21/08/2026
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর জার্মান কলোনি রুয়ান্ডাকে বেলজিয়ামের রাজাকে উপহারস্বরুপ দিয়ে দেয় জার্মানরা। রুয়ান্ডার জনগোষ্ঠি ছিল রুয়ান্ডিজ ও তাদের মধ্যে কোন জাতিগত বিভেদ ছিল না। বেলজিয়াম রুয়ান্ডাকে কলোনি হিসাবে পেয়ে এক জার্মান বিশেষজ্ঞের তত্ত্ব আনুসারে প্রতিটি ব্যক্তির নাক মাপা শুরু করে স্লাইড ক্যালিপার দিয়ে। নাক মেপে তারা রুয়ান্ডিজ জনগনকে দুইভাগে বিভক্ত করে হুটু ও তুতসি উপজাতি নামে। এতে একই ভাষা, একই সংস্কৃতি ও একই ইতিহাসের ধারক, একই পরিবার, স্বামী স্ত্রী বিভাজিত হয়ে হয়ে যায় ভিন্ন জাতী। এরপর তারা তুতসিদের সমস্থ সুযোগ সুবিধা দিয়ে বাকিদের আত্যাচারী শাসন করে।
বিশ শতকের শেষদিকে যখন রুয়ান্ডা স্বাধীন হয় ও বেলজিয়ানরা চলে যায়, তখন শুরু হয প্রতিশোধের পালা। শুধু ১৯৯৪ সালেই হুটু আর তুতসির পারষ্পরিক হানাহানিতে এক মিলিয়ন মানুষ নিহত হয় যাতে সহায়তা করে আমেরিকা। এক সাম্প্রতিক গবেষনায় জেনেটিক বিশ্লেষনে প্রমাণিত হয় হুটু আর তুতসি ভিন্ন জাতী নয়। ঐ জার্মান তত্ত্ব ভুল ছিল। যেমন ইরাকে ডব্লিউ এম ডি থাকার গোয়েন্দা তথ্য ভুল ছিল অথবা ভিয়েতনামি জাহাজ থেকে আমেরিকান জাহাজের উপর মিসাইল ছোড়া হয়েছে এই রাডার তথ্য ভুল ছিল। লোভ মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে, আসল উদ্দেশ্য সবসময়ই লুটপাট। পশ্চিমারা সবসময় এটা প্রমাণ করে আসছে।