Nohu Khan爱

Nohu Khan爱 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nohu Khan爱, Photographer, Jhenida.

06/06/2024

■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

What is love??
02/09/2023

What is love??

30/08/2023
28/07/2023

আপনার কর্মের জন্য আপনি শয়তানের দোষ দিতে পারবেন না। কারণ কিয়ামতের দিন তিনি বলবেন:

"তোমার উপর আমার কোন কর্তৃত্ব ছিল না; আমি শুধু তোমাকে আমন্ত্রণ করেছিলাম আর তুমি সাড়া দিয়েছ! সুতরাং, আমাকে দোষারোপ করো না বরং নিজেকে দোষারোপ করো। "
(কুরআন: ১৪:২২)

28/07/2023

আপনার স্ত্রী সম্পর্কে মনে রাখার মত ৫০টি তথ্য ✅️

1- আপনার স্ত্রী নিখুঁত নয়, তাকে ক্ষমা করুন।
২- তোমার স্ত্রী তোমার হাড়ের হাড়, তাকে ভেঙ্গো না।
3- আপনার স্ত্রী একটি উপহার, তাকে প্রশংসা করুন।
4- আপনার স্ত্রী একটি বিরল রত্ন, তাকে ঈর্ষান্বিতভাবে পথ দেখান।
৫- তোমার স্ত্রী তোমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, তার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ হও।
6- আপনার স্ত্রী আপনার আনন্দ, তাকে লালন পালন করুন।
৭- আপনার স্ত্রী স্নেহশীল হতে হবে, তার প্রতি প্রফুল্ল থাকুন।
৮- তোমার স্ত্রী তোমার অংশ, তাকে লালন কর।
৯- তোমার স্ত্রী শয়তান নয়, তাকে ছেকা দিও না।
১০- আপনার স্ত্রী শুধু যৌনতার জন্য ভাল নয়, তাকে সব বিষয়ে সাথে নিয়ে যান।
১১- আপনার স্ত্রী আপনার শত্রু নয়, তাকে উৎসাহিত করুন।
১২- আপনার স্ত্রী পারিবারিক বস্তু নয়, তাকে কখনো পরিবারের সদস্যদের হাতে সমর্পণ করবেন না।
১৩- তোমার স্ত্রী তোমার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না।
১৪- আপনার স্ত্রী একজন নারী লিঙ্গ, তাকে সম্মান করুন।
১৫- আপনার স্ত্রী সাধারণ নয়, তার সাথে তুলনা করবেন না।
১৬- তোমার স্ত্রী হাত ধোয়া বেস নয়, তাকে গালি দেওয়া বন্ধ কর।
১৭- আপনার স্ত্রী একটি দুর্বল জাহাজ, তাকে যত্ন সহকারে সামলাও।
১৮- আপনার স্ত্রী একজন সুন্দরী রানী, তাকে উদযাপন করুন।
১৯- তোমার স্ত্রী যোদ্ধা নয়, তার সাথে যুদ্ধ করো না।
২০- তোমার বউ পাচিং ব্যাগ না, ওকে মারবে না।
২১- তোমার বউ খেলা নয়, তাকে খেলো না।
২২- আপনার স্ত্রীর ফরোপ্লে প্রয়োজন, তাকে ধর্ষণ করবেন না।
২৩- তোমার স্ত্রী একটি হুক, তাকে হুক দাও।
২৪- তোমার স্ত্রী হল তুমি শুধু ভালোবাসো, তার প্রশংসা করো।
২৫- আপনার স্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ, তাকে সম্মান করুন।
২৬- আপনার স্ত্রী আপনি তাকে যেমন বানাতে চান, তাকে গ্রহণ করুন।
২৭- তোমার স্ত্রী তোমার আনন্দ, তাকে অনুসরণ কর।
২৮- আপনার স্ত্রীর আপনার সম্মান প্রয়োজন, প্রকাশ্যে তাকে লজ্জিত করবেন না।
২৯- আপনার স্ত্রী ছুরি নয়, তার সাথে ভালো ব্যবহার করুন।
৩০- আপনার স্ত্রী একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, তাকে কখনো কোন কাজের সাথে তুলনা করবেন না।
৩১- আপনার স্ত্রী বিশ্বস্ত, তাকে নিয়ে সন্দেহ করবেন না।
৩২- আপনার স্ত্রী বোকা নয়, তার উপদেশ শুনুন।
৩৩- তোমার স্ত্রী বিদ্বেষী নয়, তার সাথে বিদ্বেষী থেকো না।
৩৪- তোমার স্ত্রী সবচেয়ে ভালো বন্ধু যা তুমি পেতে পারো, তার সাথে বন্ধুত্ব কর।
৩৫- আপনার স্ত্রী ন্যাপকিন নয়, তাকে অপব্যবহার করবেন না।
36- তোমার বউ তোমার ঘরের মেয়ে নয়, তাকে রান্নাঘরে সমর্থন করো।
৩৭- তোমার স্ত্রী আবেগী, তাকে পাশ দিয়ে যেও না।
৩৮- তোমার স্ত্রী তোমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাকে পরিত্যাগ করো না।
৩৯- তোমার স্ত্রী রানী, তার সাথে ঝগড়া করো না।
৪০- আপনার স্ত্রী একমাত্র বসার মালিক নন, তাকে বাচ্চাদের বসতে সাহায্য করুন।
৪১- আপনার স্ত্রী যুক্তিসঙ্গত, তাকে কম রেট দেবেন না।
৪২- আপনার স্ত্রী আপনার দায়িত্ব, তাকে দিন।
৪৩- আপনার স্ত্রী আপনি, তার বিছানা আলাদা করবেন না।
৪৪- আপনার স্ত্রী আপনার জীবনে এক নম্বর, তাকে অগ্রাধিকার দিন
৪৫- তোমার স্ত্রী তোমার সম্পদ, ঈর্ষান্বিতভাবে তাকে পথ দেখাও।
৪৬- আপনার স্ত্রীর আপনার সাহায্য প্রয়োজন, তাকে সাহায্য করুন।
৪৭- আপনার বউ আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ প্রয়োজন, টি-কে দিবেন না। ভি সেট।
৪৮- আপনার স্ত্রী মূল্যবান, তার সাথে আরো মূল্য যোগ করুন।
৪৯- তোমার স্ত্রী তোমার মুকুট, তাকে পরিত্যাগ করো না।
৫০- স্ত্রীর ব্যাপারে আল্লাহর কাছে হিসাব নিবেন, যত্ন সহকারে তাকে সামলাবেন। সে ভঙ্গুর হতে পারে বা মনে হতে পারে, কিন্তু শক্তিশালী।
আল্লাহ আমাদের স্ত্রী, মা, বোন এবং কন্যাদের আশীর্বাদ করুন। আমিন

22/01/2023

ঠেস মেরে কথা বলা, কৌশলে করে কথা বলে অন্যকে ছোট দেখিয়ে নিজেকে বড় করে উপস্হাপন করা, টেকনিক্যালি অন্যকে আঘাত করে কথা বলা, অন্যকে অপমান করে নিজেকে সন্মানী বলে জাহির করা বৈশিষ্টের মানুষটা নিজেকে অনেক জ্ঞানী বলে জ্ঞান করে।
-আসলে এদের চাইতে নিকৃষ্ট মানুষ সমাজে দ্বিতীয়টি হয় না।এদেরকে চেনার বৈশিষ্ট হল, এরা কথা বলার সময়ে এমন ভাবে বলবে যে তার জীবনে কোন দোষ আর ভুল নেই, পৃথিবীতে সে একমাত্র নিষ্পাপ মানুষ,পৃথিবীর সকল দোষ অন্যদের।
এরা অন্যদের জন্য কি করেছে তা মুখ্য নয়, অন্যরা এদেরকে কি কি কম করেছে তা নিয়ে গবেষনার অন্ত নেই। দেখবেন, এদেরকে প্রায় সকলেই এভয়েট করে, এদের জীবনে একজন ভালো বা ক্লোজ বা নিবেদিত বন্ধু পর্যন্ত থাকে না, যে কারনে এদের বিপদ আপদে কাউকে পাশে পায় না, এরা সামাজিক শিষ্টাচার থেকে বঞ্চিত।
-জ্ঞানের সর্ব প্রথম সংজ্ঞা হল, আপনার সামনে যেই মানুষটি দাড়িয়ে আছে, তাকে আপনার চাইতে বেশী জ্ঞানী ও সন্মানিত বলে গন্য করা। এরপর কে জ্ঞানী আর কে নির্বোধ তা প্রমান করবার অগণিত সময় পাবেন এবং তখন নিজেকে সবার চেয়ে জ্ঞানী বানাতে পারবেন ॥

01/01/2023

"সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ"- নতুন কোনো জায়গায় গেলে আমরা বাবা-মা, গুরুজনদের কাছে এই কথাটা প্রায়ই শুনে থাকি। কথাটা অসত্য নয়। কিন্তু যারা "সঙ্গ"-ই পছন্দ করে না, তাদের ক্ষেত্রে এই কথাটা খাটে?

মানুষ কোনো বন্ধু ছাড়া থাকতে পারে না- কথাটার বিশ্লেষণ বোধহয় যারা সঙ্গ ছাড়া থাকতে পছন্দ করেন, তারাই ভালো দিতে পারবেন। এটা সত্যি বর্তমানে বেশ কিছু মানুষ রয়েছে যারা কোনো পার্টিকুলার ফ্রেন্ড বা ফ্রেন্ডজোনে থাকে না, বা থাকতে পছন্দ করে না৷ একটু সেইসব মানুষদের সাইকোলজি থেকে ঘুরে আসা যাক, যারা কিনা সঙ্গ এড়িয়ে চলেন।

বন্ধু না থাকার/ না রাখার কিছু ফ্যাক্টরঃ
১. একাকীত্ব ভালোবাসাঃ ইন্ট্রোভার্টদের জন্য সব থেকে জনপ্রিয় একটি কারণ "একা থাকতে ভালোবাসা"। অবশ্যই আমাদের মধ্যে ইন্ট্রোভার্ট ছাড়াও এমন অনেকেই রয়েছে যারা অন্যের সাথে সারাক্ষণ থাকার চেয়ে একা থাকাটাই বেশি প্রিফার করে।

২. Fear of Disappointment: অন্যান্য সম্পর্কগুলোর মতোই বন্ধুত্ব এর ক্ষেত্রেও কিছু প্রত্যাশা থাকে সকলেরই। যেমন- আপনার বিপদে সে এগিয়ে আসবে, সে কোনো সমস্যায় পড়লে আপনিও এগিয়ে যাবেন। কিন্তু অনেকেই এটা মনে করেন যে ফ্রেন্ডশিপ হলে সে হয়তো তার বন্ধুর জন্য তেমন কিছুই করতে পারবে না, বা তার বন্ধুও তার তেমন কোনো কাজে আসবে না। অন্য কারো ডিজ্যাপয়েন্টমেন্ট যাতে না হতে হয় সেজন্য ফ্রেন্ডশিপ এড়িয়ে যাওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।

৩. পরিবারমুখী হওয়া- কারো পরিবারের সদস্যরা যদি তার বন্ধুর মতো হয় তাহলে আর কিছু লাগে? অনেকেই পরিবারের কাছে থেকে এমন সাপোর্ট পায়, যে, কোনো ক্ষুদ্র কারণে বা কাজেও ফ্রেন্ডের থেকে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করাটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। যার ফলে তাদেরপরিবারের বাইরে অন্য কারো কাছে ফ্রেন্ডশিপ সীক করা হয়ে উঠে না।

৪. আবার কষ্ট পাওয়া- অতীতে যদি কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের দ্বারা কেউ কষ্ট পায়, বা বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়, তখন অবশ্যই ফ্রেন্ডশিপে "Trust issue" ঢুকে যায়। সেক্ষেত্রে নতুন করে কারো সাথে ফ্রেন্ডশিপ করা কিংবা ক্লোজ হওয়ার ক্ষেত্রে এক অদৃশ্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার অতীত।
৫. ব্যস্ততা- কোনো ফ্রেন্ডশিপ তৈরি ও মেইনটেইনের ক্ষেত্রে অনেক ইফোর্ট আর সময়ের দরকার৷ যদি স্কুল/কলেজ/ভার্সিটি, পরিবার, কর্মক্ষেত্র নিয়ে কেউ অনেক ব্যস্ত থাকেন, তখন এটা স্বাভাবিক যে বন্ধুদের দেওয়ার মতো সময় হাতে নেই। যার ফলে বন্ধুদের সময় দেওয়ার থেকেও নিজেকে সময় দেওয়াটা বেশি জরুরি মনে হয়।

বন্ধুবান্ধব না থাকাটা কি খুবই আনকমন?!
অবশ্যই না। বিশেষ করে অ্যাডাল্ট মানুষরাও ফ্রেন্ডস কম রাখতে পছন্দ করে। সার্ভে অনুসারে, মিলেনিয়ালদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ২৭% এরই কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই, যার মধ্যে ২২% এরই কোনো বন্ধুই তেমন নেই। একটা প্রেসের পোলে ভোটারদের মধ্যে ১৮% ভোটারদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে তাদের এক অথবা কিছুসংখ্যক মানুষ রয়েছে যাদেরকে তারা বিপদের সময় সাহায্য চাইতে পারে,এছাড়া তেমন নেই।১৯৯০ সালে Gallup পোলে দেখা যায় ২৬% এডাল্টরা পার্সোনাল প্রব্লেমে ফ্রেন্ডদের দিকে ঝুকে। এই সমীক্ষাই ২০২১ সালে দেখা গিয়েছে ১৬% এডাল্টরা বিপদে সবার আগে ফ্রেন্ডদের কাছে যায়। অর্থাৎ, আগের থেকে বর্তমানে ফ্রেন্ডজোনের সংখ্যাটা কমছে।

সে যাই হোক, বন্ধু থাকাটাও যেমন আশীর্বাদ, না থাকাটা তেমন খুব বেশি খারাপ না। বন্ধুবান্ধব নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বিচক্ষণ হওয়াটা জরুরি, নইলে পরে কোনো বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হলে ভুগতে হবে নিজেকেই।
-Science Bee

31/12/2022

2022 was the main plan
1. Asininity 2. girls psychology ( Researching )
Both are worst points in real life N related to the other
I am a little more sensitive to idiocy by the end of the year but remained both for ignorance ,

31/12/2022

সূরাঃ ৭৬ আল-ইনসান !
আয়াতঃ৩১
১)মহাকালের মধ্য হতে মানুষের উপর কি এমন একটা সময় অতিবাহিত হয়নি যখন সে উল্লেখ করার যোগ্য কোন বস্তুই ছিল না?...
২)আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংমিশ্রিত শুক্রবিন্দু থেকে তাকে পরীক্ষা করার জন্য, এজন্য তাকে করেছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অধিকারী।
নিশ্চয় আমি তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি;হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে। তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি থাকা সত্ত্বেও মিসকীন, ইয়াতীম ও বন্দীকে খাদ্য দান করে। তারা বলে,‘আমরা তো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তোমাদেরকে খাদ্য দান করি। আমরা তোমাদের থেকে কোন প্রতিদান চাই না । আর তাদের উপর প্রদক্ষিণ করবে চির কিশোরগণ, যখন আপনি তাদেরকে দেখবেন তখন মনে করবেন তারা যেন বিক্ষিপ্ত মুক্তা।..(19)
২৪. 👉কাজেই আপনি ধৈর্যের সাথে আপনার রাবের নির্দেশের প্রতীক্ষা করুন এবং তাদের মধ্যে যে পাপিষ্ঠ অথবা অবিশ্বাসী তার আনুগত্য করো না, নিশ্চয় এটা এক উপদেশ👈,নিশ্চয় তারা ভালবাসে দুনিয়ার জীবনকে আর তারা তাদের সামনের কঠিন দিনকে উপেক্ষা করে চলে কিন্তু যালেমরা— তাদের জন্য তিনি প্ৰস্তুত রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।...
আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গঠন সুদৃঢ় করেছি। আর আমরা যখন ইচ্ছে করব তাদের স্থানে তাদের মত (কাউকে) দিয়ে পরিবর্তন করে দেব।
👇👇👇
৩০- অতএব যে ইচ্ছে করে সে যেন তার রবের দিকে একটি পথ গ্রহণ করে।
#সারসংক্ষেপ🤏

Address

Jhenida

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nohu Khan爱 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category