World Photo Bucket

World Photo Bucket Admin
ƒacebook ïÐ: http://facebook.com/like.idxw.shawon

Pink Color Globe Photo
20/01/2014

Pink Color Globe Photo

UniCorn
20/01/2014

UniCorn

Butterfly.....
20/01/2014

Butterfly.....

Bangladesh
20/01/2014

Bangladesh

04/01/2014

একটি কষ্টের গল্প ......

মা, তুমি কাঁদছো কেনো?
-কিছু না রে
-মা ! মা গো ! ও মা !
আমি দেখতে পাচ্ছি তুমি কাঁদছো!
-কিছুনা রে পাগল ছেলে।
ক্ষিদে লেগেছে যা হাত মুখ ধুয়ে আয়।
মায়ের পার্সের পকেটে একটা চিঠি দেখতে পেয়ে পড়ে দেখতে পায় ,
ডাক্তারের রিপোর্ট দেওয়া- সেখানে মায়ের
ক্যান্সার ধরা পড়েছে ,
খুব কম দিন হাতে আছে মায়ের হাতে দুনিয়ার
আলো দেখতে পাবেন তিনি।
পরেরদিন পুলিশ একটা লাশ খুঁজে পায় শার্টের
পকেটে একটা মৃত্যুর কারণসহ
চিঠি পাওয়া যায়....

"মা,
আমি নিজেকে সামলাতে না পেরে মেরে ফেলেছি,
আমি উপরে তোমার অপেক্ষায় থাকবো।
আমার দুনিয়াতে একমাত্র তুমিই ছিলে আপনজন
তোমাকে হারালে কষ্ট আরো বেশী পেতাম।
"সত্যি তোমাকে অনেক ভালবাসি মা"

04/01/2014

ছেলে : অপু যাইবেন
নাকি কাজী অফিসে ?
মেয়ে : চলো ।
ছেলে : কোথায় যামু ?
মেয়ে : প্রিন্সিপালের কাছে ।
ছেলে : ওমাহ, আমি আপনার
সাথে একটু মজা করলাম আর
আপনি প্রিন্সিপাল স্যারের
কাছে বিচার দিতে যাবেন ?
মেয়ে : আরে বিচার দিতে যাব কেন ?
ছেলে : তাহলে কেন যাবেন ?
মেয়ে :..............ছুটি নিতে,আপনি না বললেন
কাজী অফিসে যাবেন ।

04/01/2014

Girl: We are best friends, right?
Boy: Yes, of course.
Girl: So be honest with me, who do
you like?
Boy: No one. I love someone.
Girl: Oh, she must be very lucky.. Boy: Definitely. I've loved her,
ever since I met her.
Girl: Really? Well, since we're best
friends,
I wanna meet her. Go call her.
Boy: Oh okay. *Boy takes out his phone,dials her
number and phones her..*
Girl: Wait, hold on I think I'm
getting a call.
*Answers the phone*
Boy: I love you

04/01/2014

বাড়িওয়ালা আঙ্কেল সহজে ছাদ
খুলতে চান না।
কিন্তু সেদিন খুলেছিলেন।
তাসিন
বিকেলে ছাদে হাটতে গিয়ে দেখতে
ছেলেটিকে।
এত সুন্দর চেহারা কোন ছেলের
হতে পারে না।
হওয়া উচিত না।
ছেলেটা ছ'ফুটের মত লম্বা,
মুখে খোচা খোচা দাড়ি,
তবুও চেহারায় একটু মেয়েলীভাব আছে।
এরকম মেয়েলী ছেলে তাসিনের
ভাল্লাগে না।
কিন্তু এই ছেলেটাকে তার কেন যেন
ভীষণ ভাল
লেগে গেল।
আর ভাল লাগার জন্য
সে খানিকটা লজ্জাও পেল।
ছেলেটা কথা বলছিল ফোনে। অন্যের
কথা শোনা অনুচিত। তবুও তাসিন শুনল,
আর
কথা শুনে এটুকু
বুঝলো যে ছেলেটা রোজ এই সময়
ছাদে আসে।
ছেলেটা সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকলো,
তাসিনও থাকলো।
রাতে তাসিনের ঘুম হল
ছাড়া ছাড়াভাবে।
বারবার শুধু তার কথা মনে পড়ছিল।
(2)
পরদিনও তাসিনের ইচ্ছে হল
ছাদে ছুটে যেতে।
কারণ ছেলেটা এখন সেখানে।
কিন্তু যাওয়ার তো কোনই অজুহাত নেই।
অনেক ভেবেচিন্তে সে পরদিন কিছু
ফুলের চারা আর
টব কিনে আনলো।
বাড়িওয়ালা আঙ্কেলকে পটিয়ে সেগুল
এখন থেকে এগুলোর
অজুহাতে বিকেলে ছাদে যাওয়া যাব
তাসিন এরপর
থেকে মালিগিরি করতে লাগলো, আর
ফাকে ফাকে ছেলেটাকে দেখতো।
ছেলেটার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হত,
কিন্তু
আগবাড়িয়ে বলতে লজ্জা পেত।
ছেলেটাই এগিয়ে এল একদিন।
পরিচয়পর্ব ছাড়াও কিছু কথা হল দুজনের
মধ্যে।
তাসিন জানতে পারলো ওর নাম
নিশাত।
এটা ওদেরই বাড়ি। ওর আর ভাই বোন
নেই।
বাবা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার।
বাড়িতে নিশাত ওর
মাকে নিয়ে থাকে।
ভাল স্টুডেন্ট ছিল, কিন্তু ইচ্ছা হয়
নি বলে আর
পড়ে নি।
তাসিন ওর কাছে নিজের
কথা বলতে গিয়ে বেশ
বিব্রতবোধ করলো।
ওর ফ্যামিলির সাথে নিশাতের
ফ্যামিলির অনেক
পার্থক্য।
(3)
ওদের মাঝে বেশ সখ্য গড়ে উঠলো।
একদিন হঠাৎ নিশাত বলল যে ওর
মা তাসিনের
সাথে কিছু কথা বলতে চায়।
তাসিন ভেবেই পেল না ওর
সাথে কি এমন
কথা বলতে চায় নিশাতের মা।
পরদিন কেমন ঘোরের ভেতর দিন
কাটালো ও।
বিকেলের কিছু আগেই ওর
সস্তা প্রসাধনি দিয়ে সাজতে বসলো।
অনেক সময় নিয়ে সাজার পর আয়নায়
নিজেকে দেখে বেশ তৃপ্ত হল।
মনে মনে ভাবলো ছেলেরা এরকম
একটা মেয়ের
প্রেমে পড়তেই পারে।
(4)
নিশাত ওদের বাড়ির সামনেই
দাড়িয়ে ছিল।
তাসিন আসতেই ওকে ঘরে বসার
ঘরে নিয়ে গেল।
তাসিন কিছুটা হতভম্ব হয়ে গেল।
যতটা ধনবান এদের
ভেবেছিল সে, এরা তার থেকেও
অনেক বেশি ধনবান।
তার মত মেয়ের কি কখনও এই
বাড়িতে জায়গা হবে?
নিশাত ভেতরে চলে গেল
মাকে আনতে।
তাসিন সব খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছিল
এর মাঝে নিশাত ওর
মাকে নিয়ে ঢুকলো।
পায়ে হাত দেওয়া তাসিনের অপছন্দ,
তবুও সে মহিলার
পা ছুঁয়ে সালাম করলো।
তিনি ওকে হাতে ধরে টেনে তুললেন।
বেশ
মমতামাখা স্বরে তাসিনকে বললেন,
"কেমন
আছো মা?"
"ভালো আছি।" বলতে গিয়েও
তাসিনের
গলা কাঁপছিল।
কিছুক্ষণ টুকটাক কথার পর নিশাত হঠাৎ
বলল, "মা,
ওকে সেই কথাটা বলো। আমি যাই।"
কথাটা বলেই চলে গেল ও সে।
ওর মা তাসিনের
দিকে তাকিয়ে বললেন, "নিশাত
তোমাকে একটা কথা বলতে চায়,
নিজে বললেই পারে।
তবু আমাকে দিয়ে বলাবে।
কি যে লাজুক!"
কথাটা শুনে চুপ করে রইলো তাসিন,
অনুমান করার
চেষ্টা করলো নিশাত কি বলতে চায়।
ভাবতেই কেমন লজ্জা লাগলো।
"নিশাতে ভীষণ একা, কারো সাথেই
মানিয়ে চলতে পারে না।
কলেজে কারো সাথে মিশতে পারতো না
ছেড়ে দিল। শুধু তোমার
সাথে কীভাবে যেন বন্ধুত্ব
হয়ে গেল। ও চায় এই বন্ধুত্ব সারাজীবন
ধরে রাখতে।"
একটু থামলেন তিনি।
"এটাই তোমার কাছে ওর চাওয়া,
ওকে ছেড়ে যাবে না তো।"
"না।" আস্তে করে বললো তাসিন।
তার গলা কাঁপছিল।
এতটা সে আশা করে নি।
"প্রমিজ করো।"
"হুম।"
বেশ কিছুক্ষণ নিরবতার পর তাসিন হঠাৎ
বলে ফেললো, "আন্টি, নিশাত
কারো সাথে মেশে না কেন?"
নিশাতের মাকে দেখে মনে হল খুব
কঠিণ প্রশ্ন
করা হয়েছে তাকে।
যার উত্তর জানা নেই।
তিনি তাসিনের দিক থেকে চোখ
সরিয়ে থেমে থেমে বললেন, "নিশাত
আসলে......ও
আসলে হিজড়া! এই লজ্জায় ও
কারো সাথে মেশে না।"
বলার সময় তাঁর চোখে জল চলে আসলো।
তাসিন তা খেয়াল করলো না।
তার মাথায় একটা কথাই ঘুরছিল।
"হিজড়া!!! তার স্বপ্নপুরুষ হিজড়া!"
পরিশিষ্টঃ ছাদের
গাছগুলো শুঁকিয়ে গেছে।
বিকেলে এখন আর কেউ
মালিগিরি করতে যায় না।

04/01/2014

= হ্যালো কি কর??
= ঘুমাই
= কি তুমি এখন ঘুমাও ।তোমার কি ঘুম ছারা অন্য আর কোনকাজ নাই।
= আছেতো যখন তখন তোমার প্যান প্যান শোনা। এটাও তোএকটা কাজ তাই না।
= কি !!! আমি তোমার সাথে শুধুপ্যান প্যান করি ।আর কিছু করি না ??? :@
= করতোযখন তখন আমারে নিয়া এখানে ঐখানে ঘুরতে যাও আর আমার পকেট খালি কর। ।
= কি তুমি আমাকে এই কথা বলতে পারলা। ঠিক আছে যাও আজ থেকে সব কিছু বন্ধ ।তোমার সাথে আমার আর কোনসম্পর্ক্য নাই।
= জি অনেক ধন্যবাদ এবার ফোনরাখেন ,আমি ঘুমাবো ।
= ঠিক আছে আর কোন্দিন আমার সাথে যোগাযোগ করবানা।
= জি ইন্সহাহ আল্লাহ।
রিয়া ফোনকেটে দিলোআর সাগর আবার ঘুম দিলো।
ঠিক ১১ টার দিকে সাগরের মায়ের ডাকে তার ঘুম ভাংলো। সাগর ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করলো। তারপর সে রিয়াকে ফোনদিলোকিন্তু রিয়া ফোনধরলোনা। কয়েকবার ফোনদেয়ার পর রিয়া ফোনরিসিভ করলো। ফোনধরেই আগে সাগরকে আগা গোড়া ঝারলো কতক্ষন ।আর সাগর মুখ বুঝে সব সহ্য করে নিলো।কারন এমনটা তাদের প্রায়িই ঘটে ।ওরা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসে। তারপর------
=সরি জান আর কখন এমনটা বলবোনা।
= তোমার এই কথা শুনতেশুনতেআমি বোড়হয়ে গেছি ।
= চলনা জান কথাও থেকে ঘুরে আসি ।
= তোমার সাথে আমি আর ঘুরতে যাবো না ,তুমি না বলসিলা আমি তোমার পকেট খালি করি।
= বললাম তোজান সরি আর কখন বলবোনা ।
= ঠিক আছে যাও মাফ করে দিলাম । শুনো আজ আমরা বাইরে লাঞ্চ করবো কেমন ।
= কি!!! শুধুআমার পকেট কিভাবে খালি করবে সারাদিন ওই ধান্দায় থাকো না।
= তুমি আবার শুরু করলা ।আর জিবনেও আমাকে ফোনদিবা না ।
= ওউ সরি জান আর হবে না।
এভাবেই তাদের প্রায় ৩ বছর ধরে ঝগরা চলছে যাকে বলে লুমান্তিক ঝগরা ।

04/01/2014

একটি মিথ্যে ভালবাসার গল্প

জানালা দিয়ে বৃষ্টির কয়েক ফোটাঁ এসে অপলার মুখে পরল ।খুবই কাঁচা ঘুম ওর;অল্পতেই ভেঙে যায় ।বিছানায় উঠে বসল ও ।পাশেই অঘোরে ঘুমিয়ে আছে শাহেদ ।অপলা শাহেদের দিকে একবার তাকাল;বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারল না ।চোখ সরিয়ে নিল ।শাহেদের দিকে বেশি সময় তাকিয়ে থাকতে পারে না ও ।এমন কি শাহেদের চোখের দিকে সরাসরি কখনোই তাকায়েনি ।কেন তার উওর বহুবার খোঁজার চেষ্টা করেছে অপলা ।হয়তো পায়নি বা পেয়েও নিজের সাথে অভিনয়ের বৃথা চেষ্টা করছে ।

আলমারির ভিতর থেকে মোটা একটা চাদর এনে শাহেদের গায়ে দিয়ে দিল অপলা ।

বাইরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে তারসাথে উথাল-পাতাল বাতাস ।এই ছোট্ট ঘরঙায় অপলার সব থেকে প্রিয় জায়গাটি হল বাান্দাটি ।অপলা বারান্দায় গিয়ে দাড়াঁলো ।বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কিংবা বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটার সাথে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ।

বৃষ্টির ফোঁটাগুলো অপলাকে ভিজিয়ে দিল ।ঐদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই ওর ।অথবা ও হয়তো নিজের সাথে নেই ।

বৃষ্টি রাতুলের খুব প্রিয় ছিল ।বৃষ্টিকে ঘিরে রাতুলের পাগলামীর অন্ত ছিলনা ।অপলা এইসব পাগলামীর প্রেমেই পরেছিল ।আর রাতুল নামের সেই পাগল মানুষটার ।এই পাগল মানুষটাকে অপলা পাগলের মত ভালবাসত ।রাতুল ওকে কতটুকু ভালবাসত তা কখনোই জানার চেষ্টা করেনি অপলা ।ওর ভালবাসা এতটাই পরিপূর্ণ ছিল যে সামান্য শূন্যতাও সেখানে বোঝার উপায় ছিলনা ।

িনিজের মাঝেই ব্যস্ত থাকত রাতুল ।প্রিয় মানুষগুলোর অনুভূতি কতটুকু বুঝতে পারত,তা বোঝার উপায় ছিল না ।অপলা বুঝত রাতুল ওকে প্রচন্ড ভালবাসে ।কিন্তু প্রকাশ করতে পারেনা ।

কিন্তু যা দেখা যায় না কোনভাবেই যার অস্তিত্ব অননুভব করা যায় না ।তা নিয়ে হয়তো মনে প্রশ্ন জাগেই ।

হ্যাঁ, অপলার মনেও জেগে ছিল বহু প্রশ্ন তার সাথে অভিযোগ আর অনেকগুলো কষ্ট ।সেই সাথে অশ্রুকণাগুলোও জমা হয়েছিল ।অপলা খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করত ওর চোখের পানি কিংবা কষ্টগুলো রাতুলকে কখনোই স্পর্শ করত না ।

বৃষ্টির পানির সাথে চোখের প্রতিটি পানির কণা মিশে একাকার হয়েগিয়েছে ।বোঝার উপায় নেই অপলা কাদঁছে ।

অপলা বার বার নিজেকে প্রশ্ন করে শুধুমাএ রাতুলকে সাজা দেওয়ার জন্যই কি ও শাহেদকে বিয়ে করেছে?আবার নিজেই নিজেকে বুঝায় না ও শাহেদকে ভালবাসে ।অনেক বেশি ভালবাসে ।

সারাটা পৃথিবীর সাথে অভিনয় করা যায় কিন্তু নিজের সাথে যায় না ।অপলা হয়তো তা জানেনা তাই ভালবাসার ব্যর্থ চেষ্টা করে চলছে নিজের সাথেই ।

কাধেঁ শাহেদের হাতের স্পর্শ পেয়ে অপলা সংবল ফিরে পেল ।শাহেদের দিকে না তাকিয়েই বলল
-কি ঘুম ভেঙে গেল তোমার রাতুল ?অপলা খেয়াল ও করল না কি বলছে ।শাহেদ শুধু বলল
-তুমি কাঁদছ কেন?তারপর প্চন্ড ভালবাসা দিয়ে জড়িয়ে ধরল অপলাকে ।সেই ভালবাসা এতটাই তীব্র যার সামনে হেরে যেতে পারে রাতুলের প্রতি অপলার ভালবাসা ।

04/01/2014

ঘটনাটা আমার কাজিনের কাছ থেকে শোনা।
ওর এক বান্ধবী ইংলিশ মিডিয়ামে ক্লাস নাইনে পড়ে।

স্কুলের নাম সঙ্গত কারনেই গোপন করছি।
তো সেই বান্ধবীর প্রেম ছিল ওর এক ক্লাসমেট ছেলের সাথে। প্রেমের কিছুদিন পরে সেই বান্ধবী নাকি প্রেগনেন্ট
হয়ে যায়।
বিশাল কেলেংকারি অবস্থা!!
দুই ফ্যামিলির গার্জিয়ান একত্র হয় বিষয়টা মিমাংসার জন্য। ঐ মহান প্রেমিক প্রেমিকাদ্বয়কেও
নাকি মিমাংসা অনুষ্ঠানে উপস্থিত করা হয়।
তো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বাচ্চা এবরশোন করানো হবে।

যখনই এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয় সাথে সাথে নাকি সেই ছেলেটি চিত্কার দিয়ে বলে ওঠে-
"খবরদার!! আমার প্রথম বাচ্চা; কে নষ্ট করতে আসে দেখি?"
উপস্থিত সবাই ক্লাস নাইনের ছেলের এই আচরণে অবাক হয়ে যায়।
হায়রে! এই কর্পোরেট যুগে ইংলিশ মিডিয়ামের লাফাঙ্গা এক পোলার মুখের এই কথা শুনে অবাকই লাগল।
সে প্রেম
করছে, শারীরিক সম্পর্ক করছে এখন আবার বাবা হতে চাইছে।
বাবা হবার মত যোগ্যতা কি ক্লাস নাইনের
একটা ছেলের আছে? সে তার অনাগত সন্তান আর স্ত্রীর ভরন পোষন দিবে কিভাবে?
আসলে আজকালকার টিনেজ ছেলেমেয়েরা ঝোঁকের মাথায় অনেক ভুল করে ফেলছে।
যেসব ভুল
সমাজকে ধীরে ধীরে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
কি আর বলব?

পুরো ঘটনা শুনে আমি বাকরূদ্ধ!

Address

Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3821

Telephone

01866510067

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Photo Bucket posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to World Photo Bucket:

Share