09/06/2026
একটি সুস্থ সমাজে অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান বিকৃত বাস্তবতায় অপরাধের চেয়ে অপরাধীর ধর্মীয় ট্যাগলাইন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যখন ৮ বছরের এক মুসলিম নিষ্পাপ শিশুকে কোনো হিন্দু নরপিশাচ ছিঁড়ে খায়, তখন প্রগতিশীলতার মুখোশ পরা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার মুখে কুলুপ এঁটে যায়। এটা কোনো পেশাগত গাফিলতি নয়, এটা নিখাদ অপরাধমূলক নীরবতা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর মাকে যখন তিনজন হিন্দু পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিলে দলবদ্ধভাবে সম্ভ্রমহানি করে, তখনও এই মেরুদণ্ডহীন সমাজ আর অন্ধ গণমাধ্যম টুঁ শব্দটিও করেনি। স্থানীয় জনতাও কুৎসিত ভয়ের চাদরে নিজেদের বিবেক ঢেকে বসে ছিল।
ধর্ষক হিন্দু হলে যদি মিডিয়ার ঠোঁট সেলাই হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে এই সাংবাদিকতা করপোরেট আর রাজনৈতিক চাটুকারিতার দাসত্ব করছে। মনে রাখবেন, ৮ বছরের শিশু কিংবা অসহায় মায়ের কান্নার কোনো জাত-ধর্ম হয় না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে টেনেহিঁচড়ে খাঁচায় পোরা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মিডিয়া আর প্রশাসনের এই সিলেক্টিভ অন্ধত্বের মুখে লাথি মারার সময় এসেছে। আজ অন্যের ঘরে আগুন লেগেছে বলে যারা চুপ আছেন, মনে রাখবেন—আগামীকাল এই নীরবতার আগুন আপনার নিজের ঘরটাকেও ছাই করে দেবে।