প্রিয় লক্ষীরচর

প্রিয় লক্ষীরচর নামাজ বাদ দিওনা বন্ধু এপারের চেয়ে ওপারের জীবন বেশি সুন্দর।

📢 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 📢​🌙 ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক! 🌙​লক্ষীরচর ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীক...
27/05/2026

📢 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 📢

​🌙 ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক! 🌙
​লক্ষীরচর ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত সকাল ৮:৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে।

​সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ভাইদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঈদগাহ মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: নামাজের নির্ধারিত সময়ের কোনো পরিবর্তন করা হবে না।

​অনুরোধক্রমে:
লক্ষীরচর ঈদগাহ মাঠ কমিটি 🕌

ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার লক্ষীরচর গ্রাম: এক টুকরো মাতৃভূমির গল্পভূমিকাবাংলাদেশের হৃদয়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য সবুজ ...
01/04/2026

ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার লক্ষীরচর গ্রাম: এক টুকরো মাতৃভূমির গল্প

ভূমিকা

বাংলাদেশের হৃদয়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য সবুজ গ্রাম, যেগুলো শুধু ভৌগোলিক স্থান নয়—এগুলো আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আবেগের ধারক। ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার লক্ষীরচর গ্রাম তেমনই এক অনন্য গ্রাম, যেখানে প্রকৃতি, মানুষ ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা এক সুতোয় বাঁধা। এই গ্রামটি শুধু একটি বসতি নয়, বরং একটি আত্মার ঠিকানা।

ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ

লক্ষীরচর গ্রামটি জামালপুর জেলার অন্তর্গত একটি শান্ত ও মনোরম এলাকা। গ্রামটির চারপাশে রয়েছে বিস্তীর্ণ সবুজ ধানক্ষেত, নদীর মৃদু স্রোত আর কাঁচা রাস্তার সরল সৌন্দর্য। বর্ষাকালে নদীর পানি বেড়ে গেলে পুরো গ্রাম যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়।
শীতকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে গ্রামটি, আর গ্রীষ্মে পাকা ধানের সোনালি রং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

লক্ষীরচরের ইতিহাস স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। অনেক বছর আগে নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই গ্রামটি ধীরে ধীরে কৃষিনির্ভর সমাজে পরিণত হয়।
এখানকার মানুষ তাদের পূর্বপুরুষদের স্মৃতি, জমি ও সংস্কৃতিকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ধরে রেখেছে। গ্রামের পুরনো মসজিদ, স্কুল এবং কিছু ঐতিহ্যবাহী বাড়ি আজও অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

কৃষি ও জীবিকা

লক্ষীরচরের প্রধান জীবিকা কৃষি।

ধান

পাট

সবজি

মাছ চাষ

এখানকার মানুষ কৃষিকাজে দক্ষ এবং পরিশ্রমী। নদী ও খাল-বিল থাকায় মাছ চাষও একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। অনেক পরিবার গবাদি পশু পালন করেও জীবিকা নির্বাহ করে।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন

গ্রামের মানুষ খুবই আন্তরিক ও অতিথিপরায়ণ।
ঈদ, পহেলা বৈশাখ, নবান্ন উৎসব—সবকিছুই এখানে আনন্দ ও মিলনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়।
গ্রামের মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুলগুলো শুধু শিক্ষা নয়, সামাজিক ঐক্যের কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করে।

বিয়ে, খৎনা বা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানে সবাই একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে—এটাই গ্রামীণ জীবনের আসল সৌন্দর্য।

শিক্ষা ও উন্নয়ন

লক্ষীরচরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার হার বেড়েছে এবং অনেক শিক্ষার্থী শহরে গিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামে বিদ্যুৎ, রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে।

মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা

লক্ষীরচর গ্রামের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা রয়েছে।
তারা তাদের মাটি, নদী, গাছপালা ও সংস্কৃতিকে নিজের অস্তিত্বের অংশ হিসেবে দেখে।
যারা শহরে বা বিদেশে কাজ করতে যায়, তারাও এই গ্রামের স্মৃতি বুকে ধারণ করে রাখে।

এই গ্রাম তাদের শিকড়—যেখান থেকে তারা উঠে এসেছে এবং যেখানেই থাকুক, এই মাটির টান তাদের আবার ফিরিয়ে আনে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

লক্ষীরচরের প্রকৃতি এক কথায় অপূর্ব।

ভোরের সূর্যোদয়

পাখির ডাক

নদীর স্রোত

ধানের ক্ষেতে বাতাসের দোলা

এসব মিলিয়ে গ্রামটি যেন এক জীবন্ত কবিতা।

উপসংহার

লক্ষীরচর গ্রাম শুধু একটি স্থান নয়—এটি এক আবেগ, এক স্মৃতি, এক পরিচয়।
এখানে মানুষ তাদের মাতৃভূমিকে ভালোবাসে, সম্মান করে এবং আগামীর জন্য সংরক্ষণ করতে চায়।

বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামের মতো লক্ষীরচরও আমাদের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই গ্রাম আমাদের শেখায়—মাটি ও মানুষের বন্ধনই হলো জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী বন্ধন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি সিদ্ধান্ত: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাসসম্প্রতি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শ...
31/03/2026

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি সিদ্ধান্ত: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস

সম্প্রতি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সকল স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষের পরিবর্তে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হবে। এই ঘোষণায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

31/03/2026

ঐতিহ্যবাহী লক্ষীচরে স্বপ্নের সেতুর কাজ এখন দৃশ্যমান বাস্তবতায় রূপ নিচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও এলাকার মানুষের স্বপ্নকে সামনে রেখে সরকারিভাবে সেতু নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ নির্ধারিত স্থানজুড়ে থাকা দোকানপাট ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে, যা অনেকের জন্য কষ্টদায়ক হলেও বৃহত্তর উন্নয়নের স্বার্থে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

স্থানীয়দের মতে, এই সেতুটি নির্মিত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং দৈনন্দিন যাতায়াতে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। লক্ষীচরের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকাকে আধুনিক উন্নয়নের সাথে যুক্ত করতে এই প্রকল্প অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

যাদের দোকান বা স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে, তাদের জন্য এটি একটি কঠিন সময়। তবে তারা আশাবাদী যে সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে এলাকায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

সবাই এখন একটাই প্রত্যাশা করছে—সেতুর কাজ যেন দ্রুত এবং সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এলাকাবাসী সকলের কাছে দোয়া কামনা করছেন, যেন এই স্বপ্নের সেতু অল্প সময়ের মধ্যেই বাস্তবে রূপ নেয় এবং লক্ষীচরসহ আশপাশের এলাকার উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচন করে।

28/01/2026
10/01/2026
26/12/2025

শোক সংবাদ
লক্ষীরচর মধ্যপাড়া নিবাসী জনাব জগমণ্ডলের একমাত্র পুত্র ওয়াজেদ আলী মন্ডল আজ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে জামালপুর হাসপাতালে ইন্তেকাল ফরমায়েছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

🌿 লক্ষীরচর গ্রাম: ইতিহাস, ভূগোল ও মানুষের জীবনজামালপুর সদর উপজেলার ৩নং লক্ষীরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত লক্ষীরচর গ্রাম ব্রহ্মপ...
23/10/2025

🌿 লক্ষীরচর গ্রাম: ইতিহাস, ভূগোল ও মানুষের জীবন

জামালপুর সদর উপজেলার ৩নং লক্ষীরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত লক্ষীরচর গ্রাম ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী একটি জীবন্ত জনপদ। নদীভাঙন ও চরভূমির পরিবর্তনশীল ভূপ্রকৃতি এখানকার মানুষের জীবনে যেমন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে, তেমনি কৃষি, মৎস্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসা-কেন্দ্রিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনাও তৈরি করে।

📍 অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি

লক্ষীরচর গ্রাম ব্রহ্মপুত্র নদের ধারাবাহিক প্রবাহপথের পাশে অবস্থিত। নদী ঘোড়াধাপ ও তুলশীরচর পেরিয়ে লক্ষীরচর হয়ে নান্দিনা অভিমুখে বয়ে গেছে। ফলে নদীকেন্দ্রিক কৃষি, মৎস্য আহরণ ও নৌযাত্রা স্থানীয় জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। ইউনিয়নের পশ্চিমে জামালপুর পৌরসভা ও শরিফপুর, উত্তরে শেরপুর সদরের ঘুঘুরাকান্দি, পূর্বে তুলশীরচর এবং দক্ষিণে রানাগাছা—এভাবে সীমান্ত নির্ধারিত, যা গ্রামের সঙ্গে পাশ্ববর্তী বাজার ও সড়ক যোগাযোগকে সক্রিয় রেখেছে।

🏛 প্রশাসন ও জনসংখ্যা

লক্ষীরচর ইউনিয়নে মোট ৯টি ওয়ার্ড, ২৩টি গ্রাম ও ৭টি মৌজা রয়েছে। আয়তন প্রায় ১০.৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং আনুমানিক জনসংখ্যা প্রায় ২৮,৬৮৬ জন। গ্রামগুলোর মধ্যে লক্ষীরচর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় বসতি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় তালিকায় ইউনিয়নটি জামালপুর সদর উপজেলাভুক্ত হিসেবে সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা প্রশাসনিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

🎓 শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কয়েকটি প্রতিষ্ঠা ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৭০ সালে পূর্ণনির্মাণ পায়, যেখানে বর্তমানে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, ভূমিসেবা, কৃষি সহায়তা ও জনসেবামূলক কাঠামো সমন্বয়ে স্থানীয় উন্নয়ন ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলছে, যা গ্রামীণ পরিষেবাগুলোকে সহজলভ্য করেছে।

🌾 অর্থনীতি ও জীবিকা

ধান ও সবজি চাষ, গবাদিপশু পালন এবং নদীনির্ভর মৎস্য আহরণ স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড। পাশাপাশি জামালপুর শহর সংলগ্ন অবস্থানের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পরিষেবা খাতেও মানুষের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ হিসেবে জামালপুরের নকশিকাঁথা ও ক্ষুদ্রশিল্পের বিস্তার গ্রামের অর্থনীতিকে শহরের সঙ্গে যুক্ত করছে, যা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

🛣 যোগাযোগ ও অবকাঠামো

নান্দিনা বাজার ভায়া লক্ষীরচর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শেরপুর ও টাঙ্গাইলের সঙ্গে যোগাযোগ সময় ও ব্যয় উভয়ই কমবে—এটি স্থানীয়দের বহুদিনের প্রত্যাশা। পৌরসীমা সংলগ্ন অবস্থান ও ইউনিয়ন সড়ক নেটওয়ার্ক গ্রামের পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণকে আরও গতিশীল করেছে।

🎭 সংস্কৃতি ও জীবনধারা

ব্রহ্মপুত্রপাড়ের হাট-বাজার, নৌ-সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব ঘিরে লক্ষীরচরের সামষ্টিক জীবন প্রাণবন্ত। নদীর চরের মৌসুমি চাষাবাদ ও জেলেদের জীবনগাথা স্থানীয় লোকসংস্কৃতিতে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। জামালপুর শহরের শিল্প-ঐতিহ্যের সংস্পর্শে গ্রামীণ হস্তশিল্প ও নারী উদ্যোগের পথও ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে।

⚠️ ঝুঁকি ও স্থিতিস্থাপকতা

নদীভাঙন, বন্যা ও মৌসুমি দুর্যোগ এখানে পুনরাবৃত্ত চ্যালেঞ্জ। উপজেলা পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় ব্রহ্মপুত্রপাড়ের এই অঞ্চলকে ঝুঁকিপ্রবণ হিসেবে বিবেচনা করে সতর্কতা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থার দিকনির্দেশনা রয়েছে। স্থানীয় সেতু ও সড়ক উন্নয়ন, আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিরাপত্তা চর্চা সম্প্রদায়ের স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

🏷 প্রশাসনিক স্বীকৃতি ও পরিচিতি

সরকারি তালিকা ও তথ্যভাণ্ডারে ৩নং লক্ষীরচর ইউনিয়নের নাম ও কাঠামো সুস্পষ্টভাবে নথিভুক্ত। এটি গ্রামের প্রশাসনিক পরিচয়কে আরও গ্রহণযোগ্য ও দৃশ্যমান করে তুলেছে। উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য সূত্রে ইউনিয়নের অবস্থান ও সীমানা বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়, যা স্থানীয় গবেষণা ও লেখালেখির জন্য কার্যকর রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

🌱 আগামীর সম্ভাবনা

নান্দিনা-লক্ষীরচর সংযোগ সেতু, কৃষি-প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ জীবনমানে দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোগের বিকাশে লক্ষীরচর একদিন টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতির দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। MD Ashik

❤️‍🔥 আস্সালামুআলাইকুম ❤️‍🔥  💐 শুভ সকাল 🌅  ✨ আজ শুক্রবার – বরকতময় দিন 🕌  🗓 ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২৫  📆 ২৮শে ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্...
12/09/2025

❤️‍🔥 আস্সালামুআলাইকুম ❤️‍🔥
💐 শুভ সকাল 🌅

✨ আজ শুক্রবার – বরকতময় দিন 🕌
🗓 ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২৫
📆 ২৮শে ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
🕌 ১৮ই রবিউল আওয়াল ১৪৪৭ হিজরি
🍂 শরৎকাল চলছে 🥰

🤲 আল্লাহর রহমত ও বরকত
আজকের দিনে তোমার জীবনে নেমে আসুক।
সকালের প্রতিটা মুহূর্ত হোক শান্তিময়,
দিনটা হোক হাসিখুশি আর সফলতায় ভরা! 💛

সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট, যেভাবে পাবেন সকল মোবাইল গ্রাহকঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০২৫: ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দ...
18/07/2025

সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট, যেভাবে পাবেন সকল মোবাইল গ্রাহক
ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০২৫: ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ স্মরণে বাংলাদেশ সরকার দেশের সকল মোবাইল ফোন গ্রাহককে বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট ডেটা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই নির্দেশনা জারি করেছে। শুক্রবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৫ ‘ফ্রি ইন্টারনেট ডে’ হিসেবে পালিত হচ্ছে এবং এই দিনেই সকল গ্রাহক এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ডিজিটাল সংযুক্তির প্রসার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্যকে স্মরণীয় করে রাখা। সরকারের এই পদক্ষেপে দেশের সব মোবাইল অপারেটর—গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক এবং টেলিটক—অংশগ্রহণ করছে।
যেভাবে বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট পাবেন:
বিনামূল্যে ১ জিবি ডেটা পেতে গ্রাহকদের নিজ নিজ মোবাইল অপারেটরের জন্য নির্ধারিত ইউএসএসডি (USSD) কোড ডায়াল করতে হবে। অপারেটর ভেদে কোডগুলো নিচে দেওয়া হলো:
* গ্রামীণফোন (Grameenphone): *121*1807 #
* রবি (Robi) ও এয়ারটেল (Airtel): *4*1807 #
* বাংলালিংক (Banglalink): *121*1807 #
* টেলিটক (Teletalk): *111*1807 #
অফারের বিস্তারিত:
* পরিমাণ: ১ জিবি (গিগাবাইট) ইন্টারনেট ডেটা।
* যোগ্যতা: দেশের সকল প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড মোবাইল গ্রাহক এই অফারের জন্য যোগ্য।
* মেয়াদ: প্রাপ্ত ১ জিবি ডেটার মেয়াদ থাকবে ৫ দিন।
* খরচ: এই অফারটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, এর জন্য কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না।
বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটরদের প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপারেটরগুলোও তাদের গ্রাহকদের এসএমএসের মাধ্যমে এই অফার সম্পর্কে অবহিত করবে বলে জানা গেছে।
এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং নাগরিক পর্যায়ে ইন্টারনেটের ব্যবহারকে আরও সহজলভ্য করার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দেশের সকল মোবাইল ব্যবহারকারীকে নির্ধারিত দিনে তাদের নিজ নিজ কোড ডায়াল করে এই সুবিধা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

Address

Jamalpur

Telephone

+8801407284372

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রিয় লক্ষীরচর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to প্রিয় লক্ষীরচর:

Share