সিড়ির নিচে বিড়ির দোকা

সিড়ির নিচে বিড়ির দোকা gopalgonj love you BANGLADESH �����������

- মিস করছি। কল দিব🥺- কাজ করছি যে🙁- আচ্ছা কল রিসিভ করে তুমি কাজ করো। আমি তোমাকে দেখতে দেখতে ঘুমাই। মনে হবে তুমি পাশেই আছো...
26/08/2021

- মিস করছি। কল দিব🥺
- কাজ করছি যে🙁
- আচ্ছা কল রিসিভ করে তুমি কাজ করো। আমি তোমাকে দেখতে দেখতে ঘুমাই। মনে হবে তুমি পাশেই আছো🥰😇


লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ❤️💙
আমার কনো gf nai🤣🤣🤣

- পরিবারের ছোট সন্তানগুলো❤- সবসময় নম্র ভদ্র ও লক্ষী টাইপের হয়🙂- যেমন আমি😎
12/01/2021

- পরিবারের ছোট সন্তানগুলো❤
- সবসময় নম্র ভদ্র ও লক্ষী টাইপের হয়🙂

- যেমন আমি😎

- ধৈর্য ধরে বসে আছি.!🙃- একদিন ঠিক সেরা জিনিসটাইপাবো.!🌹🌺- ইনশাআল্লাহ.!♥🌹
07/01/2021

- ধৈর্য ধরে বসে আছি.!🙃
- একদিন ঠিক সেরা জিনিসটাই
পাবো.!🌹🌺

- ইনশাআল্লাহ.!♥🌹

সুন্দর মনের কোনো দাম নেই ,,,কিন্ত সুন্দর😘রুপের অনেক দাম আছে,,,এটাই বাস্তব😍
13/12/2020

সুন্দর মনের কোনো দাম নেই ,,,
কিন্ত সুন্দর😘
রুপের অনেক দাম আছে,,,
এটাই বাস্তব😍

মে দের জন্য এইটা???  ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আপনার??  # # # # # # # # # # # # # # #    #পরিবারে_বড়_মেয়ে_আমি; স্বপ...
11/09/2020

মে দের জন্য এইটা??? ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আপনার?? # # # # # # # # # # # # # # # #পরিবারে_বড়_মেয়ে_আমি; স্বপ্ন ছিলো আলেমা হব।
____________________________________
কিন্তু আমার বাবা একজন গরিব, টাকা পয়সা তেমন আমাদের ছিলো না।তাই হাফেজা হবার পর এক মহিলা মাদ্রাসায়,চাকরী শুরু করছি। ৫ হাজার টাকা বেতন,তাই দিয়ে আমাদের সংসার টা মুটামুটি চলতো।
বয়স আমার চলে আসলো ১৯ বছরে...!!!

বিয়ের ঘর আসলো: আব্বু আমার বিয়ে দেবে,
একটা বিয়ের প্রস্তাব এসেছে, তাদের হাফেজা বউ দরকার।আমি বললাম আব্বু ছেলের মুখে দাড়ি আছে.?নামাজ ঠিক মত পড়ে তো!!
আব্বু বললো তোকে দেখতে আসবে তখন দেখে নিস।

আমাকে দেখতে আসলো,কিন্তু ছেলের মুখে দাড়ি নেই,তবে নামাজ পড়ে পাচ ওয়াক্ত।ওয়ালটন কম্পানিতে চাকরী করে,আব্বু কে বললাম আব্বু বিয়ে করবো না। কারণ বড় লোক মানুষ আমার তেমন পছন্দ না।আর ছেলের বাবার কথা বার্তা গুলো তেমন সুবিধে
নয়।ছেলের মুখে দাড়ি ও নেই।

তবুও আমার বাবা বললেন মা... বিয়েটা করে নে,,,
তখন এমন এক পরিস্থিতির স্বীকার ছিলাম,
আব্বু যেন আমাকে বিয়ে দিতে পারলেই টেনশন মুক্ত,আব্বুর দিকে তাকিয়ে নিজের স্বঁপ্নকে বিসর্জন দিয়ে,বিয়ের পিড়িতে বসলাম,বিয়েটা হয়ে গেলো।

কিন্তু আমার সব চেয়ে মূল্যবান কাজ
নিজেকে পর্দার ভিতরে রাখা,আমার স্বামীর ভাই,, মানে দেবর,আমার হাজবেন্ড কে বললেন তোর বউ সব সময় আমার কাছে মুখ ডেকে রাখে কেন..? আমি কি বাহিরের লোক যে আমার সামনে তোর বউ মুখ ঢাকবে.?

শ্বাশুড়ী বললো ঠিক বলছে তোর ছোট ভাই,,,,
ঘরে গেলেও কম্বল দিয়ে মুখ ঢাকতে হবে কেন.?
তোর বউ পর্দাশীল সেটা ভালো কথা কিন্তু তোর ভাই নিজের লোক, এখানে এত পর্দা করতে হবে কেন.?

রাত্রিবেলা আমার হাজবেন্ড এসে বলছে পর্দা করো
সমস্যা নাই। কিন্তু বাড়ির লোকের সামনেও মুখ ঢেকে চলাচল করতে হবে তোমায়.?এটা কোন হাদিসে পাইছো.? আর এমন করো না.....

তারপর থেকে আর মুখ ঢাকি নাই,কিন্তু সমস্ত শরীর পর্দায় আবৃত করে রাখতাম। যখন ঘরে একা থাকতাম সেই সময় দেবর এসে, ঘরে ঢুকলো হঠাৎ করে। মাথায় কোন কাপড় ছিলো না তাড়াতাড়ি করে মাথায় কাপড় দিয়ে সমস্ত শরীর,ঢেকে নিলাম। আমি বললাম তুমি এখানে...!!!

ও তখন বললো ভাবি তুমি কিন্তু হেব্বি দেখতে...
তোমাকে আমার খুব পছন্দ। আমি বললাম কি জন্য এখানে এসেছো। ও বললো, বা রে ভাবির সাথে একটু গল্প করা যাবে না বুঝি? খুব সংকোচ বোধ হতো। দেবর তো গায়রে মাহরাম পুরুষ। মুখে কিছু বলতে পারতাম না, এমন কি আমাকে খারাপ খারাপ, খুব বাজে বাজে কথা বলতো...!!!

বিরক্ত হয়ে ব্যাপার টা আমার স্বামী কে জানালাম
ও বললো আহ্ এমন করছো কেন দেবর হয় তো,,আমার ছোট ভাই একটু দুষ্টুমি করে। আমি বললাম আপনি তো পাচ ওয়াক্ত নামাজ
পড়েন। তাহলে বউকে কি করে পর্দায় রাখা
লাগে জানেন না আপনি? ও বললো আমাকে পর্দা শিখাতে এসো না ok....

স্বামীকে বুঝাতে পারছি না কতো টা কষ্ট হচ্ছে
আমার।একদিন ঘরে শুয়ে আছি দুপুর বেলা।
দরজায় দাড়িয়ে বলছে ভাবি....সাথে সাথে সব কিছু ঢেকে নিতেই দেবর আমার হাত ধরে শক্ত করে। প্লিজ ভাবি এসো এমন করিয়ো না..?

হাত ঝাড়ি দিয়ে দৌড় দিয়ে বাহিরে বের হলাম
শ্বাশুড়ী কে বিষয় টি জানালাম। আবার আমাকে ধমক দিয়ে বলছে আমার ছেলের নামে বদনাম রটাতে চাও?
কেউ আমার কথার দাম দেয় না, বালিশে মুখ বুজে কান্না করছি...! হে আল্লাহ পর্দার বিধান তুমি ফরজ করে দিয়েছো। কিন্তু এমন একটা পরিবেশে আমাকে ফেলিয়েছো যেখানে তোমার হুকুম মানতে পারছি না।
ফরজ পর্দা করতে পারছিনা আল্লাহ, খুব কান্না করেছি মাবুদের দরবারে।

ননদের জামাই বাড়িতে বেড়াতে এসেছে, ননদ বললো মা,,, ভাবি তো তোমার মেয়ের জামাইয়ের সাথে
ভালো করে কথাই বল্লোনা, কি হয়েছে,উনার? আমরা তো নিজেরা ভিতরের লোক। শ্বাশুড়ী বললো ঢং এগুলো বুঝলি ঢং....!

রাত্রিবেলা লুডু খেলতে বসেছে। কিরে সালাবাবু তোর হুজুরনী বউ টাকে নিয়ে আয়,লুডু খেলি,আমার স্বামী আমার কাছে এসে বললো, চলো গিয়ে লুডু খেলি।
আমি বললাম শরীরটা তেমন ভালো না,আমি খেলবো না। জোর করে সবার সামনে নিয়ে গেল, লুডু খেলতে বসালো,, দেবর আমার পাশেই বসেছে।

দুলাভাই আমার মুখের দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে
আছে। সময় সুযোগে দেবর আমাকে হাত দিয়ে ছোঁয়ার চেষ্টা করছে। রাগ উঠে গেল আমার, রাগ করে নিজের ঘরে চলে গেলাম। শ্বাশুড়ী রেগে গিয়ে বললো: কি মেয়ে বিয়ে করেছিস এটা...গুরু জন কে মানেনা?
টেটিয়া একটা মেয়েকে বিয়ে করছিস কেন...!

আমার স্বামী রেগে গিয়ে রুমে এসে জোরে আমার গালে ঠাস করে থাপ্পড় মারলো। সাথে সাথে পাচ টা আংগুলের দাগ বসে গেল,গালে। স্বামীর থাপ্পড় কেন খেলাম জানেন..? আমার অপরাধ পর্দা করে চলা, দেবরের সাথে ফস্টি নষ্টি না করা।

বিয়ের তিন মাস অতিবাহিত করলাম, বাট পর্দা মেনে চলা কঠিন হচ্ছে। স্বামী বাহিরে জাবে দু দিনের জন্য
এশার নামাজ পড়ে আমার শ্বাশুড়ি এবং দেবর কে
খেতে দিলাম। খাওয়া দাওয়া শেষ করে, নিজের ঘরে গিয়ে বিছানা ঝাড়তেছি। দেবর এসে বললো ভাবি দরজা টা খোলা রেখ,গভীর রাত হলে আসবো, বুঝতে বাকি রইল না সে কি চায়। ভালো করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে একটা টেবিল দরজায় দিলাম যেন সহজে দরজা খুলতে না পারে।

সকাল বেলা দেবর এসে গালে ঠাস করে থাপ্পড় দিয়ে বলছে বেশ্যা, তোকে বললাম দরজা খোলা রাখতে।
তুই খোলা রাখলি না। তোর শরীরের দেমাগ দেখবো আমি..?

জীবন্ত একটা লাশে পরিনত হলাম এই তিন মাসে।
ভেবেছিলাম পরিবার টাকে ইসলামীক অনুযায়ী তৈরী করবো আমি। বাট সবার কাছে মূল্যহীন আমি, শ্বাশুড়ী কাজের বুয়ার মতো হুকুম করছে,স্বামী ইচ্ছে হলে আমাকে ধরে প্রহার করছে। দেবর ধরে মারছে তার কুপ্রস্তাব না মানার জন্য।

দুধ ওয়ালা এসেছে,শ্বাশুড়ী বললেন দুধ নিয়ে আসতে
কিন্তু মুখ ডেকে নেয়ার জন্য ঘরে কাপড় আনতে গেলাম। শ্বাশুড়ী আমাকে বকা দিতে লাগলো। কি এমন রুপের রহস্য তোর..? যে মুখ ঢাকতে হবে।

অনেক ভেবে চিন্তে দেখলাম এই স্বামী, এবং সংসার,
এগুলো আমার জাহান্নামের কারণ হবে, তার গোটা পরিবার জাহান্নামের অগ্নিকুন্ডে।

পালিয়ে আসলাম স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি
মা বাবা বকাবকি করতে লাগলো। মা বাবাকে কেদে কেদে বললাম মা...আমি তো কোরআনের হাফেজা।
আমি আবার মাদ্রাসায় চাকরি করে বাকি জীবন টা
পার করে দেব। তবুও ওই মডার্ন বড় লোক, মোটা অংকের চাকরী করা স্বামী আমার দরকার নাই।
আমার এই পাচ হাজার হালাল টাকায় অনেক শান্তি
শেষে ইতি টানলাম উক্ত সংসারের, তালাক হয়ে গেছে।

ব্যাক্তিগত উপসংহার
------------------------------
১। পর্দাণশীল বউ নিয়া ফতোয়া মারলে চলবে না
প্রত্যেক পুরুষের উচিত বউকে পর্দার পরিবেশ তৈরি করে দেয়া।

২। পর্দাণশীল বউ বাড়িতে এনেছেন, পরিবারে গায়রে মাহরাম পুরুষ রয়েছে। মনে করবেন না যে বিপদ সংখ্যা নেই। বরং বিপদ আরো বেশি....!

৩। পরিবারের অভিবাবক দের বলছি, ছেলে অনেক বড় লোক,কোটি টাকার মালিক।দেখেই পাগল হবেন না
বরং তার দ্বীনদারি কত টুকু সেটা দেখুন।

৪। বিভিন্ন কারণে মেয়েদের ডিভোর্স হয়ে থাকে, তার বাস্তব জেনে তাদের কে বিয়ে করুণ,এটা সন্নতের ও একটি, নতুন ভাবে স্বপ্ন দেখান।

৫। যদি আপনি দেখেন সুন্নতি লেবাস নাই বলে এমনি নামাজ পড়ে এটা ৯৯% মিথ্যা । তারা জুমআ দুই ঈদ মা-বাবার জানাজা ইত্যাদির নামাজ পড়ে। কিন্তু আল্লাহর ভালোবাসা এবং রাসুলুল্লাহ সাঃ এর মহব্বত তাদের অধিকাংশেরই নেই।

প্রিয় বোনের প্রতি অশ্রুসিক্ত কলাম
-------------------------------------------------
বোন তুমি সময়ের শ্রেষ্ঠ ডিসিশান নিয়েছো। এরকম স্বামী, দেবর, শাশুড়ী, দুলাভাই যেখানে আছে; সেটার অধিকাংশকে পাপী পরিবার বলাই যায়। আল্লাহর ফরজ বিধান পর্দার প্রতি তোমার যে অগাধ আনুগত্য, আশা রাখি আল্লাহ তোমাকে এর প্রতিদান ঐ পারে অবশ্যই দিবেন ইনশাআল্লাহ।

আসলে আমি সত্যিই খুব গর্ববোধ করি, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো এরকম আলেমা, হাফেজা, কিংবা সাধারণ তাবলীগওয়ালার ঘরের কোন মেয়ে/মহিলা যখন পর্দার প্রতি এমন সম্মান রাখেন এবং মেনে চলার চেষ্টা করেন, শত ভালোবাসা এবং মোবারক বাদ এমন বোনদের জন্যে।

Address

Gopalgonj Dahaka
Rajarbag

Opening Hours

09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিড়ির নিচে বিড়ির দোকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সিড়ির নিচে বিড়ির দোকা:

Share

Category