10/12/2025
দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ন্যারাটিভের পোস্ট মর্টেম::-
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী ন্যারেটিভ স্থায়ী হয়ে আছে: "বিএনপি সরকারের আমলে বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ছিল।" ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের সিপিআই র্যাঙ্কিং-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি এই বক্তব্যটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) উপর একটি স্থায়ী কলঙ্ক হিসেবে পরিচিত।
তবে, টিআই-এর ডেটাগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, বিএনপি এমন একটি মিডিয়া ন্যারেটিভের শিকার হয়েছে, যা বেশ কিছু মূল তথ্যকে উপেক্ষা করেছে এবং নিশ্চিত ভাবেই দেশ, জাতি ও রাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে।।
টি আই বির দূর্নীতি বিষয়ক ইনডেক্স পয়েন্ট (১৯৯৬-২০০৯)।
বাংলাদেশে টি আই ১৯৯৬ তে দূর্নীতির ইনডেক্স নিয়ে কাজ করা শুরু করে।।১৯৯৬ তে প্রথমে এ্যাসেসম্যান্ট পয়েন্ট দাড়ায় ২.২৯। তার পর আওয়ামীলীগের আমলে তারা আর রিপোর্ট করে না।।। আওয়ামীলীগলীগ ক্ষমতা ছাড়ার পরে, ২০০১ এ বিএনপি ক্ষমতা নেয়ার পর আবার রিপোর্ট শুরু করে।। বিএনপি ১৯৯৬ সালে রেখে গেছে ২.২৯। কিন্তুু ৫ বছর পরে ২০০১ সালে এসে পেলো ০.৪।। তারমানে দূর্নীতির শিকড় গভীরে ঢুকে যায়,তারপর আবার বিএনপি দেশকে টেনে তোলার, দূর্নীতি মুক্ত করার কাজ শুরু করে, ধীরে ধীরে আবার ইনডেক্স উন্নতির দিকে যেতে থাকে ০.৪,১.২,১.৩,১.৫,১.৭ (গ্রাফের বাৎসরিক লাইন গ্রাফ চার্ট) সর্বশেষ ক্ষমতা ছাড়ার সময় ২ পয়েন্ট।মানে আবার উর্ধ্বমুখী ট্রেন্ডে ফিরিয়ে আনে। ২০০১-২০০৫ এ দূর্নীতিতে টানা ৫ বছর ১ নম্বরে থাকলেও ২০০৬ এ বাংলাদেশ তৃতীয় হয়। তারমানে আওয়ামীলীগ থেকে ২০০১ সালে দূর্নীতিতে প্রথম স্থান পেয়ে, তৃতীয় স্থানে উন্নতি লাভ করে ২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ে। টিআইবি,প্রথম আলো ডেইলি স্টার,১/১১ কুশীলবগন এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই ২০০১-২০০৬. ব্যাপক দূর্নীতির গল্প ফাদে।।১০%, খাম্বা,হাওয়া ভবন,কিন্তুু গত হাসিনার ১৬ বছরেও তা আদালতে প্রমান করা যায় নি। ইভেন ব্যাপক উন্নয়নের সুশাসনের গল্পের ফাদ পাতা ২০২৩-২০২৪ হাসিনার শেষ সময় পর্যন্ত এটি ২.৪-২.৩ রেখে যায় এবং গত ১৬ বছরে আওয়ামীলীগ আমলে এই ইনডেক্স পয়েন্ট সর্বোচ্চ উঠেছে ২০১৭ সালে ২.৮।
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বিরোধী শক্তি এবং দেশী-বিদেশী আন্তার্জাতিক চক্রান্তকারী, তারা সকলে মিলে একটা মিথ্যা ন্যারেটিভের প্লট তৈরী করে