অর্ঘ্যদ্যুতি

অর্ঘ্যদ্যুতি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অর্ঘ্যদ্যুতি, Photographer, Sitakund.

মৃত্যুর দেবতা যমরাজকেও যিনি অযোধ্যায় প্রবেশ করতে দেননি কেবল তাঁর শ্রী রাম প্রভুর সুরক্ষার জন্য, তিনিই কলিযুগের একমাত্র জ...
02/06/2026

মৃত্যুর দেবতা যমরাজকেও যিনি অযোধ্যায় প্রবেশ করতে দেননি কেবল তাঁর শ্রী রাম প্রভুর সুরক্ষার জন্য, তিনিই কলিযুগের একমাত্র জীবন্ত দেবতা।
কলিযুগের প্রতিটি রামনামের স্পন্দনে আজও নিঃশব্দে জেগে আছেন বজরংবলি।
শক্তির চরম শিখর হয়েও যিনি প্রভু শ্রী রামের দাসত্বের পরম সুখে নিজেকে বিলীন করেছিলেন, তিনিই আমাদের পবনপুত্র হনুমান।

জয় শ্রী হনুমান 🙏🙏 জয় বজরংবলী 🙏🙏

জয় শ্রী রাম 🚩🚩🚩

01/06/2026

I stopped fearing loneliness when I found Mahadev!🔱🤍

16/05/2026

ফলহারিণী অমাবস্যা-১৪৩৩ বঙ্গাব্দ❤️

ফলহারিণী অমাবস্যা হিন্দু শাক্ত ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যাকে “ফলহারিণী কালীপূজা” বলা হয়। “ফলহারিণী” শব্দের অর্থ যিনি কর্মফল হরণ করেন বা পাপ ও দুঃখ দূর করেন। এই তিথিতে মা কালী-র আরাধনা করলে জীবনের দুঃখ, বাধা, অশুভ শক্তি ও পাপক্ষয় হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
বিশেষত তন্ত্রসাধনা, কালীসাধনা এবং আত্মশুদ্ধির জন্য এই অমাবস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার বহু শক্তিপীঠ ও কালীমন্দিরে এদিন বিশেষ পূজা, হোম, যজ্ঞ ও রাত্রিজাগরণ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস এই তিথিতেই শ্রী সারদা দেবী-কে ষোড়শী রূপে পূজা করেছিলেন যা “ষোড়শী পূজা” নামে প্রসিদ্ধ ❤️‍🩹

01/05/2026

I trust in His plan. No matter how harsh the world may be to me, I know He is always there…guiding me, protecting me and caring for me in every possible way 🔱❤️🙏

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান! আজ শুভ অক্ষয় তৃতীয়া পুণ্য তিথিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উন্মোচিত হলো এক নতুন...
20/04/2026

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান!
আজ শুভ অক্ষয় তৃতীয়া পুণ্য তিথিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত।
পূর্ণতা পেল "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শ্রীশ্রী সরস্বতী জ্ঞান মন্দির"।

সবাইকে শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার প্রণাম ও শুভেচ্ছা ❤️

18/04/2026

হনুমান জয়ন্তী ২০২৬ইং🚩

~~ বিকট রুপ ~~

প্রতিমাশিল্পী - উত্তম পাল (ফরিদপুর)
অলংকরণ - রিমন দে বাবু
আলোক নির্দেশনায়- G. K. Sound & Lighting
আয়োজনে- নক্ষত্র বয়েজ ক্লাব
পূজাঙ্গন- টেকপাড়া,গঙ্গাবাড়ী,ফিরিঙ্গীবাজার

মায়ের ৫৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী... 🌺❤️‍🩹📌 শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম: হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী...
15/04/2026

মায়ের ৫৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী... 🌺❤️‍🩹

📌 শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম: হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী সতীর দেহত্যাগের পর মহাদেব যখন তাঁর দেহ নিয়ে প্রলয় নৃত্য শুরু করেন, তখন ভগবান বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দিয়ে দেহটি খণ্ড-বিখণ্ড করেন। চট্টেশ্বরী মন্দিরে সতীর শরীরের একটি অংশ (মতান্তরে ডান বাহু) পড়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।

নামকরণ: অনেকের মতে, এই দেবীর নাম থেকেই 'চট্টগ্রাম' নামের উৎপত্তি হয়েছে। তিনি এই অঞ্চলের রক্ষা কর্ত্রী বা 'গ্রাম দেবী' হিসেবে পূজিত হন।

প্রতিষ্ঠা: প্রায় ৩০০-৩৫০ বছর আগে আর্য ঋষি ও সন্ন্যাসীদের মাধ্যমে এই দেবীর প্রকাশ ঘটে। সাধক রামসুন্দর দেবশর্মা এই মন্দিরে মায়ের প্রথম সেবা-পূজা শুরু করেন।

মন্দিরের বিগ্রহ ও স্থাপত্য আদি বিগ্রহ: অতীতে মায়ের মূল বিগ্রহটি ছিল নিমকাঠের তৈরি। তবে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আদি বিগ্রহটি ধ্বংস করে ফেলে।

বর্তমান বিগ্রহ: যুদ্ধের পর সেবায়েত পরিবার ভারতের বেনারস থেকে কষ্টিপাথরের একটি নতুন বিগ্রহ তৈরি করে আনেন, যা বর্তমানে পূজিত হচ্ছে। তবে আদি নিমকাঠের মূর্তির একটি খণ্ডিত অংশ এখনো সংরক্ষিত আছে।

মন্দির চত্বর: মূল চত্বরের বাম দিকে কালী মন্দির এবং ডান দিকে শিব মন্দির অবস্থিত। শিব মন্দিরের পাশে একটি পবিত্র কুণ্ড রয়েছে, যার জল অত্যন্ত অলৌকিক বলে ভক্তরা বিশ্বাস করেন।

পূজা ও প্রধান উৎসব: দীপাবলির রাতে অনুষ্ঠিত শ্যামাপূজা এই মন্দিরের সবচেয়ে বড় উৎসব। এ সময় হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। এছাড়া সারা বছর অমাবস্যা তিথিতে বিশেষ পূজা হয়।

সময়সূচী: সাধারণত প্রতিদিন ভোর ৫টায় মন্দিরের দুয়ার খোলা হয় এবং রাত ১১টায় বন্ধ হয়। দুপুরে মন্দিরটি দেড়-দুই ঘণ্টার জন্য বিশ্রামে থাকে।

©️ সংগৃহীত

#চট্টেশ্বরী #চট্টগ্রাম

হনুমানজীর সারা শরীরে কেন সিঁদুর মাখানো থাকে,জানেন?আসুন জেনে নিন মহাবলীর সিঁদুর প্রীতির রহস্য:তুলসী রামায়ণ থেকে জানা যায...
11/04/2026

হনুমানজীর সারা শরীরে কেন সিঁদুর মাখানো থাকে,জানেন?
আসুন জেনে নিন মহাবলীর সিঁদুর প্রীতির রহস্য:

তুলসী রামায়ণ থেকে জানা যায়, লঙ্কা বিজয়ের পরে শ্রীরামচন্দ্র ও মাতা সীতার সাথে অযোধ্যায় এসেছিলেন শ্রীহনুমান। সেখানে কিছুদিন থাকার পরে মাতা সীতার সিথিতে টকটকে লাল রঙের সিঁদুরের দিকে নজর পড়ে শ্রীহনুমানের। মাতা সীতাকে সিঁদুর পরিধান করতে এর আগেও হয়ত দেখেছেন তিনি। তবে অযোধ্যায় ফেরার পরে সিঁদুর পরিধানের বিষয়টি নিয়ে শিশুসুলভ কৌতূহল জাগে শ্রী বজরংবলির মনে।

তো একদা মাতা সীতা সদ্য স্নান সেরে যখন শৃঙ্গার করছিলেন, ঠিক তখনই সেখানে হাজির হনুমান। মাতা সীতা হনুমানকে ডেকে বললেন, “কি ব্যাপার পুত্র? তোমার চেহারা দেখে মনে হচ্ছে নিশ্চই নতুন কোন কৌতূহল নিয়ে আমার কাছে এসেছো।

শ্রীহনুমান বললেন, " ঠিকই ধরেছেন মাতা। আমি সম্প্রতি লক্ষ্য করেছি আপনি আপনার কপালে ও সিথিতে লাল রঙের কোন এক বস্তুর প্রলেপ প্রদান করেন। অনুগ্রহ করে এই লাল পদার্থের প্রলেপের মহিমা আমাকে বর্ণনা করুন "

উত্তরে মাতা সীতা মৃদু হেসে বললেন, " তুমি নিতান্তই ছেলেমানুষ হনুমান। তাই এই অতি সাধারন বিষয়টিও তুমি আমার কাছে জিজ্ঞাসা করছো। তুমি আমার কপালে ও সিথিতে যে লাল প্রলেপটি দেখতে পাচ্ছ, সেটি হচ্ছে সিঁদুর। আমি আমার স্বামী শ্রীরামচন্দ্রের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনায় এই বস্তু পরিধান করি।"
মাতা সীতার কথা শুনে এক অদ্ভূত পরিতৃপ্তিতে ভরে গেল শ্রীহনুমানের চোখ-মুখ।
যেন মাতা সীতার কথা শুনে নতুন কোন চমকপ্রদ পরিকল্পনার কথা মাথায় খেলে গেল তার। তবে মাতা সীতা শ্রীহনুমানের পরিকল্পনার কথা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারলেন না ।

যাইহোক, পরদিন সকালে ভরা রাজসভায় মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে রাজকার্য পরিচালনা শুরু করলেন শ্রীরামচন্দ্র। অত্যন্ত ব্যাস্ততম সেই সভায় হঠাৎ করেই শুরু হল হাসির রোল।
দেখা গেল, শ্রীহনুমান তার সারা শরীরে সিঁদুর মেখে টকটকে লাল বর্ণ ধারণ করে হাজির হয়েছেন অযোধ্যার রাজসভায়। শ্রীহনুমানের এই শিশুসুলভ কার্যকলাপ দেখে মনে মনে পুলকিত হলেন স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্রও। তিনি নিজেকে সংবরণ করে মৃদু স্বরে শ্রীহনুমানকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হে মিত্র, তোমার সারা শরীর লাল হলো কিভাবে?”
উত্তরে শ্রীহনুমান যা বললেন, তাতে হাস্যরত সভাসদদের হাসি থেমে গিয়ে জল চলে এল সকলের চোখে।

হনুমান বললেন, “প্রভু, আমি গতকাল মাতা সীতাকে এই সিঁদুর তার কপাল ও সিথিতে পরিধান করতে দেখেছি। মাতা সীতা আমাকে বলেছেন যে, তিনি আপনার মঙ্গল ও দীর্ঘ আয়ুর জন্য এই রঞ্জক পরিধান করেন। প্রভু, আমিও মাতা সীতার মত আপনার মঙ্গল চাই। তবে আমি আপনার দীর্ঘ আয়ু চাই না, আমি চাই আপনার অমরত্ব। তাই আমি আমার সারা শরীর এই সিঁদুর দ্বারা রঞ্জিত করেছি।”

শ্রীহনুমানের এই শিশুসুলভ ছেলেমানুষি দেখে চোখে জল চলে এল জগতের প্রতিপালকেরও। তিনি সিংহাসন থেকে নেমে এসে বুকে জড়িয়ে ধরলেন শ্রীহনুমানকে।
এরপর বললেন, “হে মিত্র, তোমার এই ভালোবাসাই আমাকে অমর করে রাখবে। পৃথিবীতে যখন যখন রাম নাম উচ্চারিত হবে, তার পাশাপাশি শ্রী হনুমানের নামও পরম ভক্তির সাথে উচ্চারিত হবে। আজ তুমি আমার প্রতি যে অপ্রতুল ভক্তি ও প্রেম প্রদর্শন করলে তার জন্য আমি তোমাকে আশির্বাদ করছি- যে ব্যক্তি তোমাকে ভক্তির সাথে সিঁদুর অর্পণ করবে, তার সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ হবে।

সিঁদুর দান করলে ভক্তের সব ইচ্ছা পূরণ হয়:-

এরপর থেকেই হনুমান ভক্তরা মনে করেন, বীর হনুমানকে সিঁদুর দান করলে তিনি সেই সিঁদুর নিজের গায়ে মাখেন এবং ভক্তের সমস্ত ইচ্ছে পূরণ করে দেন। এরপর থেকেই হনুমানজির পুজোয় সিঁদুর অর্পণ করা শুভ বলে মনে করা হয়। কারণ এতে হনুমানজি প্রসন্ন হন এবং ভক্তের সব ইচ্ছা পূরণ করেন। 🌺🌿

জয় হনুমান 🧡
জয় বজরংবলী 🚩
মহাবীর সকলের মঙ্গল করুক ❤️

দেহ নশ্বর হতে পারে, কিন্তু নিঃস্বার্থ কাজ মানুষকে অমর করে রাখে। চিরঞ্জীবী হনুমান কেবল একটি চরিত্র নন, তিনি প্রতিটি লড়াকু...
04/04/2026

দেহ নশ্বর হতে পারে, কিন্তু নিঃস্বার্থ কাজ মানুষকে অমর করে রাখে। চিরঞ্জীবী হনুমান কেবল একটি চরিত্র নন, তিনি প্রতিটি লড়াকু মানুষের বেঁচে থাকার অদম্য জেদ।

জয় শ্রী রাম ভক্ত শ্রী হনুমান 🚩

হনুমান জয়ন্তী মানে শুধু একটা দিন নয়, এটি হলো শক্তির নব শপথ,বজরংবলীর নামেই কাটবে মনের সকল অন্ধকার নিশা।🚩কলিযুগে জপলে নাম,...
01/04/2026

হনুমান জয়ন্তী মানে শুধু একটা দিন নয়, এটি হলো শক্তির নব শপথ,
বজরংবলীর নামেই কাটবে মনের সকল অন্ধকার নিশা।🚩

কলিযুগে জপলে নাম, ঘুচবে সকল ক্লান্তি-ভয়,
হৃদয়ে রাম থাকলে নিশ্চিত হবেই জীবনের জয় 🧡

Address

Sitakund

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অর্ঘ্যদ্যুতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category