SakiB Photography

SakiB Photography Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SakiB Photography, Photographer, Shamsher Nagar Bazar.

31/07/2024

ইবন তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেছেন, "বলা হয় যে আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখেন যদিও তা অবিশ্বা*সীদের দ্বারা পরিচালিত হয়, কিন্তু আল্লাহ অত্যা*চারী রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখেন না যদিও তা মুসলমানদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এবং বলা হয় যে ন্যায়পরায়ণতা ও অবিশ্বা*সের সাথে পৃথিবী টিকে থাকবে, কিন্তু অত্যা*চার ও ইসলামের সাথে টিকে থাকবে না।"
সূত্র: আল-আমর বিল মা'রূফ ১/২৯

18/07/2024

খুবই খারাপ অবস্থায়!!!

আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কিছুই সম্ভব না

উসামা লাদেন wasted
17/04/2024

উসামা লাদেন wasted

শাইখ সুদাইস শেষ মুহূর্তের পদক্ষেপে রমজানের আগে শাইখ ইয়াসিরশাইখ সুদাইস বুধবার সন্ধ্যায় শাইখ দাসারিকে মসজিদ আল হারামের "...
07/03/2024

শাইখ সুদাইস শেষ মুহূর্তের পদক্ষেপে রমজানের আগে শাইখ ইয়াসির

শাইখ সুদাইস বুধবার সন্ধ্যায় শাইখ দাসারিকে মসজিদ আল হারামের "স্থায়ী ইমাম" হিসাবে পুনরায় নিয়োগের আদেশ জারি করেছেন।

হাদীছ জাল করার এক অভিনব কৌশলযখন রাফ‘উল ইয়াদায়েনকে প্রতিরোধ করার আর কোন পথ পাওয়া যায়নি তখন বলা হয়েছে যে, রাফ‘উল ইয়াদায়েনে...
05/03/2024

হাদীছ জাল করার এক অভিনব কৌশল

যখন রাফ‘উল ইয়াদায়েনকে প্রতিরোধ করার আর কোন পথ পাওয়া যায়নি তখন বলা হয়েছে যে, রাফ‘উল ইয়াদায়েনের হাদীছগুলো মানসূখ বা হুকুম রহিত হয়ে গেছে। অথচ উক্ত দাবীর পক্ষে যে সমস্ত বর্ণনা পেশ করা হয় তা ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক।

একদা আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন, ছালাতে রুকূতে যাওয়ার সময় ও রুকূ হতে উঠার সময় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করছে। তিনি তখন বললেন, তুমি এটা কর না। কারণ এগুলো সবই রাসূল (ছাঃ) করেছেন, তবে পরবর্তীতে বাদ দিয়েছেন।

তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনা মিথ্যা ও বাতিল। রাফ‘উল ইয়াদায়েনের প্রসিদ্ধ আমলকে প্রতিরোধ করার জন্য উক্ত মিথ্যা বর্ণনা রচনা করা হয়েছে। কারণ উক্ত বর্ণনা কোন হাদীছ গ্রন্থে পাওয়া যায় না। যেমন মুওয়াত্ত্বা মুহাম্মাদের ভাষ্যকার বলেন,

‘কিন্তু এই আছারের সন্ধান কোন মুহাদ্দিছ কোন হাদীছ গ্রন্থে পাননি। বরং ইমাম বুখারী তার ‘জুযউ রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) রুকূতে যাওয়া ও রুকূ থেকে উঠার সময় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন।

অথচ ‘হেদায়া’ কিতাবে বলা হয়েছে, وَاَلَّذِىْ يُرْوَى مِنْ الرَّفْعِ مَحْمُوْلٌ عَلَى الِابْتِدَاءِ كَذَا نُقِلَ عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে, তা মূলতঃ ইসলামের প্রথম যুগের বিষয়। যেমন ইবনু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে’। সেই সাথে হেদায়ার টীকাকার হাশিয়ার মধ্যে ইবনু যুবাইরের বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া বাংলায় অনুবাদ করতে গিয়ে অনুবাদকমন্ডলী টীকায় উক্ত বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। অথচ তার যে কোন ভিত্তি নেই সে বিষয়টি লক্ষ্য করেননি। এই মিথ্যাচার সম্পর্কে অনুবাদকমন্ডলীকে জিজ্ঞেস করলে তারা কী জবাব দিবেন?

আরো আফসোসের বিষয় হল, ইমাম বুখারী ছহীহ বুখারীতে রাফ‘উল ইয়াদায়েনের পাঁচটি হাদীছ পেশ করেছেন। সেই হাদীছগুলোকে রদ করার জন্য তার টীকায় ভাষ্যকার আহমাদ আলী সাহারাণপুরী উক্ত মিথ্যা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে আধুনিক প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত সহীহ আল-বুখারীতে রাফঊল ইয়াদায়েনের হাদীছগুলোকে যবাই করার জন্য উক্ত বানোয়াট বর্ণনা পেশ করা হয়েছে এবং এই অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতকে বাতিল আখ্যা দেয়া হয়েছে। অনুবাদকমন্ডলী এবং প্রকাশক বিচারের মাঠে আল্লাহর সামনে কী জবাব দিবেন?

মাযহাবকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হাদীছের উপর এভাবেই আক্রমণ করা হয়েছে। অন্যদিকে আব্দুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)-এর উপর মিথ্যাচার করা হয়েছে। কারণ তিনি যে নিজেই রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন তার প্রমাণে ইমাম বুখারী ছহীহ হাদীছ বর্ণনা করেছেন।

আত্বা (রাঃ) বলেন, আমি আবু সাঈদ খুদরী, ইবনু ওমর, ইবনু আব্বাস ও ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে দেখেছি, তারা সকলেই ছালাতে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন। [মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ হা/২৪৪৫; মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/২৫২৫; সনদ ছহীহ, সিলসিলা যঈফাহ হা/৬০৪৪-এর আলোচনা দ্রঃ; বুখারী, রাফ‘উল ইয়াদায়েন হা/১৬ ও ৫৭।]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন রুকূ করতেন এবং রুকূ থেকে উঠতেন, তখন দুই হাত উত্তোলন করতেন। পরে তিনি শুধু ছালাত শুরু করার সময় করতেন। আর অন্যান্য স্থানে ছেড়ে দিতেন

তাহক্বীক্ব : বর্ণনাটি জাল ও বানোয়াট। ইবনুল জাওযী বলেন, هَذَانَ الْحَدِيْثَانِ لاَ يَعْرِفَانِ أَصْلاً وَإِنَّمَا الْمَحْفُوْظُ عَنْهُمَا خِلاَفُ ذَلِكَ (ইবনু আব্বাস ও যুবাইর-এর নামে বর্ণিত) ‘এই দুই হাদীছের কোন ভিত্তি নেই। বরং তাদের থেকে এর বিরোধী যা বর্ণিত হয়েছে, তা-ই ছহীহ’। ড. তাক্বিউদ্দ্বীন বলেন, لَكِنَّهُ أَثَرٌ لَمْ يَثْبُتْهُ الْمُحَدِّثُوْنَ وَالثَّابِتُ عَنْدَهُمْ خِلاَفُهُ ‘বরং এটি এমন আছার, মুহাদ্দিছগণই যার সন্ধান পাননি। বরং তাঁদের নিকট থেকে এর বিরোধী বর্ণনাই প্রমাণিত’।

রাসূল (ছাঃ) যদি পরবর্তীতে উক্ত আমল ছেড়ে দেন, তাহলে ইবনু আব্বাস (রাঃ) নিজে কেন রাফ‘উল ইয়াদায়েন করবেন? মূলতঃ উক্ত বর্ণনাটি পেশ করে তার নামে মিথ্যাচার করা হয়েছে। কারণ ছহীহ হাদীছে এসেছে,

বনী আসাদের গোলাম আবু হামযাহ বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি যখন ছালাত শুরু করতেন, যখন রুকূ করতেন এবং যখন রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন তখন রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) হাত উত্তোলন করতেন আমরাও করতাম। তিনি ছেড়ে দিয়েছেন আমরাও ছেড়ে দিয়েছি।[12]

তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আলাউদ্দ্বীন আল-কাসানী উক্ত বানোয়াট বর্ণনা পেশ করে রাফ‘উল ইয়াদায়েনের সুন্নাতকে মানসূখ সাব্যস্ত করতে চেয়েছেন। একজন জলীলুল ক্বদও ছাহাবীর নামে উক্ত বর্ণনা পেশ করার পূর্বে যাচাই করার দরকার ছিল। এ সমস্ত মাযহাবী গোঁড়ামী অত্যন্ত দুঃখজনক।

জ্ঞাতব্য : রাফ‘উল ইয়াদায়েনের সুন্নাতকে রহিত করার জন্য আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) এই অন্যতম শ্রেষ্ঠ কয়েকজন ছাহাবীর নামে উক্ত হাদীছগুলো জাল করা হয়েছে। যাতে করে সহজেই সাধারণ মানুষকে উক্ত প্রতারণার জালে আটকানো যায়। বাস্তবতাও তাই। অসংখ্য মুছল্লী এই ধোঁকায় পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উক্ত সুন্নাত থেকে মুছল্লীদেরকে বিরত রাখার জন্য গভীর খাল খনন করেছেন ‘দলিলসহ নামাযের মাসায়েল’ বইয়ের লেখক আব্দুল মতিন। তার সামনে ছহীহ হাদীছগুলো প্রকাশিত হওয়ার পরও মানসূখ বলে বাতিল সাব্যস্ত করেছেন এবং জাল ও যঈফ বর্ণনা দ্বারা সুন্নাতের বিরোধিতা করেছেন। এর পরিণাম যে কত ভয়াবহ তা হয়ত তিনি ভুলে গেছেন (সূরা নিসা ১১৫)।

- শায়খ মুযাফফর বিন মুহসিন
- https://www.hadithbd.com/books/link/?id=1898

04/03/2024

শাইখ আবূ বাকর যাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ প্রেক্ষিত কিছু কথা
শাইখ আবূ বাকর যাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ এ দেশের কিবারে উলামার একজন। বিশেষ করে আকীদা বিষয়ে তিনি দেশে এক নতুন জাগরণ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তার ছায়া আমাদের ওপর দীর্ঘ করুন! তাকে নিয়ে যে একটা ভিডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এমন কাজের জোরালো নিন্দা জানাই।
তবে এ প্রসঙ্গে কিছু কথা বলা উচিত মনে হচ্ছে। কথাগুলো ইমাম আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন। তিনি বলেন, 'আমি যুবকদের উপদেশ দেব, তারা যে আলিমদেরকে ভুলকারী মনে করে, সেসব আলিমদের সমালোচনা, পর্যালোচনা, দোষারোপ ও কটুক্তির কাজে যেন প্রবেশ না করে। আমি এমনও কথা জানতে পেরেছি যে, আমরা যেসব আলিমদের সর্বোচ্চ সম্মান করি, ভালোবাসি ও শ্রদ্ধা করি, এসব যুবক সেসব আলিমদেরকে কাফির পর্যন্ত বলেছে। আল-ইয়াযুবিল্লাহ। এমন করার কারণ হচ্ছে, এসব যুবক ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছুক বা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছুক, তারা আবেগের ওপর নির্ভর করে; জ্ঞান ও গবেষণার ওপর নয়। এসব যুবকের একদল অমুক ফাতাওয়ার পক্ষে গোঁড়ামি করে আরেকদল প্রথম ফাতাওয়ার বিপরীতে আরেক ফাতাওয়ার পক্ষে গোঁড়ামি করে। মুসলিমদের মাঝে বিভেদ ও মতপার্থক্যের আগুন বহুগুণে বৃদ্ধি পাওয়ার এটি একটি কারণ। কাজেই আমরা এসব যুবকদের তখনও বিরোধিতা করি, যখন তারা কোনো মাসআলায় আমাদের পক্ষে নিয়ে অন্যান্য আলিমদের সমালোচনা করে অথচ সেসব আলিম নিজেদের গবেষণা ও সিদ্ধান্তের আলোকে মত দিয়েছেন।' (মানহাজুস সালাফ, পৃ. ৫০৪)
ইমাম আলবানী রাহিমাহুল্লাহ এখানে যা কিছু বলেছেন, তাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। তবে এখানে দুটি বিষয় খুবই তাৎপর্যপূর্ণ:
ক. কোনো যুবক কোনো আলিমের সমালোচনা করবে না।
খ. আমার পক্ষ নিয়ে কোনো যুবক কোনো আলিমের সমালোচনা করলেও আমি সেই যুবকের বিরোধিতা করি।
যুবক শ্রেণি যদি প্রথম বিষয়টি গ্রহণ করতেন, তাহলে বর্তমানে সালাফী সমাজে এত কাঁদা ছোড়াছুড়ি হতো না। কিন্তু আজকে প্রত্যেকটা যুবক সমালোচনা ও ভুল ধরার ক্ষেত্রে মনে হয় জ্ঞানের দিক থেকে শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে। তাদের অপছন্দের আলিমের গ্রহণযোগ্য মতগুলোও তারা কোনো আলিমের বিপরীত মতের দোহাই দিয়ে ন্যাক্কারজনকভাবে সমালোচনায় ব্যস্ত হচ্ছে।
দ্বিতীয় বিষয়টি আমাদের আলিমদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইমাম আলবানীর পদ্ধতি কতই-না চমৎকার! আমার পক্ষ নিয়ে কোনো আলিমের সমালোচনা করলেও তো তিনি আলিম। আমার মতো তারও তো সম্মান ও আত্মমর্যাদা রয়েছে। তাছাড়া আমি যদি আমার পক্ষাবলম্বন করার কারণে ছাড় দেই, তাহলেও অন্য আলিমের অনুসারীও আমার সম্মানহানি করবে। এটাই তো কর্মের প্রতিফল। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ আলিমের অবস্থা এর বিপরীত। আমার পক্ষ নিয়ে কারো সমালোচনা করলে আমি খুব আনন্দিত হই, চুপ করে বসে থাকি এবং পরোক্ষ-প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করি।
ইমাম আলবানী রাহিমাহুল্লাহ কর্তৃক এ দুটো বিষয় যতদিন আমরা ধারণ করতে না-পারবো, ততদিন আমাদের হাত থেকে কোনো আলিমের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা পাবে না।

© Abdullah Mahmud

💤💤
11/06/2020

💤💤

নীলাকাশ😊
10/06/2020

নীলাকাশ😊

WET LEAFClicked By Sakib AhmedSakiB Photography
30/05/2020

WET LEAF
Clicked By Sakib Ahmed
SakiB Photography

সঞ্চয়িতা💕..BookGraphyClicked BySakib AhmeddSakiB Photographyy
29/05/2020

সঞ্চয়িতা💕..BookGraphy
Clicked BySakib AhmeddSakiB Photographyy

You could cover the whole earth by Asphalt,But sooner or later Green Grass would break throughClicked By Sakib AhmedSaki...
25/05/2020

You could cover the whole earth by Asphalt,But sooner or later Green Grass would break through
Clicked By Sakib Ahmed
SakiB Photography

Address

Shamsher Nagar Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SakiB Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category