মুসাফির

মুসাফির নারায়েতাকবির, আল্লাহু আকবর ☝️
এক আল্লাহ ☝️ সরনে, ভয় করিনা মরনে।

দজ্জালকে আমরা যে রকম মনে করি আসলে সে সেই রকম কিছু না। একসময় হুজুর দজ্জাল সম্পর্কে বলতো যে, শেষ জমানায় একজন নিজেকে "আল্লা...
04/03/2026

দজ্জালকে আমরা যে রকম মনে করি আসলে সে সেই রকম কিছু না।

একসময় হুজুর দজ্জাল সম্পর্কে বলতো যে, শেষ জমানায় একজন নিজেকে "আল্লাহ" দাবী করবে। এবং সেটা প্রমানের জন্য সে বিভিন্ন মুজেজা দেখাবে। দজ্জাল সকল ধরনের অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখাবে। তাকে আল্লাহ বলে স্বীকার করানোর জন্য আরাম আয়েশের ব্যবস্থা করবে, তাতে কাজ না হলে শারীরিক নির্যাতন করবে। যারা তাকে আল্লাহ মেনে নিবে তাদের সে পুরুষ্কৃত করবে। যারা মানবে না তাদের সে শাস্তি দিবে।

তখন আমি চিন্তা করতাম, "আমার ঈমান স্ট্রং। আমাকে যে যেভাবে ট্রাই করবে করুক, আমি বশ্যতা স্বীকার করবো না কখনো।"
কিন্তু এখন চিন্তা করি, এটাকি আসলেই এতো সহজ?

দজ্জালের কাজ হলো মানবসম্প্রদায়কে ধোঁকা দেওয়া, মানুষকে আরাম আয়েশে নিমজ্জিত করে রেখে নিজের কতৃত্ব ফলানো। মানুষ জানবে এবং বুঝতে পারবে যে এ দজ্জাল আমাদের ধোকা দিচ্ছে, তবুও তারা আরাম আয়েশ ছেড়ে সেটার প্রতিবাদ করবে না।

আমরা মনে করছি এগুলো এগুলো অনেক পরের হিসাব। ততদিন আমরা দুনিয়ায় থাকবো না, তাই এসব চিন্তা করে লাভ নাই।
কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখলাম ঐ যুগটা এখনই চলতেছে।

হ্যা, এক চোখ ওয়ালা দজ্জাল আসেনি এখনো, তবুও আরব বিশ্ব এ ইহুদিদের বশ্যতা স্বীকার করছে অনেক আগেই। আরাম আয়েশের বিনিময়ে তারা পশ্চিমা বিশ্ব ও ইহুদিদের কাছে আমরা মুসলিমরা অলরেডি নত হয়ে গেছি। ইহুদিদের মানচিত্র সামনে আরো বড় হবে। আরাম আয়েশের বিনিময়ে ইজরায়েল পুরো আরব বিশ্ব নিয়ে গ্রেট ইজরায়েল গঠন সময়ের ব্যপার মাত্র। কারণ কোন দেশের প্রতিবাদের ইচ্ছে নেই।
লাখ লাখ মুসলমান নারী শিশু হ*ত্যা করা হয়েছে এবং হচ্ছে, কেউ কিছু বলেছে? বলবে না, কারণ আরাম আয়েশ। মুসলিমদের উপর অন্যায় হচ্ছে জেনেও সেটার প্রতিবাদ না করা কি মুসলমানদের কাজ? দজ্জালের যেটা দেওয়ার কথা সেটা দজ্জাল আসার আগেই তার সাঙ্গপাঙ্গরাই দিয়ে দিচ্ছে মুসলিমদের।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেই মার্কিন ঘাটি আছে, তারা মার্কিনিদের কথায় ওঠাবসা করে, ফেসিলিটি বাড়ালে তাদের পা চেটে পরিষ্কার করে দিতে বললেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোর কোন অসুবিধা নাই। তারা দিবে। তাদের দরকার শুধু দুনিয়ার আরাম আয়েশ।
তাহলে এবার চিন্তা করেন, দজ্জাল এসে তাদের যখন পুরুষ্কারের লোভ দেখিয়ে নিজেকে খোদা মেনে নিতে বলবে, এটা কি মেনে নেওয়া আমাদের মুসলমানদের জন্য অসম্ভব কিছু?

কারণ তাদেরতো শুধু দুনিয়াই লাগবে।

আরব বিশ্ব বাদ দেন, ব্যক্তিগত জীবনে আসি। আমার বা আপনার আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ থাকলে আমরা কি সে সুযোগ ছেড়ে দিবো?
শুধু পরিষ্কার মনে এটা চিন্তা করে দেখেন, আমাদের ঈমান কতটুকু দূর্বল বা শক্ত সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

ইরান এতো নিষেধাজ্ঞার পরও এসব আরাম আয়েশ গ্রহন না করে নিজেদের আলাদা রেখেছে এজন্য তাদের জন্য আমার একটা সফট কর্ণার আছে। তারা অন্তত চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করে, বা করার চেষ্টা অন্তত করে। এদিক থেকে ওরা আমাদের থেকে একটু হলেও বেটার।

যাইহোক, পৃথিবী তার ভবিষ্যতের দিকেই আগাচ্ছে। করার কিছু নাই। এটা যার যার ঈমানি পরিক্ষা।

01/03/2026

তেলআবিব অভিমুখে ইরানের মিসাইল ছুটে যেতে দেখে গাজার এক শিশু দু'আ করছে:

❝হে আল্লাহ, (মিসাইলগুলোকে) পথপ্রদর্শন করুন এবং সেগুলোর লক্ষ্যভেদ নিখুঁত করে দিন।❞

অদৃশ্য শত্রুর মুখোশ..!গোয়েন্দা জগতের সবচেয়ে বড় নিয়ম হলো, যাকে আপনি শত্রু ভাবছেন সে হয়তো আপনার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে,.!ভারতে...
18/02/2026

অদৃশ্য শত্রুর মুখোশ..!

গোয়েন্দা জগতের সবচেয়ে বড় নিয়ম হলো, যাকে আপনি শত্রু ভাবছেন সে হয়তো আপনার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে,.!ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা 'র' এই নিয়মকে অস্ত্রে পরিনত করেছে।
তারা সাধারণত এমন কাউকে মাঠে নামায় না, যে প্রকাশ্যে ভারতের পক্ষে অবস্থা নেয়, বরং এমন কাউকে মাঠে নামায় যাকে সাধারণ মানুষ ভা*রত বিরোধী হিসেবে চিনে।

অর্থাৎ কৌশল খুবই স্পষ্ট, যে যতবেশি ভা*রত বিরোধী হিসেবে পরিচিত, তাকে ততবেশি বিশ্বাস করবে ভা*রত বিরোধী গোষ্ঠী।
আর এই বিশ্বাসে হয়ে ওঠে সবচেয়ে নিখুঁত তথ্যের উৎস, ভারতের সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা একবার স্বীকার করছিল:
আমরা এমন কাউকেই বেছে নিই, যার বিরুদ্ধে ভা*রতীয় মিডিয়া গালাগালি দেয়, কারণ সেটাই প্রমাণ করে-লোকটা নিখুঁত ঢাল।

এবার মূল কথায় আসি, বাংলাদেশের ডিপস্টেট..!

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ভা*রতের গোয়েন্দা নানানভাবে সংক্রিয় ৭৫ সালের পর থেকে তারা ভেতরে বাহিরে এক জটিল নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।
এই নেটওয়ার্কে আছে রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম, ব্যবসায়ী এমনকি সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যন্ত।

হাদিকে হ*ত্যা করার অন্যতম কারণ ছিলো, হাদি ডিপ স্টেটের সাথে নেগোসিয়েশনে না যাওয়া।
কাউন্টার কালচারাল পলিটিক্স ও ন্যারেটিভ বিল্ডাবে হাদি ছিলো সুপার ইন্টেলেকচুয়াল।
হাদি জানত, ন্যারেটিভ দিয়ে মানুষকে সরাসরি শাসন করা না গেলেও, মস্তিষ্ক ও চিন্তাশক্তিকে শাসন করা যায়।
মনে আছে নিশ্চয়ই একটি কবিতায় হাদি বলছি: হে শকুন চিড়ে খাও আমায় কিন্তু দোহাই আমার মস্তিষ্ক খেয়ো না!

ন্যারেটিভ ছাড়া যুদ্ধ, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ব্যবসা, কিছুই ঠিকমতো সাস্টেইন করে না, ন্যারেটিভই ঠিক করে দেয় কোনটা ভালো কোনটা খারাপ, কে হিরো, কে ভিলেন।

বিগত ১৭ বছরে ডিপস্টেট যে— কালচারাল ন্যারেটিভ এস্টাবলিশও ফ্রেমিং করছিল,
সেটি হাদি বোল্ডলি এক্সপোজ করতে শুরু করছিলো। যেমন কথিত যু*দ্ধাপরাধ, জ*ঙ্গি নাটক, সন্ত্রাস দমন আইন, শাহবাগী কালচারাল হেজেমনি। ইত্যাদি, ইত্যাদি।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের কৌশল পাল্টেছে আগে তারা কাজ করত সরাসরি প্রভাবের মাধ্যমে, এখন তারা কাজ করে মানসিক প্রভাব আর সচেতন বিভ্রান্তি দিয়ে।

একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছিল: আজকাল এজেন্ট বন্দুক হাতে চলেনা, সে চলে ল্যাপটপ হাতে।
এই নতুন কৌশল গুলো তৈরি করছে এমন কিছু চরিত্র যারা ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেই ভারতের পক্ষে কাজ করে..!

অর্থাৎ মিরর এজেন্ট'-দেখতে শত্রু, ভেতরে বন্ধু।

এই তালিকায় আছে পিনাকী, — অনেকে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, না করাই স্বাভাবিক কারণ ওঁরা সাব-কনশাসলি যে ফ্রেমিং আমাদের মস্তিষ্কে গেথে দিয়েছে তা লং-টার্মের।

এরজন্য তারা কিছু জনপ্রিয় বক্তা, ইউটিউব বিশ্লেষক, রাজনৈতিক এক্টিভিস্ট, এমনকি তথাকথিত দেশপ্রেমিক লেখক, যারা দিনের আলোর গর্জে ওঠে ভারতের বিরুদ্ধে কিন্তু রাতে আঁধারে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা রিপোর্ট সার্ভব করে।

র-এর ফিল্ড অফিসাররা এখন আর ঢাকার দূতাবাসে বসে কাজ করেন না, তারা কাজ করেন 'দেশপ্রেমিক মুখোশ' পরে। তারা হয়ে গেছেন ঢাকার ভেতরের ঢাকাবাসী।

হায়দারাবাদ দখলের প্রস্তুতি ভারতের পূর্ব থেকে থাকলেও তারা সময় ও সুযোগের অপেক্ষা করছিলো। ১৯৪৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সে সুযোগ...
07/10/2025

হায়দারাবাদ দখলের প্রস্তুতি ভারতের পূর্ব থেকে থাকলেও তারা সময় ও সুযোগের অপেক্ষা করছিলো। ১৯৪৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সে সুযোগ এসে যায়। এর মাত্র দু'দিন পূর্বে অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ইন্তেকাল করেন। সমস্ত পাকিস্তান তখন শোকে মূহ্যমান। ভারত যখন ভাগ হয়, তখন রিজার্ভ ব্যাংকের অংশ হিসেবে পাকিস্তান ভারতের কাছে ৫০ কোটি টাকা পাওনা হয়। ভারত সে টাকা পরিশোধ করেনি। ভারতের বিড়লা এবং পাকিস্তানের ইস্পাহানীর যৌথ ব্যবসা ছিলো। দেশ ভাগের পর বিড়লা ইস্পাহানীর অংশের টাকাও দেয়নি। পাকিস্তানের সেই দুঃসময়ে হায়দারাবাদ ২০ কোটি টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিল। কিন্তু হায়দরাবাদের দুঃসময়ে পাকিস্তান এগিয়ে আসতে পারেনি।
ভারতীয় সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী নীরদ চৌধুরী বলেছেন, ৪৭ থেকে ৫০ সাল জওহরলাল নেহেরু তিন বার হায়দরাবাদের মতো বাংলাদেশ দখল করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সফল হননি। যদিও আজকাল আওয়ামীলীগের লোকজন দাবি করে শেখ মুজিব বাংলাদেশ স্বাধীন করার স্বপ্ন দেখেছিল, বাস্তবে কোথাও তিনি সরাসরি স্বাধীনতার কথা বলেননি। বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করার স্বপ্ন ছিলো ভারতের। ১৯৬২ সালে "স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ" নামে একটি সংগঠন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়। এই সংগঠনের পেছনে ছিলো চিত্তরঞ্জন সুতার ও ডাঃ কালিদাস বৈদ্যের মতো ভারতীয় এজেন্টরা।
বল্লব ভাই প্যাটেল বলেছিলেন, "পূর্ব বাংলা (বাংলাদেশ) অর্থনৈতিক দিক দিয়ে কোনোভাবেই অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারবে না, আজ হোক কাল হোক আমাদের সঙ্গে তাদের মিলতেই হবে।" প্যাটেলের এমন ভাবার কারণ হলো, ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মাত্র ৫টি টেক্সটাইল মিল, ৪ টি সুগারমিল ও একটি সিমেন্ট কারখানা ছিলো। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত ২৪ বছরে ৭৬ টি জুটমিল, ৫৯ টি টেক্সটাইল মিল, ১৫ টি সুগারমিল, পেপার মিল, ইস্পাত মিল, ফার্মেসি, সার কারখানা সহ প্রচুর মিল ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছিলো। যখন প্যাটেলদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছিলো না, তখন তাদের রুহানি সন্তানেরা প্রচার করতে লাগলো, বাংলার টাকা দিয়ে পাকিস্তানের উন্নয়ন করা হচ্ছে। হুজুগে জনগণ জানতো না যে, লাহোর, করাচী, পেশোয়ার, কোয়েটা শহরগুলো পূর্ব থেকেই বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভরপুর ছিলো।
ছলে, বলে, কৌশলে এখন পর্যন্ত ভারত মোট ৫৬৫ টি রাজ্য দখল করেছে। তবে তাদের স্বপ্ন অখণ্ড ভারত। সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে। ভারত এখন পর্যন্ত যতগুলো রাজ্য দখল করেছে সবগুলোতে কিছু কমন বিষয় আছে- প্রথমত, তারা রাজনৈতিক দল বা সংগঠন সৃষ্টি করবে। দ্বিতীয়ত, মিডিয়ার মাধ্যমে জনমতকে ভাগ করবে। তৃতীয়ত, আবেগী জনতার মাধ্যমে দাঙ্গা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করবে। চতুর্থত, এসব দাঙ্গা ফ্যাসাদের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের কুকর্ম জায়েজ করার স্বীকৃতি আাদায় করবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারত তাদের পুরনো নোংরা খেলায় লিপ্ত হয়েছে। এ বিষয়ে এখন সতর্ক না হলে পরে পস্তাতে হবে।
-- Sayedur Rahman

Personal Finding:১৯৭২ সাল থেকে অক্টোবর-২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো হি•ন্দুর ফাঁ•সি কার্যকর হয় নি।(কিংবা হয়েছে বলে আমার জ...
06/10/2025

Personal Finding:
১৯৭২ সাল থেকে অক্টোবর-২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো হি•ন্দুর ফাঁ•সি কার্যকর হয় নি।

(কিংবা হয়েছে বলে আমার জানা নেই)।

আর হবে বলেও মনে হয় না। কোন অদৃশ্য ইশারায় চলে আসছে এই সিলসিলা। ইচ্ছামতো মুসলিম হ•ত্যার এক লাইসেন্স হয়ে গেছে এটা।

এই লাইসেন্স কাজে লাগিয়েই ফরিদপুরে দুই মুসলিম শ্রমিক ভাইকে পিটিকে পরপারে পাঠানো হলো।
চোখের সামনে ইস্ক•নীরা আইনজীবী আলিফ ভাইকে হ•ত্যা করলো। ওসি প্রদীপ শত শত মুসলিম নারী ধর্ষ•ণ করে, বিভিন্ন হ•ত্যায় জড়িত হয়েও সে সেইফ এক্সিট পেয়ে গেছে। এমন ঘটনা অগণিত।

করণীয় কী?

সম্প্রতি কা*বুলের গভর্নরের এই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।দেখেন কত সাদাসাপটা জীবন তাদের।না আছে কোন অহংকার আর না কো...
11/09/2025

সম্প্রতি কা*বুলের গভর্নরের এই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

দেখেন কত সাদাসাপটা জীবন তাদের।
না আছে কোন অহংকার আর না কোন সিকিউরিটি।

শ*রী*য়াহ'র শাসনের আওতাধীন রাষ্ট্রে সরকারী কমকর্তারা হয় জনগণের সেবক। আর তন্ত্র-মন্ত্রের দূ*র্নী*তিগ্রস্তের আওতাধীন রাষ্ট্রে সরকারি কর্মকর্তারা হয় শোষক।

আমরা খেজুর পাতায় বসে গোটা বিশ্ব শাসন করা জাতি।
হ্যা, আমরাই সেই সে জাতি।
❤️‍🔥

25/08/2025

7 sister er bap

10/05/2025

Asif Adnan ❤️‍🔥

23/04/2025

হঠাৎ করেই পুরো একটা জেনারেশন কু'ফ'রী গনতন্ত্রকে ত্যাগ করলো!

আপনারা মনে করেন এটা আমার রবের রহমত ছাড়া সম্ভব ছিলো!!

23/04/2025

সোমা-লিয়ায় আল শাবা'বের মু'জা'হিদ ভাইয়েরা!
সারাদিন যু'দ্ধ করে ক্লান্ত আর ক্ষুধার্ত শরীর নিয়ে নামাজ শেষ করে একটু সময় পেলেই তাঁরা কুর-আনটা খুলে দেখে। আপনি আমাকে বলেন, আমি যদি এই মানুষগুলোর সাথে না থাকি আমি আর কাদের সাথে থাকবো! যারা আল্লাহর রাস্তায় জি'হা'দ ও আল্লাহর আইন (শরী-য়াহ) কায়েম এর ল'ড়াই করে কা'ফি'রের বিরু'দ্ধে!
আল্লাহ (ﷻ) যেন আমাদেরকে তাঁদের মতো এমন যুহুদের জীবন দান করেন। আল্লাহ যেন আমাদেরকে তাঁর এই প্রিয় বান্দাদের সাথে মিলিত করেন।

Address

Kishoreganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুসাফির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মুসাফির:

Share