Jannatul Firdause Munni Biswas

Jannatul Firdause Munni Biswas lam Sad Man��

20/03/2026

Vampire Castle (পিশাচ রাজ্য)
অধ্যায় – ১
লেখিকা : মিম
আজকের এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে এর কোনো মিল নেই। আজ আমি আপনাদের শোনাতে যাচ্ছি এমন এক ভৌতিক প্রেমের গল্প, যা আপনাদের নিয়ে যাবে এক রহস্যময় অন্ধকার জগতে—যেখানে আছে পিশাচদের রাজ্য, অদ্ভুত শক্তি, আর মানুষের সাথে অশরীরী এক সত্তার ভালোবাসা।
ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি, যা দুটি হৃদয়কে একসাথে বেঁধে দেয়। আমরা সাধারণত জানি ভালোবাসা হয় দুইজন মানুষের মধ্যে। কিন্তু যদি সেই ভালোবাসা হয় দুইটি ভিন্ন জগতের দুই সত্তার মধ্যে?
একজন মানুষ… আর একজন পিশাচ।
তাহলে শুরু করা যাক আজকের গল্প—
ঘড়িতে তখন রাত ঠিক বারোটা।
শহরের ব্যস্ততা অনেক আগেই থেমে গেছে। রাস্তার দুই পাশে লম্বা গাছগুলো অন্ধকারে যেন দানবের মতো দাঁড়িয়ে আছে। মাঝে মাঝে হালকা বাতাসে পাতাগুলো নড়ে উঠছে আর তাতে তৈরি হচ্ছে অদ্ভুত ছায়া।
এই নির্জন রাস্তায় একা একা হাঁটছে একটি মেয়ে।
তার নাম রুহানি।
বয়স তেইশ। শান্ত স্বভাবের মেয়ে। মা-বাবার একমাত্র সন্তান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রী। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন তার চোখে।
এই কারণেই সে একটা কল সেন্টারে চাকরি করছে।
কল সেন্টারের কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। কখনো সকাল, কখনো গভীর রাত। আজও তার শিফট শেষ হয়েছে রাত বারোটার পরে।
রুহানি হাঁটতে হাঁটতে তার ব্যাগটা শক্ত করে ধরে আছে।
আজকে তার মনে কেমন যেন অদ্ভুত একটা ভয় কাজ করছে।
কারণ গত কয়েকদিন ধরে সে একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করছে—
মনে হচ্ছে কেউ তাকে ফলো করছে।
কিন্তু আশেপাশে তাকালে কাউকে দেখা যায় না।
হঠাৎ রুহানি থেমে গেল।
সে পিছনে তাকাল।
রাস্তা ফাঁকা।
দূরে একটা স্ট্রিটলাইট ঝিমঝিম করছে।
রুহানি একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
— “হয়তো আমার ভুল ধারণা…”
সে আবার হাঁটা শুরু করল।
ঠিক তখনই সামনে থেকে কয়েকজন ছেলে বেরিয়ে এল।
চারজন।
তাদের চোখে মুখে বাজে হাসি।
একজন এগিয়ে এসে বলল—
— “এই সুন্দরী, এত রাতে একা একা কোথায় যাচ্ছেন?”
আরেকজন বলল—
— “ভয় পাবেন না, আমরা তো আছি।”
তারা ধীরে ধীরে রুহানির দিকে এগিয়ে আসতে লাগল।
রুহানির বুক ধড়ফড় করতে লাগল।
সে পিছিয়ে যেতে লাগল।
— “দয়া করে… আমাকে যেতে দিন…”
একজন ছেলে তার পথ আটকে দাঁড়াল।
— “এত তাড়া কিসের? একটু গল্প করি।”
সবাই হাসতে লাগল।
ঠিক তখনই দূরে একটা পুলিশের গাড়ির সাইরেন শোনা গেল।
ছেলেগুলো একে অপরের দিকে তাকাল।
— “ধুর! পুলিশ!”
মুহূর্তের মধ্যে তারা দৌড়ে পালিয়ে গেল।
রুহানি তখন দৌড়ে পুলিশের গাড়ির কাছে গেল।
একজন পুলিশ অফিসার গাড়ি থেকে নেমে বললেন—
— “কি হয়েছে?”
রুহানি কাঁদতে কাঁদতে সব ঘটনা বলল।
পুলিশ চারপাশে খুঁজে দেখল কিন্তু ছেলেগুলো তখন আর নেই।
তাই তারা বলল—
— “আপনি চিন্তা করবেন না। আমরা আপনাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছি।”
পনেরো মিনিট পরে রুহানি বাড়ির সামনে পৌঁছাল।
সে দরজায় নক করল।
দরজা খুললেন তার মা রহিমা বেগম।
তিনি এতক্ষণ জেগেই ছিলেন।
মেয়ের কাঁদো কাঁদো অবস্থা দেখে তিনি ভয় পেয়ে গেলেন।
— “কি হয়েছে তোর?”
রুহানি সব ঘটনা বলল।
সব শুনে রহিমা বেগম রেগে গেলেন।
— “আমি তোকে কতবার বলেছি এই রাতের চাকরি ছেড়ে দিতে! তুই শুনলি না! এখন বুঝলি?”
তাদের কথা শুনে পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন আফজাল সাহেব।
— “কি হয়েছে?”
রহিমা বেগম সব ঘটনা বললেন।
আফজাল সাহেব কিছুক্ষণ চুপ করে রুহানির দিকে তাকিয়ে রইলেন।
তারপর বললেন—
— “রুহি, যদি তোর মনে হয় তুই এই কাজটা ছেড়ে দিবি, তাহলে ছেড়ে দে। আমি তোকে জোর করব না।”
— “কিন্তু একটা কথা মনে রাখিস… আমি আমার মেয়েকে ভয়ে হার মানতে শেখাইনি।”
রুহানি চোখ মুছে বলল—
— “না বাবা। আমি ভয় পেয়ে কাজ ছাড়ব না।”
— “আমি আরও সতর্ক থাকব।”
আফজাল সাহেব হাসলেন।
— “এই তো আমার সাহসী মেয়ে।”
সেদিন রাতে রুহানি নিজের ঘরে এসে শুয়ে পড়ল।
কিন্তু ঘুম আসছিল না।
তার মনে বারবার সেই অদ্ভুত অনুভূতি ফিরে আসছে—
কেউ তাকে দেখছে।
হঠাৎ তার জানালার পর্দা নড়ে উঠল।
রুহানি উঠে বসলো।
জানালার দিকে তাকাল।
কিছু নেই।
কিন্তু ঠিক তখনই সে শুনতে পেল—
একটা খুব হালকা ফিসফিস শব্দ।
— “রুহানি…”
সে ভয়ে চারদিকে তাকাল।
— “কে?”
কোনো উত্তর নেই।
কিন্তু ঘরের বাতাস হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে গেল।
রুহানির শরীর কেঁপে উঠল।
সে বুঝতে পারল না কেন, কিন্তু মনে হল—
কেউ তার খুব কাছেই দাঁড়িয়ে আছে।
একই সময়ে…
শহর থেকে অনেক দূরে, পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল পুরোনো দুর্গ।
এই দুর্গের নাম—
Vampire Castle।
চারশো বছর ধরে এই দুর্গে বাস করে পিশাচদের রাজা।
তার নাম—
আরাভ।
তার চোখ লাল।
ত্বক ফ্যাকাসে।
দাঁত দুটো তীক্ষ্ণ।
সে অন্ধকার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।
হঠাৎ তার চোখে এক অদ্ভুত আলো জ্বলে উঠল।
সে ধীরে ধীরে বলল—
— “অবশেষে…”
— “আমি তোমাকে খুঁজে পেয়েছি…”
তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক দাস পিশাচ জিজ্ঞেস করল—
— “মহারাজ?”
আরাভ ধীরে হাসল।
— “চারশো বছর ধরে আমি যার জন্য অপেক্ষা করছি…”
— “সে ফিরে এসেছে।”
দাস পিশাচ অবাক হয়ে বলল—
— “আপনি কি সেই মানবীর কথা বলছেন?”
আরাভ চোখ বন্ধ করল।
তার চোখের সামনে ভেসে উঠল রুহানির মুখ।
— “হ্যাঁ…”
— “রুহানি…”
— “সে আমার…”
ঠিক তখন দুর্গের চারপাশে বাতাস তীব্রভাবে বইতে শুরু করল।
আরাভের চোখ রক্তের মতো লাল হয়ে উঠল।
— “এইবার… তাকে আমার কাছে আসতেই হবে।”
এদিকে রুহানি হঠাৎ ঘুমের মধ্যে দেখল—
সে একটা অদ্ভুত জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।
চারপাশে অন্ধকার।
দূরে একটা বিশাল দুর্গ।
দুর্গের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে একজন লম্বা মানুষ।
তার চোখ লাল।
সে ধীরে বলল—
— “স্বাগতম…”
— “আমার রাজ্যে।”
রুহানি ভয়ে চিৎকার করে উঠল।
তার ঘুম ভেঙে গেল।
সে হাঁপাতে লাগল।
তার বুক ধড়ফড় করছে।
সে জানালার দিকে তাকাল।
আর ঠিক তখনই—
জানালার বাইরে অন্ধকারের মধ্যে দুটো লাল চোখ জ্বলতে দেখা গেল।
রুহানি আতঙ্কে পিছিয়ে গেল।
কিন্তু এক সেকেন্ড পর চোখগুলো অদৃশ্য হয়ে গেল।
সে ভাবল—
হয়তো সে ভুল দেখেছে।
কিন্তু সত্যটা হলো—
সে ভুল দেখেনি।
কারণ অন্ধকারের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিল—
পিশাচ রাজা আরাভ।
আর তার চোখে ছিল এক অদ্ভুত ভালোবাসা…
যা খুব শীঘ্রই রুহানির জীবনকে নিয়ে যাবে এক ভয়ংকর কিন্তু রহস্যময় জগতে—
পিশাচ রাজ্যে।
চলবে…

#পিশাচরাজ্য
#ভৌতিকগল্প
#ভৌতিকপ্রেম

16/03/2026
17/02/2026
16/02/2026

জীবনটা কিছু ভুল মানুষ ছাড়া ফুলের মতোই সুন্দর 🌸🌼

04/01/2026

মৃত ব্যক্তিকে গোসল করানোর সময় পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ অবশ্যই সাথে থাকবেন। কখনোই লাশ অপরিচিত বা কেবল হুজুর লেবাসধারীর হাতে একা ছেড়ে দেবেন না। বর্তমান সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি বা জাদুকর লাশের ক্ষতি করে জাদু-টোনা করার চেষ্টা করে।

যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখবেন:কেউ যেন গোসল করানো পানি সংগ্রহ করতে না পারে বা কাফনের কাপড় কেটে নিতে না পারে।নাকের ছিদ্র,মুখ বা অন্য কোনো গোপন অঙ্গে কিছু প্রবেশ করানোর চেষ্টা করলে সাথে সাথে তাকে বাধা দিন।মৃত ব্যক্তির ধোয়া পানি,রক্ত বা কাফনের কাপড় জাদুর অত্যন্ত ভয়ঙ্কর উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়,যা দিয়ে মানুষের ক্ষতি করা হয়।

ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি:
জাদু করা এবং জাদু করতে সাহায্য করা—উভয়ই ইসলামে শিরক ও কবিরা গুনাহ। এসব জাদুর মূল লক্ষ্য থাকে মানুষকে অসুস্থ করা,পাগল বানানো বা তিলে তিলে মেরে ফেলা।

⚠️সতর্কতা: মৃত ব্যক্তির সম্মান রক্ষা করা জীবিতদের দায়িত্ব। নিজে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদেরও সচেতন করুন।⚠️

🥰🥰🥰🥰
18/08/2025

🥰🥰🥰🥰

12/07/2025

ডাক্তারদের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু প্যারানরমাল স্টোরিজঃ

▪️
১৬২২ সাল, ইংল্যান্ড। তখনকার দিনে ডাক্তারী পড়ার কোন কলেজ ছিলনা। ডাক্তারী পড়ার নিয়ম ছিল কোন ডাক্তারের কাছে থাকতে হবে এবং তাঁর কাজ দেখে তাঁর কাছ থেকে পাঠ নিতে হবে। এই সময়ে গ্লস্টাশায়ারের ডা. প্যাট্রিকের কাছে পাঠ নিচ্ছিল এরিক নামে একজন ছাত্র। ডাক্তার হিসাবে খুবই ভালো ছিলেন প্যাট্রিক তবে তাঁর কিছু আচরণ রহস্যময় ছিল! তাঁর সবচেয়ে অদ্ভুত কাজটা ছিল রাত ১০ টার পর নিজের রোগী দেখার চেম্বারে একা দরজা লাগিয়ে তিনি বসে থাকতেন এবং সেখানেই রাত কাটাতেন। কাউকে তিনি সেখানে অ্যালাউ করতেন না। তবে যারাই ঘরের দরজার পাশ দিয়ে যেতেন তারাই শুনতে পেতেন যে ডা. প্যাট্রিক কাদের সাথে যেন কথা বলতেন, আর ঘরের ভিতর একাধিক মানুষের গলা পাওয়া যেত। এরিক অনেক বুদ্ধি করে সেই ঘরের দরজাতে বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করে একটা ফুটো বানিয়ে ফেলল, ফুটোটা বেশী বড় ছিলোনা ফলে সেটা ডাক্তারের চোখে পড়ল না কিন্তু সেটা দিয়ে ভেতরের দৃশ্য বেশ আরামেই দেখা যেত। তো একদিন রাতে এরিক চোখ রাখলো সেই দরজাতে এবং কিছুক্ষণ পরেই সে অজ্ঞান হয়ে গেল! সকালে ঘুম ভেঙ্গে সে দেখতে পেলো ডা. প্যাট্রিক তাঁর সেবা করছেন আর ডাক্তারের বউ বাচ্চারা তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। সবাই হটলে ডাক্তার তাকে জানান ওই রাতে সে যা দেখেছে সে যেন সেটা কাউকে না বলে। এরিক ডাক্তার প্যাট্রিকের কাছেই ডাক্তারির পাঠ শেষ করেছিল এবং ডাক্তার মারা যাওয়ার পর তাঁর প্রাকটিস সেই চালিয়ে গেছিল। বহু বছর পর সেই রাতের ঘটনা এরিক শেয়ার করেছিল একজন প্রেততত্ববিদের কাছে। সেই রাতে ফুটো দিয়ে তাকানো পর এরিক দেখেছিল, এক আবছা আলোতে ডাক্তারকে ঘিরে অনেক মানুষ বসে আছে এবং তারা সবাই এরিকের দিকে তাকিয়ে আছে! সবাইকে এরিক চিনতে পারেনি তবে তিনজনকে সে চিনেছিল! এরা সবাই ডাক্তারের রোগী ছিল এবং তারা বহু আগেই মারা গেছেন!

▪️
১৮৮২ সাল ফ্রেড্রিক সিৎস নামের এক জার্মান ডাক্তারের গল্প। ডাক্তার সাহেব নতুন যে হাসপাতালে বদলি হয়ে এলেন সেখানকার মর্গের কর্মচারী থেকে শুরু করে ডাক্তাররাও বার বার মানা করে দিলেন যেন তিনি রাতের বেলা মর্গে না যান! কিন্তু সদ্য পাশ করে বেরুনো ডা. শিৎস সবার মানা অগ্রাহ্য করে সেই রাতে মর্গে যান আর পরের দিনই সেই হাসপাতাল থেকে বদলির আবেদন করেন। সেই রাতে তিনি মর্গে কি দেখেছিলেন? তিনি কোন ভূত বা দানব দেখেননি! তিনি দেখেন মর্গের চারটি লাশই তাঁর নিজের লাশ!

▪️
মনে আছে চার্লস ডারউইন কেন ডাক্তারি পড়া ছেড়েছিলেন? কারণ তখন চেতনানাশক ইনজেকশন ছিলনা ফলে অপারেশনের সময় অ্যাসিটট্যান্টরা রোগীকে চেপে ধরে রাখত আর সার্জনের কাজ ছিল যত্ত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশনটা করে ফেলা! ১৮৯৬ সালের দিকে আমেরিকাতে ডা. ব্রাউন নামে একজন সার্জন থাকতেন। তিনি প্রতিটি অপারেশন করার আগে রোগীকে একবার করে দেখতে যেতেন। এবং রোগীর ঘরে ঢুকেই তিনি বলে দিতেন যে তিনি অপারেশন করবেন কি করবেন না! অবাক করার মত ব্যাপার হলো, ডাক্তার ব্রাউন যে রোগীর অপারেশন করতেন না তাকে আর কোনভাবেই বাচানো যেতনা! যত্ত ভাল সার্জন দিয়েই অপারেশন করানো হোকনা কেন তারা আর বাঁচতো না! মারা যাওয়ার আগে ডাক্তার ব্রাউন তাঁর মেয়েকে বলে যান সেই রহস্য। তিনি নাকি রোগীর ঘরের ভিতরে ঢুকেই আগে খেয়াল করতেন রোগীর মাথার কাছে তাঁর মৃত স্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন কিনা! যেসব ক্ষেত্রে তিনি মহিলাকে দেখতে পেতেন না সেইসব অপারেশনই তিনি করতেন। কারন তাঁর স্ত্রী যে রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে সে আর বাঁচবে না!

▪️
১৯১৭ সাল আমেরিকার পেনসিলভেনিয়াতে ডা. থমাস নামক এক পল্লী ডাক্তারকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান এক বৃদ্ধ লোক। লোকটি জানিয়েছিল যে তাঁর স্ত্রীর অনেক অসুখ! ডাক্তার সাহেব নির্জন এলাকাতে লোকটির বাড়ি গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে পরীক্ষা করে দেখেন যে মহিলা বহু আগেই মারা গেছেন! আর তখনই ডাক্তারকে অবাক করে দিয়ে মহিলা উঠে বলেন, “ডাক্তার সাহেব! সময় মত আসলেন না কেন? আমি তো আর বেঁচে নেই!” ডাক্তার সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন! ধারনা করা হয় কণা বসুমিত্রের বিখ্যাত “হাতুড়ে ডাক্তারের ভূতুড়ে রোগী” গল্পটি এই কাহিনী অবলম্বনেই লেখা!
এরকমই হাজার হাজার কাহিনী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ডাক্তারদের নিয়ে।

05/07/2025

Address

Kushtia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jannatul Firdause Munni Biswas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jannatul Firdause Munni Biswas:

Share