Zawadul Faruq

Zawadul Faruq � I ᴛᴇsᴛɪғʏ ᴛʜᴀᴛ Aʟʟᴀʜ ɪs Oɴᴇ ᴀɴᴅ ᴛʜᴇ Uɴɪϙᴜᴇ ʜᴀs ɴ?

আমাদের বর্তমান সমাজ নারী জাতীকে এক প্রকার পন্য বানিয়ে ফেলেছে।
যেমন অর্থের কাছে বিক্রি করে দেয়।
তারা মনে করে"𝐌𝐨𝐧𝐞𝐲 𝐢𝐬 𝐇𝐚𝐩𝐩𝐢𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐌𝐨𝐧𝐞𝐲 𝐢𝐬 𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲𝐭𝐡𝐢𝐧𝐠........

টাকাই সুখ দিতে পারে।
আর রাস্তায় ছেলেরা মাল বললেই সমস্যা।

🔰এক সংবাদিক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে জিজ্ঞাসা করেছেন।▫️তোমার মা এখনো তোমার সাথে থাকে কেন❓ তুমিতো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার সাহায...
14/08/2021

🔰এক সংবাদিক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে জিজ্ঞাসা করেছেন।
▫️তোমার মা এখনো তোমার সাথে থাকে কেন❓ তুমিতো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার সাহায্য কর, তবে তুমি কেন তোমার মার জন্য একটি বাড়ি বানিয়ে দেও না❓

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো :

"আমার মা বহু কষ্ট করে আমাকে বড় করেছেন এবং তিনি আমার জন্য তার জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন, তিনি ক্ষুধার্ত থেকে ঘুমাতে যেতেন, শুধু আমাকে খেতে দিতেন, আমাদের কাছে কোন টাকা ছিল না।
আমি আমার প্রথম জুতা কিনতে ৭ দিনের মধ্যে ৭ দিন এবং রাতে ক্লিনার হিসাবে কাজ করেছি, যাতে আমি একজন খেলোয়াড় হতে পারি।

▪️ আমার সমস্ত সাফল্য আমি তাকে উৎসর্গ করেছি এবং আামাকে আদর করে মানুষের মতো মানুষ বানানোর জন্য তাকে অনেক ধন্যবাদ এবং যতদিন তার জীবন আছে, আমি চাই সে সর্বদা আমার পাশে থাকুন, অর্থ দিয়ে সব কিছু হয় না, আমি যা দিতে পারি তাকে, সবকিছুই তার আছে কিন্তু সন্তানের ভালোবাসা যত্ন সেবার চেয়ে বড় কিছু হয় না।

🔹পৃথিবীতে তিনি আমার সবচেয়ে বড় আশ্রয় এবং বিধাতার থেকে আমার জন্য সবচেয়ে বড় উপহার "!!!!
সংগৃহীত

মৌমাছির মতো একটা সাক্ষাতকারের জন্য যার পিছে পিছে সাংবাদিকরা সারাদিন ঘুরত এখন আর কোন চ্যানেলে উনা কে নিয়া নিউজ হয় না😢সুতর...
13/08/2021

মৌমাছির মতো একটা সাক্ষাতকারের জন্য যার পিছে পিছে সাংবাদিকরা সারাদিন ঘুরত এখন আর কোন চ্যানেলে উনা কে নিয়া নিউজ হয় না😢
সুতরাং এটাই প্রমান হয় যে, মানুষ ব্যাক্তি কে নয় বরং তার চেয়ার আর ক্ষমতাকেই পুজা করে।
আল্লাহ্ পাক রাব্বুল আলামীন উনাকে সুস্থতার সহিত নেক হায়াত দান করুন।
আমিন।

 #প্রসঙ্গ_BF:একবার এক ছেলে তার কলেজের এক সুন্দরী মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলো: আমাকে কি তোমার BF বানাবে? মেয়েটি হেসে মজার ছলে বল...
12/08/2021

#প্রসঙ্গ_BF:

একবার এক ছেলে তার কলেজের এক সুন্দরী মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলো: আমাকে কি তোমার BF বানাবে?
মেয়েটি হেসে মজার ছলে বললো... BF এর মানে কি সেটা আগে আমাকে বলো!!
তখন ছেলেটি হেসে বললো কেনো! Best Friend!
এমন সুন্দর উত্তর শুনে মেয়েটি রাজি হয়ে গেলো!
ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সৃষ্টি হলে...
কিছুদিন পর ছেলেটি আবার মেয়েটিকে বললো:
আমি কি তোমার BF হতে পারি?
মেয়েটি তখন জবাব দিলো: আমরা তো এখনো BF হয়েই আছি! আবার কিসের BF হবো বলো? ছেলেটি বললো এটা ওই BF নয়!
এবারের BF মানে Boy Friend!

মেয়েটির ইতোমধ্যে ভালোলেগে গিয়েছিলো ছেলেটিকে! এতপর তাদের মধ্যে প্রেম হয়, প্রেম থেকে পরিনয়! বিয়ের কয়েক মাস পর মেয়েটি ছেলেটিকে বললো: শুনছো! তুমি বাবা হতে চলেছো! ছেলেটি অবাক হয়ে বললো তাই নাকি? তাহলে অবশেষে আমি তোমার BF হতে যাচ্ছি! মেয়েটি হেসে জিজ্ঞেস করলো: এই BF এর মানে কি আবার?
ছেলেটিও মৃদু হেসে জবাব দিলো Baby’s Father!

স্বামী স্ত্রী আর একটি ফুটফুটে বাচ্চা; সুন্দর সাজানো গোছানো একটি সংসার! অন্য সব সংসারের মতো এখানেও চলতো ছোটখাটো নানারকম ঝগড়াঝাটি, নানা খুনসুটি, মান অভিমান!
একদিন স্বামী বললো শোন—সুখ দু:খ আমাদের জীবনেরই অংশ; ভালো সময় যেমন আছে, তেমনি খারাপ সময়ও সংসারে আসবে! আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরী হলে তবেই হবে BF! স্ত্রী কিছুটা উৎসুক হয়ে জানতে চাইলো— এটা আবার কোন BF? স্বামী দুই হাতে স্ত্রী আর সন্তানের হাত ধরে বললো Beautiful Family!

সংসারের বয়স তখন বছর দশেক হয়েছে; এরই মধ্যে একদিন স্বামী বললো—তোমার সব চাওয়া পাওয়া সব সময় হয়তো পূরণ করতে পারবো না! কিন্তু আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি! তুমিও আমাকে ভালোবেসে BF হয়েই থেকো! স্ত্রী যথারীতি বিষ্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করে এই BF এর মানে কি?
স্বামী হেসে উত্তর দেয়—Be Forever! স্ত্রী স্বামীর এমন পাগলামি দেখে হো হো করে হেসে দিলো!

সময় গড়িয়ে যায়, সন্তানও বড় হতে থাকে, ধীরে ধীরে বুড়ো হয় স্বামী-স্ত্রী; কবে যে চোখের সামনে শৈশব কৈশর যৌবন পার হয়ে গেলো কেউ টেরই পেলোনা!
একদিন বৃদ্ধ স্বামীর শয্যার পাশে বসে আছে স্ত্রী, স্ত্রীর হাত ধরে স্বামী বললো—মেঘে মেঘে বেলা তো অনেক দুর গড়িয়েছে; এবার বোধহয় সূর্যাস্তের পালা, আমি জানি না স্বামী হিসাবে তোমার প্রতি আর বাবা হিসাবে সন্তানের প্রতি ঠিক কতোটুকু দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি! হয়তো এই শয্যা থেকে আর ওঠাই হবে না! যদি সত্যি সত্যি না উঠতে পারি আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও! আর তখন স্ত্রীর হাতটা বুকে নিয়ে স্মিত হেসে স্বামী বললো—BF! স্ত্রীও বরাবরের মতোই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকায় স্বামীর দিকে! স্বামী তখন বললো এই BF এর মানে Bye Forever!

স্ত্রীর চোখে অশ্রু এসে যায়...হঠাৎ প্রথমবার BF বলার মূহুর্তটি মনে পড়ে যায় তার! বৃদ্ধার চোখে পুরানো স্মৃতিগুলি ভেসে উঠে; সে মনে মনে বলে কতো কঠিন জীবনের এই হিসাব নিকাশ! অথচ B আর F এই দুটি ইংরেজি বর্নে কতো সহজভাবেই না
জীবনের সব কঠিনত্বকে উড়িয়ে দিয়েছে এই মানুষটি!

জীবিকার টানে ছেলেও বহুদূরে আজ! কেনো যেনো বৃদ্ধার শেকড় গেড়ে গেছে এখানে! সে চাইলেই সবকিছু ছেড়ে কোথাও যেতে পারে না এই সংসার ছেড়ে; দক্ষিণ পূর্ব দিকের জানালাটা খুললেই নানা গাছগাছালির ফাকে বৃদ্ধের কবরটা দেখা যায়; একদিন সেদিকে তাকিয়ে বৃদ্ধা ফিসফিস করে বলে—শুনছো! তোমার পাশের কবরটা তৈরি হয়ে গেছে; আমি শীঘ্রই আসছি!
তোমার BF হয়েই থাকবো চিরদিন! ও হ্যা এই BF টার মানে বলে দেই—Beside Forever!!

সংগ্রহীত পোস্ট।

~~~ ক্ষুদিরাম বসুর মামলা পরিচালনায় রংপুরের তিন সাহসী উকিল ~~~১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল গ্রেফতার হন ক্ষুদিরাম বসু। মজফফরপুর সে...
12/08/2021

~~~ ক্ষুদিরাম বসুর মামলা পরিচালনায় রংপুরের তিন সাহসী উকিল ~~~

১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল গ্রেফতার হন ক্ষুদিরাম বসু। মজফফরপুর সেশন আদালতে ক্ষুদিরামের বিচার কাজ শুরু হলো ০৮ জুন ১৯০৮। কিন্তু সারা পশ্চিম বাংলা থেকে কোন আইনজীবী মামলায় আসামী পক্ষের হয়ে কোন আইনজীবী আদালতে দাঁড়াতে সাহস পাননি। তখন পূর্ব বঙ্গ থেকে রংপুর বারের উকিল বাবু সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী, বাবু কুলকমল সেন ও বাবু নগেন্দ্রনাথ লাহিড়ী ক্ষুদিরামের পক্ষে মামলায় সহযোগীতায় এগিয়ে আসেন। বিচার শুরুর কয়েকদিন আগেই তাঁরা মজফফরপুর চলে যান। ইতোমধ্যে বিচারক করন্ডারফের অনুরোধে কালিদাস বসু নামে স্থানীয় এক আইনজীবী এগিয়ে আসেন আসামী পক্ষের হয়ে। ৮-১৩ জুন চললো দায়রা বিচার। বিচারের শুরুতেই ক্ষুদিরাম স্বীকারোক্তি প্রদান করেন। কিন্তু দায়রা জজ এই স্বীকারোক্তিকে এড়িয়ে আদালতের প্রচলিত নিয়মেই বিচার করা হবে মর্মে ঘোষণা দিলেন। রংপুর থেকে যাওয়া তিন আইনজীবী বাবু সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী, বাবু কুলকমল সেন ও বাবু নগেন্দ্রনাথ লাহিড়ী দুই দিন সরকারী সাক্ষীদের জেরা করেন। কিন্তু ক্ষুদিরাম তখন প্রাণের মায়া ত্যাগ করে নিজেকে ভাগ্যের হাতে সমর্পণ করেছিলেন। রংপুর থেকে যাওয়া আইনজীবীদের তিনি সহযোগীতা করেননি। সেসময় তাঁর সাথে রংপুর থেকে যাওয়া উকিলদের মধ্যে একটি সংলাপ .........

উকিল : তুমি কি কাউকে দেখতে চাও?

ক্ষুদিরাম : হ্যাঁ, আমি একবার মেদিনীপুর দেখতে চাই, আমার দিদি আর তাঁর ছেলেপুলেদের।

উকিল : তোমার মনে কি কোন কষ্ট আছে ?

ক্ষুদিরাম : না, একেবারেই নয়।

উকিল : আত্মীয় স্বজনকে কোন কথা জানাতে চাও কি? অথবা কেউ তোমার সাহায্য করুণ এমন ইচ্ছা হয় কি?

ক্ষুদিরাম : না, আমার কোন ইচ্ছাই তাঁদের জানাবার নেই। তাঁরা যদি ইচ্ছা করেন আসতে পারেন।

উকিল : জেলে তোমার সাথে কি রকম ব্যবহার করা হয়?

ক্ষুদিরাম : মোটামুটি ভালোই।

উকিল : তোমার কি ভয় করছে?

ক্ষুদিরাম : (স্মিতহাস্যে) ভয় করবে কেন?

উকিল : তুমি কি জানো আমরা রংপুর থেকে তোমারকে সাহায্য করতে এসেছি? কিন্তু তুমি তো আমাদের আসার আগেই দোষ স্বীকার করেছো।

ক্ষুদিরাম : (স্মিতহাস্যে) কেন করবো না?

এই সংলাপ প্রমাণ করে ক্ষুদিরাম নিজের প্রাণ রক্ষায় খুবই নিঃস্পৃহ ছিলেন।

মামলার উকিলরা সওয়াল জবাবকালে যুক্তি দেখিয়েছিলেন এই ঘটনার সময় ক্ষুদিরামের গায়ে একটা ভারী কুর্তা, কোর্ট, দুইটি পিস্তল এবং বেশ কিছু কার্তুজ ছিল তাই ঐ পরিমাণ ওজন নিয়ে তাঁর পক্ষে এতো ক্ষিপ্রতার সাথে বোমা ছুঁড়ে মারা সম্ভব নাও হতে পারে। তাছাড়া দীনেশ (প্রফুল্ল চাকীর ডাক নাম) ক্ষুদিরামের থেকে বলিষ্ঠ গড়নের এবং বোমা বানানো জানতো সে। তাই বোমাটি প্রফুল্ল চাকীর পক্ষেই ছোঁড়ার সম্ভাবনা বেশী। প্রফুল্লের আত্মহত্যাও এই দিকেই ইঙ্গিত করে। কেননা সে জানতো সে দোষী। আর দোষী বলেই ধরা পড়লে সাথে সাথে আত্মহত্যা করে সে। সুতরাং পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করলে ক্ষুদিরামের পক্ষে সন্দেহের অবকাশ (Benefit of doubt) থেকেই যায়। কিন্তু সব কিছু বৃথা যায়। বৃথা যায় রংপুর থেকে মামলায় লড়তে যাওয়া আইনজীবীদের তৎপরতা। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ভোর ৪টায় মজফফরপুর জেলের ভিতরে ক্ষুদিরামের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। মাত্র ১৯ বছর বয়সী এই কিশোর হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে গেয়েছেন জীবনের জয়গান। রচিত হয় ইতিহাস।

অত্যন্ত প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও মজফফরপুরে গিয়ে এই কিশোরের পক্ষে আইনী লড়াই করেছিলেন রংপুর বারের তিন সাহসী আইনজীবী বাবু সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী, বাবু কুলকমল সেন ও বাবু নগেন্দ্রনাথ লাহিড়ী। এই ঐতিহাসিক ঘটনা নিঃসন্দেহে রংপুরের গর্বের বিষয়। সেই রংপুরে জন্ম গ্রহণ করার জন্য আমি নিজেও গর্ব বোধ করি।

১১ আগস্ট অগ্নিযুগের বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদিবস। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মাত্র ১৯ বছর বয়সেই রাজনৈতিক কারণে উপমহাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তাঁর ফাঁসী হয়। আজকেই এই দিনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ছবি : ফাঁসীর মঞ্চে ক্ষুদিরাম বসু।

10/08/2021
06/08/2021

খুশি থাকার ৭টি নিয়ম🙃🥀

06/08/2021

আল্লাহ"আল্লাহ"আল্লাহ"আল্লাহ🥀🕌🕋
গজলটি যত্ন করে রেখেদিন টাইমলাইনে!

04/08/2021

এত দিন ঘড়ি দেখেছি কিন্তু এটা খেয়াল করিনি।

আস্ সালামু আলাইকুম।যে যে এই পোস্টটি  দেখছেন একটু জুম করে মনোজগৎ দিয়ে দেখুন।যদি আপনাকে বলা হয় লক্ষ টাকার বিনিময় এখানে 5 ম...
04/08/2021

আস্ সালামু আলাইকুম।
যে যে এই পোস্টটি দেখছেন একটু জুম করে মনোজগৎ দিয়ে দেখুন।যদি আপনাকে বলা হয় লক্ষ টাকার বিনিময় এখানে 5 মিনিট হাত দিয়ে রাখতে আপনি কি দিবেন...?জানি দিবেন না..কারণ টা হলো এখানের পোকাগুলো দৃশ্যমান..যদি অদৃশ্য হতো তাহলে নির্ভয়ে হাত রাখতেন।।ঠিক তেমনি কবরটা দৃশ্যমান আর আজাবটা অদৃশ্য।।আর আপনি আমি যদি রবের হুকুম না মেনে তার নাফরমানি করে কবরে যায় তাহলে এই পোকাগুলো দৃশ্যমান হবে আমাদের দেহের কাছে এবং কি ভয়ংকর অবস্তা হবে তা আপনার আমার ধারনার বাহিরে।।তাই এখনো সময় আছে তওবা করে মহান আল্লাহর পথে ফিরে আসি এবং তার হুকুম মানার চেষ্টা করি।।মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বুজ বোজার তাওফিক দান করুক।।আমিন

🌷 অল্প বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার জানতে চাও?এই সমাজ তোমাকে ভালো কিছু দিতে চায়না বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়। এইভাবে শ...
02/08/2021

🌷 অল্প বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার জানতে চাও?

এই সমাজ তোমাকে ভালো কিছু দিতে চায়না বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়। এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র, পারছে না কেউ যৌবন কে পবিত্র রাখতে।

কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরনের ক্ষুধা। ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয়, ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুধা লাগলে বউ দরকার হয়। কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো।

অথচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

তুমি বিয়ে করো, তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর। অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন, ধনী হতে চাও বিয়ে করো।

আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
▶ ১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী।

▶ ২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়।

▶ ৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।

অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু সময় পাওয়া যায়। কেন এতো বিয়ে করতে দেরি? আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন।
আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার
ওয়াদা দিয়েছেন। খামাখা কেন দেরি? বিয়ে কর, যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল অফারটাকে গ্রহণ করো।

বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবে তা হলোঃ

১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়।
২। বিবাহ চক্ষু নত করে রাখে।
৩। তাড়াতাড়ি ধনী হওয়া যায়।
৪। ইমান পরিপূর্ণ হয়।
৫। অসুস্থতা দূর হয়।
৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়।
৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়। এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবে, যেনা করতে গিয়েও তা পাবে না।
৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে। মাথা কখনো গরম হবেনা।
১০। যৌবনের ক্ষুধা নিবারণ হয়।

আরো অনেক উপকারিতা আছে।

খাবার না পেলে মানুষ যেমন ক্ষুধার যন্ত্রনায় হারাম ভক্ষণ করে ফেলে। ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুধার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে।

বিয়েকে সহজ কর, দেখবে সমাজ থেকে
অনেক জেনা ব্যভিচার কমে যাবে।

ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি, অল্প বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে দিন। সরকারি চাকরি বাদ দেন, আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা। যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন।

কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবারের অভাবে
মারা যায়না। মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে। তাই মেয়ের বাবাদের বলছি, বিষয়টি বিবেচনায় নেন।

ছেলের বাবাদের বলছি, আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে তাই ছেলেকে বিয়ে দিন, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বুঝার ও সকল উপযুক্ত অবিবাহিত দের বিবাহ করার তৌফিক দিন (আমিন)।

Address

Mymensingh
2216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zawadul Faruq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Zawadul Faruq:

Share