Unwritten Pabna

Unwritten Pabna Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Unwritten Pabna, Photography Videography, Pabna.

16/10/2025

আজ পাবনা জেলার জন্মদিন। এবার পাবনা জেলার বয়স বেড়ে দাঁড়ালো ১৯৭ বছর 💣

🔰 #পাবনা_ইসলামিয়া_মাদরাসা অফিশিয়ালি পাবনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা বাংলাদেশের পাবনা জেলায় অবস্থিত একটি ইসলাম ধর্মীয় উ...
22/07/2025

🔰 #পাবনা_ইসলামিয়া_মাদরাসা অফিশিয়ালি পাবনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা বাংলাদেশের পাবনা জেলায় অবস্থিত একটি ইসলাম ধর্মীয় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে মাদ্রাসাটি তার মাতৃ প্রতিষ্ঠান দারুল আমান ট্রাস্ট নামেই অধিক পরিচিত। ২০১১ সালের দাখিল পরীক্ষায় মাদরাসা বোর্ডে সারা দেশে এই প্রতিষ্ঠানটি ২য় স্থান এবং ২০১৪ সালে ৯ম স্থান লাভ করে।এই মাদ্রাসাটি দারুল আমান ট্রাষ্ট নামক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত হয়ে থাকে।
🔰১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর পাবনা দারুল আমান ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত হবার প্রায় ১৪ মাস পর, ১৯৯৩ সালের ১৬ জানুয়ারী, স্থানীয় জনৈক আলহাজ্ব আছির উদ্দীন সরদার, দারুল আমান ট্রাস্টকে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাবনা বাস টার্মিনালের উত্তরে লস্করপুর মৌজায় সাড়ে ৭ বিঘা জমি দান করেন। এর অনধিক ৩ মাসের মধ্যেই, সেই জমিতে দারুল আমান ট্রাস্টের উদ্যোগে ‘পাবনা ইসলামিয়া মাদরাসা’ নামে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। মাদরাসা প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে অধ্যাপক মাওলানা আব্দুর রহীম দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মাওলানা আব্দুর রবকে সুপারের দায়িত্ব দেয়া হয়। ক্রমান্বয়ে মাদরাসাটি ইবতেদায়ী থেকে দাখিল এবং তারপর আলীম স্তরে উন্নীত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বরাবরই মাদরাসাটির ফলাফল ভাল বিধায় ২০১৯ সালেও দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় অর্জিত ফলাফলের ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড প্রদত্ত ‘মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি’ লাভ করেছে। ২০২০ সালে এই মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়।বর্তমানে মাদরাসাটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হাফেজ মাওলানা ইকবাল হুসাইন। মাদ্রাসাটির উপাধ্যক্ষ হিসেবে আছেন মাওলানা আব্দুল লতিফ।
🔰শিক্ষা সফর, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রভৃতি। এখানে মনন নামে একটি পাবলিকেশন রয়েছে।
🔰ছাত্রঃ সাদা পাজামা, গাড় সবুজ (পেস্ট কালার) পাঞ্জাবী, সাদা টুপি এবং সাদা জুতা-মোজা।
ছাত্রীঃ সাদা পাজামা, গাড় সবুজ (পেস্ট কালার) ফ্রক, সাদা স্কার্ফ এবং সাদা জুতা-মোজা।
⚜️পাবনার ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতি জানতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন।

পাবনা শহর থেকে তিন কি: মি: দূরে হেমায়েতপুর ইউনিয়নে ১৯৫৭ সালে পাবনা শহরের শীতলাই জমিদার বাড়িতে তৎকালীন পাবনা জেলার সিভ...
26/06/2025

পাবনা শহর থেকে তিন কি: মি: দূরে হেমায়েতপুর ইউনিয়নে ১৯৫৭ সালে পাবনা শহরের শীতলাই জমিদার বাড়িতে তৎকালীন পাবনা জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ হোসেন গাংগুলী এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার বছরেই হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম বছর হাসপাতালে মানসিক রোগী ভর্তি হয়েছিল ৮০ জন। পাবনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের হিমাইতপুর গ্রামে হাসপাতালের জন্য ১১১.২৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৫৯ সালে এবং হাসপাতালটি স্থানান্তরিত হয় (তম্মধ্যে ৩০ একর জমি পাবনা মেডিকেল কলেজকে হস্তান্তর করা হয়েছে)। অধিগ্রহণ করা জমির সিংহভাগই ছিল পাবনার আধ্যাত্মিক সাধক।প্রাথমিক পর্যায়ে শয্যা সংখ্যা ছিল ৬০। পরে ১৯৬৬ সালে প্রথম দফায় শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০ ও পরে ২০০টি করা হয়। ১৯৯৬ সালে শেষ দফায় ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হয় এই হাসপাতালটিকে। বর্তমানে হাসপাতালের মোট ১৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫টি নারী রোগীদের জন্য বরাদ্দ। আর বাকি ১৪ টি ওয়ার্ডে পুরুষ রোগী ভর্তি আছে। মোট শয্যার ৩৫০টি নন-পেয়িং (তম্মধ্যে ৭০ টি উন্নয়ন খাত) এবং ১৫০টি পেয়িং (তম্মধ্যে ৩০ টি উন্নয়ন খাত)। হাসপাতালের দ্বিতল ভবন, বহির্বিভাগ, প্রশাসনিক ভবন, ওষুধ সংরক্ষণ ভবন, মালামাল সংরক্ষণ ভবন, রান্নাঘর, ধোপাঘর, বিনোদন বিভাগ, সিনেমা হল, হস্তশিল্প ভবন, তাঁতশিল্প ভবন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবন ও কটেজ মিলিয়ে মোট ৫৩টি ভবন রয়েছে।
#পাবনা_মানুষিক_হাসপাতাল
#পাবনা

 #জোর_বাংলা_মন্দির🔰 স্থান ঃ- পাবনা শহরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে কালাচাঁদপাড়ায় জোর বাংলা মন্দির অবস্থিত। 🔰মন্দিরের সম্মুখভাগে...
08/11/2024

#জোর_বাংলা_মন্দির
🔰 স্থান ঃ- পাবনা শহরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে কালাচাঁদপাড়ায় জোর বাংলা মন্দির অবস্থিত।
🔰মন্দিরের সম্মুখভাগে তিনটি অর্ধা বৃত্তাকার খিলান বিশিষ্ট প্রবেশ পথ আছে ।
🔰 প্রামাণিক নথির অনুসারী এবং অন্যান্য উৎসের মাধ্যমে মন্দিরের প্রতিষ্ঠা ও নির্মাণকাল সম্পর্কে বিভিন্ন পার্থক্য ও অসমতা পরিলক্ষিত হয়। এই পরিস্থিতিতে, এই মন্দিরটিকে একটি নির্দিষ্ট কালানুক্রমিক কাঠামোর মধ্যে রাখা সম্ভবপর নয়। স্থানীয় জনশ্রুতি অনুসারে, জোড় বাংলা মন্দিরটি উনবিংশ শতাব্দীর (১৮০১–১৯০০) মাঝামাঝি সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। রাধারমণ সাহা কর্তৃক প্রত্তত তথ্য ও বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মন্দিরের পৃষ্ঠপোষক (ব্রজমোহন ক্রোড়ী) দ্রুত তার সম্পদ অর্জন করেছিলেন তবে নবাবী শাসনামলে জমিদারদের মতো উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নয়। মুর্শিদাবাদ নবাবের তহশীলদার, ব্রজমোহন ক্রোড়ী মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। তবে মন্দিরটি আবিষ্কারের সময় কোন শিলালিপি পাওয়া না যাওয়ায় এর সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায় না।
আসাম রাজ্যে ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে ৮.২-৮.৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, যা "১৯৮৭ আসাম ভূমিকম্প" নামে পরিচিত। এই ভূমিকম্পে মন্দিরের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
রাধারমণ সাহা রচিত পাবনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী, এখানে গোপীনাথের মূর্তি ছিল এবং নিয়মিত তার পূজাও হতো। গোপীনাথের পূজার কারণেই মন্দিরটি গোপীনাথের মন্দির বা গোপীনাথ মন্দির হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল। এখানে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি ছিল বলেও জানা যায়। মন্দিরে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও পূজার্চনা হয়েছে, এবং এটি একটি উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। গোপীনাথের মূর্তিটি ১৯১০ সালে স্থানীয় কালী মন্দিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন থেকে তা ওখানেই আছে।

A few cinematic🖤
25/05/2024

A few cinematic🖤

Rural🖤✨
23/05/2024

Rural🖤✨

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unwritten Pabna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unwritten Pabna:

Share