Jumma Voice- CHT

Jumma Voice- CHT Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jumma Voice- CHT, Photography Videography, Chattogram, Khagrachari.

29/01/2026

নির্বাচনী প্রচারণায় ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ানের বক্তব্য..................

১২ তারিখ সারা দিন, ফুটবল মার্কায় ভোট দিন।

আত্মমর্যাদা, দুর্নীতিমুক্ত, শান্তি ও উন্নয়ন এর প্রত্যয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনে জনগণের মনোনীত ...
29/01/2026

আত্মমর্যাদা, দুর্নীতিমুক্ত, শান্তি ও উন্নয়ন এর প্রত্যয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনে জনগণের মনোনীত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাবু সুমীরণ দেওয়ান কে ফুটবল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন-

নির্বাচনী ইশতেহার:
১। সকল শ্রেণী পেশা, ধর্ম-বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সকল ধরনের বৈষম্য দূরীকরণ ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করাই আমার প্রথম লক্ষ্য।

২। পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী “শান্তি” প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনমত সৃষ্টি করে একটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক “জাতীয় সেল” গঠনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

৩। পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

৪। ২০২৪ এর গণ অভ্যুত্থানের চেতনায় সর্বত্রের দুর্নীতি, ঘুষ, অনিয়ম প্রতিরোধ করে সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করা এবং গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পরে সংঘটিত অত্র এলাকার সকল অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৫। খাগড়াছড়ি জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে।

৬। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি/আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা হবে।

৭। অত্রাঞ্চলে উৎপাদিত ফল বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা উন্নীতকরণ ও উৎপাদিত ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি “কৃষি শিল্প জোন” তৈরি করে আয়বর্ধন ও কর্মসংস্থানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

৮। পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পর্যটন বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

৯। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, রাস্তা, ব্রিজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে।

১০। কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার বীজসহ কৃষি উপকরণ সরবরাহের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা; এক্ষেত্রে দুর্নীতি দূর করা হবে।

১১। শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হবে।

১২। ব্যবসা অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি, ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা ও ব্যবসা সংক্রান্ত হয়রানি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

১৩। স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা হাসপাতাল, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিকসহ সকল প্রতিষ্ঠানে সেবার মান বৃদ্ধি করে "সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা" নিশ্চিত করা হবে। বেসরকারি ক্লিনিক সমূহের সেবা মানসম্পন্ন কিনা যাচাই করে জনদুর্ভোগ নিরসনে অনৈতিক “সেবা বাণিজ্য” নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

১৪। তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমান গ্লোবাল প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষা যুগোপযোগী করা; Steam Institute স্থাপন, আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করে বেকার নারী ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

১৫। পরিবেশ দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় পরিবেশ সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং বনজ-ফলজ বাগান, গ্রামীন বন গড়ে তোলার জন্য অনুপ্রানিত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানপূর্বক পরিবেশের উন্নয়ন করা হবে।

১৬। সুপেয় পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপন; সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে পুকুর-জলাধার সৃষ্টি করার জন্য বাঁধ-নির্মাণ ও খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।

১৭। বেকার যুব সমাজের জন্য ঘুষ মুক্ত মেধাভিত্তিক সরকারি/আধা-সরকারি চাকুরি প্রাপ্তি নিশ্চিত করা ও উদ্যোক্তা তৈরি করার প্রয়োজনীয় মুলধন প্রাপ্তিতে যোগান দিয়ে যুবসমাজের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

১৮। অত্রাঞ্চলের বেকারত্ব নিরসনকল্পে বড়-মাঝারি শিল্প-কলকারখানা স্থাপনের বাধা সমূহ চিহ্নিত করে তা নিরসন পূর্বক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১৯। সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ ও মাধ্যমিক স্কুল / কলেজ / কারিগরি / মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হবে।

খাগড়াছড়িবাসী ভোটারগণের প্রতি :
সম্মানিত শান্তিকামী ও মুক্তিকামী ভাই ও বোনেরা সালাম নমস্কার নিবেন। আমার নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ বিশেষ আপনাদের নিকট উপস্থাপন করেছি। আপনারা অত্রাঞ্চলের আমূল পরিবর্তন চাইলে আমি সমীরণ দেওয়ান যেভাবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেছি। একইভাবে আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনাদের সেবায় আমি আপনাদের সাথে নিয়ে কাজ করতে একান্ত আগ্রহী।

এ কাজে সফলতা অর্জনের জন্য আমি আপনাদের দোয়া-আশীর্বাদ চাই। আপনারা যদি ফুটবল মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন তাহলে আমি ইশতেহারে যেসকল অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি তা বাস্তবায়নে সততা ও নিষ্ঠার সহিত কাজ করবো। – বাবু সুমীরণ দেওয়ান

প্রচারে : খাগড়াছড়ি নাগরিক ঐক্য ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত

পার্বত্য চট্টগ্রামের দালাল শব্দটির ব্যাখ্যা জানা থাকা প্রয়োজন-নির্বাচনের সময় দালাল শব্দটি ব্যাপক উচ্চারণ হয়। আমি কারোর ন...
29/01/2026

পার্বত্য চট্টগ্রামের দালাল শব্দটির ব্যাখ্যা জানা থাকা প্রয়োজন-

নির্বাচনের সময় দালাল শব্দটি ব্যাপক উচ্চারণ হয়। আমি কারোর নাম বললাম না। বর্তমানে অনেকে প্রতিপক্ষ লোকদের ওমুক দালাল, সমুক দালাল বলতেছে।আসলে বাস্তবে কে বা কারা আসল দালাল চেনার জন্য আমি সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরছি।

তবে এটা কিন্তু আমার মনগড়া ব্যাখ্যা নয়। এটা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং রাজনৈতিক দার্শনিকদের ব্যাখ্যা। আর বিপ্লবী মনিষীদের রাজনৈতিক পরিভাষায় এককথায় দালাল হলো- অধিকার হারা জাতির মধ্যে যারা উপনিবেশিক শক্তির লেজুড়, চরম প্রতিক্রীয়াশীল সুবিধাবাদী এবং চরম জাতীয় বেঈমান ও প্রতিবিপ্লবী তারাই হলো ঐতিহাসিকভাবে দালাল।

আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ইতিহাস দীর্ঘতম এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির ভয়াবহ স্মৃতি। আশির দশকে কাউখালির কলমপতি গণহত্যা, ৮১ সালের মাটিরাঙ্গার তাইন্দং- তবলছড়ি-অযোধ্যা-রামশিরা ও গোমতী গণহত্যা, ৮৩ সালের বরকলের ভূষণছড়া গোরস্থান ও ছোট হরিণা গণহত্যা, ৮৬ সালে পানছড়ির সূতকর্মা পাড়া-কালানাল-আদি ত্রিপুরা পাড়া-কানুনো পাড়া, গোলকপতিমাছড়া গণহত্যা ও মাটিরাঙ্গার তৈলাফাং গৌরাঙ্গ পাড়া ও রামবাবুডেবা গণহত্যার কারণে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে হাজার হাজার জুম্ম শরনার্থী হতে বাধ্য হয়।পরবর্তীতে ৮৭ সালে মেরুং চোংড়াছড়ি গণহত্যা এবং ১৯৮৯ সালে ৪ঠা মে লংগুদু গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকার রাজপথে মিছিলের মাধ্যমে ২০শে মে জুম্ম ছাত্ররা পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ আত্মপ্রকাশ করেন।

পরবতীতে এরশাদ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান পরিস্থিতির রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালের ৩০শে জুন খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ এই তিনটি জেলায় স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন দেয়। সেই চাপিয়ে দেওয়া এক তরফা নির্বাচনে যথাক্রমে সমীরণ দেওয়ান, গৌতম দেওয়ান এবং সাচিপ্রু জেরীসহ তিন জনই চেয়ারম্যান হিসাবে জয়যুক্ত হন। উক্ত নির্বাচনটি জনসংহতি সমিতি বর্জন এবং প্রতিহতের প্রচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠিত হলো। ৯০-এর গণ আন্দোলন, ৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করেন। তখন ক্ষমতাসীন দলের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সংলাপ শুরু হয়। তৎসময়ে '৯২ সালের ১০ এপ্রিল লোগাং এবং '৯৩ সালে ৩ রা নভেম্বর নানিয়াচর গণহত্যা সংগঠিত হলে প্রতিবাদ সমাবেশে তৎকালীন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের শ্লোগান ছিল-
"গৌতম-সমীরণ-জেরীর গদিতে
আগুন জ্বালাও এক সাথে"

তখনকার সময়ে এই তিনজন লোককে জাতীয় দালাল বেঈমান ইত্যাদি বললেও আাসলে কি বাস্তবে তাই? এর সঠিক উত্তর পার্বত্যবাসীরা প্রমাণ পেলো যখন ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।রাজনৈতিকভাবে সচেতন জুম্মদের ভুল ভেঙ্গে যায়। পার্টির বহু নেতা রায় দিয়েছিল আসলে গৌতম, সমীরণ, জেরীরা দালাল নয়, তাদেরই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। সেই সময়ে তাদের গ্রহণ করা স্থানীয় সরকার পরিষদই নাম পরিবর্তন করে আজকের এই পার্বত্য জেলা পরিষদ। তাই আমার প্রশ্ন তাদেরকে যদি আজও দালাল বলা হয় তাহলে তাদের গড়া এই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-সদস্য হওয়ার জন্য যারা দৌড়ঝাঁপ দেয়, পা চাটে আর পদলেহন করতে চাই তারাই কি হালাল? সুতরাং বিরোধীতার খাটিরে বিরোধীতা নয়, দালাল বলে কাউকে সমালোচনা করার আগে নিজের শরীরে দালালের জীবানু বাসা বেঁধেছে খতিয়ে দেখুন।

পরিশেষে আমি সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করছি আত্মউপলব্ধি করার সময় এসেছে। আমি বলবো সাধারণ জনগণের অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। অতীতকে যেমনি জানা প্রয়োজন তেমনি ভবিষ্যতের অংকও করতে হবে।কারোর অযৌক্তিক মিষ্টি ভাষায় ও মিথ্যা প্ররোচনায় কর্ণপাত না করে গণজোয়ার মূল্যায়ন করে নিজের পছন্দ মতো যোগ্য দক্ষ এবং অভিজ্ঞ প্রার্থীকে ভোট দিন।

লেখক: সিন্ধু কুমার চাকমা

পাহাড়ী-বাঙ্গালি বেঁধেছে জোট, ফুটবল মার্কায় দেবে ভোট।ধর্মজ্যোতি চাকমা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার প্রক্সি হিসেবে খাগড়াছড়ি আসনে এমপি প্...
28/01/2026

পাহাড়ী-বাঙ্গালি বেঁধেছে জোট, ফুটবল মার্কায় দেবে ভোট।

ধর্মজ্যোতি চাকমা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার প্রক্সি হিসেবে খাগড়াছড়ি আসনে এমপি প্রার্থী হয়েছেন সেটা সকলের জানা প্রয়োজন।

ধর্মজ্যোতি চাকমা- চাকমা ভোটার কিছু কাস্টিং করতে পারলে ওয়াদুদ ভূঁইয়া সমীরণ দেওয়ানকে টেক্কা দিতে পারবেন। এই চিন্তা করেই তিনি এই নির্বাচনে ধর্মজ্যোতি চাকমাকে রেখেছেন।

ধর্মজ্যোতিকে ওয়াদুদ ভূঁইয়া নির্বাচনের জন্য ১ কোটি টাকা দিয়েছেন। যে টাকাগুলো স্বয়ং খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু নিজ হাতে ধর্মজ্যোতির হাতে দিয়েছেন। নির্বাচনে ধর্মজ্যোতি ১০-১৫ লক্ষ টাকা খরচ করবেন আর বাকি টাকা তিনি ভোগ করবেন। নির্বাচনী ব্যবসায় ধর্মজ্যোতি সফল আর আপনারা যারা ধর্মজ্যোতির পক্ষে রয়েছেন আপনারা ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে জিতিয়ে দিলেন।

খাগড়াছড়ি আসনে কেন সমীরণ দেওয়ানকে প্রয়োজন? আগামীতে বিএনপির সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে, সুতরাং সমীরণ দেওয়ান জুম্মদের জন্য কিছু করতে না পারুক অন্তত ক্ষতি করবেন না। ওয়াদুদ ভূঁইয়ার আমলে আমরা দেখেছি চুক্তি বাস্তবায়নে বিঘ্ন ঘটিয়েছেন, সমতল থেকে এনে সেটেলার বসতি গড়েছেন, জুম্মদের ভূমি দখলে সহায়তা করেছেন, দাঙ্গা লাগিয়েছেন। কুজেন্দ্র যতই খারাপ কাজ করুজ, খাগড়াছড়িতে সেটেলার বসতি দেননি। আলুটিলায় পর্যটনের নামে ৭০০ একর ভূমি দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল, কুজেন্দ্র সেটা তাদের হাতে না দিয়ে অন্তত নিজের হাতে রেখেছিলেন। সমীরণ দেওয়ানও অন্তত সেটা হতে দেবেন না।

সমীরণ দেওয়ানের জেতার সম্ভাবনা কেমন?
বিএনপির কিছু ভোট পাবেন, আওয়ামীলীগের যত ভোট তিনি পাবেন, জাতীয় পার্টির ভোটগুলোও তিনি পাবেন। এখন যদি জুম্মদের ভোটগুলো তিনি পান তাহলে তার জেতার সম্ভাবনা থেকে যায়। অন্যদিকে ধর্মজ্যোতি শুধুমাত্র চাকমা ভোট ছাড়া অন্য ভোট পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। সেকারণে সমীরণ দেওয়ানকে সমর্থন দিয়ে তার সরে যাওয়া উচিত ছিল।

সমীরণ বনাম ধর্ম-এর অদেখা রহস্য আসলে কি? আজ জানুয়ারী ২৪॥ সব টিকটাক থাকলে ভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারী। কিন্তু অনেকের মত এখনো ভোট...
28/01/2026

সমীরণ বনাম ধর্ম-এর অদেখা রহস্য আসলে কি?

আজ জানুয়ারী ২৪॥ সব টিকটাক থাকলে ভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারী। কিন্তু অনেকের মত এখনো ভোটের পরিবেশ নেই। ভোট হবে কিনা বিজ্ঞ মহলে এখনো সন্দেহ রয়ে গেছে।

এই লেখাটি কোনো ব্যক্তিকে জেতানো বা হারানোর প্রচারণা নয়। এটি পাহাড়ের ভেতরে দীর্ঘদিন জমে থাকা এক অদৃশ্য দ্বন্দ্ব, বিভাজন ও নেতৃত্ব সংকট নিয়ে কথা বলার চেষ্টা। যারা ভাবছেন এটা শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক লেখা, তারা আসলে সমস্যার গভীরে তাকাচ্ছেন না।
হ্যাঁ, পাহাড়ও থেমে নেই। রাঙ্গামাটিতে বিজয়ী প্রায় নিশ্চিত হওয়া গেলেও বান্দরবানে জেরি বাবু একটু এদিক ওদিক হলে হেরে যেতে পারেন। NCP-র বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

কিন্তু খাগড়াছড়ি অবস্থা চরমে। আদিবাসীদের মধ্যে ভোট কে জিতবে তা নিয়ে এই চরম উদ্বেগ নয়। বরং এখানে সমীরণ বনাম ধর্মজ্যোতি। সোজা করে বললে বলতে হ, PCJSS বনাম UPDF।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১ সালের কথা মনে আছে কি?
অক্টোবর ১, ২০০১ সালে এটি অনুষ্ঠিত হয়। UPDF নির্বাচনে যোগ দেয়। PCJSS নির্বাচন না করলেও উপেন্দ্রলালকে সমর্থন দেয়। ভোট যুদ্ধ তুমুল হয়।

অনেকের মতে, আসলে এটা শুধু ভোট যুদ্ধ ছিল না। কারণ এ ভোট যুদ্ধের সাথে সাথে অস্ত্রযুদ্ধ প্রকট হয়ে উঠে।

সেই সময় রাষ্ট্র বা প্রশাসন কার্যকর কোনো মধ্যস্থতা না করে বরং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার আগুনে ঘি ঢেলে দিয়ে ধীরে ধীরে সহিংস সংঘাতে রূপ দেয় এবং দুই বলদের লড়ায়ের মত আনন্দ উপভোগ করে। অথচ পাহাড় এই বিভেদে ভাইয়ের বুকের তাজা রক্তের মূল্য আজও পাহাড় বহন করছে।

এই অস্ত্র যুদ্ধ প্রায় তিন দশকে পা দিয়েছে।
পাহাড় আজ সেই ২০০১ সালের পুনরাবৃত্তি দেখছে। তাই এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও আসলে নির্বাচনে কে জিতবে বা কে হারবে সেটা নয়। এটা হচ্ছে কে থাকবে আর কে থাকবে না সেই উপসর্গ।
বুঝতে পেরেছেন কি বলছি নিশ্চয়।
এবার একটু সহজ করে বলি।

ধরুন, একি গ্রামে দুজন ছোট বালক একে ওপরের কাছে হার মেনে নিতে চায় না। সব সময় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে।

তখন গ্রামের মুরুব্বিরা কি করে তাদের সেই বিরোধ মীমাংসা করে?
আমি সেই সেরকম অনেক ঘটনা দেখেছি। পাহাড়ি গ্রামে এটা সমাধান করার বংশ পরস্পরায় প্রচলিত একটি সহজ উপায় আছে। তা হচ্ছে সকলের সামনে দুজনকে "বোদাবুদি"র মাধ্যমে হার জিত নির্ণয় করা। বারবার যে তিন বার জিতে সেই জয়ী। আর যে হারে তার সে হার মেনে নেয়।

হার-জিত নির্ণয়ে এটি পাহাড়ে আদিবাসীদের যুগযুগ ধরে প্রচলিত প্রথা।
কিন্তু বাস্তবে আজ পাহাড়ের রাজনীতি আর গ্রামের উঠোনে সীমাবদ্ধ নেই। এখানে অস্ত্র, সীমান্ত, রাষ্ট্রীয় কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাস্তবতা জড়িয়ে গেছে। তাই রায় যত দেরিতে আসবে, ক্ষতিও তত গভীর হবে।
আজ সেই দুই বালক যদি একজন PCJSS আর আরেকজন UPDF হয় আমরা কি সেই একি নিয়ম মেনে হার জিত নির্ণয় করতে পারি না ?
উন্নয়ন বাদ দিন। পাহাড়ে কি উন্নতি হয়ে তা বাদ দিন। আগে বিবাদ মীমাংসা করি। সেই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে আজ ২৬ সালের জানুয়ারী ২৪ তারিখ হিসেব করে দেখি কে জিতেছে?

সংক্ষেপে দেখি-
১) PCJSS- এর আঞ্চলিক পরিষদ আছে (দেশে)
UPDF-এর সে রকম কিছু নেই
২) PCJSS আন্তর্জাতিকভাবে পাহাড়ের কথা UN পর্যন্ত প্রতিনিধি পাঠায়
UPDF আজ পর্যন্ত কাউকে পাঠাতে পারে নি
৩) PCJSS অন্তত একবার MP নির্বাচনে জয় লাভ করেছে
UPDF বারবারই ফেল করেছে
৪) PCJSS দুভাবে বিভক্ত হয়েছে কিন্তু কোন ভাগ UPDF এ যোগ দেয় নি
UPDF দুভাবে বিভক্ত হয়েছে কিন্তু একভাবে PCJSS যোগ দিয়েছে
৫) আগের অনেক অঞ্চল এখন PCJSS-এর দখলে
৬) ভারতের নির্ভরতা PCJSS- এর ওপর বেশী (এই পয়েন্টে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যা এখনো হয়তো খুলে বলা যাচ্ছে না)।

এবার তাহলে জনগণ সিদ্ধান্ত দিক এখানে জয়ী কে?
UPDF হার মেনে নিতে পারবে না। কারণ তাদের মধ্যে সেই দুরদুরশিতা নেই। থাকলে তারা এতদূর এগুত না। অনেকদিন আগে হাত মিলিয়ে বসে যেত। আমি বলছি না PCJSS সব ক্ষেত্রে সঠিক।

কিন্তু সাধারণ জনগণের দৃষ্টিতে দেখলে PCJSS-এর হাতে আগের মত পার্বত্য চট্টগ্রামের সংগ্রামকে তুলে দেওয়া দরকার। কারণ ভারত এবং আন্তর্জাতিক সাহাস্য ছাড়া পাহাড়ে অধিকার ফিরবে না।

পরিশেষে এইটুকু বলে রাখি, ৩০ বছর PCJSS ছিল কিন্তু এবারের মত শক্তিশালী ছিল না। হঠাৎ করে এই দল এই শক্তি পেল কোথায় সেই ইঙ্গিত যদি UPDF কর্মীদের মাথায় না থাকে কিছু করার নেই।

হ্যাঁ, আমি PCJSS-এর কর্মী নই। UPDF -এর বিরোধী নই। অন্যদের মত তিন দশক আমিও চুপ ছিলাম। হার-জিত নিয়ে কোন টু শব্দ করি নি।
হ্যাঁ, আমিও অন্যসব মানুষের মত সাধারণ একজন মানুষ। আমিও পাহাড়ে জন্মেছি। পাহাড় নিয়ে সাধারণ মানুষের মত ভাবি। কাজেই আমি মনে করি, PCJSS ১০০% সঠিক না হলেও পাহাড়ে এই দল ছাড়া মুক্তি নেই। অস্ত্র সংগ্রামে হোক বা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে হোক পাহাড়ের অধিকার আদায়ে এই দলের নিকট পাহাড়ের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া দরকার।
আর যদি নাও হয়, তবে প্রাণহানি ঘটবে। দেরি হলেও UPDF-এর জয়ের সম্ভাবনা একদম নেই বললে চলে।

না, হয়তো ভাবছেন, যে যার দলের অবস্থানে থেকে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চলবে। আপাতত তা মনে হচ্ছে না। গণতন্ত্রের দেশ থাকি কিন্তু গেরিলা দলে আপাতত গণতন্ত্র নেই। আগে সফলতা তারপর গণতন্ত্র।
জনগণ যত তাড়াতাড়ি এই গ্রামের বালকদের মত "বোদাবুদি"র রায় দিতে পারবে তত পাহাড়ের মঙ্ঘল।

তাই সমীরণ বা ধর্মজ্যোতির হার জিত নিয়ে ভোট বিষয় নয়। এই বিষয়টা পাহাড়ের নেতৃত্ব কার হাতে থাকবে সেটার লড়াই। কেউ না শুনলে হয়তো অঘটনও ঘটে যেতে পারে। তাই আমি মনে করি, সাধারণ মানুষের এখানে ভোটের বিষয়ে নীরব থেকে রায় দেওয়া উচিত।

ইতিহাস সাক্ষী, পাহাড়ে বিভক্ত নেতৃত্ব কখনো আদিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। বিভাজনের সুযোগে সব সময় তৃতীয় পক্ষ শক্তিশালী হয়েছে। আজও সেই ঝুঁকি রয়ে গেছে।

লেখক: পূর্ণলাল চাকমা
২৪ জানুয়ারি ২০২৬

28/01/2026

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস- ২০২৫,
খাগড়াছড়ি সদর।

পুরোনো ফুটেজ

খাগড়াছড়ি আসনে ধর্মজ্যোতি চাকমা’র প্রার্থীতা নিয়ে ইউপিডিএফ’র মিথ্যাচারসিএইচটি ভ্যানগার্ডমঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ - ০৭...
27/01/2026

খাগড়াছড়ি আসনে ধর্মজ্যোতি চাকমা’র প্রার্থীতা নিয়ে ইউপিডিএফ’র মিথ্যাচার

সিএইচটি ভ্যানগার্ড

মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ - ০৭:৪৭ PM

“যেভাবে ধর্মজ্যোতি চাকমা খাগড়াছড়ি আসনে প্রার্থী হলেন” শিরোনামে ইউপিডিএফ (প্রসিত)- এর খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমার লেখা একটি লেখা গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ইউপিডিএফ’র মুখপত্র সিএইচটি নিউজ-এ প্রকাশিত হয়। উক্ত লেখাতে বাবু ধর্মজ্যোতি চাকমাকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনে সুশীল সমাজ তথা “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি উত্থাপন করেছেন। যা অংগ্য মারমা তথা ইউপিডিএফ- এর মিথ্যাচার ও অসত্য ছাড়া কিছু নয়।

ইউপিডিএফ নেতা অংগ্য মারমা তার লেখায়, গত ০৮ নভেম্বর ২০২৫খ্রি. শরনার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবু সন্তোষিত চাকমা (বকুল)’ র উদ্যোগে তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য একজন সৎ, যোগ্য ও প্রতিবাদী প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য মিটিং আয়োজন হতে শুরু করে ১৫ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ট্রেডিশনাল লিডারসহ জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সভা ও “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” গঠনসহ বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করেছেন।

গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকাসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় খাগড়াছড়িতে নাগরিক কমিটি তথা “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” বিলুপ্ত করা হয়েছে বলে প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এরপরও ইউপিডিএফ নেতার এমন দাবীর প্রেক্ষিতে সিএইচটি ভ্যানগার্ডের প্রতিনিধি খাগড়াছড়ির সুশীল সমাজের প্রতিনিধি তথা “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি’র” সাথে এ বিষয়ে সংযোগ করে যে- “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” কি এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে? বাবু ধর্মজ্যোতি চাকমা কি সুশীল সমাজ তথা “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” র মনোনীত প্রার্থী? তারা ভ্যানগার্ডের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন সুশীল সমাজ তথা “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি” প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মতানৈক্যে পৌঁছাতে না পারায় তারা এই কমিটি ভেঙ্গে দিয়েছেন বা বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন, যা বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখতে পেয়েছেন। সুতরাং কমিটি যেহেতু বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে সেহেতু বাবু ধর্মজ্যোতি চাকমা সুশীল সমাজ তথা উক্ত কমিটির মনোনীত প্রার্থী হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠেনা।

সুশীল সমাজ তথা ভেঙ্গে যাওয়া “প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও যোগাযোগ কমিটি”- এর পক্ষ থেকে ২৯৮নং খাগড়াছড়ি আসনের জনসাধারণকে ইউপিডিএফ’র এমন অপপ্রচার ও মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন গোপন সূত্রের বরাতে জানা গেছে বাবু ধর্মজ্যোতি চাকমাকে ইউপিডিএফ (প্রসিত) সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এবং তারই সাথে “সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন” এর কিছু ইউপিডিএফ (প্রসিত) সমর্থিত বিপদগামী ছাত্রের সমর্থনে বাবু ধর্মজ্যোতি চাকমা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।

খাগড়াছড়ির গুমতি, রাম্ভাদেবা, গরগরিয়া নাল, অযোধ্যা, বেলছড়ি, চোংড়াকাপা, তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, বান্দরছড়াসহ অনেক এলাকাগুলো...
20/09/2025

খাগড়াছড়ির গুমতি, রাম্ভাদেবা, গরগরিয়া নাল, অযোধ্যা, বেলছড়ি, চোংড়াকাপা, তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, বান্দরছড়াসহ অনেক এলাকাগুলোতে গেলে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সমতল ভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার জলন্ত প্রমাণ আমরা দেখতে পাই।

অপরদিকে অধিকাংশ আদিবাসী জুম্ম হয়েছেন বাস্তুচ্যুত। তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও নৈতিক কাঠামো ভেঙ্গে হয়েছে চুরমার। ৬...
22/08/2025

অপরদিকে অধিকাংশ আদিবাসী জুম্ম হয়েছেন বাস্তুচ্যুত। তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও নৈতিক কাঠামো ভেঙ্গে হয়েছে চুরমার। ৬০ হাজারেরও অধিক মানুষ প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে পাড়ি জমালো ভারতে। দুর্বিষহ শরণার্থী জীবন কাটালো প্রায় এক যুগ ধরে। আর যারা স্বদেশের মধ্যে রয়েছে অথচ বাস্তুচ্যুত হয়নি এমন সংখ্যা শতকরা ১০ জনেরও কম হবে নিঃসন্দেহে। সাধারণভাবে অবিশ্বাস্য মনে হলেও তা বাস্তবে সত্য। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মদের বাস্তুহারা জীবন শুরু হয় মূলত ১৯৬০ সালের কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের পর থেকে। সেসময় লাখেরও অধিক জুম্ম উদ্বাস্তু হয়, তাদের যথাযথ পুনর্বাসন করা হয়নি। তারা স্থিতিশীল অবস্থায় আসতে না আসতে শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম। মুক্তি সংগ্রামের সময় শত শত পরিবার উদ্বাস্তু হয়, বিশেষত পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অঞ্চলের অধিকাংশ জুম্ম বাস্তুচ্যুত হয়। কোন সরকার পরিকল্পিতভাবে তাদের পুনর্বাসন দেয়নি। বিগত দুই যুগ ধরে বিরাজ করছিলো অস্থিতিশীল, অশান্ত পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মদের অর্থনেতিক মেরুদন্ড ভেঙ্গে হয় চূর্ণ-বিচূর্ণ।

বিস্তারিত পড়ুন লিংকে

অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু সমস্যা- সুধাসিন্ধু খীসা

আমাদের আন্দোলন বাংলাদেশের যে আন্দোলন তার মূল স্রোতধারা থেকে কোনদিন বিচ্ছিন্ন ছিলোনা।বিস্তারিত কমেন্টে.........
21/08/2025

আমাদের আন্দোলন বাংলাদেশের যে আন্দোলন তার মূল স্রোতধারা থেকে কোনদিন বিচ্ছিন্ন ছিলোনা।

বিস্তারিত কমেন্টে.........

পার্বত্য চট্টগ্রামে 'বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তা ও তৎপরতা' প্রসঙ্গে..................বিস্তারিত কমেন্টে.........
19/08/2025

পার্বত্য চট্টগ্রামে 'বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তা ও তৎপরতা' প্রসঙ্গে..................

বিস্তারিত কমেন্টে.........

Address

Chattogram
Khagrachari
44000

Telephone

+8801533329899

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jumma Voice- CHT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jumma Voice- CHT:

Share