Rabby Hassan

Rabby Hassan "ভুতের গল্প"

**সীধলার দুই বন্ধু***লেখক: রাব্বি হাসান*নাঈম শেখ, আমার চাচা, আর তার বন্ধু শিমুল ছিলেন সীধলা ইউনিয়নের দুই সেরা বন্ধু। তা...
24/04/2025

**সীধলার দুই বন্ধু**

*লেখক: রাব্বি হাসান*

নাঈম শেখ, আমার চাচা, আর তার বন্ধু শিমুল ছিলেন সীধলা ইউনিয়নের দুই সেরা বন্ধু। তারা যখন দেশে ছিলেন, তখন সীধলা ইউনিয়নের প্রতিটি কাজে তাদের হাত থাকত। গ্রামের মানুষ বলত, “নাঈম আর শিমুল মিলে সীধলার উপর রাজ করে।” মসজিদে টাকা তুলে দেওয়া, গরিবদের জন্য খাবারের আয়োজন, বা গ্রামের কোনো ঝগড়া মিটিয়ে দেওয়া—সবকিছু তারা একসঙ্গে করতেন। নাঈম চাচা ছিলেন একটু গম্ভীর, আর শিমুল কাকা ছিলেন হাসিখুশি। তাদের বন্ধুত্ব ছিল সীধলার সবার কাছে একটা গল্প।

কিন্তু পরিবারের দায়িত্বের কারণে নাঈম চাচাকে সৌদি আরবে যেতে হলো। তিনি সেখানে কঠোর পরিশ্রম করে টাকা জমাতে লাগলেন, যাতে একদিন দেশে ফিরে আবার গ্রামের উন্নয়নে কাজ করতে পারেন। নাঈম চাচা চলে যাওয়ার পর শিমুল কাকা সীধলায় রয়ে গেলেন। শিমুল কাকা এখন একা হলেও নাঈম চাচার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখলেন। তিনি নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করতে শুরু করলেন। শিমুল কাকা গ্রামের মানুষের জন্য সবসময় হাজির। কারো সমস্যা হলেই তিনি দৌড়ে যেতেন, আর সব সমাধান করে দিতেন।

আমরা, রাব্বি হাসান আর আমার পরিবার, শিমুল কাকার কাছে খুব কাছের। তিনি আমাদের খুব যত্ন করেন। আমাদের যেকোনো সমস্যা হলে শিমুল কাকা সঙ্গে সঙ্গে এসে সেটা সমাধান করে দেন। একবার আমাদের জমির সীমানা নিয়ে পাশের বাড়ির সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। শিমুল কাকা এসে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করে দিলেন। গ্রামের সবাই তাকে এখন “সীধলার নতুন রাজা” বলে ডাকে।

এদিকে নাঈম চাচা সৌদি আরবে থাকলেও প্রতি বছর ঈদে দেশে আসেন। এসেই তিনি শিমুল কাকার সঙ্গে দেখা করেন। দুই বন্ধু মিলে আবার পুরোনো দিনের গল্প করেন, হাসেন, আর গ্রামের জন্য নতুন পরিকল্পনা করেন। নাঈম চাচা শিমুল কাকাকে বলেন, “তুই আমার অংশটাও পুরোপুরি সামলে নিয়েছিস, শিমুল। আমি নিশ্চিন্তে সৌদিতে থাকি, কারণ আমি জানি তুই সীধলাকে আগলে রাখবি।”

শিমুল কাকা হেসে বলেন, “তোর জন্য আমি সব করব, নাঈম। তুই শুধু সুস্থ থাক, আর টাকা জমা। আমরা দুজনে মিলে আবার সীধলাকে আরও সুন্দর করব।” তাদের এই বন্ধুত্ব দেখে আমি, রাব্বি হাসান, শিখেছি যে সত্যিকারের বন্ধুত্ব দূরত্বে কখনো কমে না। আমি ঠিক করেছি, একদিন আমিও আমার চাচা আর শিমুল কাকার মতো সীধলার জন্য কিছু করব।

**শেষ**

**সীধলার রাজা**  *লেখক: রাব্বি হাসান*রাব্বি হাসানের চাচা নাঈম শেখ ছিলেন সীধলা ইউনিয়নের একজন কিংবদন্তি মানুষ। গ্রামের মা...
24/04/2025

**সীধলার রাজা**
*লেখক: রাব্বি হাসান*

রাব্বি হাসানের চাচা নাঈম শেখ ছিলেন সীধলা ইউনিয়নের একজন কিংবদন্তি মানুষ। গ্রামের মানুষ তাকে "সীধলার রাজা" বলে ডাকত। নাঈম শেখ যখন দেশে ছিলেন, তখন সীধলা ইউনিয়নের প্রতিটি কাজে তার হাত থাকত। হোক সেটা গ্রামের মসজিদের জন্য টাকা তুলে দেওয়া, কিংবা গরিবদের জন্য খাবারের আয়োজন—নাঈম শেখ সবকিছু একা রাজকীয়ভাবে সামলাতেন। তার সাহস, দয়া আর নেতৃত্বের গুণ দেখে গ্রামের সবাই তাকে সম্মান করত।

নাঈম শেখের একজন অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন রনি ভাই। রনি ভাই ছিলেন হাসিখুশি আর সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করতেন। নাঈম শেখ আর রনি ভাইয়ের বন্ধুত্ব ছিল গ্রামের সবার কাছে একটা উদাহরণ। তারা একসঙ্গে গ্রামের উন্নয়নের জন্য কাজ করতেন, আর সবাইকে একত্রিত করে সীধলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতেন।

কিন্তু পরিবারের দায়িত্ব আর ভালো জীবনের আশায় নাঈম শেখ আর রনি ভাই দুজনেই সৌদি আরবে চলে গেলেন। সেখানে তারা একই কোম্পানিতে কাজ শুরু করলেন। নাঈম শেখ ছিলেন একটু গম্ভীর আর পরিকল্পনামাফিক কাজ করতেন, আর রনি ভাই ছিলেন তার উল্টো—মজা করতেন, সবাইকে হাসাতেন। তবুও তাদের বন্ধুত্বে কোনো ফাটল ধরেনি। তারা একসঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে টাকা জমাতে লাগলেন, যাতে একদিন গ্রামে ফিরে আবার সীধলার উন্নয়নে কাজ করতে পারেন।

এদিকে রাব্বি হাসান, নাঈম শেখের ভাইপো, তার চাচার গল্প শুনে বড় হয়েছে। রাব্বি তার চাচার মতোই সাহসী হতে চায়। নাঈম শেখের ছোট ভাই বাবুও সৌদিতে এসে ভাইয়ের সঙ্গে যোগ দিল। বাবু একটু দুষ্টু প্রকৃতির ছিল, কিন্তু তার চাচার প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা ছিল। বাবু আর রনি ভাই মিলে তাদের কোম্পানির কাছের একটা ছোট দোকানে কাজ শুরু করল, আর সেখানে তাদের হাসি-ঠাট্টায় সবাই মুগ্ধ হয়ে যেত।

একদিন নাঈম শেখের পরিকল্পনায় তারা সৌদিতে একটা ছোট ব্যবসা শুরু করলেন। নাঈম শেখ তার হিসাব-নিকাশের দক্ষতা কাজে লাগালেন, আর রনি ভাই তার হাসিখুশি স্বভাব দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করলেন। বাবুও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দোকানে একটা আনন্দের পরিবেশ তৈরি করল। কয়েক বছরের মধ্যে তাদের ব্যবসা জমে উঠল।

দেশে ফিরে এসে নাঈম শেখ আবার সীধলার উন্নয়নে মন দিলেন। তিনি গ্রামে একটা স্কুল তৈরি করলেন, যাতে গরিব বাচ্চারা পড়তে পারে। রনি ভাই গ্রামের মসজিদে একটা পানির ব্যবস্থা করে দিলেন। আর রাব্বি তার চাচার কাছ থেকে শিখল যে সত্যিকারের নেতৃত্ব মানে মানুষের জন্য কিছু করা। সে টিক করল, একদিন সেও তার চাচার মতো সীধলার জন্য কিছু করবে ।

**🌟  এক স্বার্থপর বন্ধুর গল্প 🌟**  *লেখক: রাব্বি হাসান*হ্যালো বন্ধুরা! আমি রাব্বি হাসান, আজ তোমাদের শোনাব আমার লেখা একটা...
24/04/2025

**🌟 এক স্বার্থপর বন্ধুর গল্প 🌟**
*লেখক: রাব্বি হাসান*

হ্যালো বন্ধুরা! আমি রাব্বি হাসান, আজ তোমাদের শোনাব আমার লেখা একটা রোমাঞ্চকর গল্প—বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা আর প্রতিশোধের আগুন নিয়ে! 🔥

আমার তিন বন্ধু ছিল—বাবু, শাহাদাত আর সাকিব। আমরা নিউ টেনের ছাত্র। কিন্তু ওল্ড টেনের নাতিম আমাদের বন্ধু সাকিবকে মারল! 😡 আমরা তিনজন মিলে নাতিমকে শিক্ষা দিতে গেলাম। প্রতিশোধ নিলাম, কিন্তু ফল? স্কুলে আমাদের এন্ট্রি বন্ধ! 😞 আমরা স্কুল ছাড়লাম।

কিন্তু আসল ঝটকা তখন, যখন দেখলাম নাতিম আমাদের এলাকায় এসেছে। আমরা তেড়ে গেলাম, কিন্তু চোখ কপালে! 😲 সাকিব, যার জন্য এত কিছু করলাম, সে নাতিমের সঙ্গে হাসিমুখে গল্প করছে! এ কেমন বিশ্বাসঘাতকতা? 😠

শেষে বুঝলাম, সাকিব ছিল আমাদের মাঝে একজন স্বার্থপর ভিলেন। আমরা তিন বন্ধু—রাব্বি, বাবু, শাহাদাত—ঠিক করলাম, এবার থেকে শুধু সত্যিকারের বন্ধুত্বই আমাদের শক্তি। 💪

**তোমরা কী বলো? কখনও এমন বন্ধুর ধোঁকা খেয়েছ? কমেন্টে জানাও!** 👇
*লেখক: রাব্বি হাসান*
#বন্ধুত্বের_গল্প #রাব্বি_হাসান

🌟 **ময়মনসিংহের সিক্রেট মাফিয়া** 🌟  ✍️ **লেখক: রাব্বি হাসান**   # # # # পর্ব ১: শান্তির ভাঙন  আমি রাব্বি হাসান, বরিচাপু...
24/04/2025

🌟 **ময়মনসিংহের সিক্রেট মাফিয়া** 🌟
✍️ **লেখক: রাব্বি হাসান**

# # # # পর্ব ১: শান্তির ভাঙন
আমি রাব্বি হাসান, বরিচাপুর গ্রামে আমার পরিবার নিয়ে শান্তিতে বাস করতাম। আমার বাবা-মা আর ছোট বোন ছিল আমার সব। আমার তিন বন্ধু—বাবু, শাহদাত, আর ইয়াসিন—আমার সঙ্গী। আমরা নদীর ধারে বাঁশের সাঁকোতে বসে গল্প করতাম। কিন্তু এক রাতে সব শেষ হয়ে গেল।
রাতে আমি বাড়ি ফিরতেই দেখি, আমার বাড়ি আগুনে জ্বলছে। আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি, আমার বাবা-মা আর বোন মাটিতে পড়ে আছে, তাদের শরীরে ছুরির আঘাত। আমি চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম, "কে করল এটা?" তখন একটা কাগজ পড়ে থাকতে দেখলাম। তাতে লেখা, "বরিচাপুর এখন আমাদের। —নাদিম।" আমি বুঝলাম, এরা মাফিয়া। আমার চোখে আগুন জ্বলে উঠল। আমি প্রতিজ্ঞা করলাম, আমি বদলা নেব।

# # # # পর্ব ২: মাফিয়ার পথে
আমি আমার বন্ধুদের ডাকলাম। বাবু, শাহদাত, ইয়াসিন—আমি তোদের বলছি, "আমার পরিবারকে মেরেছে। আমি এর বদলা নেব।" শাহদাত আমাকে বলল, "কিন্তু এরা খুব শক্তিশালী।" আমি বললাম, "তাই আমি মাফিয়া হব। আমি এদের শেষ করব।" আমরা চারজন মিলে একটা গোপন দল তৈরি করলাম। আমরা অস্ত্র সংগ্রহ করতে লাগলাম। একদিন আমি নদীর ধারে একা বসে কাঁদছিলাম। তখন একটা মেয়ে এসে আমার পাশে বসল। সে আমাকে বলল, "কেন কাঁদছ?" আমি বললাম, "আমার পরিবার হারিয়েছি।" সে আমার হাত ধরে বলল, "আমি তোমার সাথে আছি। আমার নাম সুমাইয়া।" আমি তার চোখে দেখলাম, তার চোখে আমার জন্য ভালোবাসা। আমি বললাম, সুমাইয়া, "তুমি আমার সাথে থাকবে?" সে হেসে বলল, "সবসময়।"

# # # # পর্ব ৩: ভিলেনদের চেনা
আমরা খবর পেলাম যে নাদিম, আরিফ, আর শফিক এই তিন মাফিয়া লিডার বরিচাপুরে চোরাই মালের ব্যবসা করছে। আমরা তাদের আস্তানার খোঁজ করতে লাগলাম। তখন শাকিয়া, ইমী, আর মেহেরুন এসে আমাদের বলল, "আমরা এদের চিনি। এরা আগে আমাদের গ্রামে এসেছিল। আরিফ আমাদের বাড়ি থেকে টাকা চুরি করেছিল। শফিক আমাদের ভয় দেখাত।" আমি বললাম, "তাহলে এরা আমাদের গ্রামের পুরোনো শত্রু।" আমরা তাদের আস্তানায় গেলাম। আমি সামনে থেকে লড়াই করলাম। আমরা আরিফের একজন লোককে ধরে ফেললাম। আমি তাকে বললাম, "আমার পরিবারকে কে মেরেছে?" সে ভয় পেয়ে বলল, "এটা নাদিমের প্ল্যান ছিল।" আমার রাগ আরও বেড়ে গেল। আমি বললাম, "এখন তোদের শেষ সময় এসেছে।"

# # # # পর্ব ৪: বদলার আগুন
আমি আমার দল নিয়ে নাদিমের আস্তানায় হামলা করলাম। আমার পাশে ছিল সুমাইয়া, সে আমাকে সাহস দিচ্ছিল। আমরা শফিকের লোকদের সাথে লড়াই করলাম। আমি শফিককে ধরে বললাম, "আমার পরিবারকে কে মেরেছে?" সে ভয় পেয়ে বলল, "এটা নাদিমের প্ল্যান ছিল।" আমরা শফিককে বেঁধে ফেললাম। কিন্তু নাদিম আর আরিফ পালিয়ে গেল। আমি গ্রামের মানুষকে সব বললাম। গ্রামের মানুষ আমার সাথে যোগ দিল। সুমাইয়া, আমি তোকে বললাম, "আমি এই গ্রামের হিরো হব।" তুই আমাকে বললি, "রাব্বি, আমি তোমাকে ভালোবাসি।" আমি তোর কপালে চুমু দিয়ে বললাম, "তোর জন্য আমি সব করতে পারি।"

# # # # পর্ব ৫: ফাইনাল লড়াই
আমরা খবর পেলাম, নাদিম আর আরিফ নদীর ওপারে লুকিয়ে আছে। আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে সেখানে গেলাম। বাবু, শাহদাত, ইয়াসিন—আমি তোদের বললাম, "আজ আমরা এদের শেষ করব।" আমাদের জিএফ-রা—সুমাইয়া, শাকিয়া, ইমী, আর মেহেরুন—গ্রামের মানুষকে নিয়ে আমাদের সাহায্যে এলো। আমরা নাদিমের আস্তানায় ঢুকে পড়লাম। নাদিম আমাকে দেখে বলল, "রাব্বি, তুই আমার পথে কাঁটা। আজ তোকে শেষ করব।" আমি বললাম, "আমার পরিবারের বদলা নেব।" আমরা লড়াই শুরু করলাম। আমি নাদিমকে ধরে ফেললাম। শাহদাত আর ইয়াসিন মিলে আরিফকে বেঁধে ফেলল। বাবু তাদের অস্ত্র ফেলে দিল। গ্রামের মানুষ এসে আমাদের সাহায্য করল। আমরা নাদিম আর আরিফকে পুলিশের হাতে দিলাম। আমি সুমাইয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম, "আমি আমার বদলা নিয়েছি।" সে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, রাব্বি, "তুমি আমার হিরো।"

🌟 **আমার চার বন্ধুর ছবি (কার্টুন স্টাইলে)** 🌟
এই গল্পের চরিত্রদের আমি কার্টুন স্টাইলে সাজিয়েছি। আমি, বাবু, শাহদাত, আর ইয়াসিন—আমরা চারজন মিলে এই গল্পের হিরো। কেমন লাগলো জানাও!

📖 আরও গল্প পড়তে চাও? তাহলে আমার পেইজ "রাব্বি হাসানের গল্পের দুনিয়া" ফলো করো। প্রতিদিন নতুন গল্প পাবে! ❤️
#ময়মনসিংহের_সিক্রেট_মাফিয়া #রাব্বি_হাসান #গল্প #বরিচাপর

**স্বার্থপর ভালোবাসা**রাব্বি হাসান ছিল শহরের একজন সাধারণ যুবক। সে একটা ছোট চাকরি করতো, আর তার স্বপ্ন ছিল একদিন নিজের ব্য...
24/04/2025

**স্বার্থপর ভালোবাসা**

রাব্বি হাসান ছিল শহরের একজন সাধারণ যুবক। সে একটা ছোট চাকরি করতো, আর তার স্বপ্ন ছিল একদিন নিজের ব্যবসা শুরু করবে। রাব্বির জীবনটা সহজ ছিল, কিন্তু তার মনে একটা গভীর আকাঙ্ক্ষা ছিল—সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়ার।

একদিন বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়ে রাব্বির সঙ্গে পরিচয় হলো মায়ার সঙ্গে। মায়া ছিল উজ্জ্বল হাসির এক মেয়ে, যার কথায় মানুষ মুগ্ধ হয়ে যেত। রাব্বি প্রথম দেখাতেই মায়ার প্রেমে পড়ে গেল। মায়াও রাব্বির সরলতায় আকৃষ্ট হলো। দুজনে দ্রুত বন্ধু হলো, আর কিছুদিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠল।

রাব্বি মায়ার জন্য সব করতে প্রস্তুত ছিল। সে তার সঞ্চয় থেকে মায়াকে ছোট ছোট উপহার দিত, তার পছন্দের জায়গায় নিয়ে যেত। মায়াও রাব্বির প্রতি যত্নশীল মনে হতো, কিন্তু রাব্বি লক্ষ্য করেনি যে মায়ার ভালোবাসার পেছনে একটা লুকানো উদ্দেশ্য ছিল।

একদিন মায়া রাব্বিকে বলল, “রাব্বি, আমার একটা বড় সমস্যা হয়েছে। আমার বাবার ব্যবসায় ধস নেমেছে। তুমি যদি একটু টাকা ধার দিতে পারতে, আমি তোমাকে সুদসহ ফেরত দিতাম।” রাব্বি দ্বিধা করল না। সে তার স্বপ্নের ব্যবসার জন্য জমানো টাকা মায়াকে দিয়ে দিল। মায়া খুব খুশি হলো, আর রাব্বিকে আশ্বাস দিল যে সে শীঘ্রই টাকা ফেরত দেবে।

কিন্তু দিন যেতে লাগল, মায়ার আচরণ বদলাতে শুরু করল। সে রাব্বির ফোন এড়িয়ে যেত, দেখা করতে অজুহাত দিত। একদিন রাব্বি জানতে পারল, মায়ার বাবার কোনো ব্যবসা নেই, আর মায়া শুধু রাব্বির টাকার জন্যই তার কাছে এসেছিল। মায়া অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে শহর ছেড়ে চলে গেছে।

রাব্বির হৃদয় ভেঙে গেল। সে তার সঞ্চয় হারিয়েছে, ভালোবাসার মানুষটির প্রতারণায় পড়েছে। কিন্তু রাব্বি হাল ছাড়ল না। সে ঠিক করল, এই ঘটনা তাকে দুর্বল করবে না, বরং শক্তিশালী করবে। সে আবার নতুন করে শুরু করল। কঠোর পরিশ্রম করে সে তার ব্যবসার স্বপ্ন পূরণ করল, আর শিখল যে সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো স্বার্থপর হয় না।

বছরখানেক পর, এক কফিশপে রাব্বি দেখা পেল এক মেয়ের সঙ্গে, যার নাম ছিল তানিয়া। তানিয়ার হাসি ছিল সত্যিকারের, তার কথায় ছিল আন্তরিকতা। এবার রাব্বি সাবধানে এগোল, কিন্তু তার হৃদয় বলছিল—এই ভালোবাসা হয়তো সত্যি।

**শেষ**
(আশা করি গল্পটা পছন্দ হয়েছে!

**জঙ্গলের ভূতনী আর রহস্যময় আলো**  একটা ছোট গ্রামের পাশে ঘন জঙ্গল ছিল। গ্রামের মানুষ বলত, ওই জঙ্গলে সন্ধ্যার পর কেউ যায়...
23/04/2025

**জঙ্গলের ভূতনী আর রহস্যময় আলো**

একটা ছোট গ্রামের পাশে ঘন জঙ্গল ছিল। গ্রামের মানুষ বলত, ওই জঙ্গলে সন্ধ্যার পর কেউ যায় না, কারণ সেখানে একটা ভূতনী থাকে। তার নাম ছিল কালী—একটা সাদা শাড়ি পরা, লম্বা চুলের ভূতনী, যে কিনা কাউকে দেখলেই তার পিছু নিত। গ্রামের বুড়োরা বলত, কালী একটা অভিশপ্ত আত্মা, যে বহু বছর আগে জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছিল, আর তারপর থেকে সে জঙ্গলের মাঝে একটা বড় বটগাছের নিচে থাকে।

গ্রামে একটা ছেলে ছিল, নাম রহিম। রহিম খুব সাহসী, আর ভূতের গল্প শুনলে সে হাসত। একদিন বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে ফেলল যে সে জঙ্গলে গিয়ে রাত কাটিয়ে আসবে। বন্ধুরা তাকে বোঝাল, “রহিম, পাগল হয়েছিস? ওই জঙ্গলে কালী থাকে, তুই ফিরে আসতে পারবি না!” কিন্তু রহিম বলল, “আমি ভূত-টুত বিশ্বাস করি না। আমি যাব, আর সকালে ফিরে এসে তোদের দেখাব যে কিছুই হয়নি।”

সন্ধ্যার দিকে রহিম একটা ব্যাগে খাবার, পানি, আর একটা টর্চ নিয়ে জঙ্গলে ঢুকল। জঙ্গলটা প্রথমে খুব সুন্দর লাগছিল—গাছের পাতার মধ্যে বাতাসের শব্দ, পাখির ডাক। কিন্তু সূর্য ডুবে যেতেই সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল। রহিম একটা বড় গাছের নিচে বসে খাবার খাওয়া শুরু করল। হঠাৎ সে একটা অদ্ভুত শব্দ শুনল—যেন কেউ ফিসফিস করে কথা বলছে। সে টর্চ জ্বালিয়ে চারপাশে দেখল, কিন্তু কিছুই নেই।

রাত বাড়তে থাকল। রহিমের একটু ভয় ভয় লাগছিল, কিন্তু সে নিজেকে বলল, “এটা শুধু আমার মনের ভুল। ভূত বলে কিছু হয় না।” হঠাৎ সে দেখল, দূরে একটা আলো জ্বলছে। আলোটা ছোট, নীল রঙের, আর যেন তার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। রহিমের হৃৎপিণ্ড জোরে জোরে ধক ধক করতে লাগল। সে টর্চ দিয়ে আলোটার দিকে তাকাল, কিন্তু আলোটা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল।

রহিম ভাবল, “এটা হয়তো কোনো জোনাকি বা প্রাণী। আমি ভয় পাব না।” কিন্তু তারপরই সে একটা ঠান্ডা হাওয়া অনুভব করল, আর একটা মেয়ের কান্নার শব্দ শুনতে পেল। শব্দটা এত কাছে ছিল যে মনে হচ্ছিল কেউ তার পাশেই কাঁদছে। রহিম ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল, তার পিছনে একটা সাদা শাড়ি পরা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার চুল এত লম্বা যে মাটি ছুঁয়ে যাচ্ছে, আর তার চোখ দুটো শুধু সাদা—কোনো কালো মণি নেই।

রহিম চিৎকার করে উঠল, “তুমি কে? আমাকে একা ছেড়ে দাও!” কিন্তু মেয়েটি কোনো কথা না বলে শুধু তার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর সে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে লাগল। রহিমের পা অবশ হয়ে গেল, সে দৌড়াতে পারছিল না। মেয়েটি তার কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, “আমার সাথে আয়… আমি একা… আমার সাথে আয়…” তার কণ্ঠস্বর এত ভয়ানক ছিল যে রহিমের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল।

রহিম কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, “আমি যাব না! তুমি যাও!” সে টর্চটা মেয়েটির দিকে তাক *টাটকা* করে ধরে রাখল। হঠাৎ মেয়েটি অদৃশ্য হয়ে গেল। রহিম ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর যখন সে চোখ খুলল, দেখল মেয়েটি আবার তার সামনে দাঁড়িয়ে। এবার তার মুখে একটা ভয়ানক হাসি। সে বলল, “তুই আমাকে ভয় পাস না, তাই না? তাহলে আমার সাথে খেলা খেলবি?”

রহিমের মাথা ঘুরতে লাগল। সে কোনোমতে বলল, “কী… কী খেলা?” মেয়েটি বলল, “তুই যদি আমার বটগাছের কাছে পৌঁছাতে পারিস, আমি তোকে ছেড়ে দেব। কিন্তু যদি না পারিস, তাহলে তুই আমার সাথে থাকবি… চিরকাল।”

রহিমের আর কোনো উপায় ছিল না। সে দৌড় শুরু করল। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সে ছুটতে লাগল, তার পিছনে মেয়েটির হাসির শব্দ। সে দেখল, সেই নীল আলোটা আবার জ্বলছে, আর তাকে পথ দেখাচ্ছে। রহিম বুঝতে পারল এটা হয়তো কোনো ভালো আত্মার সাহায্য। সে আলোটার পিছনে পিছনে ছুটতে লাগল।

অনেক দৌড়ানোর পর সে একটা বিশাল বটগাছের কাছে পৌঁছাল। সে গাছের গুঁড়ি স্পর্শ করতেই মেয়েটির একটা চিৎকার শোনা গেল, আর তারপর সবকিছু শান্ত হয়ে গেল। রহিম দেখল, নীল আলোটা ধীরে ধীরে আকাশের দিকে উঠে গেল, যেন কেউ মুক্তি পেয়েছে।

রহিম সারারাত গাছের নিচে বসে রইল। সকাল হতেই সে গ্রামে ফিরে এল। বন্ধুদের সে সবকিছু বলল, কিন্তু কেউ তার কথা বিশ্বাস করল না। তারা বলল, “তুই নিশ্চয়ই ঘুমিয়ে পড়েছিলি, আর স্বপ্ন দেখেছিস!” কিন্তু রহিম জানত, এটা স্বপ্ন ছিল না। তার ব্যাগে একটা ছোট নীল পাথর ছিল, যেটা সে বটগাছের নিচ থেকে পেয়েছিল। সে বুঝতে পারল, এটা সেই ভালো আত্মার দেওয়া উপহার, যে তাকে বাঁচিয়েছিল।

---

কেমন লাগল গল্পটা?

Address

Mymensingh
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rabby Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category