13/11/2017
ছেঁড়া শার্ট পরে থাকা ছেলেটিও খুব ভালো করে জানে, ছেঁড়া শার্টের পরিবর্তে ভালো একটা শার্ট পরলে তাকে খুব সুন্দর লাগত। বন্ধুদের আড্ডায় আপনাদের মজাদার টপিক থাকে ঐ ছেঁড়া শার্ট পরা আঁতেল বন্ধুটি। টিউশন কিংবা কাজের অজুহাতে আপনাদের সাথে পিকনিকে কিংবা পার্টিতে যোগদিতে না পারা বন্ধুটিকে আপনারা বলেন অসামাজিক, ব্যাকডেটেড। কখনো কখনো বা হাড় কিপটেও বলেন। পিকনিকে গেলে অনেক মজা হয়, অনেক আনন্দ পাওয়া যায়; এই আনন্দ যেমন আপনি পান, তেমনি ঐ হাড়কিপটে ছেলেটিও পায়। কিন্তু পিকনিকে যাওয়ার মত তার টাকা থাকলে তো সে যাবে! ভালো শার্ট কেনার টাকা থাকলে সে মার্কেটের সবচেয়ে দামি শার্টটিই কিনে নিয়ে আসত।
আপনি যখন বাবার টাকায় গোল্ডলিফে আগুন ধরিয়ে একটা টান দিয়ে "এই মামা যাবি " বলে রিক্সায় উঠে পার্টিতে যান, তখন ঐ হাড়কিপটে ছেলেটি নিজের ভার্সিটির টিউশন ফি'র টাকা যোগাড় করতে হেঁটে হেঁটে স্টুডেন্ট এর বাসায় পড়াতে যায়। তাকে লাইফের মিনিং বুঝাতে আসবেন না। লাইফ কী- সেটা আপনি এখনো বুঝেননি। লাইফের মিনিং কী সেটা আপনি টের পাবেন যখন গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরির জন্য দৌঁড়াতে হবে তখন। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর যেদিন বাবার পকেট থেকে মিথ্যা বই কেনার টাকা কিংবা ভার্সিটির নানা খরচের অজুহাত দেখিয়ে যখন আর টাকা নিতে পারবেন না, সেদিন বুঝবেন আপনি লাইফের মিনিং কী! তখন গোল্ডলিফের মাথায় আগুন ধরিয়ে রিক্সায় চড়ার আগে, নিজের মাথায় আগুন ধরে যাবে চাকরির জন্য। বাবার টাকায় বিলাসীতা করা এই আপনি যখন দেখবেন, বাবা রিটায়ার্ড করে আপনার চাকরির আশায় বসে আছে- তখন রাস্তায় রাস্তায় আপনাকেও আঁতেল হয়ে দৌঁড়াতে হবে।
ছেঁড়া শার্ট পরা কিংবা পিকনিকে না যাওয়া যে বন্ধুটিকে আপনি আঁতেল বলতেন, তার ক্যারিয়ার নিশ্চিতভাবেই আপনার আগে শুরু হবে। কারণ সে আপনার অনেক আগেই জীবনের মিনিংটা বুঝতে শিখেছে, সে আপনার আগেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিংটা করে রেখেছে। যাকে একসময় আপনি আঁতেল বলতেন, সে যখন প্রপার প্ল্যানিং এ এগিয়ে গিয়ে ক্যারিয়ারকে স্ট্যাবলিশড করে ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল পার্টিতে যোগদান করবে, তখন আপনার নিজেকেই পৃথিবীর সেরা আঁতেল মনে হবে। নিজেকে তার সামনে তুচ্ছ মনে হবে। লাইফকে বুঝতে শিখুন। কেউ আঁতেল নয়। আজ যে আঁতেল, কাল সে হিরো হয়ে যাবে।
(Collected)
ছেঁড়া শার্ট পরে থাকা ছেলেটিও খুব ভালো করে জানে, ছেঁড়া শার্টের পরিবর্তে ভালো একটা শার্ট পরলে তাকে খুব সুন্দর লাগত। বন্ধুদের আড্ডায় আপনাদের মজাদার টপিক থাকে ঐ ছেঁড়া শার্ট পরা আঁতেল বন্ধুটি। টিউশন কিংবা কাজের অজুহাতে আপনাদের সাথে পিকনিকে কিংবা পার্টিতে যোগদিতে না পারা বন্ধুটিকে আপনারা বলেন অসামাজিক, ব্যাকডেটেড। কখনো কখনো বা হাড় কিপটেও বলেন। পিকনিকে গেলে অনেক মজা হয়, অনেক আনন্দ পাওয়া যায়; এই আনন্দ যেমন আপনি পান, তেমনি ঐ হাড়কিপটে ছেলেটিও পায়। কিন্তু পিকনিকে যাওয়ার মত তার টাকা থাকলে তো সে যাবে! ভালো শার্ট কেনার টাকা থাকলে সে মার্কেটের সবচেয়ে দামি শার্টটিই কিনে নিয়ে আসত।
আপনি যখন বাবার টাকায় গোল্ডলিফে আগুন ধরিয়ে একটা টান দিয়ে "এই মামা যাবি " বলে রিক্সায় উঠে পার্টিতে যান, তখন ঐ হাড়কিপটে ছেলেটি নিজের ভার্সিটির টিউশন ফি'র টাকা যোগাড় করতে হেঁটে হেঁটে স্টুডেন্ট এর বাসায় পড়াতে যায়। তাকে লাইফের মিনিং বুঝাতে আসবেন না। লাইফ কী- সেটা আপনি এখনো বুঝেননি। লাইফের মিনিং কী সেটা আপনি টের পাবেন যখন গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরির জন্য দৌঁড়াতে হবে তখন। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর যেদিন বাবার পকেট থেকে মিথ্যা বই কেনার টাকা কিংবা ভার্সিটির নানা খরচের অজুহাত দেখিয়ে যখন আর টাকা নিতে পারবেন না, সেদিন বুঝবেন আপনি লাইফের মিনিং কী! তখন গোল্ডলিফের মাথায় আগুন ধরিয়ে রিক্সায় চড়ার আগে, নিজের মাথায় আগুন ধরে যাবে চাকরির জন্য। বাবার টাকায় বিলাসীতা করা এই আপনি যখন দেখবেন, বাবা রিটায়ার্ড করে আপনার চাকরির আশায় বসে আছে- তখন রাস্তায় রাস্তায় আপনাকেও আঁতেল হয়ে দৌঁড়াতে হবে।
ছেঁড়া শার্ট পরা কিংবা পিকনিকে না যাওয়া যে বন্ধুটিকে আপনি আঁতেল বলতেন, তার ক্যারিয়ার নিশ্চিতভাবেই আপনার আগে শুরু হবে। কারণ সে আপনার অনেক আগেই জীবনের মিনিংটা বুঝতে শিখেছে, সে আপনার আগেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিংটা করে রেখেছে। যাকে একসময় আপনি আঁতেল বলতেন, সে যখন প্রপার প্ল্যানিং এ এগিয়ে গিয়ে ক্যারিয়ারকে স্ট্যাবলিশড করে ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল পার্টিতে যোগদান করবে, তখন আপনার নিজেকেই পৃথিবীর সেরা আঁতেল মনে হবে। নিজেকে তার সামনে তুচ্ছ মনে হবে। লাইফকে বুঝতে শিখুন। কেউ আঁতেল নয়। আজ যে আঁতেল, কাল সে হিরো হয়ে যাবে।
(Collected)