BEEO

BEEO It is the learning page.we give post on this page about unknown subject. so it is we think that this page is needed by all. I love this

10/04/2017
Afghanistan VsBangladeshSunday 25th ofSeptember 2016 | Sher-E-Bangla National CricketStadium, MirpurThree One DayInterna...
23/09/2016

Afghanistan Vs
Bangladesh
Sunday 25th of
September 2016 | Sher-E-
Bangla National Cricket
Stadium, Mirpur
Three One Day
International Bilateral
Series
25 September - 1
October, 2016
Afghanistan Vs
Bangladesh

নতুন ব্যবসায় উদ্যোগ শুরুর আগে কাকে অনুসরণ করা উচিত—চলতি শতকের তরুণদের এইপ্রশ্ন করা হলে উত্তর পাওয়া যাবে ‘মার্ক জাকারবার্...
21/09/2016

নতুন ব্যবসায় উদ্যোগ শুরুর আগে কাকে অনুসরণ করা উচিত—চলতি শতকের তরুণদের এই
প্রশ্ন করা হলে উত্তর পাওয়া যাবে ‘মার্ক জাকারবার্গ’। তরুণ উদ্যোক্তাদের
জন্য তিনিই অনুপ্রেরণা, তিনিই আদর্শ।
ওয়েব হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোড্যাডির জরিপে গত মঙ্গলবার
প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই জানা গেছে। বিশ্বব্যাপী ৭ হাজার ২০০ জন
পেশাদারের মধ্যে এই জরিপ চালানো হয়। তাঁদের মধ্যে ১৮ থেকে ৩০ বছর
বয়সী ২ হাজার ৪০০ জন উদ্যোক্তাকে বর্তমান প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়েছে।
জরিপে মূলত ব্যবসায় সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন ছিল। তরুণ ব্যবসায়ীদের ৫০ শতাংশ
বলেছেন, তাঁরা ক্ষুদ্র ব্যবসায় দিয়ে পথচলা শুরু করতে এবং আগামী ১০ বছরের
মধ্যেই স্বনির্ভর হতে চান।
তরুণ ব্যবসায়ীদের আদর্শ ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেও সব ব্যবসায়ীর
ক্ষেত্রে কিন্তু তা নয়। জরিপে অংশ নেওয়া সব বয়সের ব্যবসায়ীদের ৩৯
শতাংশ বলেছেন, ব্যবসায়ের উদ্যোগ নেওয়ার সময় বাবা-মাকে আদর্শ
হিসেবে নিয়েছেন তাঁরা। অথচ বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেত্রে পরিমাণটা ৩০
শতাংশ। যেখানে জাকারবার্গকে আদর্শ মানেন ৪০ শতাংশ। সেদিক থেকে
বলা যায়, মার্ক জাকারবার্গের কাছে হেরে গেছেন বাবা-মা

কোন কথাটাকে শিরোনাম করা উচিত—এটি নিয়ে একটুও ভাবতে হচ্ছে না।শিরোনামটা দিয়ে দিলেন উসাইনবোল্ট নিজেই। টানা তৃতীয়অলিম্পিকে...
19/08/2016

কোন কথাটাকে শিরোনাম করা উচিত
—এটি নিয়ে একটুও ভাবতে হচ্ছে না।
শিরোনামটা দিয়ে দিলেন উসাইন
বোল্ট নিজেই। টানা তৃতীয়
অলিম্পিকে ‘স্প্রিন্ট ডাবল’ জয়ের
অবিশ্বাস্য কীর্তির পরই ঘোষণা
করলেন, ‘আমার আর কিছু করার বাকি
নেই। বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি
যে, আমিই গ্রেটেস্ট। এটা করতেই আমি
এখানে এসেছিলাম, সেটাই করে
যাচ্ছি। আমার আর কিছু প্রমাণ করার
নেই।’
আসলেই নেই। এক এবং অদ্বিতীয় তিনি
আগেই হয়েছিলেন। তিন অলিম্পিকে
দূরে থাক, টানা দুই অলিম্পিকে
‘স্প্রিন্ট ডাবল’ জয়ের কীর্তিও ছিল
শুধু তাঁর একারই। সবার ওপরেই
ছিলেন। আরও একটু ওপরে তুলে নিলেন
নিজেকে, এই যা!
একটু যদি আফসোস থেকে থাকে, তা হলো
কথা রাখতে না পারার। নিজের বিশ্ব
রেকর্ড ভেঙে ২০০ মিটার জিততে
চেয়েছিলেন। সেটি না পারাতেই
বোল্ট বুঝলেন, তাঁর বয়স হয়ে গেছে,
‘আমার পা কেন যেন চলছিল না। বুড়ো
হয়েছি না! আমি তো আর এখন ২৬
বছরের নই, ২১ বছরের নই।’
সেটির প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে
বোল্টের কথাবার্তাতেও। আমুদে
স্বভাবটা তো আর যাওয়ার নয়। সংবাদ
সম্মেলনে মজা করছেন এখানেও। তবে
এথেন্স ও লন্ডন অলিম্পিকে বোল্টকে
যাঁরা দেখেছেন, তাঁরাই শুধু বুঝবেন,
সেই বোল্ট আর এই বোল্ট এক নন।
কথাবার্তায় এখন অনেক বেশি
পরিমিতিবোধ। নিজেকে ‘গ্রেটেস্ট’
দাবি করছেন, কিন্তু সর্বকালের সেরা
অলিম্পিয়ান হিসাবে মাইকেল
ফেল্প্সের সঙ্গে যখন তুলনার প্রসঙ্গ
এলো, তাঁকে ঠিকই দিচ্ছেন প্রাপ্যটা।
দুজন দুটি ভিন্ন খেলার লোক, তাই
তুলনা করাটা কঠিন—বলার পর
ফেল্প্সের এত সব অর্জন সম্পর্কে
প্রকাশ পাচ্ছে শ্রদ্ধা। যেটি আরও
বেড়ে গেছে ফিরে আসার পরও ফেল্প্স
নিজেকে যেভাবে সেরা বলে প্রমাণ
করেছেন, সে কারণে ।
মন খুলে রুপাজয়ী আন্দ্রে ডি গ্রাসের
প্রশংসা করলেন, ‘ও আমাকে হারাতে
চেয়েছে। এটা আমার খুব ভালো
লেগেছে।’ গ্রাসের দিকে তাকিয়ে
একটা হাসি দিয়ে এরপরই যোগ করলেন
‘তবে আমি তরুণদের সব সময়ই বলি,
“আমাকে হারাতে পারবে না।” আমি
পিচ্চিপাচ্চার কাছে হারতে পছন্দ
করি না।’
লন্ডনে ‘ডাবল ট্রিপল’ জয়ের পরই
বলেছিলেন, তিনি চান লোকে তাঁকে
মোহাম্মদ আলী আর পেলের সঙ্গে এক
কাতারে রাখুক। এখন তো তাই রাখা
উচিত, তাই না? এ জন্যই এত বছর ধরে
পরিশ্রম করে এসেছেন; সেরা হওয়ার
জন্য, গ্রেটদের সঙ্গে এক কাতারে
থাকার জন্য এত পরিশ্রম যে সফল
হয়েছে, এই প্রশ্নটি করাতেই সেটির
প্রমাণ পেয়ে গেলেন বোল্ট। তবে শেষ
বিচারের ভারটা ছেড়ে দিলেন
সংবাদমাধ্যম আর ফ্যানদের ওপর।
‘আমি এই অলিম্পিক শেষ হওয়া
অপেক্ষা করে দেখতে চাই মিডিয়া আর
ফ্যানরা আমাকে ওই দলে রাখে কি
না’—বলেই দুষ্টুমির হাসি দিয়ে
বললেন, ‘দেখি, আজ আর কাল আপনারা
কী লেখেন!’
‘গ্রেটেস্ট’ ছাড়া কিই-বা লেখার
আছে!

13/05/2016

বিভিন্ন শাস্ত্রের জনকঃ (প্রায় পরীক্ষায় আসে, কিন্তু কনফিউসড! )
>> মনোবিজ্ঞানের জনক - উইলহেম উন্ড।
>> বিজ্ঞানের জনক - থেলিস।
>> ইংরেজি কবিতার জনক - জিওফ্রে চসার।
>> উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক - থিওফ্রাস্টাস।
>> সমাজ বিজ্ঞানের জনক - অগাস্ট কোঁৎ।
>> রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক - এরিস্টটল।
>> আধুনিক রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক - নিকোলা ম্যাকিয়াভ্যালি।
>> প্রাণি বিজ্ঞানের জনক - এরিস্টটল।
>> আধুনিক কার্টুনের জনক - উইলিয়াম হোগার্থ।
>> সনেটের জনক -পেত্রার্ক।
>> গণতন্ত্রের জনক - এরিস্টটল।
>> আধুনিক গণতন্ত্রের জনক - জন লক।
>> ইতিহাসের জনক - হেরোডোটাস।
>> ভুগোলের জনক -ইরাতেস্থেনিস।
>> আধুনিক অর্থনীতির জনক - পল স্যামুয়েলসন।
>> বীজগনিতের জনক - আল জাবির।
>> রসায়ন শাস্ত্রের জনক - আল কেমি।
>> আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যারজনক - নিকোলাস কোপার্নিকাস।
>> আধুনিক বাংলা নাটকের জনক - মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
>> জ্যামিতির জনক - ইউক্লিড।
>> অর্থনীতির জনক - এডাম স্মিথ।
>> বাংলা গদ্যের জনক - ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর ।
>> জীবানু বিদ্যার জনক - লুই পাস্তুর।
>> বাংলা উপন্যাসের জনক - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
>> জীববিজ্ঞানের জনক - এরিস্টটল।
>> চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক - হিপোক্রিটাস।
>> জীবের নামকরন (দ্বিপদ নামকরণ) এর জনক - ক্যারোলাস লিনিয়াস।
>> তেজস্ক্রিয়তার জনক - হেনরি বেকেরেল।
>> কমপেয়ারেটিভ এনাটমির জনক - ভেসালিয়াস।
>> শরীরবিদ্যার জনক - উইলিয়াম হার্ভে।
>> রক্ত সংবহনতন্ত্রের জনক - উইলিয়াম হার্ভে।
>> আধুনিক কোষতত্ত্বের জনক - সোয়ান ও হাইডেন।
>> ক্যালকুলাসের জনক - নিউটন।
>> গতিবিদ্যার জনক - গ্যালিলিও।
>> মনোবিজ্ঞানের জনক - উইলহেন উন্ড।
>> কম্পিউটারের জনক - চার্লস ব্যাবেজ।
>> আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক - ডোনাল্ড ব্রুস।
>> দর্শনশাস্ত্রের আদি জনক -থেলস।
>> আধুনিক দর্শনশাস্ত্রের জনক - রেনি ডেকার্টেস।
>> বাংলা ছোট গল্পের জনক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

12/05/2016

বন্ধুরা দুই মিনিট সময় নিয়ে
পোস্টা পড়বে, আশা করি ভালো
লাগবে।
★একদিন ৭ বছরের এক বালক তার
আম্মুকে বললো, আম্মু! আমাকে
আগামী বছর ঈদে কি দিবে???
আম্মু বললেন, এখনো তো অনেক সময়
আছে... দেখা যাক...ছেলেটি
ঈদের কিছুদিন আগেই হটাৎ
অজ্ঞান হয়ে গেলো।
দ্রুত তাকে হাসপাতালে
নেওয়া হলো। ডাক্তার
ছেলেটিকে পরীক্ষা করে
ছেলেটির মা ও বাবাকে
বললো, আপনার ছেলের হার্টে
একটি ছিদ্র ধরা পড়েছে।
দ্রুত হার্ট পরিবর্তন না করলে
তাকে বাচাঁনো যাবে না।
যখন মা ছেলেটিকে দেখতে
গেলো, ছেলেটি তার মাকে
বললো, আম্মু!
আমি কি মারা যাবো???মা
বললেন, না, তুমি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে
উঠবে।
আম্মু! তুমি কিভাবে জানো?
ডাক্তার বলেছে।আব্বু তুমি
চিন্তা করনা। আমি জানি আব্বু,
তুমি অবশ্যই সুস্থ হয়ে যাবে।
ছেলেটি দীর্ঘদিন
হাসপাতালে চিকিৎসার পর
ঈদের দিন সুস্থ হয়ে বাসায়
আসলো। বাসায় আসার পরে, তার
বাবা তাকে একটি চিঠি পড়তে
দিলো। চিঠিটা ছেলের
মায়ের লেখা।
★প্রিয় আব্বু আমার এই চিঠি! তুমি
যখন পড়ছো, তার অর্থ হলো সব কিছু
ভালো ভাবেই হয়েছে এবং
তুমি সুস্থ আছো, যেমনটি আমি
বলেছিলাম।
মনে আছে???একদিন তুমি প্রশ্ন
করেছিলে, আগামী ঈদে কি
উপহার দিবো।

Address

Patgram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BEEO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share