তাকদির এর উপর বিশ্বাস রাখা। কোরআন ও হদিসের আলোকে

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • তাকদির এর উপর বিশ্বাস রাখা। কোরআন ও হদিসের আলোকে

তাকদির এর উপর বিশ্বাস রাখা। কোরআন ও হদিসের আলোকে তাকদিরের উপর বিশ্বাস করা ফরজ

14/04/2025

বৈশাখের সংস্কৃতির নামে অশ্লীলতার নোংরামি থেকে মুসলিম সমাজের সবাইকে আল্লাহ হিফাজত করুন।

31/03/2025

মহিলাদের জন্য পারফিউম/সুগন্ধি ব্যবহার করে বাইরে যাওয়ার বিধান:

প্রশ্ন: মহিলারা সুগন্ধি ব্যবহার করে ঘরের বাইরে গেলে আর কোনও পরপুরুষ তার দেহের সুঘ্রাণ পেলে কি তাদের উপর গোসল ফরজ হয়?

উত্তর:
মহিলারা সুগন্ধি ব্যবহার করে ঘরের বাইরে গেলে আর কোনও পরপুরুষ তার দেহের সুঘ্রাণ পেলে তাদের উপর আবশ্যক হল, সুগন্ধি লাগানোর স্থানটা এমনভাবে ধুয়ে ফেলা যেন সুগন্ধি অবশিষ্ট না থাকে। তবে এতে গোসল করা আবশ্যক নয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে মহিলাদের জন্য
পর পুরুষদের নিকট পারফিউম বা সুগন্ধি ব্যবহার করে যাওয়ার ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। যেমন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, কেননা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
(((أَيُّمَا امْرَأَةٍ اسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ عَلَى قَوْمٍ لِيَجِدُوا مِنْ رِيحِهَا فَهِيَ زَانِيَة))ٌ
“যে মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে লোকজনের নিকট দিয়ে গমন করার ফলে তারা তার ঘ্রাণ পেল সে মহিলা ব্যভিচারিণী।” (নাসাঈঃ হাদীস নং ৫০৩৬)

কেননা, নারী দেহের সুগন্ধ পরপুরুষকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে বা যৌনতার দিকে আহ্বান করে। তবে স্বামী, মাহরাম (যাদের সাথে বিবাহ হারাম) এবং মহিলা অঙ্গণে তা ব্যবহারে কোন দোষ নেই।

♦ কোন মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে এলে তার সালাত কবুল হবে না যতক্ষণ না তা দূর না করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
أَيُّمَا امْرَأَة تَطَيَّبَت ثُمَّ خَرَجَت إِلَى المسجِدِ لَم تُقبَل
لهَا صَلاَةٌ حَتى تَغتَسِل
‘‘যে মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে যায়, সেই মহিলার গোসল না করা পর্যন্ত কোন নামায কবুল হবে না।’’ (সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর ওয়া যিয়াদাতুহ ২৭০৩নং)

▪ ইমাম মুনাবী রাহ. ফায়যুল ক্বাদীর গ্রন্থে বলেন, এখানে تغتسل গোসল করার দ্বারা উদ্দেশ্য হল, ধৌত করার মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে সুগন্ধির চিহ্ন দূর করা।”
মিশকাতুল মাসাবীহ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থে মুবারকপূরী রাহ.: যদি সে সারা শরীরে সুগন্ধি ব্যবহার করে তাহলে সারা শরীর ধৌত করবে (গোসল করবে) যেন সারা শরীর থেকে সুগন্ধি দূর হয়ে যায়। আর যদি শরীরের নির্দিষ্ট কোন স্থানে সুগন্ধি মাখে তাহলে সে স্থানটা ধৌত করবে। যদিও হাদীসে এভাবে বিস্তারিত বলা হয় নি।

ইবনুল মালেক বলেন, হাদীসে এ ভাবে বলা হয়েছে এ জন্য যে, যেন মহিলারা এ বিষয়ে কঠিনভাবে সতর্ক হয়।
মোটকথা, পর পুরুষের সামনে মহিলাদের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করে যাওয়া হারাম এবং সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে

29/01/2025

এক লাক্সারিয়াস সেলুনে দুইজন মিলে নখ কেটে দিচ্ছে একজন কাস্টমারের। আরেকজন পায়ের তলা পরিষ্কার করছে।

এই হল তথাকথিত নারী স্বাধীনতার বাস্তবতা। নিজের স্বামীর জন্য রান্না-বান্না করা, নিজের ঘর পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন করা ও নিজ সন্তানের লালন- পালন করাকে পরাধীনতা মনে করে। অথচ পর পুরুষের পায়ের তলা পরিষ্কার করা আর ময়লা, দুর্গন্ধময় নখ কেটে দেয়াকে নিজেদের স্বাধীনতা মনে করে।
বাস্তবতা হল- পশ্চিমাদের বানানো নারী স্বাধীনতা নিছক্ ধোঁকা ছাড়া কিছুই না। ঠিক মরীচিকার মতো; দূর থেকে দেখতে পানি জ্বলমল করছে মনে হলেও কাছে গেলে বিভীষিকাময় শুষ্ক মরুভূমির বালি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাওয়া যায় না।
অথবা বলতে পারো- ঠিক মরুভূমির চোরা বালির মত। ভরসার মনে করে পা' দিবে তো অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবে।
হ্যাঁ, তথাকথিত নারী স্বাধীনতার এটাই বাস্তবতা।

24/01/2025

স্থল
প্রশ্ন: ফরয গোসলের শুদ্ধ নিয়ম কি? মেয়েদের ফরজ গোসলে আলাদা নিয়ম আছে?

উত্তর:
ফরয গোসলের পদ্ধতি:

১) প্রথমে নিয়ত করবে
২) অতঃপর ‘বিসমিল্লাহ’ বলে দু’হাত কব্জি পর্যন্ত তিন বার ধৌত করবে।
৩) লজ্জাস্থানে পানি ঢেলে তা পরিস্কার করবে।
৪) অতঃপর পূর্ণরূপে ওযু করবে।
৫) মাথায় পানি ঢেলে আঙ্গুল চালিয়ে চুল খিলাল করবে।
৬) যখন বুঝবে চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছে গেছে তখন মাথায় তিন বার পানি ঢালবে
৭) এবং সমস্ত শরীরে পানি ঢালবে।
- এ ক্ষেত্রে ডান সাইড থেকে কাজ আরম্ভ করবে।
মা আয়েশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর গোসলের বর্ণনা এরূপই এসেছে। (বুখারী ও মুসলিম)

উল্লেখ্য যে, গোসলের ফরয তিনটি। যথা:
(ক) নিয়ত করা।
(খ) নাক ও মুখে পানি দেয়া
(গ) সমস্ত শরীরে পানি প্রবাহিত করা।
উপরোক্ত পদ্ধতি হল পরিপূর্ণ ও সুন্নতী পদ্ধতি। তবে কেউ যদি সুন্নতী পদ্ধতি ফলো না করে কেবল ফরজগুলো আদায় করে তাহলে তা পবিত্র হওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবে সুন্নত অনুসরণ করে গোসল করা উত্তম তাতে কোন সন্দেহ নাই।
▪ মহিলাদের মাথার চুলে যদি ঝুঁটি বাধা থাকে তাহলে তা খোলা জরুরি নয়। বরং চুলের গোড়ায় গোড়ায় পানি পৌঁছলেই যথেষ্ট ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আলাম।
✒✒✒✒✒
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

01/10/2024

🕌 "যারা আল্লাহ তা'আলার আদেশের
বিরুদ্ধচারণ করে, তারা সতর্ক হোক" 🕌
""""""""""""""""""""""""""""''""""""'"""""""""""""""""""""""
[সুরা-নূর, আয়াত-৬৩, তফসীর]
-----------------------------------------------
মহিমান্বিত আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
-
"তোমরা রাসূলের আহবানকে, তোমাদের একে অপরের আহবানের মত গণ্য করো না।
আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে জানেন, যারা তোমাদের মধ্যে চুপিসারে আড়ালে সড়ে পড়ে।
সুতরাং যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা সতর্ক হোক যে,
বিপর্যয় তাদের ওপর পতিত হবে অথবা পতিত হবে তাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি‎।”
--------------[সূরা: নূর, আয়াত: ৬৩]------------
~~~
আয়াতের সংক্ষিপ্ত তফসীর-
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
"ঐ সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রবৃত্তি, সে অনুগামী হয়।”
(সরহুস সুন্নাহ, মিশকাত হা: ১৬৭)
~~~
সুতরাং দল, তরীকা (পীর) ও মাযহাবের দোহাই দিয়ে কোন অবস্থাতেই
আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের ফয়সালার অবাধ্য হওয়া যাবে না।
বরং প্রত্যেক মু’মিন
আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের ফয়সালা মাথা পেতে মেনে নিবে, এবং সাথে সাথে তা পালন করবে।
কারণ যারা আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ, অমান্য করবে তারা প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট।
~~~
শিক্ষণীয় বিষয়:
১. সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা‘আলা এবং তাঁর রাসূলের বিধান ও ফয়সালা মোতাবেক জীবন পরিচালনা করতে হবে।
---
২. আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের সিদ্ধান্তের ওপর কোন কথা বলা যাবে না।
---
৩. আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশের অবাধ্য হওয়া সুস্পষ্ট কুফরী।
___________[ফাতহুল মাজিদ]_________

12/01/2024

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম
যে ধরনের কথা বলার কারনে আপনি নিজের
অজান্তেই কুফরি করছেন
============== =================
(১) কি ব্যাপার,দাড়ি রেখেছিস যে.? দেখতে তো
ছাগলের মত দেখায়!
জঙ্গি বাহিনীর মত দেখায়! ফালা এগুলো।
(২) মাদ্রাসায় পড়ে কী করবি? মাদ্রাসায় পড়লে কি
তোর ভাত মিলবে?
(৩) কিরে, আবার দেখি টুপি পরেছিস? টুপির নিচে
শয়তান থাকে জানিস না...?
(৪) মুসলমান জাতটাই খারাপ। এদের চেয়ে বিধর্মী
ইহুদী-খৃষ্টান ও হিন্দুরা অনেক ভালো।
(৫) কিরে তুই আবার কবে থেকে বোরকাওয়ালী
হইলী? বোরকা-টোরকা পরে একেবারে ভূত
হয়ে গেছিস। ঘোমটা তলে পোংটা নাচে।
বোরকাওয়ালীরাই আরো বেশি খারাপ।
(৬) রাখ তোর পর্দা ! এত পর্দা পর্দা করিস না। পর্দা
পর্দা করার কারনের তো আজ মুসলমান জাতি এত
পিছিয়ে, আর ইউরোপ-আমেরিকার মেয়ে কত
এগিয়ে গেছে। আমরা পর্দা না করলে কী হবে,
আমরা কি মুসলমান না? মনের পর্দা-ই বড় পর্দা।
(৭) আরে বাদ-দে মোল্লাদের কথা। মোল্লার
দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। ওরা কি বুঝে? ওরা তো মূর্খ
আর গোঁড়া।
(৮) কে বলেছে সুদ হারাম? হারাম হলে সারা দুনিয়ার
মানুষ এটা খাইতো? সুদ কোন খারাপ জিনিস না। এটা
ব্যবসার মত লাভ। সুদ খারাপ জিনিস হইলে কি
ইউরোপ-আমেরিকা এত উন্নত হইতে পারতো!!!
(৯) কেউ বললো, কিরে রোযা রেখেছিস..?
উত্তরে সে বললো বাদ-দে রোযা। রোযা
রাখে যাদের ঘরে ভাত নেই তারা।
(১০) সব জায়গায় এত ইসলাম ইসলাম করিস না। ইত্যাদি
এরূপ আরো অনেক কুফরী কথা মুসলিম সমাজে
চালু আছে,যা তাদের ঈমানকে তাদের অজান্তেই
ধ্বংস করে দিচ্ছে।
-
মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
"(হে নবী) তুমি বল, তোমরা কি আল্লাহর সাথে,
তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে
ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলে? ছলনা কর না, তোমরা যে
কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। (সুরা
তাওবাঃ ৬৫-৬৬),,,

18/12/2023

❝সালাতরত অবস্থায় পায়ুপথে বাতাস চেপে রেখে সালাত আদায় করা❞...!!

প্রশ্ন:
সালাতরত অবস্থায় পায়ুপথে বাতাস বের হওয়ার উপক্রম হলে কী করণীয়? তা কি চেপে রেখে সালাত আদায় করা; নাকি সালাত ছেড়ে দিয়ে ওযু করে নতুন করে সালাত পড়া...??

উত্তর:
সালাতরত অবস্থায় পায়ুপথে বাতাস বের হওয়ার উপক্রম হলে, তা চেপে রেখে সালাত আদায় করলে সালাতে মনোযোগ বিঘ্নিত হবে এবং খুশু-খুযু নষ্ট হবে তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এ অবস্থায় করণীয় হল, সালাত ছেড়ে দিয়ে চাপমুক্ত হয়ে পূনরায় ওযু করে সালাত আদায় করা। এতে জামাআত ছুটে গেলেও আপত্তি নেই।

হাদীসে পেশাব ও পায়খানার বেগ নিয়ে সালাত আদায় না করার ব্যাপারে একাধিক নির্দেশনা এসেছে। যেমন,
▪ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يصلي الرجل وهو حاقن
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব-পায়খানা আটকে রেখে সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেন”। [ইবনু মাজাহ্‌, হাদিস নং ৬১৭। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ৬৮৩২।]

হাদীসে উল্লেখিত হাকেন (حَاقِن) শব্দের অর্থ: পেশাব বা পায়খানার বেগ হলে তা আটকে রাখা। এটা নিষেধ।
▪তিনি আরও বলেন,
«إذا أراد أحدكم أن يذهب الخلاء وقامت الصلاة فليبدأ بالخلاء».
“যখন তোমাদের কেউ পায়খানায় যেতে চায় এবং সালাতের একামত হয়, তখন সে প্রথমে পায়খানা সেরে নেবে”। [আবু দাউদ, হাদিস: ৮৮। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ২৯৯।]
▪ তিনি আরও এরশাদ করেন:
«لا صلاة بحضرة طعام ولا وهو يدافعه الأخبثان»
“খাবারের উপস্থিতিতে কোনো সালাত নেই এবং পায়খানা ও পেশাবের চাপ থাকা অবস্থায়ও সালাত নেই”।[মুসলিম, হাদিস: ৫৬০।]
আল্লাহু আলাম।
--------------------
উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল, ksa

08/08/2023

শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফিঃ) বলেছেন:-

নারী যখন ধ্বংস হয়, ঘর ধ্বংস হয়ে যায়। যদি ঘর ধ্বংস হয়, সন্তানরা ধ্বংস হয়ে যায়, এবং যদি ঘরগুলো ধ্বংস হয়, সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়।😥


[মুহাদারাহ ফিল আক্বীদা, পৃ:- ১৬২]

গ্রন্থঃ কিয়ামতের আলামতঅধ্যায়ঃ কিয়ামতের ছোট আলামত ৪১) জড় পদার্থ এবং হিংস্র পশু মানুষের সাথে কথা বলবে কিয়ামতের পূর্ব মুহূ...
04/06/2023

গ্রন্থঃ কিয়ামতের আলামত
অধ্যায়ঃ কিয়ামতের ছোট আলামত


৪১) জড় পদার্থ এবং হিংস্র পশু মানুষের সাথে কথা বলবে

কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে হিংস্র প্রাণী এবং জড় পদার্থ মানুষের সাথে কথা বলবে। আল্লাহ রাববুল আলামীন মানুষকে কথা বলার শক্তি দিয়েছেন। তিনি অন্যান্য সৃষ্টিজীবকেও কথা বলার ক্ষমতা দিতে মোটেই অক্ষম নন।

ইমাম আহমাদ (রঃ) আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, ‘‘জনৈক রাখাল মাঠে ছাগল চরাচিছল। হঠাৎ একটি নেকড়ে বাঘ এসে একটি ছাগলের উপর আক্রমণ করলো। রাখাল বাঘের পিছনে ধাওয়া করে ছাগলটি ছিনিয়ে আনল। বাঘটি একটি টিলার উপর বসে বলতে লাগলোঃ তুমি কি আল্লাহকে ভয় করোনা? আল্লাহ আমাকে একটি রিজিক দিয়েছিলেন। আর তুমি তা ছিনিয়ে নিলে। রাখাল বললঃ কি আশ্চর্য্য ব্যাপার! মানুষের ন্যায় বাঘও আমার সাথে কথা বলছে। বাঘ বললোঃ আমি কি তোমাকে এর চেয়ে আশ্চর্য্যজনক খবর দিবোনা? মদ্বীনায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অতীতে যা ঘটেছে এবং আগামীতে যা ঘটবে তা সম্পর্কে মানুষকে সংবাদ দিচ্ছে। রাখাল তার ছাগলের পাল নিয়ে মদ্বীনায় প্রবেশ করে ছাগলগুলো এক স্থানে রেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর কাছে এসে ঘটনা খুলে বলল। এতক্ষণে নামাযের সময় হয়ে গেল। নামায শেষে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাখালকে বললেনঃ ‘‘তুমি সবার সামনে ঘটনা খুলে বল’’। সে ঘটনা বর্ণনা শেষ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ রাখাল সত্য বলেছে। ঐ আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবেনা যতক্ষণ না হিংস্র প্রাণী মানুষের সাথে কথা বলবে। মানুষ তার হাতের লাঠির সাথে কথা বলবে, পায়ের জুতার সাথে কথা বলবে। এমনকি ঘরের স্ত্রী তার স্বামীর অনুপস্থিতে কি করছে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাকে বলে দিবে’’।[1]

[1] - মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সিলসিলায়ে সাহীহা হাদীছ নং- ১২২।

৪১) জড় পদার্থ এবং হিংস্র পশু মানুষের সাথে কথা বলবে | কিয়ামতের আলামত | আব্দুল্লাহ্ শাহেদ আল-মাদানী

16/04/2023

জুম‘আর সুন্নাত (سنن الجمعة) : জুম‘আর পূর্বে নির্দিষ্ট কোন সুনণাত ছালাত নেই। মুছল্লী কেবল ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দু’রাক‘আত পড়ে বসবে। অতঃপর সময় পেলে খত্বীব মিম্বরে বসার আগ পর্যন্ত যত খুশী নফল ছালাত আদায় করবে। জুম‘আর ছালাতের পরে মসজিদে চার রাক‘আত অথবা বাড়ীতে দু’রাক‘আত সুন্নাত আদায় করবে। তবে মসজিদেও চার বা দুই কিংবা দুই ও চার মোট ছয় রাক‘আত সুন্নাত ও নফল পড়া যায়।[71]ইবনু ওমর (রাঃ) চার রাক‘আত সুন্নাত এক সালামে পড়তেন। তবে দুই সালামেও পড়া যায়।[72] জুম‘আর (খুৎবার) পূর্বে এক সালামে চার রাক‘আত পড়ার হাদীছটি ‘যঈফ’। [73]

[71] . মুসলিম, মিশকাত হা/১১৬৬ ‘সুন্নাত ছালাত সমূহ ও তার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ-৩০; তিরমিযী হা/৫২২-২৩ ‘জুম‘আ’ অধ্যায়-৪, অনুচ্ছেদ-২৪; মির‘আত ২/১৪৮; ঐ, ৪/১৪২-৪৩। [72] . মির‘আত ৪/২৫৭-৫৮। [73] . ইবনু মাজাহ হা/১১২৯ ‘ছালাত’ অধ্যায়-২, ‘জুম‘আর পূর্বে ছালাত’ অনুচ্ছেদ-৯৪।

09/04/2023

১.ডাক্তার ভালো তাই বাচ্চা বেঁচে গেল এই মন্তব্য শির্ক,, মাঝি ভালো তাই নৌকা ডুবলো না এই মন্তব্য শির্ক,, ড্রাইভার ভালো তাই গাড়ি এক্সিডেন্ট হলো না এই মন্তব্য শির্ক।

২.জমজ(জোড়া) কলা খেলে জমজ বাচ্চা হবে এই ধারণা শির্ক।

৩.যেকোনো মাদুলি, তাবিজ, তামার আংটি, তামার বালা,অষ্টধাতুর আংটি, মাজার থেকে আনা সুতা ব্যবহার করা শির্ক।

৪.কবর কে সম্মান করলে শির্ক হয়, কবরে কিছু মানত করলে শির্ক হয়, কবরে সিজদাহ্ করলে শির্ক হয়।

৫.কোনো ছবি বা মুর্তিকে সম্মান করলে শির্ক হয়।

৬.শুভ অশুভ লক্ষণকে বিশ্বাস করলে শির্ক হয়।

৭.আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নামে কসম করলে শির্ক হয়,,,!! যেমন :-ছেলের মাথায় হাত রেখে কসম করলে শির্ক হয়, মায়ের নামে কসম করলে শির্ক হয়, কোরআনে হাত রেখে কসম করলে শির্ক হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

৮.আল্লাহর কোনো আকার নেই, আল্লাহ নিরাকার, এটা ভ্রান্ত আকিদা এইরকম আকিদা মনে পোষণ করা যাবে না,, এইরকম আকিদা শিরকের আকিদা।

৯.হাতের রাশিফল দেখে ভাগ্য গণনা করা শির্ক,, টিয়াপাখি দিয়ে ভাগ্য গণনা করা শির্ক, জ্যেতিষির কাছে থেকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু জ্ঞিগাশা করা শির্ক।

১০.বিধর্মী বা বিজাতীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংগ্রহন করলে শির্ক হয়।যেমনঃ- হিন্দুদের পূজা দেখতে যাওয়া,,বড়দিন পালন করা ইত্যাদি।

এছাড়াও আরও অসংখ্য শির্ক আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে।

❌সাবধান❌

সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোনেরা শির্ক অতীতের নেকিকে নষ্ট করে,, শির্ক আল্লাহর মান-মর্যাদাকে ছোট করে। দেখেছেন শির্ক কতো বড় অপরাধ।
আপনি শির্ক করেছেন আপনার দেহে প্রাণ আছে, দ্রুত তওবা করে ফিরে আসুন। শির্ক করে বিনা তাওবায় মৃত্যুবরণ করলে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে হবে।
অতএব সাবধান থাকুন,,,, আল্লাহ আমাদের সবাইকে শির্ক থেকে বেচে থাকার তৌফিক দান করুক। (আমিন)

06/04/2023

শুক্রবারে বিকট আওয়াজের বার্তা!
_____________________________________
কিছুক্ষণের জন্য ধরে নিলাম,
শুক্রবারে বিকট আওয়াজের মাধ্যমে
মানুষ বদির হয়ে যাওয়ার হাদিসটি
সহিহ এবং সঠিক।
কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন থেকেই যায়,
যেমন হাদীস শরীফে উল্লেখ হয়েছে ,
নবীজি সাঃ বলেছেন,
যে বছর এমন বিকট আওয়াজ হবে,
সে বছরের রমজানের রোজা শুরু হবে
শুক্রবার দিন,
আর অর্ধ রমজান অর্থাৎ রমজানের ১৫তারিখ সেদিনও হবে শুক্রবার‌।
এবার আসুন তো দেখি এবারের রমজানের
রোজা কি বারে শুরু হয়েছে!
বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী এবছরের রমজানের রোজা , শুক্রবার দিন শুরু হয়েছে,
এবং ১৫ ই রমজান সেদিনও শুক্রবার হবে।
তারমানে হাদিস কি মিলে গেল?
কখনোই না কারণ নবীজি কি একথা হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে গিয়েছেন যে ,
বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সেদিন
শুক্রবার হবে?
আমাদের মাঝে আর সৌদি আরবের
মাঝে একদিনের তফাৎ রয়েছে,
সৌদি আরবে রোজা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবারে,
আর বাংলাদেশের শুক্রবারে,
সৌদি আরবে ১৫ই রমজান হবে বৃহস্পতিবারে,
আর বাংলাদেশ হবে শুক্রবারে,
যেহেতু নবীজি( সাঃ) নিজ দেশে বসে হাদিস বর্ণনা করেছিলেন,সেহেতু সৌদি আরবে যেদিন শুক্রবার দ্বারা রোজা শুরু হবে এবং ১৫ ই রমজান যেদিন শুক্রবারে সংঘটিত হবে, সেদিন বিকট আওয়াজ হবে, কিন্তু এবারের রমজান তো সৌদি আরবে বৃহস্পতিবারে শুরু হয়েছে,
এবং ১৫ ই রমজান বৃহস্পতিবারই
সংঘটিত হবে।
তাহলে আপনার হাদিস দ্বারা আপনি ধরা খেলেন!
সর্বোপরি কথা হলো এ হাদিসটি দুর্বল,
সুতরাং হাদিসের উপর ভিত্তি করে জনগণকে হয়রানি করা বন্ধ করুন, আপনার এই প্রচারের দ্বারা, ইসলামের ক্ষতি হবে লাভ নয়!
কারণ আপনার বর্ণনা কৃত হাদীসটি যদি ,
শুক্রবারে বাস্তবায়িত না হয়,
তাহলে মানুষ কোরআন হাদিস থেকে
বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে, এবং ইসলাম ধর্মকে নিয়ে ট্রল হুজুরদের নিয়ে ঠাট্টা করবে,
আপনি ইসলামকে প্রেজেন্ট করতে না পারেন,
কোন আফসোস নাই, তবে অতি পাকনামি করতে গিয়ে, সাধারণ মানুষকে কোরআন হাদিসের প্রতি অবিশ্বাসী বানিয়ে তুলবেন না,
আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।আমিন

Address

Www. Fb. Com/takdir
Rangpur

Telephone

01717321301

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাকদির এর উপর বিশ্বাস রাখা। কোরআন ও হদিসের আলোকে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category