18/07/2022
বর্তমান সময়ে ছেলেদের চাকরি+বিয়ে দুটোই অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে।
সুশীল সমাজেরের ভুল প্লানিংয়ের মাশুল দিতে হচ্ছে ৬০% যুব সমাজকে। সাধারন প্রাইমরির চকরিতে ৮০% নারী কোটা, বিভিন্ন এনজিও,পাইভেট ব্যাংক, মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিগুলো নারীর ক্ষমতায়নের নামে “ফিমেল সার্কুলার” দিচ্ছে যেখানে শুধু নারীরা নিয়োগ পাচ্ছে।
ফলে সামাজে জঠিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ একজন বেকার ছেলেকে চাকরি দিলে সে একটা পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারে।একজন বেকার মেয়েকে বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারে কিন্তু একজন মেয়েকে চাকরি দিলে সে কখনো একটা বেকার ছেলেকে বিয়ে করে দায়িক্ত গ্রহন করেনা। তার থেকে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন ছেলে খুঁজে বছরের পর বছর সময় পার করে।
ছেলেদের জব না থাকায় তারা আন্ডার কোয়ালিফাইড মানে বিয়ের যোগ্যতাই হয়নি। মেয়েদের জব থাকাই তারা ওভার কোয়ালিফাইড মানে যোগ্যতাসম্পন্ন ছেলে খুঁজে পায়না।
ফলাফল বর্তমান সময়ে ছেলেদেরও সহজে বিয়ে হচ্ছেনা, মেয়েদেরও সহজে বিয়ে হচ্ছে না।
আমরা যদি বাবাদের যুগের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পারব তারা কম-বেশি 20/22 বছরে বিয়ে করে ফেলেছেন। আমাদের মত 30 বছর বয়সে তাদের 2/3 টা ছেলে-মেয়ে ছিল। দাদাদের দিকে তাকালে দেখতে পারব তারা আরো কম বয়সে বিয়ে করতে পেরেছেন।
কিন্তু বর্তমান সময়ে ছেলেদের বিয়ে করতে 35-40 বছরে পৌছে যাচ্ছে। যে মানুষটা 12 বছরে প্রাপ্ত বয়স্ক হয় আর তাকে বিয়ে করতে হয় 35/40 বছরে। এটা খুবই দুঃখজনক।
মানুষের বয়সের সাথে সাথে যৌবিক চাহিদা বলে যেটা আছে নীতি-নির্ধারকেরা সেটা ভুলেই গেছে। সমাজে যেনা-ব্যাভিচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। ধর্ষণ,লিটনের ফ্লাট, এসব অনৈতিক কাজ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিয়ের আগেই সব কিছু শেষ হয়ে যায়। যেনা-ব্যাভিচার যে কত সহজ হয়ে গেছে, চাইলেই করা সম্ভব কিন্ত বিয়ে অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে, চাইলেই করা যায়না।
আজ রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের উদ্ভূতপরিস্থিতি ভাবে দেখা উচিত।