Hsc-Batch-19

Hsc-Batch-19 Stay us be happy

25/03/2021

প্রাণীর ছবি অঙ্কনের ব্যাপারে কি বলে ইসলাম? | মিজানুর রহমান আজহারি

27/03/2020

কটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন, এই
পৃথিবীতে কেউ
আপনাকে ‘কারন’ ছাড়া ভালবাসে
না।
আপনি দেখতে সুন্দর ও আকর্ষনীয়- মানুষ
আপনাকে ভালবাসবে। অনেকে
আপনার চেহারার
প্রশংসা করবে।
আপনি খুব মেধাবী স্টুডেন্ট, ভবিষ্যত
দারুন
উজ্জ্বল- মানুষ আপনাকে ভালবাসবে।
অনেকেই
আপনাকে আরও ভালো করতে
উৎসাহিত করবে।
আপনি ভালো গান গাইতে পারেন-
মানুষ
আপনাকে ভালবাসবে। আপনার গান
শুনতে
চাইবে। আপনাকে গান গেয়ে আরও বড়
কিছু
হওয়ার স্বপ্ন দেখাবে।
আপনি ভালো লিখতে পারেন- মানুষ
আপনাকে
ভালবাসবে। আপনাকে বাহবা দিবে।
নতুন
কোনো বই অথবা পত্রিকার কলাম
লিখতে
উৎসাহিত করবে। অথবা ফেসবুকে
আপনার
পোষ্টের কমেন্ট বক্সে ভালবাসার
ফুলঝুরি
ছুটাবে। বিপরীত লিংগের মানুষ
থেকে শুরু করে
একই লিংগের মানুষ গুলোও ‘লাভ’ ইমো
দিবে।
আপনি সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলতে
পারেন।
কথার যাদুতে যে কাউকে মুগ্ধ করতে
পারেন-
মানুষ আপনাকে ভালবাসবে। আপনি
তাদের
আড্ডার মধ্যমণি হয়ে থাকবেন। সবাই
আপনার
সাথে কথা বলতে চাইবে। প্রয়োজনে
মোবাইলে
১২ টাকায় ৪০ মিনিট কিনে নিবে।
আপনি ভালো খেলেন- মানুষ
আপনাকে
ভালবাসবে। আপনি মাঠে নামলেই
মাঠের চারপাশ
থেকে দর্শকের হাততালি ও
চিৎকারের ধব্বনি
ভেসে আসবে।..পৃথিবীতে ভালবাসাটা তাদের
জন্যই বরাদ্দ,
যাদের অবশ্যই কোনো না কোনো
গুণের
অধিকারী হতে হবে। ভালোলাগার
মত একটা
সাইড থাকতেই হবে। অতঃপর সেই
ভাললাগাটাকে কেন্দ্র করেই মানুষ
তাকে
ভালবাসবে।
বিচিত্র কোনো এক কারনে, মানুষ
একদমই
সাদামাটা ও সাধারণ কাউকে
ভালবাসতে পারে
না। না পায় তারা আশেপাশের
মানুষের ভালবাসা,
না পায় তারা বিশেষ মানুষটির
ভালবাসা।
কেবলমাত্র নিজের মা-বাবা এবং
রক্তের সম্পর্ক
গুলো ছাড়া।
বিশেষ মানুষটির ভালবাসা সে
কোনো ভাবে
পেয়ে গেলেও, সেই বিশেষ মানুষটি
একটা সময়
তাকে ছেড়ে চলে যায়, তাকে
প্রতারিত হতে হয়।
গভীর রাতে বালিশ জড়িয়ে কাঁদতে
হয়।
সেই বিশেষ মানুষটিও তাকে ‘কারন’
ছাড়া
ভালবাসেনি। সেই কারনটি ছিল
স্বার্থ।
যেকোনো প্রকার স্বার্থের জন্যই সে
তার মত
একদমই সাধারণ কাউকে
ভালবেসেছিল! স্যরি
ভুল বললাম, ভালবাসার অভিনয়
করেছিল।
যারা মাত্রাতিরিক্ত আবেগের সুরে
বলবে,
‘ভালবাসতে কোনো কারন লাগেনা’
অথবা
‘আমি তোমাকে কোনো কারন
ছাড়াই
ভালবাসি’...বুঝে নিয়েন, সেটি
আসলে মারাত্মক
রকমের মিথ্যে কথা।

08/08/2019

# # # #গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর :
***মস্তিস্কের পর্দার নাম কি==মেনিনজেস
***হৃদপিন্ডের পর্দার নাম কি===পেরিকার্ডিয়াম
***ফুসফুসের পর্দার নাম কি===প্লুরা
***যকৃতের পর্দার নাম কি==গ্লিসনস ক্যাপসুল
***অস্থির পর্দার নাম কি==পেরি অষ্টিয়াম
***তরুণাস্থির পর্দার নাম কি ==পেরিকন্ডিয়াম
***স্নায়ুতন্ত্রের গঠনের একক কি==নিউরন
***রেচনতন্ত্রের গাঠনিক একক==নেফ্রন
***কঙ্কালতন্ত্রের গাঠনিক একক==অস্থি
***যকৃতের গাঠনিক একক==হেপাটোসাইট
***মাংশপেশীর গাঠনিক একক===মায়োসাইট
***ফুসফুসের গাঠনিক একক==এলভিওলাই
***মানবদেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি==হাইপোথ্যালামাস
***কোন রস যা মর্করা বা আমিষ উভয়কে পারিপাক করে ==অগ্ন্যাশয় রস
***মানুষের লালায় কোন রস থাকে==টায়ালিন
***কোন জারক রস পাকস্থলিতে দুগ্ধ জমাট বাধায়==রেনিন
***HCL কোন কোষ থেকে নিঃসৃত হয়==প্যারাইটাল কোষ

29/07/2019

'এলিজা কার্সন, মঙ্গলের বুকে হারিয়ে যাবে যে মেয়ে...!
এলিজা কার্সন। বছর আঠারোর এই মেয়েটি নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। সব কিছু অনুকূলে থাকলে এলিজা হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ।
এলিজা জানে না তার মা কে। সিংগেল প্যারেন্ট হিসেবে বাবার কাছে বড় হয়েছে সে। ৭ বছর বয়সে বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি স্পেস ক্যাম্পে। সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা তাকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল যে তার ভাবনার জগতটাই অন্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায়।
এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয় নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাসের সাথে। এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়েছিলেন ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। এই কথা ছোট্ট এলিজার চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন গাঢ় করেছিলো।
১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়েসী হিসেবে আলবামা, কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে অংশ নেয়।
মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়, তা শিখে নিয়েছে এলিজা। মহাকর্ষ-শূন্য স্থানে চলাচল করার পদ্ধতি, ভারহীন স্থানে থাকার উপায় শিখেছে। অর্জন করেছে বিশেষ মুহুর্তে জরুরী সিদ্ধান্ত নেয়ার দক্ষতা। রোবোটিকস্ বিষয়ে জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নিজে একটি রকেটও বানিয়েছে। নাসা’র থেকে তাকে একটি ‘কল নেম’-ও দেয়া হয়েছে- ব্লুবেরি।
যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোনো প্রকার যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে সাক্ষর করেছে।
অফিসিয়ালি নাসা ১৮ বছরের আগে কাউকে নভোচারী হিসেবে আবেদন করার সুযোগ দেয় না। তবে এলিজার ক্ষেত্রে এ নিয়ম মানা হয়নি। প্রথম থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এলিজাকে মানুষের ভবিষ্যৎ মঙ্গল অভিযানের জন্য শক্ত সমর্থ করে তৈরি করতে চেয়েছে। ২০৩৩ সালে যখন মঙ্গল গ্রহে প্রথমবার মানুষ পাঠানোর অভিযান শুরু হবে, তখন এলিজার বয়স হবে ৩২, যা একজন নভোচারীর জন্য যথাযথ বয়স।
এলিজা জানে, সে হয়তো আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১৪ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। তবে তাতে ভীত নয় সে।
ভাবতে অবাক লাগে মানুষের স্বপ্ন কত বিশাল! এলিজা কার্সন আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়। সে বলে- ‘Always Follow Your Dream and Don't let Anyone Take it From You.
কাব্যের শহর থেকে নেওয়া ✌

17/07/2019

*এইচএসসিতে ১০ বোর্ডে পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ*
২০১৯ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি ও সব বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে দশটি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন।
গতবার ১০টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন। পাস করে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করবে। আর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হবে বেলা ১টায়।
গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল।সংগৃহীত
👉যারা রেজাল্ট জানতে চাও রোল,রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এবং বোর্ড লিখে ইনবক্স অথবা কমেন্ট করো।
👉রেজাল্ট দেওয়া মাত্রই কমেন্ট অথবা ইনবক্সে জানিয়ে দেওয়া হবে........

16/07/2019

প্রিয় মেডিকেল ইচ্ছুকরা ,
আজ আমরা জানবো ছন্দের কেলমা 😈 ভর্তি পরীক্ষার জন্য রসায়ন ২য় পত্রের কোন বিকল্প নেই .. কারণ বিগত বছর এখান থেকে ৫ টা প্রশ্ন এসেছিল ... তাই বেশি কথা না বলে . . let's begin
*** জৈব যৌগ তৈরিতে যে সব মৌলিক পদার্থ লাগে : Hello নাও চপস
• Hello - হ্যালোজেন
• নাও - নাইট্রোজেন
• চপস - C, H, O, P, S
*** হেটারো অ্যারোমেটিক যৌগ : FTP
• F - ফিউরিন
• T - থায়োফিন
• P - পিরিডিন
****** অ্যালকেন , অ্যালকিন ও অ্যালকোহল সমাণুতা : আশিতে অবশেষে অচেতন
• আশিতে ( অ্যালকেন) : আলোক , শিকল
• অবশেষে (অ্যালকিন) : অবস্থান
• অচেতন (অ্যালকাইল) : অবস্থান, চেইন
**** গাঠনিক সমাণুতার প্রকারভেদ : শিকলের কাছে মোটা তমার অবস্থান
• শিকলের - শিকল বা চেইন সমাণুতা
• কাছে - কার্যকারী মূলক সমাণুতা
• মোটা - মেটামারিজম
• তমার - টটোমারিজম
• অবস্থান - অবস্থান সমাণুতা
*****অ্যালকেনের রাসায়নিক বিক্রিয়া :
প্রীতি আর তাপস সামনে
• প্রীতি - প্রতিস্থাপন
• আর - অ্যারোমেটিকরণ
• তাপস - তাপীয়
• সামনে - সমাণুকরণ
****অ্যালকিনের সাধারণ বিক্রিয়া :
জাবেদ করলো পলি ও ইলিয়াস সংযোগ
• জাবেদ - জারণ
• পলি - পলিমারকরণ
• ও - ওজনীকরণ
• ইলিয়াস - ইলেক্টোফিলিক
• সংযোগ - সংযোজন
****অ্যালকাইনের বিক্রিয়াসমূহ : পলি ও জেরিনর জুতা প্রীতি আনল
• পলি - পলিমারকরণ
• ও - ওজনীকরণ
• জেরিনের - জারণ
• জুতা - যুত
• প্রীতি - প্রতিস্থাপন
• আনল - অম্লধর্মী
**** অ্যালকাইল হ্যালাইড বিক্রিয়া:
বিজয়ের ধাক্কায় কেয়া অপসারিত
• বিজয় - বিজারণ
• ধাক্কায় - ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া
• কেয়া - কেন্দ্রাকর্ষী প্রতিস্থাপন
• অপসারিত - অপসারণ
***** অ্যারোমেটিক যৌগ: বেটি ফকির না কুইন ? আনে , ফান্টার কোক
• বে - বেনজিন ,
• টি - টলুইন
• ফ - ফেনল
• কির - ক্রিসল
• না - ন্যাপথালিন
• কুইন - কুইনোলিন
• আনে - অ্যান্থ্রাসিন
• ফান্টা র - ফিন্যানথ্রিন
• কোক - কোক ( অবশিষ্ট)
*** বেনজিনের সাধারণ বিক্রিয়া: প্রজাপতির ডানা
• প্র - প্রতিস্থাপন
• জা - জারণ , যুত
• ডানা - ডাইফিনাইল গঠন
**** জৈব এসিডসমূহের উৎস ::
সাইকেলে কলা আনলে , ভ্যানের অ্যাসিডির হয় 😁, টাইটানিক তেতো আঙ্গুর কম আসলে, মালগাড়ির আগা টক হয় 😆
• * সাইকেলে - সাইট্রিক এসিড ( সাইকেলে কলা আনলে)
• কলা আনলে - কলা , আনারস, লেবু
•* ভ্যানের - ভিনেগার (ভ্যানের অ্যাসিডিটি হয়)
• অ্যাসিডিটি হয় - অ্যাসিডিক এসিড
•* টাইটেনিকে - টারটারিক এসিড ( টাইটানিকে তেতো আঙ্গুর কম আসলে)
• তেতো - তেতুল , আঙ্গুর
• কম - কমলা
• আসলে - অ্যাসকরবিক এসিড
•* মালগাড়ির - ম্যালিক এসিড ( মালগাড়ির আগা টক হয়)
• আ - আপেল
• গা - গাজর
• ট - টমেটো
• ক - কলা
# # # # # # মাহি

16/07/2019

ক্লটিং ফ্যাক্টর মনে রাখার কৌশল শিখে নাও। এটি রক্তের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ টপিক।
যারা রক্ত জমাট বাঁধায়, তাদের #রক্ত_জমাট_বাঁধার_ফ্যাক্টর বলে।
ইংরেজিতে বলে #ক্লটিং_ফ্যাক্টর। ক্লটিং মানে জমাট বাঁধা। জমাট বাঁধার বাংলা আরেকটি প্রতিশব্দ আছে। #রক্ততঞ্চন_ফ্যাক্টর।
রক্ত জমাট বাঁধার ফ্যাক্টর ১৩ টা।
প্রথম ৪ টি প্রধান ফ্যাক্টর।
এদের মনে রাখতে হয় ছন্দাকারে।
ছন্দঃ ফিব্রিন প্র-থম ক্যালসিয়াম
১। ফিব্রিনোজেন ২। প্রোথ্রম্বিন ৩। থ্রোম্বোপ্লাস্টিন ৪। ক্যালসিয়াম আয়ন
তাহলে ১৩ টি ক্লটিং ফ্যাক্টরের ৪ টি পেয়ে গেলাম।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V
Factor VI
Factor VII
Factor VIII
Factor IX
Factor X
Factor XI
Factor XII
Factor XIII
৪ টা সহজেই পারছ কিন্তু অনেকগুলো এখনো বাকী আছে। কীভাবে পারবে, এই চিন্তায় তোমার মাথা গরম। মাথায় ছয়-নয় (৬-৯) অবস্থা। বই খুলেই দেখলে ৬ নম্বর ফ্যাক্টর মানুষের রক্তে নাই। নতুন একটা নাম মুখস্ত করতে হচ্ছে না। সেই আনন্দে তোমার ঈদ। বা বড়দিন। বড় দিন মানেই ক্রিসমাস। ছয় নয় অবস্থায় অধিক খুশিতে ৬ না থাকায়... ৯ এ ক্রিসমাস।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V
Factor VI মানবদেহে অনুপস্থিত
Factor VII
Factor VIII
Factor IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
Factor X
Factor XI
Factor XII
Factor XIII
আমরা সন্তান।
আমাদের জীবনের ভারসাম্য বা স্থিতিশীলতার (stable) রক্ষার জন্য সবচাতে বেশি অবদান আমাদের বাবার। বাবারা কখনোই ফোকাস হন না। তারা সর্বকালই পর্দার আড়ালে বা সবার পেছনে থেকে আমাদের স্ট্যাবল করে রাখেন। একই ভাবে ফিব্রিনোজেনের(Fibrinogen) বাবাও সবার পেছনে থেকে ফিব্রিনোজেনকে স্ট্যাবল (stable) করে রাখে।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V
Factor VI মানবদেহে অনুপস্থিত
Factor VII
Factor VIII
Factor IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
Factor X
Factor XI
Factor XII
Factor XIII ফ্রিব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর
ফিব্রিনের বাবা (ফিব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর) ফিব্রিনোজেনকে একসময় সেরা (ফ্যাক্টর-১) করলেন। এরপর ভাবলেন হজ্জ্বে যাবেন। দীর্ঘ ১ বছর চিন্তা করলেন। আর টাকা জমালেন।
১ বছর পর ( #বারো মাস) হজ্জ্ব করে তিনি ফিরে আসলেন।সবাই তাকে ‘হাজি’ সাহেব বলে ডাকা শুরু করল। হাজী হবার জন্য তাকে সবাই বলত #হাজীম্যান।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V
Factor VI মানবদেহে অনুপস্থিত
Factor VII
Factor VIII
Factor IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
Factor X
Factor XI
Factor XII হাজীম্যান ফ্যাক্টর
Factor XIII ফ্রিব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর
ক্রিসমাসের আগে হুট করে ফিব্রিনোজেনের অসুখ হল।
ডাক্তার বলল হিমোফিলিয়া হয়েছে। বাঁচতে চাইলে ইঞ্জেকশন নিতে হবে। ৩ ডোজের (A, B, C) ইঞ্জেকশন। হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করার এই তিনটি ইঞ্জেকশনের নাম- এন্টি-হিমোফিলিক-A, অ্যান্টি-হিমোফিলিক-B, অ্যান্টিহিমোফিলিক-C ।
প্রথম ডোজ (অ্যান্টিহিমোফিলিক-A) দেওয়া হবে ক্রিসমাসের আগে। পরের দুটি (B ও C) পর্যায়ক্রমে ক্রিসমাসের পরে দেওয়া হবে।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V
Factor VI মানবদেহে অনুপস্থিত
Factor VII
Factor VIII অ্যান্টিহিমোফিলিক-A
Factor IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
Factor X অ্যান্টিহিমোফিলিক-B
Factor XI অ্যান্টিহিমোফিলিক-C
Factor XII হাজীম্যান ফ্যাক্টর
Factor XIII ফ্রিব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর
বাকী রইল ২ টি নাম।
শুরুর (আদি বা ) দিককার ২ টি নাম।
যদি এদের দু’জনের নামে a ও c থাকে, তাহলে ডিকশনারির নিয়ম অনুযায়ী আগে a আসবে, এরপর c আসবে।
Factor I ফ্রিব্রিনোজেন
Factor II প্রোথ্রম্বিন
Factor III থ্রম্বোপ্লাস্টিন
Factor IV ক্যালসিয়াম আয়ন
Factor V Pro-a (Pro accelarin)
Factor VI মানবদেহে অনুপস্থিত
Factor VII Pro-c (Pro convertin)
Factor VIII অ্যান্টিহিমোফিলিক-A
Factor IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
Factor X অ্যান্টিহিমোফিলিক-B
Factor XI অ্যান্টিহিমোফিলিক-C
Factor XII হাজীম্যান ফ্যাক্টর
Factor XIII ফ্রিব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর
উপরের চার্টটিকে যদি ইংরেজিতে লেখা হয়-
Factor I Fibrinogen
Factor II Prothrombin
Factor III Thromboplastin
Factor IV Calcium ion
Factor V Pro accelarin
Factor VI Does not exists
Factor VII Pro convertin
Factor VIII Antihaemophilic factor A
Factor IX Chrismas Factor
Factor X Antihaemophilic factor B
Factor XI Antihaemophilic factor C
Factor XII Hageman Factor
Factor XIII Fibrin Stabilising Fa

12/07/2019

ডাক্তার!

একবার গাইনির এক ম্যাডামের সাথে ওটি করছিলাম। ওটির মাঝে তার ছোট্ট মেয়েটার ফোন৷ তখন ৩টা কী সাড়ে ৩টা বাজে। ফোন করে বাচ্চাটার কী কান্নাকাটি৷ আম্মু তুমি এখনই চলে এসো, প্লিইইইইজ চলে এসো...ম্যাডামের হঠাত করে চেহারায় কালো মেঘ। ৫টার আগে কোনোভাবেই তার বেরুনো সম্ভব না। খুব কষ্টে বলছিলেন, আসার সময় মেয়েটা টেনে ধরে রাখে; যেতে দেবে না তো দেবেই না। অনেক কষ্টে কাজের লোকের কাছে রেখে আসেন৷ সারাক্ষণ মন উচাটন করে। কিন্তু এতো পপুলার গাইনোকোলজিস্ট, দম ফেলার ফুরসত কোথায়?

আমার এক আপুর বাচ্চা খুবই ছোট। তাকে প্রতিদিন সাড়ে ৬টায় বাসা থেকে বের হতে হয়৷ আপু যখন বের হন তখন তার বাবা নাতিকে বারান্দায় নিয়ে যান। আর এই ফাঁকে আপু তাড়াতাড়ি করে বেরিয়ে যান৷ ছেলে দেখলে যে তুমুল কান্নাকাটি শুরু করবে আর যেতে দেবে না৷ মাঝেমাঝে দেখতাম সবসময় হাসিখুশি সেই আপুর মুখ থমথমে। ঐ তো বাচ্চার জ্বর...রেখে এসেছেন।

সামনে পরীক্ষা। পোস্টগ্র‍্যাড এন্ট্রি পরীক্ষা এক অবিশ্বাস্য কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। রাত-দিন পড়তে হয়। পড়লেও যে চান্স হবে তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। উনার ছেলেটা তখন সদ্যই হাঁটে, কথা বলে। উনি দরজা বন্ধ করে পড়েন। ছেলে ডাকে--মা মা আর দরজায় নরম হাতের আলতো শব্দ করে। চোখে পানি নিয়েও তিনি দরজা খোলেন না। একবার কোলে উঠলে আর তো নামবে না। পড়াও হবে না। সারাজীবন ভালো ছাত্রীর তকমা পাওয়া মানুষটাকে এই নিষ্ঠুরতাটুকু দেখাতেই হচ্ছে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হতে।

"মেয়েকে কার কাছে রেখে এসেছো এখন?" স্যারের সহানুভূতিমাখা এই প্রশ্ন শোনার সাথে সাথে আপু হাউমাউ করে কেঁদে দিলেন। বললেন কাজের মেয়ের কাছে। হাজব্যান্ড দেশের বাইরে থাকেন। পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশান কোর্সের মধ্যবর্তী একটা বড় পরীক্ষায় মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেসের জন্যে মেয়ের যত্ন না নেয়ার দরুণ তার মেয়েটির ওজন কয়েক কেজি কমে গিয়েছিল। আবার এদিকে সারাক্ষণ মেয়ের যত্ন নিতে গেলে, সময় দিতে গেলে পড়াশোনায় পিছিয়ে যেতে হয় অনেকটা। এ কোন অকূল পাথার! এ কোন নির্মম পরীক্ষা! "তুমি ভীষণভাবে পড়তে চাইছো কিন্তু পড়তে পারছো না এটা অনেক কষ্টের এক অনুভূতি!" কখনও কখনও এই ছোট্ট বাচ্চাটাই দুর্ব্যবহারের শিকার হয় এই মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেসের জন্যে। অথচ এই মা তো তার সন্তানকে কম ভালোবাসেন না। তার সারাটা দিনের চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু ঐ ছোট্ট আদুরে নিষ্পাপ সত্ত্বাটিই তো।

এটা তো মাত্র কয়েকটা গল্প। এমন গল্প শত শত। নাহ। তারও অনেক বেশি। এই গল্পগুলো প্রায় সবারই। ঘোর অমাবস্যার দীর্ঘশ্বাসের গল্প। অকল্পনীয় স্যাক্রিফাইসের গল্প।

আপনাকে যে নারী চিকিৎসকটি চিকিৎসা করেন, সে আর ৮-১০ জন নারীর মতো না। জগতে যদি বিস্ময়কর সত্ত্বা থেকে থাকেন তবে তারা হচ্ছেন এই নারী চিকিৎসকরা। মাথায় হাজারও দায়িত্বের বোঝা আর হৃদয়ে অজস্র কষ্টের আঁকিবুঁকি নিয়েই তারা আপনাকে যতোটা সম্ভব মা/বাবা সম্বোধন করে হাসিমুখে চিকিৎসা দিয়ে যান৷ মনে রেখেন, যে মমতার হাত আপনার কপাল ছোঁয়, সেই মুহূর্তে তার সন্তানের কপাল হাহাকার করে। পরিবারের অন্যরা বঞ্চিত হয়৷ আপনি যদি এই তাকে শ্রদ্ধা না করতে পারেন, আপনি জগতনীতির কাঠগড়ায় অসভ্য প্রাণী বলেই বিবেচিত হবেন সম্ভবত।
(সংগৃহীত)

19/05/2019

😑😑কোচিং সেন্টারের ভেতরের রূপ😑😑

ফার্মগেট বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম এক সিনিয়র বড় ভাইয়ের সাথে!
কথা হচ্ছিল তথাকথিত কোচিং বানিজ্য নিয়ে। আমার ইচ্ছা ছিলো ভাইকে ক্ষেপানোর। উনি নামীদামী এক কোচিং এর সিনিয়র টিচার। তো কথায় কথায় বললাম ভাই এতো কষ্ট করে ২ ঘন্টা লেকচার দিয়ে মাত্র ৫০০-৭০০ টাকা আসে আপনি যে খরুচে স্বভাবের চলে কেম্নে আপনার এইটা ভেবেই কূল পাইনা। আর আপনি ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনছেন ৩ টা। একটা নিউ ভার্সন বাইক,আরো কত কি!!! কাহিনি কি ভাই বলেন তো!!
থলের বেড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করলো।

তার ভাষ্যমতে; তিনি কোচিং এর সাথে লেগে আছেন সুধু মাত্র উনার প্রাইভেট ব্যাচ ভর্তি করার জন্য। কোচিং এর বিষয়ে উনার মতামত কোচিং সুধুমাত্র উনার প্লাটফর্ম। কোচিং দিয়ে প্রতিবছর ২-২.৫ হাজার স্টুডেন্ট এর সাথে উনার পরিচয় হয় এবং মিনিমাম ২৫০-৩০০ জন উনার প্রাইভেট ব্যাচের স্টুডেন্ট হয়। এদের এক এক জনের কাছ থেকে ৬-৮ হাজার টাকা কোর্স ফী নেন সুধুমাত্র একটি সাব্জেক্ট এর জন্য।

অধীর আগ্রহের সহিত বললাম ভাই তাহলে পোলাপাইন কোচিং এ এডমিট হয় কেনো। সুধু প্রাইভেট পড়লেই তো পারে।
তখন উনি বল্লো কোচিং একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে। পোলাপাইনরে যতোই বুঝাও অরা কোচিং এর পেছনেই ছুটবে। কিছু কিছু গার্ডিয়ানের তো এমন একটা ভাব নামি কোচিং এ না শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করায়ে ফেলছেন তার সন্তানকে।বাস্তব কথা হলো কিছু কিছু কোচিং ছাড়া বাকি কোচিং গুলার কাজই পোলাপাইনরে মুরগী বানানো। এডমিশন এর কোনো স্টূডেন্টই সঠিক ডিসিশন নিতে পারে না। কোচিং এর সবার সাথে তাল মিলিয়ে যখন কুলিয়ে ঊঠতে পারে না তখন তারা সম্মানিত কোচিং এর টিচার দের স্মরনাপন্ন হয়। সুযোগ টাকে কাজে লাগায় টিচাররা। তাদের কথা থাকে এইরকম এতজনের সাথে পড়া বুঝতে না পারাটা অস্বভাবিক কিছু না আমার প্রাইভেট ব্যাচে আসো মাত্র ২০ জন একসাথে পড়ে।

এজন্য তোদের বলি ভাই। কোচিং চান্স দিবে না।সুধু সুধু টাকা কেনাও ফেলবি কোচিং এর তিনভাগের ১ ভাগ টাকা দিয়ে পরিক্ষার জন্য কোনো প্রোগ্রামে এডমিট হও। আর কোনো সাব্জেক্টে দূর্বল থাকলে ভালো কোনো অভিজ্ঞ ভাইয়ার কাছে প্রাইভেট পড়ো শেষ কাহিনী। ক্লিয়ার ডিসিশন দিলাম। এর পরে ইনবক্সে অন্তত এইটা নিয়ে কেউ প্রশ্ন করবানা যে ভাইয়া প্রাইভেট পড়লে ভালো হবে নাকি কোচিং করলে😒

অর্নব আহমেদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

29/04/2019

🔔সফলতার ১১ টি সূত্র :

🔴জীবনে বড় হতে হলে অসম্ভব পরিশ্রমী হতে হবে,নো শর্টকাট।

⚫'এডিসন' বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।

🔘যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না, আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।

🔵আপনি কি অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

🌎ঘুমানোর মজা আর ভোর দেখার মজা একসাথে পাওয়া যাবে না।যখন জীবন কে চাবুক মারতে হয়, তখন জীবন টা কে উপভোগ করলে জীবনে সফল হওয়া যাবে না।

🔴পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।

⚫যে সবকিছু তৈরী পাওয়ার জন্য তৈরী, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।

🔘NO মানে একেবারে না নয় ।
NO 👉[Next Opportunity]

🌎জয়ী হতে হলে কি কি করতে হবে, বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

🔵আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।

🔴আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।.........
ংগৃহীত

🔷ভালো লাগলে একটা থ্যাংকস কাম্য।

্যবাদ 😊

28/04/2019

প্রসঙ্গঃ এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হলে কোথাও ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবো না, কোথাও চান্স পাবো না এবং অন্যান্য।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অনেকেরই মনমত হচ্ছে না। এর কারণে অনেকের মনেই এই ভয় ঢুকে গেছে যে রেজাল্ট খারাপ হবার কারণে হয়ত নিজের পছন্দের ভার্সিটিতে পরীক্ষাই দিতে পারবো না। আবার অনেকের ধারণা পয়েন্টের হিসাবে এত বেশি পিছিয়ে যাব যে তখন আর এডমিশনের জন্য চেষ্টা করেই কোন ধরনের লাভ নেই। আসলেই কি তাই? এই ব্যাপারগুলো পরিষ্কার করতে আজকের পোস্ট।

প্রশ্ন ১ঃ ভাইয়া বুয়েট/ইঞ্জিনিয়ারিং এ এপ্লাই করতে গেলেই তো ফিজিক্স+কেমিস্ট্রি+ ম্যাথ সবগুলো সাবজেক্টে এ+ থাকা লাগবে। আমার তো ফিজিক্স/কেমিস্ট্রি একটা এক্সাম খারাপ হয়েছে। বড় ভাইদের কাছে শুনেছি যে আমি হয়ত এপ্লাই করতে পারবো না। আমি কি করতে পারি এখন?

উত্তরঃ প্রথম কথা, যেসব ভাই/আপু রা এইসব কথা শুনায় তাদের কে সারাজীবন এর জন্য তোমার পারমানেন্ট ব্লকলিস্টে রেখে দাও এখনই। রাখা শেষ??? শেষ হলে পরের কথায় আসো। মূল ব্যাপার হল, বুয়েট বা অন্য কোন ইউনিভার্সিটি তেই এপ্লাই করার রিকোয়ারমেন্ট গুলো কোনদিন ফিক্সড থাকে না। একেকবার রেজাল্টের ভিত্তিতে পরিবর্তন হয়। আর সব ইউনিভার্সিটিরই লক্ষ্য থাকে যেন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারে। তাই এরকম অদ্ভুত রিকোয়ারমেন্ট কোনদিনই চাওয়া হবে না বুয়েট বা অন্য কোন ভার্সিটি থেকে, যদি না সেই বছর লাখ লাখ স্টুডেন্ট গোল্ডেন পায়।

আমার কথা হয়ত অনেকের বিশ্বাস হচ্ছে না, তাই না? ঠিক আছে, তাহলে গত দুই বছরের সার্কুলার দেখে আসি। সব ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি গুলোর মাঝে এপ্লাই করার জন্য সবচেয় বেশি কঠিন শর্ত থাকে বুয়েটে। সেই বুয়েটেই গত বছর এর সারকুলারে এপ্লাই করার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হচ্ছে বাংলা+ইংরেজি+ফিজিক্স+কেমিস্ট্রি+ম্যাথ সব মিলিয়ে এই ৫ সাবজেক্টে ২৫ এর মধ্যে মাত্র ২২.৫ জিপিএ থাকতে হবে এবং সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১২০০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে। গতবার ফিজিক্স প্রশ্ন অনেক কঠিন হওয়াতে এবং রেজাল্ট অনেক ড্রপ করার কারণেই শুধু এই সিদ্ধান্ত। শুধু কি তাই, ২০১৭ সালের সার্কুলার দেখো। সেখানেই দেখবে, এপ্লাই করার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হচ্ছে বাংলা+ইংরেজি+ফিজিক্স+কেমিস্ট্রি+ম্যাথ সব মিলিয়ে এই ৫ সাবজেক্টে ২৫ এর মধ্যে মাত্র ২৩ জিপিএ থাকতে হবে এবং সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১২০০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে। ২০১৭ তে কিন্তু রেজাল্ট তুলনামূলকভাবে ২০১৮ এর চেয়ে কয়েকগুণ ভালো ছিল, তারপরেও এত শিথিলতা। আরেকটা তথ্য দেই, যাদের এসএসসি খারাপ হয়েছিল তাদের জন্য। গত দুই বছরেই এসএসসির মিনিমাম জিপিএ কত চেয়েছে জানো? ৫.০০ এর মধ্যে মাত্র ৪.০০ । তারপরেও বিশ্বাস হচ্ছে না? ঠিক আছে, পোস্টের প্রথম কমেন্ট চেক করো। সেখানে ২০১৭ আর ২০১৮ সালের বুয়েট সার্কুলার এর অফিশিয়াল লিংক দিয়ে দিয়েছি। ^_^

আর অন্যান্য ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করার যোগ্যতা বুয়েটের থেকেও অনেক শিথিল হয়। তাহলে এখন নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করো, তোমার কি হতাশ হওয়া উচিত কিনা? আশা করি উত্তরটা নিজেই পাবে। ওহ আচ্ছা, আরেকটা কথা, একদম শুরুতে বলেছিলাম, যেসব ভাই/আপু তোমাদের কে উলটাপালটা কথা শুনায় তাদের কে তো ব্লক দিতে বলেছিলাম তাই না? আরেকবার বলছি, তাদের কে আর কোনদিন আনব্লকও করবে না। কারণ তাদের কাজ একটাই, খুব বেশি ফালতু গুজব ছড়ানো আর তোমাদের কে ভয় দেখানো। এছাড়া তাকে দিয়ে তোমার কোনদিন কোন উপকার হবে না।

প্রশ্ন ২ঃ ভাইয়া আমার রেজাল্ট খুব একটা ভাল হবে না। ৫ তো পাবই না, হয়ত ৪ থেকে ৪.২৫ আশা করছি। আমি কি কোন ভাল পাবলিকে চান্স পাবো? সব জায়গাতেই তো জিপিএ এর জন্য একটা পয়েন্ট যোগ হয়। এখানেই তো পিছিয়ে গেলাম, তাহলে আর এডমিশন টেস্ট ভাল দিয়ে কি লাভ? তাহলে কীভাবে কি করবো?

উত্তরঃ রেজাল্ট খারাপ হলে মার্কস কমে যায় এটা যদি ১০০ ভাগ সত্যি হয়, তাহলে তুমি এটার জন্য চান্স পাবে না কোথাও এই কথাটা ২০০ ভাগ মিথ্যা। গানিতিকভাবেই হিসাব দেই, তুমি বাংলাদেশের যেখানেই পরীক্ষা দাও না কেন, সেখানেই খুব বেশি হলে তোমার এসএসসি আর এইচএসসি এর রেজাল্ট (ফোরথ সাবজেক্ট সহ) মিলিয়ে ৩০-৪০ পারসেন্ট মার্কস যোগ হবে। বাকি ৬০-৭০ পারসেন্ট থাকে মূল এডমিশন টেস্টে। এমনকি অনেক জায়গায় এসএসসি/এইচএসসি এর মার্ক্স কাউন্টই করা হয় না প্রাথমিক বাছাই এর পর।

একটা ছোট হিসাব দিচ্ছি। সায়েন্স কমার্স আর্টস নির্বিশেষে অনেকেরই ইচ্ছা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার। সেখানে ভর্তির জন্য এইচএসসি এর জিপিএ কে ১০ আর এসএসসি এর ৬ দিয়ে গুণ করা হয়। এখন ধরো, তোমার এইচএসসি এর জিপিএ ৪.৫ আর এসএসসি তে ৪.৬। তাহলে জিপিএ এর জন্য তোমার মোট মার্কস হবে, ৪.৫ *১০ + ৪.৬*৬ = ৪৫ + ২৭.৬ অর্থাৎ ৭২.৬। ৮০ এর মধ্যে ৭২.৬। ৭ মার্ক বেশ বড় একটা বিষয় আমি জানি। কিন্তু, বাকি আছে কিন্তু আরো ১২০ মার্কস যার উপর হবে ভর্তি পরীক্ষা। গত কয়েক বছরের হিসাব থেকে সন্দেহ ছাড়াই বলা যায়, চান্স পেতে হলে ৮০+১২০ অর্থাৎ মোট ২০০ মারক্সের মাঝে অন্তত ৭৫ ভাগ মার্কস অর্থাৎ ১৫০ পেলেই চান্স অনেকটাই নিশ্চিত। তাহলে তোমাকে সেটা মাথায় রেখেই পরীক্ষা দিতে হবে।

৭ মার্কস হয়তোবা এখন মনে হচ্ছে অনেক বেশি কিছু। কিন্তু সত্যি কথা কি, আমরা এটলিস্ট ৫ মার্কস পরীক্ষার হলে ভুল করে আসি শুধুমাত্র নিজের খামখেয়ালির জন্য, নার্ভাসনেসের জন্য আর ঠিকমত শেষ মুহূর্তে রিভিশন না দেওয়ার জন্য। তাহলে বুঝতে পারছো কোন জায়গায় তোমাকে অন্যের থেকে একটু বেশি স্মার্ট হতে হবে? হ্যাঁ, তোমার খামখেয়ালি জনিত ভুল থেকে বের হয়ে আসতে হবে, আর শেষ মুহূর্তের রিভিশন টা খুব পারফেক্ট হতে হবে। আর অবশ্যই ভয়কে জয় করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১ সপ্তাহ আগে প্রায় সবার প্রস্তুতি অনেক কাছাকাছি থাকে। কিন্তু, যারা ভাল করতে পারে না, তাদের ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় জায়গাটা থাকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতেই। এরপরেও যদি আমার কথা বিশ্বাস না করে থাকো, তাহলে তোমাদের জন্যই বলি। আমরা গত বছর Online Sohopathi থেকে একটা বিশেষ প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলাম। প্রজেক্টের নাম ছিল "Humans of Online Sohopathi" । আমরা প্রায় ৩০ জনের জীবনের গল্প সংগ্রহ করেছিলাম, যারা এইচএসসি তে অনেক বড় ধরনের ধাক্কা খেয়ে ঘুরে দাড়িয়েছে এবং ঢাবি, ঢাকা মেডিকেল, জাবি, কুয়েট এর মত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। প্রায় সবার একটা সাধারণ বিশেষত্ব ছিল, সেটা হচ্ছে তারা কেউই জিপিএ ৫ পায় নি। আমার কথা বিশ্বাস না হলে, তাদের মুখ থেকেই শুনে আসতে পারো আর তাদের গল্পগুলো পড়ে আসতে পারো আমাদের ওয়েবসাইটে থেকে।

অনেক বেশিই বলে ফেললাম। শেষ করি একটা উপদেশ দিয়ে। "আর যাই করো না কেন, কখনোই কোন নির্দিষ্ট ইউনিভার্সিটি কে নিজের জীবনের লক্ষ্য বা প্যাশন হিশেবে মনে করো না। তোমার জীবনের লক্ষ্য বা প্যাশন হতে পারে তুমি কোন সাবজেক্ট নিয়ে পড়ছো সেটা, একটা সামান্য বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই তোমার জীবনের লক্ষ্য বা জীবনের থেকে বড় হতে পারে না। তাই চেষ্টা করো কোন সাবজেক্টে পড়বে সেই দিকের ফোকাস টা ঠিক করতে। একটা ভাল বিশ্ববিদ্যালয় হয়ত তোমাকে একটা ভাল পরিচয় দিবে সমাজে, কিন্তু তুমি যদি তোমার পছন্দের সাবজেক্ট এ না পড়তে পারো, সাবজেক্টে পড়ে মজা না পাও, তাহলে বাকি জীবন ভাল থাকার মিথ্যা অভিনয় করেই জীবন পার করতে হবে। শুভকামনা তোমাদের সবার জন্য।

Address

Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3820

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hsc-Batch-19 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hsc-Batch-19:

Share

Category