Rakib-ul-Hasan Official

Rakib-ul-Hasan Official অনুভূতির অনুবাদক

06/01/2025

মনে পড়ে রুবি রায়,কবিতায় তোমাকে একদিন কতো করে ডেকেছি।
আর.ডি. বর্মন
কভার - রাকিবুল হাসান হৃদয়।

03/01/2025

আমায় এ-তো রাতে কেন ডাক দিলি
প্রান কোকিলারে.....

29/12/2024

আমার গায়ে যত দুঃখ সয়....
মূলশিল্পী - শ্রদ্ধেয় বারী সিদ্দিকী স্যার।
কভার - রাকিবুল হাসান হৃদয়।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
16/10/2023

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।

Old version!
07/08/2023

Old version!

চাঁদপুর নদী ভ্রমন-পদ্মা মেঘনা এবং ডাকাতিয়ার মিলন স্থলে!বড়স্টেশন, চাঁদপুর।
20/07/2023

চাঁদপুর নদী ভ্রমন-
পদ্মা মেঘনা এবং ডাকাতিয়ার মিলন স্থলে!
বড়স্টেশন, চাঁদপুর।

অপেক্ষা গায়েন, আফনে কই?কোন বিদেশে?? সে-ই যে অগ্রানে ঝোলা দোতরা লইয়া বাইর হইলেন আর'তো আইলেন না! যাইবার কালে আমারে ডাকি কই...
09/07/2023

অপেক্ষা

গায়েন, আফনে কই?
কোন বিদেশে??
সে-ই যে অগ্রানে ঝোলা দোতরা লইয়া বাইর হইলেন আর'তো আইলেন না!
যাইবার কালে আমারে ডাকি কইছিলেন-
সরলা-
ভাত বহাও, আমি আয়তাছি!
তারপর কতো অঘ্রান গত হইলো আর আইলেন না।
প্রতিবার পৌষের বটতলায় পালা গানের আসরে আপনার পোলা আপানারে গিয়ে সন্ধান করে,চাতক পক্ষীর মতো চাইয়া তাহে এইবুঝি আপনি গলা ছাইড়া গান ধরলেন -
"মায়ের কান্দন জাবৎজীবন"
কিন্তু না!
শেষ রাইতে দুলাল আমার কপাটে টোকা দিয়া কয়-
মা....
বাজান এইবারও আইলোনা!

দুলাল এহন ডাঙ্গর অইছে, দেখতে ঠিক আফনের মতোই!গত ম্যালেরিয়াতে শেফালী মা আমার দুনিয়া ছাড়লো, যারে আফনে পেডে রাইখা গেছিলেন!
পরীর মতো ফুটফুইট্টা আছিলো-
আফসোস, দুনিয়ায় থাকতে বাপ-ঝি'র পরিচয় অইলো না! না জানি যাদু আমার কতো অভিমানে চইলা গেলো!

আফনে যাওয়ার বছর খানেক পর বাপের বাড়ি থেইক্কা আমারে নিতে আইছিলো, আমি যা-ই নাই!
বড় ভাইজান দুইডা সম্মন্ধ'ও আনিছিলো,আমি হাতে পায়ে ধইরা না কইরা দিছি!
তারপর রাগে বাপ/ভাই আমাগোর থেইক্কা মুখ ফিয়াইলো।দুলাল আর শেফালীরে লইয়া আমি পড়লাম অকূল সাগরে!
সংসারে দারিদ্রতা,পোলাপান দুইডা না খায়া থা-হে
উপায় না পাইয়া কাজে নামলাম, মিঞাঁ বাড়িতে বারাবান্ধা'র কাম!
গেরামের লোকে আঁড় চোখে চাইয়া থাকে,আ'কথা আর কু'প্রস্তাব! সব কিছু সহ্য কইরা আমি জীবনের লগে সংগ্রাম করছি।
দুলাল ডাঙ্গর ওউনের পর থেইক্কা আমারে কাম করতে মানা করছে! আমিও আর পারিনা,চুলে পাক ধরছে,চোখে ঝাঁপশা দেখি শরীরডাও আর কুলায় না!
আফনেরে ছাড়া এতোগুলা বছর পার কইরা আমি বুঝবার পারছি,পুরুষ মানুষ ছাড়া একটা নারী কতোডা অসহায়!
বেড়া বিহীন ঘরের মতোন!
ক্যান আপনি দেশান্তরী হইছিলেন??
বৈরাগী'ই যদি হইবেন তবে ক্যান সংসার বাঁধছিলেন??

রাকিবুল হাসান হৃদয়
১১.৩৩ পি.এম.
৯ই জুলাই-২০২৩ইং

আহসান মঞ্জিল,ইসলামপুর,সদরঘাট,পুরান ঢাকা!ফটো ক্রেডিট- irfan বন্ধু!
05/07/2023

আহসান মঞ্জিল,ইসলামপুর,সদরঘাট,পুরান ঢাকা!
ফটো ক্রেডিট- irfan বন্ধু!

ভ্রমন অভিজ্ঞতা -২জাফলং, সিলেট। ২০১৯ সাল,খুব সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাস।কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে ২৮ তম বারের মতো সিলেট গিয়েছিলা...
02/07/2023

ভ্রমন অভিজ্ঞতা -২
জাফলং, সিলেট।

২০১৯ সাল,খুব সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাস।কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে ২৮ তম বারের মতো সিলেট গিয়েছিলাম।কিন্তু জাফলং গিয়েছিলাম প্রথম বারের মতো!সাথে ছিলো বন্ধু রিয়াদ,ইসমাইল কাকা এবং রিয়াদের বাবা সহ তার পরিবারের সবাই!আমরা বরাবরই সিলেট গিয়ে ইসমাইল কাকা'র বাসায় উঠি,সে'বারও ব্যাতিক্রম হয়নি! কাজ শেষ করে পরে সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা জাফলং যাবো।সে অনুযায়ী রওনা হলাম পরেরদিন ভোরে-
মীরাবাজার থেকে মিনিবাস চলে সরাসরি জাফলং পর্যন্ত,তখন মাথাপিছু যাতায়াত ভাড়া ছিলো ষাট টাকা!

সেদিন সকাল থেকেই রৌদ্রের তাপ ছিলো প্রখর,ভ্যাপসা গরমে একটা বিরক্তিকর অবস্থা। কিছুক্ষণ পরেই আমরা শাহপরান ছাড়িয়ে শহরের বাইরে, খোলামেলা পরিবেশ রোদ থাকলেও গরম নেই। বাসের জানালা খুলতেই বাইরে থেকে ঠান্ডা বাতাস এসে মুহুর্তেই সব শান্ত করে দিলো। আরো কিছুদূর যেতেই দেখা মিললো পাহাড় বেষ্টিত নদী আর হাওর।সমতল থেকে রাস্তার উচ্চতা অনেকখানি,বলতে গেলে পাহাড় বললেই চলে। পিচঢালা প্রসস্ত রাস্তা আর বাসের গতি দেখে মনে হলো আমরা উড়োজাহাজে আছি।হঠাৎ চোখে পড়লো সুবিশাল ধানের মাঠ আর মহিষের পাল! একেকটা মহিষের পালে অন্তত শ'খানেক মহিষ। দৃশ্যটা ছিলো এ'রকম-
যারা হুমায়ুন আহমেদের "আমার আছে জল" চলচ্চিত্রটা দেখেছেন তারা বলতে পারবেন সেখানে শুরুর দিকটাই সোহাগি রেলওয়ে স্টেশনে নামার পর মহিষের গাড়ি দিয়ে সেই বাংলো-বাড়ি যাওয়ার কথা! কাদামিশ্রিত পথ আর মহিসের ডাক!
ঠিক সেইরকম!

আরেকটু সামনে যেতেই চোখে পড়লো দূরে পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারা! কি অপূর্ব লাগছিলো দেখতে তা লিখে বা বলে প্রকাশ করা আমার পক্ষে অসম্ভব! বাঁয়ে তাকাতেই দেখলাম বিসৃত চায়ের বাগান যেখানে শ'য়ে-শ'য়ে শ্রমিকেরা কাজ করছে।প্রখর রৌদ্রে মাথায় একপ্রকার ঝুড়ি বেঁধে লাইন ধরে হেঁটে যাচ্ছে তারা!হাঁটার মধ্যেও একটা চমৎকার ভঙ্গিমা ছিলো,কেমন তালে-তালে ছন্দ তোলে হাঁটা!

যখন আমরা কাছাকাছি পৌঁছালাম তখন দেখলাম রাস্তার দু'পাশেই অসংখ্য স্টোন ক্রাসার! সেখানে তারা বড়বড় গোল পাথর গুলোকে ভেঙে টুকরো টুকরো করছে! আর এই পাথর দিয়েই নির্মান করা হচ্ছে সারাদেশের যত স্থাপনা, সরক থেকে মহাসড়ক! পাথর ভাঙার সে'কি বিকট শব্দ, কান ভাড়ি হয়ে আসে।
অবশেষে আমরা এসে পৌঁছলাম বল্লারঘাট নামক একটা স্থানে,সেখান থেকে টোটো'তে করে যেতে হয় জাফলং জিরো পয়েন্ট! ভাঙা রাস্তার কারণে সরাসরি জাফলং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বাস আসেনা!
সেখানে নেমে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করলাম,ততক্ষণে দুপুরের খাবার সময় হয়ে এসেছে। একটা হোটেল থেকে আমরা কিছু হাল্কা পাতলা খাবার খেয়ে নিলাম।তারপর নামলাম গোসলে,সূর্য তখনো মাথার উপর। খাড়া হয়ে কিরণ দিচ্ছে, তীব্রতাও ছিলো প্রকট!

কিন্তু পানিতে নামার পর একবারও মনে হলোনা যে কতটা গরম ছিলো কিছুক্ষণ আগেও। সাদা পাথরের উপর সচ্ছ পানি,ছোট ছোট মাছগুলো দেখে মনে হয় যেন এটা পুরোটাই একটা এ্যাকোরিয়াম।ভিজলাম, ফটোসেশান করলাম স্রোতে গাঁ ভাসালাম। সব মিলিয়ে চমৎকার উপভোগ করছিলাম!কিন্তু হঠাৎ এমন একটা কান্ড ঘটলো যার জন্য কেউই আশা করেনি -!

সানগ্লাস আদান-প্রদান করতে গিয়ে আমার পা পড়লো একটা ভাঁঙা কাঁচের টুকরোই,ইশ্!
গোঁরালীর ডানপাশে, আগেই বলেছি সচ্ছ পানি সেজন্যই দেখিনি যে এমন একটা কাঁচের টুকরো আমাকে বঁদ করার জন্য পানির নিচে অপেক্ষা করছে!
পা ফেলার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠলাম। সবাই দৌড়ে আসলো আমার কাছে, কি হলো কি হলো??
কোনো কথা নেই!
পানি থেকে পা তুলতেই রক* ভেসে যাচ্ছে -
চোখের সামনে এ অবস্থা দেখে সবারই আনন্দ নিমিষেই মাটি হয়ে গেলো!আমারও চোখ গুলো কেমন অন্ধকার হয়ে আসছিলো।
সেখানকার স্থানীয় কয়েকজন পরামর্শ দিলো বল্লারঘাট নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারপর বোটে করে নদী পার হয়ে কমলা বাগান, সেখান থেকেই বন্ধু রিয়াদ আর তার বাবা অনেক কষ্টে আমাকে কোলে তুলে বল্লারঘাট একটা নার্সিংহোমে নিয়ে আসলো!
ডাক্তার সাহেব ড্রেসিং সেরেই ইয়া লম্বা সিরিঞ্জ বের করলো,তারপর একে একে ৬ টা শেলায় করলো!
আমি তখনো ইসমাইল কাকার কোলে শুয়ে, আমার চিৎকার শুনে ঈসমাইল কাকাও কান্নাকাটি শুরু করলো!

আন্টির মানে বন্ধু রিয়াদের আম্মুরও ব্লাড প্রেশার বেড়ে গেলো! অবশেষে ডাক্তারের দেওয়া প্রেসক্রিপশান হাতে নিয়ে আমরা সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম! তখন প্রায় বিকেল পাঁচটা, আর আমরা সিলেটে এসে পৌঁছালাম রাত আটটায়! সেদিন সিলেট থেকে পরে রাত দশটার বাসে আমরা ধোবাউড়ার উদ্দেশ্য যাত্রা করলাম। হাসি,আনন্দ, ব্যাথা আর পরিশ্রমের পরের জাফলং ভ্রমনটা ছিলো আমাদের চরম উপভোগ্য!
সব মিলিয়ে মনে রাখার মতো!

রাকিবুল হাসান হৃদয়
৪ঠা জুন,রবিবার -২০২৩ ইং
০২.৪২ এ.এম

জমিদার হেমচন্দ্র রায়ের বাড়ি -হেম নগর,গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
13/06/2023

জমিদার হেমচন্দ্র রায়ের বাড়ি -
হেম নগর,গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rakib-ul-Hasan Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share