সুবাসিত রমাদান' বইটি, ভুলোমনা একঝাঁক মানুষের জন্য, যারা পবিত্র রমাদানেও ভুল গহ্বরে জীবন পার করে আল্লাহর অবাধ্যতার শিকার হচ্ছে।

বইটি প্রথমবারের মতো হাতে নিয়ে মনে হয়েছে, রমাদানকে প্রোডাক্টিভ করার জন্য যা দরকার তা তাই আছে বইটি তে। একেবারে হাতে-কলমে শিখিয়ে দেওয়া কোন কাজ কিভাবে করতে হবে রমাদানে তা যেন সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা আছে বইটিতে।
এজন্য লেখিকা বাহবা দিতেই হয়।

বইটিতে বিভিন্ন আমলসহ আপনি কোরআন কতটুকু তেলওয়াত করলেন, একটি হাদিস একটি আয়াত মুখস্ত করারসহ নানাবিধ কাজ খুব সুন্দর করে গুছিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
ওভার আল রমাদানের জন্য পারফেক্ট একটা বই মনে হয়েছে এটা।

নিজেকে আবিষ্কারের একটি আয়না, যে ভুল আর ভ্রান্তির মোহে। অন্ধকারের যে অলিগলিতে আমাদের এতোদিনকার পদচারণা, তার বিপরীতে জীবনের নতুন অধ্যায়ে নিজের নাম লিখিয়ে নিতে একটি সহায়ক গ্ৰন্থ এই বই।

 #প্রকাশিতব্য_বই  #প্রি_অর্ডার বই-সুবাসিত রমাদানলেখক-ফারহানা হোসেন রুমি মুদ্রিত মূল্য:-২০০/-প্রি অর্ডার মূল্য-১২০/-প্রকা...
25/03/2023

#প্রকাশিতব্য_বই
#প্রি_অর্ডার

বই-সুবাসিত রমাদান
লেখক-ফারহানা হোসেন রুমি
মুদ্রিত মূল্য:-২০০/-
প্রি অর্ডার মূল্য-১২০/-
প্রকাশনায়ঃ বেনজিন প্রকাশন

রমাদান, মুমিনের জীবনে বসন্ত। প্রতিবছর রমাদান আসে, রমাদান যায়। এই ভাবেই অতিবাহিত হচ্ছে আমাদের জীবন। প্রতি রমাদানেই আমরা কত পরিকল্পনা করি, কিন্তু সবতো আর বাস্তবায়ন করা হয়ে উঠে না। আবার অনেকে হিসাব মিলাতে পারি না কী কী আমল করবো, কীভাবে কাটাবো বরকতময় এই দিনগুলো। সেসব ভাবতে ভাবতেই আকাশে ইদ-উল-ফিতরের চাঁদ উঁকি দেয় মেঘের আড়াল থেকে। আর আমাদের জীবন নাফরমানির মেঘেই আচ্ছন্ন থেকে যায়।
❝সুবাসিত রমাদান❞ বইটিতে মূলত ইলম ও আমলে বরকতময় রমাদানের সবটা সুবাস দিয়ে নিজের জীবনকে সুবাসিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বইটা প্রি-অর্ডার করতে পারেন বেনজিন প্রকাশন ও PORUA Bookshop - পড়ুয়া বুকশপ থেকে। ❤️

 িভিউ বইঃ ভ্লাদ : সত্যিকারের ড্রাকুলার কাহিনিলেখকঃ লুৎফুল কায়সারধরণঃ নন-ফিকশন, জীবনীপ্রকাশনায়ঃ বেনজিন প্রকাশন প্রচ্ছদঃ স...
10/03/2023

িভিউ

বইঃ ভ্লাদ : সত্যিকারের ড্রাকুলার কাহিনি
লেখকঃ লুৎফুল কায়সার
ধরণঃ নন-ফিকশন, জীবনী
প্রকাশনায়ঃ বেনজিন প্রকাশন
প্রচ্ছদঃ সজল চৌধুরী
অলংকরণঃ তানভীর আহমেদ রিও
সম্পাদনাঃ বীক্ষণ সম্পাদনা সংস্থা
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৮
মূদ্রিত মূল্যঃ ৩৯৯/-

ফ্ল্যাপ থেকেঃ
রাতের আঁধারে রক্ত পান করতে বের হয় এক অপার্থিব প্রাণী… কী ভাবছেন? এমন কোনো গল্প শোনাবো? না, কোনো গল্পই শোনাবো না। সত্য কাহিনি শোনাবো।

এর জন্য আমাদের যেতে হবে পঞ্চদশ শতকের ইউরোপে। একে অপরের সাথে ভয়ানক যুদ্ধ আর প্রতিহিংসায় লিপ্ত সব দেশ। ওদিকে তাদের ঘাড়ের ওপর শ্বাস ফেলছে সেকালের সুপার পাওয়ার অটোমান সাম্রাজ্য। বলকান অঞ্চলের বেশ খানিকটা দখলে চলে এসেছে তাদের!

ইউরোপকে রক্ষার জন্য অর্ডার অফ ড্রাগন সংগঠনটি আবার নতুন করে গঠন করা হলো। এই সংগঠনের সদস্য হওয়ার জন্য ওয়ালাচিয়ার শাসক ভ্লাদ দ্য সেকেন্ডকে উপাধি দেওয়া হলো ‘ড্রাকুল’ বা ‘ড্রাগন’। আর তারই সন্তান হলেন ভ্লাদ দ্য থার্ড যার উপাধি ‘ড্রাকুলা’ বা ‘ড্রাগনের সন্তান’। যেখানে ইউরোপের বড় বড় শক্তি অসহায়, সেখানে তুর্কিদের সামনে কী করে রুখে দাঁড়াবে পুচকে ওয়ালাচিয়া? অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন ড্রাকুলা!
কারো মতে তিনি এক নির্মম শাসক, ঠান্ডা মাথার খুনি… আবার কারো মতে তিনি একজন সত্যিকারের বীর! যিনি মরতে চেয়েছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে… কল্পকাহিনি তো অনেক হয়েছে… সত্য জানবেন না?

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
প্রথমত বইটি হাতে পাওয়ার পরে যে-ধরনের এক্সপেকটেশন রেখেছিলাম, বইটা সম্পর্কে। বইটি পড়ার পরে আমার এখন মনে হচ্ছে আমার ফার্স্ট এক্সপেকটেশন এর তুলনায় বইটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেক অনেক বেশি রোমাঞ্চকর।

ড্রাকুলা। নামটা শুনলেই যেন এক ভয় কাজ করে। যেন শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে যায় বরফের স্রোত। মনে পড়ে যায় সেই বিরাট প্রাসাদের কথা। ছলে বলে কৌশলে কোনও মানুষকে ড্রাকুলা নিয়ে আসতো নিজের কবজায়, আর তারপর সেই হতভাগ্যের গলায় বসে দিতো তাঁর শ্বদন্ত। নিঃশেষে শুষে নিতো শিকারের শরীরের সব রক্ত। নতুন করে শক্তি সংগ্রহ করে উঠে দাঁড়াতো অন্ধকারের রাজা, কাউন্ট ড্রাকুলা। তাঁর প্রাসাদে একবার যে আসতো, আর ফিরে যেতো না কখনও। কেবল পাওয়া যেত একটা রক্তহীন মৃতদেহ। এইভাবেই এক বিখ্যাত উপন্যাস আর তার কাহিনি অবলম্বনে তৈরি সিনেমার মাধ্যমে কাউন্ট ড্রাকুলাকে চিনেছে সারা বিশ্ব। যত না চিনেছে, তার চেয়ে বেশি ভয় পেয়েছে। আর এই ভয়ের আড়ালে রয়ে গিয়েছে ড্রাকুলার সত্যি পরিচয়। কে এই কাউন্ট ড্রাকুলা? নিছক সাহিত্যের চরিত্র? নাকি এর মধ্যে রয়েছে বাস্তবের কোনও আদল?

কেবল মনের মাধুরী দিয়ে গড়া চরিত্র নন এই কাউন্ট ড্রাকুলা।
রক্তচোষা বাদুড় কিংবা ভ্যাম্পায়ার, মানুষ তাঁর এই নাম দিলেও তাঁর আসল নাম ছিল তৃতীয় ভ্লাদ। এককালে দুর্গের বাসিন্দা ছিলেন অত্যাচারী শাসক এই তৃতীয় ভ্লাদ। নির্যাতনের নৃশংসতার জন্য যিনি পরিচিত ছিলেন ‘ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার’ নামেও। পঞ্চদশ শতাব্দীতে ওয়ালাচিয়া অঞ্চলে নিজের কুখ্যাত শাসন চালিয়েছিলেন ভ্লাদ। বাবার স্মৃতি নিজের মধ্যে ধরে রাখতে, পিতা ড্রাকুলের নামে ভ্লাদ নিজের নামকরণ করেছিলেন, ড্রাকুলা। তবে এতটাই নৃশংস ছিলেন তিনি যে সারা ইউরোপে তার অত্যাচারের কাহিনি মুখে মুখে ফিরত।

রোমানিয়া অঞ্চলে এককালে রাজ্যপাট ছিল তাঁর। আসলে কে ছিলেন তিনি? কেনই বা তাঁর নামের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে এমন কিংবদন্তি?
'ইম্পেলার' এই শব্দটির সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ড্রাকুলার রক্তচোষা মিথের উৎস। কারণ শত্রুর রক্ত দেখতে ভালবাসতেন এই নিষ্ঠুর শাসক। শত্রুকে শাস্তি দেওয়ার জন্য এক নৃশংস উপায় অবলম্বন করতেন তৃতীয় ভ্লাদ। শূল, অর্থাৎ কোনও ধারালো ফলাওয়ালা দণ্ডে গেঁথে ফেলা হত সেই হতভাগ্য মানুষগুলোকে। খোলা আকাশের নিচে দিনের পর দিন ওইভাবে থাকতে থাকতে অমানুষিক যন্ত্রণায় মৃত্যু হত তাদের। জীবন্ত অবস্থাতেই তাদের শরীর থেকে মাংস ঠুকরে খেত শিকারি পাখিরা।

শুধু সাধারণ মানুষই নয়, যদি কখনও কোনো অভিজাতও ভ্লাদের বিরোধিতা করতেন, তাহলে তাঁদের জন্যেও বজায় থাকত এই একই শাস্তি। অকথ্য নির্যাতন চলত কারাগারে। রক্ত দেখতে ভালবাসতেন ভ্লাদ। যদিও বিতর্কিত ভাবে, ভ্লাদের রক্তপিপাসা সম্পর্কে জানা থাকলেও তাঁর পক্ষে ছিলেন পোপ দ্বিতীয় পায়াস। শুধু তাই নয়, কঠোরভাবে শাসন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য রোমানিয়ার জাতীয় নায়ক হিসাবেও প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। বলা হত, ভ্লাদ না থাকলে যুদ্ধের সময় আক্রমণকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেত না ওই অঞ্চলটি।

এখন আসি লেখকের লিখনশৈলীর দিকে, সত্যি বলতে লেখকের লিখনশৈলী আসলেই অসাধারণ ছিলো।
লেখকের প্রকাশভঙ্গী বেশ ভালো ছিল। লেখায় ডিটেলিং ছিল ভালোভাবেই। খুব সুন্দর এবং সাবলীল ভাষায় তিনি বইটা সাজিয়েছেন এবং অনেক সুপাঠ্য ছিল।
বইয়ের সেটিং, থিম এনালাইসিস ও রিসার্চগুলো ছিলো দারুণ। সাধারণত লেখক এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেন। আর লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও বাজিমাত করেছেন।
পার্ফেক্ট স্টোরি টেলিং হয়েছে বইটার। এছাড়াও বইয়ের সেটিং ও থিম এনালাইসিস ছিলো দারুণ। সাধরণত লেখক এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। আর লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসাধারণত্ব দেখিয়েছেন।
লেখক চেষ্টা করেছেন নতুনত্ব দেওয়ার এবং অনেকখানিই সফল হয়েছেন তিনি। সত্যি বলতে বইটা চমৎকার আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। এমন যে একবার শুরু করলে আর উঠতে মন চাইবে না। বইটাতে পাঠকদের ধরে রাখার একটা টান আছে। পড়তে পড়তে কখনো আটকে গিয়েছে ভ্লাদের রাজ্যে। বর্তমান সময়ের পাঠকরা বইটি পড়ে বেশ রোমাঞ্চিত ও উপভোগ্য করবে বলে আমি মনে করি। লেখকের জন্য অসংখ্য ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো।

সবশেষ, বেনজিনের বইয়ের প্রডাকশন নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, ওরা আমাকে মুগ্ধ করে বারবারই। এবারও বইয়ের পৃষ্টার মান, সজল চৌধুরী ভাইয়ের অসাধারণ মনকাড়া প্রচ্ছদ, ডাস্ট কভার, কালার কম্বিনেশন, ফন্ট সবকিছুই টপনচ, এককথায় অসাধারণ। প্রকাশনীর এমন কাজ সত্যিই প্রসংশার দাবীদার।

বই রিভিউ,, বইঃ মহাজাগরণলেখকঃ Mohaiminul Islam Bappy প্রচ্ছদঃ জাওয়াদ উল আলমবানান সংশোধনঃ নিঝুমধরণঃ সাইফাই/অ্যাপোক্যালিপ্ট...
02/03/2023

বই রিভিউ,,

বইঃ মহাজাগরণ
লেখকঃ Mohaiminul Islam Bappy
প্রচ্ছদঃ জাওয়াদ উল আলম
বানান সংশোধনঃ নিঝুম
ধরণঃ সাইফাই/অ্যাপোক্যালিপ্টিক
প্রকাশনায়ঃ বেনজিন প্রকাশন
মুদ্রিত মূল্যঃ ২৫০/-
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৬

ফ্ল্যাপ থেকেঃ
উন্মাদ হয়ে গেছে ঢাকার মানুষ। দল বেঁধে হামলা করছে একে অপরের উপর। ভাঙচুর করছে দোকানপাট, গাড়ি-ঘোড়া, পোড়াচ্ছে বাড়িঘর। কিছু মানুষ আবার দেওয়ালে দেওয়ালে কুৎসিত ভয়াবহ এক দানবের গ্র্যাফিতি এঁকে বেড়াচ্ছে রাতের অন্ধকারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় নেমেছে সেনাবাহিনী। চলছে গোলাগোলি, রক্তপাত। যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো শহর।
এই যখন পরিস্থিতি, তখন খুঁজে পাওয়া গেল এক তরুণ গবেষকের লেখা প্রবন্ধ, যেখানে সে কয়েক বছর আগেই এই পরিস্থিতির কথা ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন। কিন্তু সেই তরুণ কোথায় এখন? নিরুদ্দেশ! কেউ জানে না তার অবস্থান।
শুরু হলো অস্তিত্ব ও সভ্যতা রক্ষার এক অবিশ্বাস্য লড়াই, যা প্রশ্নবিদ্ধ করে আমাদের চেনাজানা রিয়েলিটিকে।

পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
বলা চলে অনেকদিন পর দারুণ একটা বই পড়লাম। বেশ ইউনিক প্লট। রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরপুর। সাই ফাই ও সিমুলেশনের এক অসাধারণ মেলবন্ধন রীতিমতো মুগ্ধ করেছে।
বইটি নিয়ে বেশি কিছু বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে। বইটা সাই-ফাই ঘরানার হলেও একটা থ্রিলিং সাধ পেয়েছি। প্রথম দিকে বইটা একটু সাদামাটা ভাবে এগুলেও যতো গভীরে ঢুকেছি ততই রহস্য ও থ্রিলিং ভাইব দিতে শুরু করে। বইটিতে একই সাথে রয়েছে, রোমাঞ্চ, রহস্য, ও সিমুলেশন সূত্রের অসাধারণ কম্বিনেশন। যা খুব সহজেই আপনাকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবে।
এই লেখক নিজে ব্রেইনস্টর্মিং করতে এবং পাঠকদের চিন্তা চেতনা, ব্রেইন নিয়ে খেলতে ভালোবাসে সম্ভবত।
লেখকের অন্যান্য বইগুলোর মতো এটারও লিখনশৈলী, বর্ণনা, সংলাপ সবকিছুই দারুণ সুখপাঠ্য ছিলো। সিমুলেশন ও জোম্বি অ্যাপোক্যালিপ্টিকের কঠিন ও মাথা নষ্ট করার মতো সব থিওরি উনার লেখনীর মাধ্যমে খুব সহজভাবে তুলে ধরেছেন।
ছোট সাইজের এই বইটি কিন্ত খুবই গতিময় ছিল। গল্পে ঢুকে পড়বেন তো দ্রুত পৃষ্ঠা উল্টাবেন। সুন্দর ও গোছানো ছিল। প্লট ও কাহিনির বুনন বেশ পরিপক্ক লেগেছে।
বইয়ের সেটিং, থিম এনালাইসিস ও রিসার্চগুলো ছিলো দারুণ। সাধারণত লেখক এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেন। আর লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও বাজিমাত করেছেন। পার্ফেক্ট স্টোরি টেলিং হয়েছে বইটার। লেখক চেষ্টা করেছেন নতুনত্ব দেওয়ার এবং অনেকখানিই সফল হয়েছেন তিনি।

সবশেষ, বেনজিনের বইয়ের প্রডাকশন নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, ওরা আমাকে মুগ্ধ করে বারবারই এবারও বইয়ের পৃষ্টার মান, জাওয়াদ উল ভাইয়ের অসাধারণ মনকাড়া প্রচ্ছদ, ডাস্ট কভার, কালার কম্বিনেশন, ফন্ট সবকিছুই টপনচ, এককথায় অসাধারণ। প্রকাশনীর এমন কাজ সত্যিই প্রসংশার দাবীদার।

সবুজচেরা এই মেঠোপথ ধরে হেঁটে চলেছি বহুদূরএ চলার শেষ নেই। বিরামহীন এ যাত্রা।সুনীল আকাশসবুজ ধানখেতশীতল বাতাসহাতছানিতে ডাকে...
14/02/2023

সবুজচেরা এই মেঠোপথ ধরে হেঁটে চলেছি বহুদূর
এ চলার শেষ নেই। বিরামহীন এ যাত্রা।
সুনীল আকাশ
সবুজ ধানখেত
শীতল বাতাস
হাতছানিতে ডাকে চিরদিন।

জীবনের আলপথ বেয়ে
গহীন স্বপ্নগুলো সামনে এসে দাঁড়ায়- নীরবে, চুপিসারে।
রূপসী বাংলার ছবি স্নিগ্ধ ভোরের রবি
কিংবা অপরূপ চাঁদ
অপলকে চেয়ে থাকে অমলিন। বাস্তবতার চৌকাঠ পেরিয়ে গায় জীবনের জয়গান। সুরের ইন্দ্রজালে ভেসে যায় সকাতরে।

বই রিভিউ🔰 বইঃ অপ্রকৃতস্থ (ইলাস্ট্রেটেড ভার্সন)🔰 লেখকঃ রাফাত শামস🔰 প্রচ্ছদঃ জাওয়াদ উল আলম🔰 ইলাস্ট্রেশনঃ সাগর খান এবং রাফ...
31/01/2023

বই রিভিউ

🔰 বইঃ অপ্রকৃতস্থ (ইলাস্ট্রেটেড ভার্সন)
🔰 লেখকঃ রাফাত শামস
🔰 প্রচ্ছদঃ জাওয়াদ উল আলম
🔰 ইলাস্ট্রেশনঃ সাগর খান এবং রাফাত শামস
🔰 জনরাঃ টেকনো থ্রিলার
🔰 প্রকাশনায়ঃ নয়া উদ্যোগ
🔰 পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২
🔰 মুদ্রিত মূল্যঃ ২৫০/-

🔰 কাহিনি সংক্ষেপঃ
গভীর রাতে হাইওয়ের ধারে খাঁদে পড়ে গেল এক কাভার্ড ভ্যান। ড্রাইভার মৃত, ফ্রিজিং ইউনিটে মিলল কয়েকটা বডিব্যাগবন্দী লাশ।
একটা বডিব্যাগ ছেঁড়া, তার ভেতরের 'লাশ'-টা নেই। প্রবল আক্রোশে কে যেন আঘাত করে তুবড়ে দিয়েছে ভেতরের দেয়াল, এমনকি ভারী দরজাও ভেঙে ফেলেছে।
পুরো ব্যাপারটা গোপনীয় রাখতে চাচ্ছে অতি ক্ষমতাধর একটা

কী ছিল সেই বডিব্যাগে?

🔰 পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ
'অপ্রকৃতস্থ' বইটি মূলত লেখকের টেকনো থ্রিলার এবং 'সুপারহিউম্যান' সিরিজের প্রথম বই।
মার্টিন এফ টুপার বলেছিলেন, 'একটি ভালো বই হলো বর্তমান ও চিরকালের জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বন্ধু।'
বন্ধুহীন ঘরকুনো মানুষগুলো এই কথার মূল্য সবচেয়ে ভালো জানেন। বই মানেই অনাবিল আনন্দ আর ভরপেট আড্ডা। তবে এটাও ঠিক, সবসময় যে বই শিক্ষনীয় বিষয়ে হবে তা উচিত নয়। আনন্দের জন্যেও বই পড়া উচিত।

এই ব্যাপারে হুমায়ুন আহমেদের কথাখানা বেশ লাগে, 'শিক্ষামূলকই যদি লিখতে হতো তাহলে তো পাঠ্যবইই লিখতাম।'
বই পড়েই কখনও সব জানা যায় না। বাস্তবতার উপলব্ধি করতে হয় কিছুটা দেখেশুনে আর কিছুটা কল্পনায়। গল্পের বই সেই কল্পনার জগতকে প্রসারিত করে।

ঠিক তেমনই একটা বই 'অপ্রকৃতস্থ'
সত্যি বলতে, বইটা আসলেই অনবদ্য এবং অদ্ভুত।
অদ্ভুত লাগার কারণও আছে। আমি টেকনো থ্রিলার এর সাথে পরিচিত নই এবং এই বিষয়টা আমার জন্য নতুন কিছুর মতো। এই প্রথম কোন টেকনো থ্রিলার বই পড়লাম।
বইয়ের গল্পটা কিন্ত খুবি আকর্ষণীয় ও বিস্তৃত। বইটিতে দারুণ একটা টেকনোলজি ও সাই-ফাই এর কম্বিনেশন রয়েছে। বইয়ের শেষ দৃশ্য বলে দেয় যে কাহিনি সবে মাত্র শুরু। বইটার সিক্যুয়েল আসবে তাই লেখক বইটিতে গল্পের একটি লে আউট দাঁড় করিয়েছেন মাত্র।
বইটিতে লেখক তার গল্পের সংলাপ ও চরিত্রগুলোকে বেশ দুর্দান্ত ভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন।

ছোট সাইজের এই বইটি কিন্ত বেশ দ্রুত গতিতেই এগিয়েছে। গল্পতে ঢুকে পড়বেন তো দ্রুত পৃষ্ঠা উল্টাবেন। সুন্দর এবং গোছানো ছিল। গল্পের প্লট, কাহিনির বুনন বেশ পরিপক্ব লেগেছে।

🔰 স্টোরি টেলিংঃ
বইয়ের গল্পের স্টোরি টেলিং হয়েছে যথাযথ ভাবেই। বেশ দাপুটে প্লট ছিলো বইটার। কিছুকিছু জায়গায় একটু সাধামাটা লাগলেও লেখক তা পরবর্তী পৃষ্টাতেই পুষিয়ে দিয়ে দারুণভাবে বইটাকে এগিয়ে নিয়েছেন লেখক। প্লট মেকিং ও স্টোরি বিল্ডাপ করা হয়েছে সুন্দরভাবে, এছাড়াও বইয়ের সেটিং ও থিম এনালাইসিস ছিলো দারুণ। সাধরণত লেখক এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। আর লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসাধারণত্ব দেখিয়েছেন।

🔰 লিখনশৈলীঃ
লেখক রাফাত শামস ভাইয়ের লিখনশৈলী অসাধারণ ছিলো। গল্পগুলোতে লেখক দারুণ ডিটেলিং করেছেন।লেখকের প্রকাশভঙ্গী, লিখনশৈলী ও সংলাপ বরাবরই অসাধারণ হয়েছে। খুব সুন্দর এবং সাবলীল ভাষায় তিনি বইটা সাজিয়েছেন।

🔰 নেগেটিভ দিকঃ
বইটি একবসায় শেষ করে ফেলার মতো হলেও সম্পাদনার খানিকটা ঘাটতি আছে কিছু জায়গায়। এছাড়া বইয়ের পেইজ কাটিং এ আরো সতর্ক হওয়া দরকার ছিল, প্রায় মার্জিন এ চলে গেছে। শেষ প্রান্ত আরো মসৃণ হতে পারত।
দু একটা বানান ভুল চোখে পড়েছে। এ ছাড়া পেইজ কোয়ালিটি, কভার, বাধাই একদম টপ নচ।
আশা করি যে জায়গাগুলোতে সম্পাদনার ঘাটতি রয়ে গেছে, সেই জায়গাগুলো ঠিকঠাক করে নেয়া হবে পরবর্তী সংস্করণে এবং পেইজ কাটিং এর দিকে যত্নবান হবে।

🔰ব্যাক্তিগত মতামতঃ
লেখক সর্বসাকুল্যে চেষ্টা করেছেন বইটিতে নতুনত্ব দেওয়ার এবং বলতে হয় অনেকখানি সফলও হয়েছেন৷ লেখকের এ ধরণের নতুনত্ব নিয়ে আসা আমার মনে হয় পাঠককে বইয়ের জগতে একটি নতুন ধারণার সাথে পরিচয় করে দিবে। সর্বশেষ বলতে চাই বইটা বেশ ভালো ছিলো। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। চমৎকার আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। এক বসায় পড়ে ফেলার মতো একটি বই। বইটাতে পাঠকদের ধরে রাখার একটা টান আছে। পাঠক বইটি পড়ে বেশ রোমাঞ্চিত ও উপভোগ্য করবে বলে আমি মনে করি। লেখকের জন্য অসংখ্য ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো।
'সুপারহিউম্যান' সিরিজের দ্বিতীয় বইয়ের জন্য তীব্র অপেক্ষায় রইলাম।

Address

Sreemangal
Sylhet

Telephone

+8801785565621

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umar's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Umar's Diary:

Share