গল্পের শহর

গল্পের শহর I m a muslim

09/03/2026
09/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ

11/02/2026
30/10/2025

#নন্দিতার গল্প

নন্দিতা মাত্র পনেরো বছরের এক মেয়ে। স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে, আর তার হাসিটা এমনই মিষ্টি যে স্কুলের প্রায় সবাই তাকে চিনত। বন্ধুরা বলত, “তোর হাসিটা না, পুরো জাদু!”

সময় যেতে যেতে স্কুলে, কোচিংয়ে, এমনকি ফেসবুকেও অনেক ছেলেই তার প্রতি আকৃষ্ট হতে শুরু করে। কেউ তাকে ফুল দিত, কেউ ভালোবাসার প্রপোজাল পাঠাত। একসময় এই সংখ্যা বেড়ে যায় — প্রায় চল্লিশজন ছেলে নন্দিতার প্রতি আগ্রহ দেখায়।

প্রথমে নন্দিতা এসবকে মজার খেলা মনে করত। কারো মেসেজের উত্তর দিত, কারো সাথে একটু হাসাহাসি করত। কিন্তু ধীরে ধীরে সে বুঝতে শুরু করে — সবাই তার হাসি ভালোবাসে, কেউই তার মনটা জানতে চায় না।

একদিন তার প্রিয় বন্ধু রাফি বলল,
— “নন্দিতা, সবাই তোমায় পেতে চায়, কিন্তু কেউ তোমার স্বপ্নটা জানতে চায় না। ভালোবাসা মানে শুধু পছন্দ না, ভালোবাসা মানে বোঝা।”

এই কথাটা নন্দিতার মনে গভীরভাবে লাগে।
সে বুঝতে পারে, ভালোবাসা মানে সংখ্যায় বড় কিছু নয় — বরং একজন মানুষ, যে সত্যিই তোমার প্রতি সম্মান, বিশ্বাস আর ভালোবাসা রাখে।

এরপর নন্দিতা নিজের পড়াশোনায় মন দেয়। যেসব ছেলেরা শুধু বাহিরটা দেখত, তারা দূরে সরে যায়।
আর রাফি — যে সবসময় পাশে ছিল, কখনো প্রপোজ করেনি — সে-ই একদিন নন্দিতার চোখে সত্যিকারের ভালোবাসার মানে হয়ে দাঁড়ায়।

---

শেষ কথা:
নন্দিতা শিখেছিল, ভালোবাসা একদিনে আসে না, আর অনেক মানুষের ভালো লাগা মানে ভালোবাসা নয়। সত্যিকারের ভালোবাসা আসে সম্মান, বিশ্বাস আর সময়ের পরীক্ষায় টিকে থেকে।

---

26/10/2025

# #
💖 মুঙ্গলিয়া মেয়ের প্রেমের গল্প

মুঙ্গলিয়া গ্রামের নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সবুজ ধানক্ষেত, নদীর ধারে বাঁশের সাঁকো আর পাখিদের কিচিরমিচির। এই গ্রামেরই এক মেয়ে — আয়েশা। সে ছিল মুঙ্গলিয়া গ্রামের প্রাণ, গ্রামের স্কুলে ক্লাস টেনের ছাত্রী, মুখে সবসময় মিষ্টি হাসি লেগে থাকত।

একদিন বিকেলে আয়েশা নদীর ধারে কাপড় ধুচ্ছিল। হঠাৎ পাশের কলেজের ছাত্র রাফি ওখান দিয়ে যাচ্ছিল সাইকেল নিয়ে। তার চোখ আয়েশার দিকে পড়তেই সাইকেলটা যেন থেমে গেল নিজের অজান্তে। আয়েশা লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে নিল, কিন্তু রাফির মনে সেই এক মুহূর্তেই কিছু বদলে গেল।

এরপর থেকে রাফি প্রায়ই নদীর পাড়ে আসত— কখনো বই হাতে, কখনো অজুহাত খুঁজে। ধীরে ধীরে দুজনের চোখে চোখ পড়তে লাগল, কথায় কথায় হাসি, তারপর চিঠি আদান-প্রদান শুরু হলো।

কিন্তু গ্রামের মানুষ সহজ নয়। একদিন আয়েশার বাবা দেখে ফেললেন চিঠিটা। ঘরে ঝড় উঠল। আয়েশাকে ঘরে বন্দি করা হলো, রাফির দিকে গ্রামের লোকের রাগ ছুটল। রাফি সবকিছু ছেড়ে শহরে চলে গেল পড়াশোনা করতে, কিন্তু আয়েশার নাম তার মন থেকে যায়নি।

তিন বছর পর রাফি ফিরে এল গ্রামের স্কুলে শিক্ষক হয়ে। সবাই অবাক — সেই রাফি এখন মাস্টার সাহেব! সময় অনেক কিছু বদলে দিয়েছে, কিন্তু আয়েশার চোখের গভীরতা রাফিকে চিনিয়ে দিল, এতো সেই মেয়ে— যার জন্য সে এতদিন অপেক্ষা করেছে।

আয়েশার বাবা এবার বুঝলেন, মেয়ের চোখে যে ভালোবাসা, তা মিথ্যা নয়। অবশেষে গ্রামের সবার সম্মতিতে তাদের বিয়ে হলো।
নদীর পাড়ে, যেখানে প্রথম দেখা হয়েছিল, সেখানেই আজ খিলখিল হাসছে আয়েশা— রাফির পাশে দাঁড়িয়ে।
চলবে......

18/08/2025

একাকী পথিক

সাজিব পড়াশোনা শেষ করেছে কয়েক বছর আগে। কিন্তু তার জীবনের পাতায় সুখের রং যেন কখনো মিশতে পারেনি। বাবা নেই, মা নেই—একজন ছেলের সবচেয়ে বড় শক্তি যারা, সেই দুই আশ্রয়ই নেই তার জীবনে। ভাই-বোন থেকেও কেউ তাকে আপন মনে করে না।

চাকরি পেয়েছে বটে, কিন্তু অফিস থেকে ফিরে যখন অন্যদের বাড়ি আলো-আঁধারিতে ভরে ওঠে, হাসি-আনন্দে গুঞ্জন করে—তখন রাকিবের বাসা নিস্তব্ধ থাকে। রান্নাঘরে গিয়ে সে নিজেই ভাত বসায়, তরকারি বানায়, আর নিঃশব্দে খেয়ে নেয়। তার বিয়ের বয়স হয়েছে অনেক আগেই, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার মতো কেউ নেই বলে সে একাই থেকে গেছে।

তবুও সাজিব থেমে যায়নি। সে জানে, পৃথিবী যতই কঠিন হোক, থেমে থাকলে চলবে না। নিজের হাতেই নিজের জীবন গড়তে হয়। আজ সে একা, হয়তো আগামীকাল কেউ তার পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু সেই দিন আসার আগ পর্যন্ত, একাকী পথিকের মতোই সে এগিয়ে যাবে—চোখে আশা আর মনে অদম্য সাহস নিয়ে।

---

17/08/2025

একজন বাবা হারা ছেলের সংসার সাধারণত অনেক কষ্টের হয়। ছোটবেলা থেকেই সে বুঝে ফেলে, জীবনের প্রতিটি দায়িত্ব তার কাঁধে আগেভাগেই এসে পড়েছে। বাবার অভাব মানে শুধু আর্থিক সমস্যা নয়—এটা মানে একটি ভরসার জায়গা হারানো, একটি শক্ত দেয়াল ভেঙে যাওয়া।

মা সংসার চালাতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন, কিন্তু ছেলে বুঝতে পারে তারও কিছু দায়িত্ব আছে। ছোট ছোট ইচ্ছে চেপে রেখে পড়াশোনা চালানো, পরিবারের খরচে সাহায্য করা—সবকিছুই তাকে তাড়াতাড়ি বড় করে তোলে। অন্যরা যখন অবসর সময়ে খেলাধুলা বা আনন্দে থাকে, সে তখন ভাবে—“মায়ের মুখে হাসি ফুটাতে আমাকে আরও চেষ্টা করতে হবে।”

বাবা না থাকলেও সংসার থেমে থাকে না। ছেলে তখন বাবার জায়গা পূরণের চেষ্টা করে—মায়ের পাশে দাঁড়ায়, ছোট ভাইবোনকে আগলে রাখে, সংসারের চাকা ঘুরিয়ে রাখে। কষ্ট যতই হোক, মায়ের চোখের জল মুছে দেওয়ার তাগিদ তাকে শক্ত করে তোলে।

এই সংসার হয়তো অভাবের সংসার, কিন্তু তাতে ভালোবাসার অভাব থাকে না। বাবাহারা ছেলের হৃদয় ভরা থাকে দায়িত্ব, ত্যাগ আর আশা দিয়ে—যেন একদিন সে তার মাকে গর্বের সঙ্গে বলতে পারে, “তুমি একা ছিলে না, আমি ছিলাম।”

16/08/2025

জীবনটা একেবারে Wi-Fi এর মতোই…
কখনো সিগনাল দুর্বল হয়, কখনো আবার পুরো ফোর-বারে থাকে।
কিন্তু যতই নেটওয়ার্ক ওঠানামা করুক, আসল কথা হলো—
তুমি যদি নিজের ইনার কানেকশন শক্ত রাখো (আত্মবিশ্বাস + পজিটিভ মাইন্ডসেট),
তাহলেই জীবনের সব বাধা বাইপাস হয়ে যাবে। 🚀

তাই দুঃখ-কষ্টে “No Internet Connection” লিখলেও ভয় নেই…
কারণ হাসি, ভালোবাসা আর ইতিবাচক ভাবনা তোমার লাইফের আসল হটস্পট! 🔥❤️



---

31/07/2025

সফল করে দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ

Address

Sonargoan
Narayanganj
1442

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গল্পের শহর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গল্পের শহর:

Share