Bike Yoke

Bike Yoke "Bike Yoke" is a page for bike lovers. Especially the men’s are totally interested in bikes. They love to ride different- different bike rides.

১৩৬ বছর আগের পুরোনো মোটরসাইকেল ভাবতেই অবাক লাগে আগে মানুষ এরকম ব্যবহার করত 🤔🤔Aug. 30, 1885: Daimler Gives World
03/12/2021

১৩৬ বছর আগের পুরোনো মোটরসাইকেল ভাবতেই অবাক লাগে আগে মানুষ এরকম ব্যবহার করত 🤔🤔
Aug. 30, 1885: Daimler Gives World

দেখুন আগের মোটরসাইকেল দেখতে কেমন ছিল, ৯৮ বছরের পুরাতন মোটরসাইকেল,, manufactured in Pantin, France, from 1923
02/12/2021

দেখুন আগের মোটরসাইকেল দেখতে কেমন ছিল, ৯৮ বছরের পুরাতন মোটরসাইকেল,, manufactured in Pantin, France, from 1923

14/10/2021

আমি শিহরিত🙄 Best Protection

16/09/2021

Top 6 Bike Crash For High Speed.😢

দেখে শুনে গাড়ি চালাবেন। দয়া করে কেউ বেশি স্পীডে বাইক চালাবেন না মনে রাখবেন সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি 😢
💗

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জরিমানা – ধারা এবং শাস্তি – ২০২১🙂নতুন সড়ক পরিবহণ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জরি...
15/09/2021

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জরিমানা – ধারা এবং শাস্তি – ২০২১🙂
নতুন সড়ক পরিবহণ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জরিমানা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে অনেকের মধ্যে, আজ আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপনি কোন অপরাধ করলে সেটা আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী কোন ধারা ভঙ্গ হয় , শাস্তি কি , জরিমানা কতো এই সব কিছু থাকবে আজকে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জরিমানাঃ

ধারাঃ ৬৬
অপরাধের ধরণঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান ও গণপরিবহন চালনা বিধি নিষেধ সংক্রান্ত ধারা ৪ এবং ৫ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ২৫ হাজার টাকা।

দন্ডঃ অনধিক ৬ মাস।

ধারাঃ ৬৭
অপরাধের ধরণঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্স হস্তান্তর সংক্রান্ত ধারা ৬ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ৫ হাজার টাকা।

দন্ডঃ অনধিক ১ মাস।

ধারাঃ ৬৮
অপরাধের ধরণঃ

বিদেশী নাগরিক দিয়ে এই আইন, বিধি বা প্রবিধানের কোন বিধান বা লাইসেন্স প্রদত্ত শর্ত অমান্য সংক্রান্ত ধারা ৯ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ৩০ হাজার টাকা।

ধারাঃ ৬৯
অপরাধের ধরণঃ

কর্তৃপক্ষ ব্যতিত ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রস্তুত , প্রদান বা নবায়নে বিধি নিষেধ সংক্রান্ত ধারা ১০ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনূন্য ১ লক্ষ টাকা অনধিক ৫ লক্ষ টাকা।

দন্ডঃ অনূন্য ৬ মাস অনধিক ২ বছর।

ধারাঃ ৭০
অপরাধের ধরণঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থগিত, প্রত্যাহার বাতিল করা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক মোটরযান চালানোর উপর বিধি নিষেধ সংক্রান্ত ১২ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ২৫ হাজার টাকা।

দন্ডঃ অনধিক ৩ মাস

ধারাঃ ৭১
অপরাধের ধরণঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থগিত, প্রত্যাহার বাতিল করা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক মোটরযান চালানোর উপর বিধি নিষেধ সংক্রান্ত ১২ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ৫ হাজার টাকা

দন্ডঃ অনধিক একমাস।

ধারাঃ ৯৬
অপরাধের ধরণঃ

মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল প্রতিষ্ঠা বা পরিচালনা সংক্রান্ত ধারা ৬৩ এর বিধান লঙ্ঘন করলে আপনার যে শাস্তি হবে,

জরিমানাঃ অনধিক ১ লক্ষ টাকা

দন্ডঃ কর্তৃপক্ষ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল বন্ধ করতে পারবে।

ট্রাফিক আইন মেনে চলুন , নিয়ন্ত্রিত গতিতে বাইক রাইড করুন।🙏🙏

14/09/2021

আমার দেখা সব থেকে সেরা একটি মোটরসাইকেল স্ট্যান্ট। দয়া করে কেউ সেফটি ছাড়া চেষ্টা করবেন না🙏

13/09/2021

Amazing Bike🏍🏍 Stunts🙂❤️Please do not try after someone is not a safety guard🙏🙏

10/09/2021

অন্যের ভুলেও হতে পারে মারাত্বক এক্সিডেন্ট,,
তাই দয়া করে যেখানে সেখানে সাইকেল স্ট্যান্ট অথবা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ট করবেন না🙏🙏। কারণ আপনার নিজের সামান্য ভুলের জন্য অন্যের অনেক বোরো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে এবং আপনার অনেক বড় বিপদ হতে পারে😥তাই সবাইকে সাবধানে বাইক চালানোর অনুরোধ রইলো🙏🙏🙏

হাইওয়েতে বাইক চালানোর নিয়ম ৮ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস এবং সতর্কতা🙂 :১. হেলমেট ব্যবহার করাঃবাইক হেলমেট কিনবেন কীভাবেঃ কোন সা...
09/09/2021

হাইওয়েতে বাইক চালানোর নিয়ম ৮ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস এবং সতর্কতা🙂 :
১. হেলমেট ব্যবহার করাঃ
বাইক হেলমেট কিনবেন কীভাবেঃ কোন সাইজের হেলমেট নির্বাচন করবেন ও এর যত্ন।
আপনি যত দক্ষ চালকই হোন না কেন মনে রাখবেন আদর্শ বাইক রাইড করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করার কথা আপনাকে সবাই বলবে। অনেকেই হয়তো নিয়মিত হেলমেট ব্যবহার করেন না।মোটর বাইক চালানোর সময় আপনার কি কি পরিধান করা উচিৎ
তাঁদের জন্য হেলমেট ব্যবহার করার মাঝে অনেক সময় অনেক ধরণের ঝামেলার মুখে পরতে হয়। যেমন ধরুন অনেকেই বলেছেন, তারা বাইক রাইড করার সময় আশেপাশের অনেক কিছুই ভালো করে লক্ষ্য করতে পারেন না। এর ফলে অনেক সময় রাস্তার চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সাইনবোর্ড অথবা নির্দেশিকা গুলো ভালো করে লক্ষ্য করা যায়না।

আবার, অনেকের কাছে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। যদিও পুরো ব্যাপারটা আসলে অভ্যাসের, তাই বলছি এরকম ধরণের বিভিন্ন ঝামেলাগুলো দ্রুত মিটিয়ে হেলমেট ব্যবহারে সতর্ক হউন।

অনেকের কাছেই আমি শুনেছি এবং নিজেও বেশ কয়েকবার এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি হেলমেট ব্যবহারের পর দেখা যায়, আপনার বাইক এর মিটার ডিসপ্লে এর তুলনায় আপনার নিজের কাছে মনে হবে বাইক এর গতি অনেক কম হয়তোবা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

কিন্তু, এরকম ভাবার ফলে ঘটে যেতে পারে বিপর্যয়। কারণ, হেলমেট পরিহিত অবস্থায় আপনার আশেপাশের বাতাসের চাপ আপনার মাথায় এতটা চাপ দিতে পারে যার ফলে গাড়ির গতি অনেক কম মনে হতে পারে তাই অল্প অল্প করে এর অভ্যাস করে নেয়াই শ্রেয়।

শুধু শুধু অভ্যাসের সামান্য আলসেমির জন্য নিজের জীবনের উপর কোন ঝুঁকি না নেয়াটাই হবে একজন আদর্শ বাইক চালক হিসেবে আপনার কাজ।

২. গতির উপর নিয়ন্ত্রণঃ
হাইওয়েতে বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্রে গতির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখাটা অনেক বড় একটা গুরুত্বের ব্যাপার। অনেক দক্ষ চালক ও ঝোঁকের মাথায় গাড়ির স্পিড নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে গিয়ে নিজের জীবনই হারাতে হয়েছে।

তাই, বাইক নিয়ে হাইওয়েতে স্পিড-শো করার বেঁচে থাকলে ভালো প্রশিক্ষন নিয়ে আপনি ভালো স্টান্ট শিখতে পারবেন। খুব সতর্ক ভাবে রাস্তার মাঝে বাইক চালাতে চেস্টা করুন প্রয়োজনীয় গতি নিয়ে নিন।

অনেক সময় রাস্তার মাঝে ছোট খাট কিছু গর্ত থাকে লম্বা দাগ ধরণের এসব ভাঙ্গা অংশ দেখে মনে হয় তেমন কিছু সমস্যা করবেনা, কিন্তু এগুলো মাঝে মাঝে ভালো বিপত্তি ঘটিয়ে দিতে পারে।

যেমন ধরুন এই লম্বা দাগ গুলোর মাঝে আপনার বাইকের চাকা পরে গিয়ে বাইকের কন্ট্রোল চলে যেতে পারে মুহূর্তের মাঝেই। তাই খুব সতর্ক থাকুন এসব ছোট খাটো ব্যাপারে সাবধান হউন এবং অবশ্যই অপরিচিত রাস্তায় বাইক ভালোভাবে চালান নির্দিষ্ট স্পীড এ যা আপনার আয়ত্তের মাঝেই থাকবে এবং অপ্রীতিকর অবস্থায়ও যেন আপনি বাইক কন্ট্রোল করে নিতে পারেন সে জন্য।

৩. ব্রিজ কিংবা সেতুর মাঝে সাবধান থাকুনঃ
ব্রিজ কিংবা বড় ধরণের সেতুর মাঝে সাবধান থাকতে বললাম কেন তাই ভাবছেন? নদীর উপর নির্মিত সেতু কিংবা বড় ধরণের ব্রিজের মাঝে বাতাসের চাপ থাকে অনেক বেশি এবং অনেক এলোমেলো।

তাই, আপনার বাইকের যদি নিয়ন্ত্রণ জনিত সেই বাতাসের চাপে তবে সাবধানে নিয়ন্ত্রণ যোগ্য গতিতে বাইক চালানই ভালো যদিও এখনের সকল বাইকই প্রায় আধুনিক ভাবে এরো ডিজাইন সম্বলিত তার পরেও সাবধান থাকুন এই ব্যাপারে।

৪. বাস ট্রাক ওভারটেক এর ঝামেলাঃ
অনেক বাইক রাইডার এর কাছেই শুনেছি যে, হাইওয়ের মাঝে অনেক সময় দেখা যায় যে বড় দুরপাল্লার বাস কিংবা ট্রাক গুলো ওভারটেক করার প্রতিযোগিতা শুরু করে।

অনেক জায়গায়ই ওদের এসব কারনে সাধারণ অনেক বাইকার কিংবা পথচারীর মৃত্যুর খবর অবশ্যই আপনি শুনে থাকবেন। তাই এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে নিজের মত নিরাপদ অবস্থানে থাকুন। কখনই আগ বাড়িয়ে আপনি ওভারটেক করতে যাবেন না ।

৫. স্পিড ব্রেকার লক্ষ্য করাঃ
রাস্তার মাঝে অনেক সময় অনেকেই স্পিড ব্রেকারের প্রতি একদমই নজর দিতে ভুলে যান অথবা রাস্তার পাশে থাকা বড় বড় গাছপালার ছায়ার কারনে রাতের বেলায় লক্ষ্য করা যায়না।

তাই ,বলছি এরকম অবস্থায় সতর্ক ভাবে রাস্তার স্পীড ব্রেকার কিংবা ভাঙ্গা গর্ত লক্ষ্য করে বাইক চালান। এতে করে ঝুঁকির আশংকা থাকবে অনেক কম।

৬. যানবাহন এবং তাঁদের গতিবিধি লক্ষ্য করে চলাঃ
আপনার সামনে পিছনে কি ধরণের যানবাহন চলছে তাঁদের গতি কেমন কিংবা কিভাবে চালাচ্ছে তা সবসময় কিন্তু আপনাকে ফলো করতে হবে।

কারণ, আপনার সাথে চলাফেরা করা সবগুলো যানবাহনই আপনার সাথে একই রাস্তায় আছে এবং তাঁদের ও নির্দিষ্ট মাত্রার গতি এবং কন্ট্রোল ক্ষমতা আছে।

অনেক সময় পাশে থাকা গাড়ির কন্ট্রোল হারিয়ে আপনার বাইকে এসে ঠুকে দিতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়। তাই এ ব্যাপারেও যথেষ্ট সতর্ক থাকুন। এবং ভারী যানবাহনের পিছনে চলার সময় তাঁদের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখুন। উন্মুক্ত ভাবে রড, বাঁশ বহনকারী গাড়ি গুলোর পিছনে অথবা সাইডে সাবধানে থাকুন।

৭. রাস্তায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলে কি করবেনঃ
বর্ষাকালে যেকোন সময় বৃষ্টি শুরু হতে পারে। অনেকেই হয়তো বৃষ্টির মাঝে বাইক চালিয়ে অভ্যস্ত। কিন্তু আপনি যদি অনভিজ্ঞ হউন, তবে কোথাও দাড়িয়ে বৃষ্টি কমার পর রাইড করাটাই মনে হয় ভালো হবে।

বৃষ্টি তে আপনার বাইকের টায়ার কিংবা গ্রিপিং অথবা রাস্তার সাথে চাকার সামঞ্জস্যতা ধরে রাখাটাই অনেক কঠিন ব্যাপার। আপনি প্রফেশনাল কোন রেস দেখলে দেখবেন যে, যখন ভেজা ভেজা আবহাওয়ায় কোন রেস হয় তখন রেসাররা কিছুক্ষন পর পর তদের বাইকের চাকা পাল্টাচ্ছে।

এ ধরণের টায়ার কে ওয়েট টায়ার বলে। ওয়েট টায়ার থাকলে আপনার বাইকের স্পীড কমে যাবে আবার বেড়ে যাবে এমন সমস্যা হবে আবার গ্রিপিং সঠিক ভাবে নাও হতে পারে পিচ্ছিল ভাবের জন্য। তাই এসব ব্যাপারে খুব সাবধান হউন ।

৮. রাস্তার বাঁক লক্ষ্য করে চলাঃ
রাস্তার মাঝে থাকা টারনিং পয়েন্ট মানে বাঁক গুলো দেখে চালান এবং বুঝে নিন কিভাবে সেই জায়গাটুকু আপনি রাইড করে পার হবেন। আপনার বাইকের সুবিধা এবং কার্যক্ষমতা বুঝে এসব টার্নিং পয়েন্টগুলোর মাঝে টারনিং কিংবা কর্নারিং করে জায়গাটুকু পার হয়ে যান।

আপনার চাকার আকৃতির উপরেও নির্ভর করে আপনি কিভাবে এই ধরণের জায়গা পার হবেন যেমন ধরুন এফ জেড বাইকের চাকা একটু গোল আকৃতি হবার কারনে এটি দিয়ে আপনি ভালোভাবে টার্নিং কিংবা কর্নারিং করে পার হতে পারবেন। আবার অন্যান্য বাইক যেমন পালসার কিংবা হাংক হলে ঝামেলায় পরতে পারেন সেক্ষেত্রে সাবধানে চালান।

এ ব্যাপারে কিছু বিষয় আলাদা ভাবে দেখুনঃ

১. রাস্তাটি অমসৃণ কিংবা ভাঙ্গাচোরা আছে কিনা।

২. কর্নারিং করার জন্য রাস্তার বাঁক এর প্রশস্ত কতটুকু

৩. পিচ্ছিল কিংবা কর্দমাক্ত কিনা

উপরোক্ত ব্যাপার গুলো থাকলে কর্নারিং করা আপনার জন্য বিপদজনক হতে পারে।

সবশেষে বলবো যখনই যেখানে বাইক রাইড করুন না কেন নিজের থেকে নিজের জীবনের কথা চিন্তা করে বাইক চালান। সাবধানতা এবং নিয়ম মেনে চালান।

বেপরোয়া ভাবে চালাতে গিয়ে নিজের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিবেন না। দিনের বেলা কিংবা রাতের বেলা যখনই হাইওয়েতে বাইক চালাবেন আশেপাশের সবকিছুর প্রতি ভালো করে নজর রেখে চালান।

রাতের বেলায় আপনার হেড লাইট ভালো করে চেক করে পরে বাইক নিয়ে বের হউন। অবশ্যই স্বচ্ছ এবং ভালো মানের লাইট ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিন। এতে করে আপনারই জীবনের প্রতি ঝুঁকি কমে যাবে।

আশা করি উপরের কিছু সতর্কতা মেনে চললে আপনার বাইক রাইডিং হবে আরও বেশি নিরাপদ তাই হাইওয়েতে বাইক রাইড করার সম্পূর্ণ মজা উপভোগ করতে নিজ দায়িত্বে সাবধানতা অবলম্বন করে বাইক চালান।

মনে রাখবেন, একটি দুর্ঘটনা হতে পারে আপনার সারা জীবনের অপূর্ণতার কান্না

Address

Rangpur City
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bike Yoke posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bike Yoke:

Share