FSD Ekramul Hoque

FSD Ekramul Hoque The official page of Ekramul Hoque "Everything is negative except
Blood Group"

মাশাআল্লাহ 🫰
26/05/2026

মাশাআল্লাহ 🫰

২০২৫ সালে পবিত্র হজব্রত পালনের সৌভাগ্য আমার জীবনে এক অনন্য, অবর্ণনীয় অভিজ্ঞতা হয়ে আসে। মিনার সাদা তাঁবুগুলোর ভেতরে বসে চ...
24/05/2026

২০২৫ সালে পবিত্র হজব্রত পালনের সৌভাগ্য আমার জীবনে এক অনন্য, অবর্ণনীয় অভিজ্ঞতা হয়ে আসে। মিনার সাদা তাঁবুগুলোর ভেতরে বসে চারপাশে তাকালে আমার মনে হতো আমি পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র এক পরিবেশে অবস্থান করছি। ক্লান্ত শরীর সেখানে কিছুটা বিশ্রাম পেলেও মন বিশ্রাম নিতে পারত না; বরং আরও বেশি সজাগ, আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠত। চারদিকে লক্ষ লক্ষ হাজীর “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক” ধ্বনি ভেসে আসত, যা আমার অন্তরকে গভীরভাবে কাঁপিয়ে দিত। মনে হতো, এ ডাক শুধু কানে নয়, সরাসরি হৃদয়ের গভীরে গিয়ে আঘাত করছে।

সেই মুহূর্তগুলোতে অজান্তেই আমার চোখ ভিজে যেত। কারণ এই ভূমিতে পৌঁছানো ছিল আমার জীবনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফল। কত দোয়া, কত অপেক্ষা, কত স্বপ্ন, সবকিছুর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এক আকাঙ্ক্ষা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। তাই তাঁবুর ভেতরে বসে থাকা প্রতিটি মুহূর্ত আমার কাছে এক একটি অমূল্য স্মৃতি হয়ে ধরা দিত।

আমি অনুভব করেছি, এখানে ধনী-গরিব, ছোট-বড় কোনো পার্থক্য নেই। সবাই সাদা ইহরামের এক সমান সাগরে ভেসে চলা একেকটি আত্মা। এই সমতার দৃশ্য আমাকে গভীরভাবে বিনম্র করে তুলেছে। নিজের অতীত ভুল, পাপ, অনুশোচনা সব যেন এক অদৃশ্য অশ্রুতে ধুয়ে যেতে চেয়েছে, মনকে হালকা ও পরিশুদ্ধ করেছে।

রাতের নীরবতায় যখন তাঁবুর কাপড় হালকা বাতাসে কাঁপত, তখন মনে হতো এ যেন আল্লাহর নিকটতম এক ডাকঘর, যেখানে প্রতিটি দোয়া সরাসরি আকাশে পৌঁছে যায়। সেই মুহূর্তে আমি হাত তুলে শুধু একটাই কথা বলেছি “হে আল্লাহ, আমাকে গ্রহণ করো।”

এই আবেগ, এই কৃতজ্ঞতা, এই আত্মসমর্পণ ২০২৫ সালের আমার পবিত্র হজযাত্রায় মিনার তাঁবুর সবচেয়ে গভীর ও চিরস্মরণীয় অনুভব হয়ে থাকবে। এছাড়া আমি গতবছর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ 🌼
22/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🌼

বাংলাদেশে আগত ও অনাগত প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। একটি সভ্য ও মানবিক সমাজে কো...
20/05/2026

বাংলাদেশে আগত ও অনাগত প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। একটি সভ্য ও মানবিক সমাজে কোনো শিশুই ভয়, সহিংসতা কিংবা নৃশংসতার শিকার হবে না। এ প্রত্যাশাই সকল নাগরিকের।

রামিসাসহ যেসব নিষ্পাপ শিশু ও মানুষ নির্মম ধর্ষণ, নির্যাতন এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, সেই সকল মর্মান্তিক ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এমন বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার চিন্তাও করতে সাহস না পায়; অপরাধের পরিণতির ভয় যেন সমাজে একটি শক্ত বার্তা হয়ে দাঁড়ায়। একইসাথে কেবল শাস্তিই নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং শিশু সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করা জরুরি। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।

রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ যদি এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত, কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হন, তবে তা কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, পুরো জাতির নৈতিক পরাজয়ে রূপ নেবে। বিচারহীনতা ও দীর্ঘসূত্রতা মানুষের মনে আইনের প্রতি আস্থা ধ্বংস করে দেয়, রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ক্ষয় করে এবং অপরাধীদের আরও বেপরোয়া হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

যখন অপরাধী শাস্তির ভয় হারিয়ে ফেলে, তখন সমাজে নিরাপত্তাহীনতা ভয়াবহ রূপ নেয়। মানুষ যদি মনে করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে না, তবে রাষ্ট্রের আইন, শাসনব্যবস্থা ও নৈতিক অবস্থানের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভেঙে পড়বে। তাই এখনই সময় কঠোর, নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন পাশবিক অপরাধ করার সাহস না পায়।

-ইকরামুল হক

লেখক উওয়াইস সারওয়ার রচিত ‘শত গল্পে ফাতেমা (রাযি.)’ গ্রন্থটি সর্বশ্রেষ্ঠ নারী, নবী-কন্যা হযরত ফাতিমা (রাযি.)–এর পবিত্র ...
19/05/2026

লেখক উওয়াইস সারওয়ার রচিত ‘শত গল্পে ফাতেমা (রাযি.)’ গ্রন্থটি সর্বশ্রেষ্ঠ নারী, নবী-কন্যা হযরত ফাতিমা (রাযি.)–এর পবিত্র জীবন, অতুলনীয় আদর্শ, ত্যাগ, ধৈর্য ও ঈমানি সৌন্দর্যকে একশত হৃদয়স্পর্শী গল্পের মাধ্যমে অপূর্বভাবে তুলে ধরেছে। সম্পূর্ণ বইটি পাঠ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। মনে হয়েছে, প্রতিটি গল্প যেন হৃদয়ে নূরের রেখা এঁকে দেয়। আর সেই বিশাল গ্রন্থের নির্যাস, ভালোবাসা ও ভাবগাম্ভীর্যের এক ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি যেন এই ছবিতে ফুটে উঠেছে।

17/05/2026

বান্দার স্বপ্নের চেয়েও মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পরিকল্পনা অনেক বেশিই সুন্দর। এমন অনেক বাস্তবতা স্বচক্ষে দেখেছি। আলহামদুলিল্লাহ...

“মানুষের পিছনে লেগে থাকা কিছু মানুষ আমৃত্যু পিছনেই রয়ে যায়; যেমন অন্ধকার রাতে সাপও জুনিপোকার আলো ছাড়তে চায় না।”৩০ ডিসেম্...
15/05/2026

“মানুষের পিছনে লেগে থাকা কিছু মানুষ আমৃত্যু পিছনেই রয়ে যায়; যেমন অন্ধকার রাতে সাপও জুনিপোকার আলো ছাড়তে চায় না।”

৩০ ডিসেম্বর’২৫ ইং, মঙ্গলবার সকালে সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরেছিলাম। দিন গড়াতেই বিকেলে আবার ঢাকার আকাশ ছেড়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে উড়াল দিল বিমান। শুরুতে সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক, জানালার বাইরে মেঘের ভেলা, আর ভেতরে নীরব যাত্রীদের ক্লান্ত মুখ। মহেশখালীর কাছাকাছি পৌঁছাতেই ককপিট থেকে ঘোষণা এলো “অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বিমান।” কিন্তু সেই অল্প সময় ধীরে ধীরে এক অনিশ্চিত অপেক্ষায় রূপ নিল। বিমানটি বারবার একই আকাশে চক্কর দিতে লাগল। কখনো নিচে নামছে, আবার হঠাৎ করেই ওপরে উঠে যাচ্ছে। জানালার বাইরে অন্ধকার সমুদ্র আর ক্ষীণ আলোর রেখা দেখে তখন মনে হচ্ছিল যে, গন্তব্য এত কাছে এসেও মানুষ কখনো কখনো ঠিক পৌঁছাতে পারে না। এরপর ককপিট থেকে আবার ঘোষণা এলো ‘‘ঘন কুয়াশা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত ভিজিবিলিটি নেই। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানটি পুনরায় ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে।’’

ঠিক তখনই মেঘের গর্জন আর প্রবল ঝাঁকুনিতে পুরো বিমান যেন কেঁপে উঠল। মুহূর্তেই কেবিনজুড়ে নেমে এলো গভীর নীরবতা। কেউ জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল, কেউ চোখ বন্ধ করে প্রার্থনায় ডুবে গেল। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল ‘‘মানুষের পরিকল্পনার চেয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সিদ্ধান্তই শেষ সত্য।’’ সেই অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ একটি পুরোনো গল্প মনে পড়ে গেল।

এক রাতে একটি সাপ একটি জুনিপোকার পিছু নিল। জুনিপোকাটি প্রাণভয়ে উড়ে বেড়াতে লাগল, আর সাপটিও অবিরাম তার পিছু ধাওয়া করতে থাকল। একপর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে জুনিপোকা সাপটিকে জিজ্ঞেস করল! “তোমার সঙ্গে কি আমার কোনো শত্রুতা আছে? আমি কি কখনো তোমার কোনো ক্ষতি করেছি?” সাপটি বলল “না, তোমার সঙ্গে আমার কোনো দুশমনি নেই।” জুনিপোকািপোকা আবার বলল “তাহলে কেন আমাকে আঘাত করতে চাও?” সাপটি ধীরস্বরে উত্তর দিল “তোমার শরীরের পেছনে যে আলো জ্বলজ্বল করে, সেটাই আমার সহ্য হয় না।”

বিমানের জানালার বাইরে তখনও দূরের ক্ষীণ আলোগুলো অন্ধকারের ভেতর টিকে থাকার চেষ্টা করছিল। ঠিক জুনিপোকার আলোর মতো। তখন মনে হলো। পৃথিবীতে কিছু মানুষও ঠিক সেই সাপটির মতো। তাদের রাগের পেছনে সবসময় কোনো কারণ থাকে না; কখনো কখনো অন্যের উজ্জ্বলতাই তাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যের আলো নিভিয়ে কেউ কখনো নিজের অন্ধকার দূর করতে পারে না। বরং সত্যিকারের মহত্ত্ব হলো অন্যের আলো দেখে অনুপ্রাণিত হওয়া। কারণ আকাশের সব তারার আলো এক নয়, তবুও প্রতিটি তারাই নিজস্ব সৌন্দর্যে জ্বলজ্বল করে।

অন্যের কল্যাণ দেখে কষ্ট পাওয়া মুনাফিকদের স্বভাব। পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমার কোনো কল্যাণ হলে তা তাদের কষ্ট দেয়, আর তোমার কোনো বিপদ হলে তারা বলে, ‘আমরা তো আগেই আমাদের ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছিলাম।’ অতঃপর তারা আনন্দিত অবস্থায় ফিরে যায়।”
-সূরা আত-তাওবা, আয়াত নং: ৫০

এছাড়া হাদীস শরীফেও আছে, “হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা মানুষের নেক আমলকে এমনভাবে গ্রাস করে, যেমন আগুন শুকনো কাঠকে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।”
-সুনানে আবু দাউদ

Address

Chattogram
Patenga

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FSD Ekramul Hoque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to FSD Ekramul Hoque:

Share