হযবরল ব্লগ কিংবা ভ্লগ

হযবরল ব্লগ কিংবা ভ্লগ সেলফ কেয়ার এর অংশ হিসেবে নিজেকে প্রতি?

প্রাণন Loading...
02/07/2024

প্রাণন Loading...

Haatkahon হাটকাহন এ জুলাই মাস জুড়ে থাকছে আমাদের বন্ধু প্রাণন। প্রদর্শনী শুরু হবে জুলাই এর ৫ তারিখ থেকে। আমন্ত্রন রইলো.....

ঠিকানা:
রাস্তা: ৭, বাড়ি নং: ১৫, ধানমন্ডি-১২০৫
সকাল ১১টা থেকে রাত ৮:৩০টা
মঙ্গলবার বন্ধ।

পেইজ: প্রাণন

17/12/2023



গত বৃহস্পতিবার রাতে আমার বোনকে নিয়ে ডাক্তার বাড়ি গিয়েছিলাম; শোনা কথাই আবার শুনে এসেছি, তবে আরও নিশ্চিত রূপে।

সেই রাতের পর থেকে আমি ভীষণ ভাবে অস্থির হয়ে আছি। প্রতিদিন গভীর রাতে মাইগ্রেনের ব্যথায় ঘুম ভেঙে গেছে, প্রাত্যহিক সাইকোলজিক্যাল মেডিসিনের ডোজ বাড়াতে হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ ঘটনা ঘটেছে গতকাল রাতে - ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে অসম্ভব রকমের ভয় পেয়েছি, নিজের অজান্তেই বিকট স্বরে চিৎকার করে উঠেছি - বাবা মা ঘাবড়ে গিয়ে দৌড়ে এসে আমাকে শান্ত করে।

অথচ আমার ভেঙে পড়ার কোন উপায় নেই! প্রচন্ডরকম শক্ত হয়ে যেতে হবে আমাকে, ভীষণ শক্ত! ডাক্তার আমাকে সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে পড়াশোনা করতে বলেছেন, আমার বোনের কেয়ারগিভার হিসেবে আমার করণীয় কী কী - জানতে বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়ার একটা গালভরা নামও আছে - সাইকোএডুকেশন।

পারিবারিক ভাবে আমরা একটা যৌথ সিদ্ধান্তে এসেছি - এখন থেকে আমরা সামাজিকভাবে যতটা সম্ভব বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকব। সমাজের অবিবেচক মানুষজনের নিরর্থক নির্বিকার আচরণের মুখোমুখি হতে আমরা নারাজ। এতে করে হয়তো সুবোধ মানুষের সঙ্গও হারাতে হবে, তবে তাই সই!

আমার বন্ধুদের মধ্যে কেউ কেউ প্রায়ই দুনিয়াদারি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবন যাপন করে, এটা অনেকটা মেন্টাল ডিটক্সের মত কাজ করে। আমি এমন খুব একটা করি নি আজ পর্যন্ত - কেউ প্রয়োজনে খোঁজ করে আমায় পাচ্ছে না এই ব্যাপারটা আমার কখনোই পছন্দের বিষয় ছিল না। তবে অপছন্দের কাজ হওয়া স্বত্বেও এখন থেকে আমি প্রায়ই ডুব দিব, কারণে অকারণে ডুব দিব। টেক্সট আসলে পড়ে দেখব না, পড়লেও রিপ্লাই দিব না। কল দিলে ধরব না, কল ব্যাক করব না। কারো সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হবে না, খোশগল্প হবে না। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত ঘুরে বেড়াবো যতদিন মন চায়। মনের ভেতর যে ঝড় বইছে, তা শান্ত হওয়া খুব দরকার; কোলাহলের মাঝে থেকে এ ঝড় থামবে না!

07/12/2023

ঊষা, তুমি কি অঘ্রাণ মাসের আষাঢ়ে গল্প?

New art after ages....
30/06/2023

New art after ages....

20/04/2022

আবার হোম অফিসের দিন শুরু!
গতকাল ওয়েদার ফোরকাস্ট এ বৃষ্টির পুর্বাভাস বলা মাত্রই সারা দেশে এক সপ্তাহের জন্য স্কুল-কলেজ অফিস-আদালত হোম অফিস এর ঘোষণা চলে এসেছে সরকারিভাবে। নিউজ দেখামাত্র দৌড়ে গিয়ে কিছু বাজার সদাই করে আনলাম এক সপ্তাহের জন্য; অন্য সময় অবশ্য এক সাথে এত বাজার করা যায় না, সাধারণ সময়ে রেশন কার্ডে কেবল দুইদিনের বাজার মজুদ রাখা এলাউ করে, তবে বৃষ্টির দিনের হিসাব আলাদা, এসময় সাত খুন মাফ। মাফ না করে উপায় আছে? আজকের এই অবস্থার জন্য তো কোন না কোন ভাবে আমাদের পুর্বসুরিরাই দায়ী! "দোষ করবে বাপ-দাদারা আর ভুগতে হবে আমাদের" - গজগজ করতে করতে ঘরে ঢুকলাম; বারান্দা থেকে প্রিয় গাছের টবগুলো টানাটানি করতে গিয়ে গলদঘর্ম দশা। বৃষ্টি পড়ে বহু কষ্টের কালেকশনের পুরনো আমলের গাছগুলো ধ্বংস তো হবেই, মাটির পিএইচ কমে এমন দশা হবে যে এই জাতের অন্য কোন গাছ লাগালে সেটাও আর ফলবে না।
তাও ভালো যে এখন আগে থেকে সতর্ক হবার সুযোগ আছে! দাদুর মুখে শুনেছি যে তাঁর বড়দাদাদের আমলে নাকি ওয়েদার ফোরকাস্ট অতটা ভালো ছিল না। তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে ঘন কালো মেঘের দেখা পেলে মানুষ দৌড়ে পালিয়ে ঘরে ঢুকে যেত, প্রস্তুতির সুযোগ তেমন একটা পেত না! আর মাঝে মাঝে বিনা নোটিশে ধুপধাপ গুঁড়িবৃষ্টি হলে তো কথাই নেই, দলে দলে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে লোক জমা হত!
বই পত্রে পড়েছি যে হাজার বছর আগে পৃথিবীর নাকি এমন অবস্থা ছিল না, বৃষ্টির পিএইচ তখন নাকি সাপ্লাই এর খাবার পানির মতই নরমাল ছিল! তারও বহু বছর আগে বৃষ্টির পিএইচ যখন আরও বেশি ছিল তখন নাকি বেশির ভাগ মানুষেরই বৃষ্টি ভীষণ প্রিয় ছিল, মানুষজন নাকি আবার খুশি মনে বৃষ্টিতে ভিজতো! ভাবা যায়? এখন আমাদের শরীর অভিযোজিত হয়ে পিএইচ এর সাধারণ সহনীয় মাত্রা ৭ থেকে কমে ৫ এ নেমে এসেছে, তবুও বৃষ্টিতে ভেজা মানে তো রীতিমতো সুইসাইড! তাও আবার এসিডে পুড়ে মরা - সবচেয়ে কষ্টদায়ক মৃত্যু! চিন্তা করলেও গা শিউরে উঠে!
আমার সংগ্রহে থাকা গাছগলো সেই পুরনো আমলের! কিছু কিছু গ্রিন হাউসে এখনো পুরনো গাছের চাষাবাদ হয়; সাধারণ নার্সারিতে সব অভিযোজিত গাছের সমাহার, যাদের পানি লাগে না, এসিড বৃষ্টিতে খুব একটা ক্ষতি হয় না, কড়া আলট্রা ভায়োলেট রোদে টিকে থাকে দিনের পর দিন। আমার গাছগুলো এমন রুক্ষ পরিবেশে টিকতে পারে না, ভীষণ সেনসিটিভ! আমি যে পানি খাই, ওদের সেই পানি দেই। বারান্দার বর্ধিত কার্নিশ ওদের সরাসরি কড়া রোদ থেকে রক্ষা করে। ইচ্ছা আছে সামনের বছর বারান্দাটাকে ছোট খাট গ্রিন হাউজে রূপান্তরিত করে ফেলব, তাতে করে বৃষ্টি-বাদলার দিনে ভয়ে ভয়ে থাকা লাগবে না। অবশ্য গ্রিন হাউজ বানাতে খরচ আছে, অনেক দিন ধরেই একটু একটু করে টাকা জমাচ্ছি এর জন্য, কিন্তু হুটহাট এক একটা প্রয়োজন এলেই টাকাটা ভাঙতে হয়, আর গ্রিন হাউজের প্ল্যান একটু একটু করে পিছায়। এই যেমন কিছু দিন আগে টাইসনের ফ্লু হল বিনা নোটিশে! টাইসন, আমার হুলো, ভীষণ আদরের। ওর এমন আচানক অসুখে আমি আতংকিত হয়ে গিয়েছিলাম! লাইগাকে ওর থেকে দূরে দূরে রেখেছিলাম এক সপ্তাহ; সে কী মন খারাপ আমার মিনিটার! তাও ভালো ফাঁড়াটা ভালোয় ভালোয় কেটে গেছে!
এখন দুশ্চিন্তায় আছি গাছগুলো নিয়ে! বৃষ্টির ভয়ে এদের ঘরের ভেতর তো ঠিকই নিয়ে আসলাম, কিন্তু আমি যখন অফিসের কাজে বিজি থাকবো তখন টাইসন আর লাইগার খুনসুটি থেকে এদের কে বাঁচাবে?!

বিঃ দ্রঃ হুট করে মন চাইল এমন একটা গল্প লিখতে! গল্প কি আরও আগাবো?

12/04/2022

২৪"x৩০" সাইজের ক্যানভাসে একটি কমিশন ওয়ার্ক করতে ইচ্ছুক।
কেউ আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।
ছবির নমুনা দেখতে পেইজ স্ক্রল করতে পারেন।

May the life inside take away all the darkness from you and bring light into your life...
16/03/2022

May the life inside take away all the darkness from you and bring light into your life...

01/03/2022
এই অবেলায়, তোমারই আকাশে, নীরব আপোষে, ভেসে যায়...
19/02/2022

এই অবেলায়, তোমারই আকাশে, নীরব আপোষে, ভেসে যায়...

Address

Maghbazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হযবরল ব্লগ কিংবা ভ্লগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share