15/09/2026
🛑বুশ জাতীয় মেটাল পার্টস গুলোর একটা নিদিষ্ট কিমি পর্যন্ত লাইফ স্প্যান থাকে।কোম্পানী নতুন বাইকের ইনার ডায়ামিটার এর মাপে স্পেয়ার বুশ বাজারে সাপ্লাই করে,তারা মনে করে বাইকের চালক বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান,কিন্তু বাস্তবে অনেকেই বাইক কেনার পর থেকে বাহ্যিক পার্টসগুলোর পেছনে (রেসিং,হাইপার,প্রো) ইত্যাদি পার্টস সংযোজন করলেও ভিতরের সুক্ষ এই পার্টসগুলোর ব্যাপারে জানে না,স্টক বুশ যদি এক টানা ৩০,০০০ কিলো যায়,সেটা ৩০ হাজার কিলোতে পরিবর্তন করলে স্পেয়ার বুশ টা ফিট হবে,কিন্তু বুশের লাইফ টাইমের চেয়ে অধিক ব্যবহারের ফলে,বুশ ক্ষয় হয়ে বুশের আউটার হাব/বাকেট কেও ক্ষয় করবে,সেটাও পরিবর্তন করলে সুইংআর্ম /হাফ চেসিস এর জয়েন্ট গ্রুপকে ডেমেজ করবে,,ফুটা এমন বড় হয়ে যাবে তখন স্পেয়ার অরিজিনাল বুশ ফিট হবে না,ঢলঢলা মাল হয়ে যাবে,যেহেতু কোম্পানী জানে না কে কত ঢলঢলা করে ফুটা বড় করেছে,তখন সুইং আর্ম খুলে লেদে নিয়ে গিয়ে ক্ষয় হয়ে যাওয়া গ্রুপ/ফুটার মাপে স্লাইড ক্যালিপার্স এর সাহায্যে নতুন করে বুশের হাব বানাতে হয়,৷ বুশের আউটার হাবের মাপ ক্ষয় হওয়ার উপর নির্ভরশীল,যত বেশি ফলস খেলবে/ঢলঢল করবে লেদে সেই থিকনেস অনুযায়ী আউটার হাব বানাবে,আর ভিতরের বুশের জন্য নতুন বুশ কিনে দিতে হবে,তাহলে অই হাবের ইনার ডায়ামিটার স্টক বুশের আউটার ডায়ামিটারের মাপে বানাবে,এটা করার পর লং টার্ম বাইক চালানো যায়।কোন অসুবিধা হয় না। সবচেয়ে ভালো,এয়ার ফিল্টার/ওয়েল ফিল্টার ইঞ্জিন ওয়েল ব্রেক প্যাডের মত বুশের লাইফ স্প্যানের মধ্যে বুশ চেঞ্জ করা,এতে বুশ হাব নষ্টের চিন্তা থাকে না।